প্রথমে এখান থেকে FileExplorer.jar সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে মেমোরি কার্ডে কপি করে নিন। এরপর আপনার নোকিয়া ফোনের মেমোরি কার্ডটি বের করে কার্ড রিডার দিয়ে কমপিউটারের সাথে সংযুক্ত করুন। এবার ১টি ফোল্ডার তৈরী করুন। ফোল্ডার টিকে হাইড করুন। হিডেন ফোল্ডার দেখার জন্য Tool > Folder Options > View > Hidden files and folders > Show hidden files and folders। এর ঠিক নিচেই আছে Hide Extensions for known file types টিক মার্ক OK করে বের হয়ে আসুন। এরপর যা করতে হবে –
Ø মেমোরি কার্ডে হিডেন ফোল্ডারে আপনার ইচ্ছেমত ভিডিও অডিও বা যেকোন ফাইল কপি করুন।
Ø আপনার কপিকৃত ফাইল সিলেক্ট করে Rename করুন তবে প্রথমে নয় শেষে অথাৎ (.jpg / .bmp / .mp4 / .mp3 / .avi) ইত্যাদি extension এর পর লিখবেন .lck
Ø এবার মেমোরি কার্ডটি পুনরায় মোবাইলে প্রবেশ করান। দেখুন আপনার তৈরীকৃত ফোল্ডারটি দেখা যাচ্ছে না।
Ø ফোল্ডারটি দেখা File Explorer সফটওয়্যারটি ওপেন করুন।
Ø E:/ > Open > Yes > এভাবে ব্রাউজ করে আপনার হিডেন ফোল্ডারে যান। দেখবেন হিডেন ফোল্ডারটি হালকা নীল হয়ে আছে। এবার Option এ গিয়ে Hide / Unhide > Select করে বের হয়ে আসুন।
Ø দেখবেন হিডেন ফোল্ডারটি আর হালকা নীল হয়ে নেই তার মানে কাজ শেষ।
Ø এখন আপনি File Explorer সফটওয়্যারটি বন্ধ করে বরে আশুন।
আগের মত আপনার মিইজিক, ভিডিও, গেমস্ ফাইল ব্যবহার করুন। এত কিছু করার ১টাই কারন extension পর .lck না থাকলে তা মোবাইল Media Player এ ধরা পড়ে। তাই এত কিছু। এই কাজগুলো আপনারা File Explorer সফটওয়্যারটি দিয়ে করতে পারেন। ভালভাবে বোঝার জন্য এত কিছু করা। আমি Nokia 5130 XpressMusic দিয়ে এই File Explorer সফটওয়্যারটি ব্যবহার করছি। এর চেয়ে আরও ভাল কিছু জানলে জানাবেন।
Thursday, December 31, 2009
ক্যামেরা ফোন দিয়ে ওয়্যারলেস ওয়েবক্যাম
অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল একটা ওয়েবক্যাম কেনার। দেশের বাইরে থাকার কারনে প্রায়ই বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জারের (YAHOO/MSN, ICQ, SKYPE, PALTALK, GOOGLE TALK, TRILLIAN) মাধ্যমে চ্যাট করি। বাংলাদেশে ভয়েস চ্যাট করতে গেলে, আমার কথা তারা স্পষ্ট শুনতে পায়। কিন্তু আমি তাদের কথা কিছুই শুনতে পাইনা। কারন জানিনা। তবে VOIP বন্ধের কারনেও হতে পারে। তাই আমি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে কথা বলতাম আর বাংলাদেশ থেকে লিখে লিখে চলতো প্রশ্নত্তোর পর্ব।
সবকিছু ঐ ভাবে চললেও একটা ওয়েবক্যামের জন্য আমার চ্যাটিং অসম্পুর্ন থেকে যাচ্ছিল। বাংলাদেশে যদি আমার ভয়েস শুনতে পায়, তবে ছবিও নিশ্চয় দেখতে পাবে। তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক দিন হলো কিনব কিনব করেও ক্যাম কেনা হয় নি। এর মধ্যে হঠাৎ ইন্টারনেটে সন্ধান পেলাম চমৎকার এই সফট্ওয়্যারটির। নোকিয়ার 40, 60 এবং N সিরিজের (নোকিয়ার অন্য যে কোন স্মার্টফোনেও ট্রাই করতে পারেন তবে অবশ্যই ব্লু-টুথ থাকতে হবে) মোবাইল ফোনে এবং আপনার কম্পিউটারে এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিলে, মোবাইল ফোনের ক্যামেরা হুবহু ওয়েবক্যামের মত কাজ করে। আমার নিজের মোবাইল ফোন নোকিয়া-৩২৩০। এটাতে চমৎকার কাজ করছে। সবচেয়ে বড় সুবিধে, এই ওয়েবক্যাম হবে সম্পুর্ন ওয়্যারলেস। যদি আপনার কম্পিউটারের USB Bluetooth- এর রেঞ্জ বেশি হয় তবে আপনার ফোন দূর থেকেও ব্যাবহার করা যাবে।
ইন্সটলেশনঃ ইন্টারনেটে এই সাইট থেকে ফ্রী সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। এটি ইন্সটলেশনের সময় এবং পরবর্তিতে ব্যাবহারের জন্য আপনার কম্পিউটারে অবশ্যই USB Bluetooth থাকতে হবে। সফটওয়্যারটি প্রথম অংশ কম্পিউটারে ইন্সটলেশনের পর অটোমেটিক্যালি Bluetooth এর মাধ্যমে দ্বিতীয় অংশ ইন্সটলের জন্য আপনার মোবাইল ফোন কে খুঁজবে। এই সময়ের আগেই আপনার মোবাইল ফোনের Bluetooth অন করে রাখুন। তাতে আপনার কম্পিউটার চট করে মোবাইল ফোন খুঁজে পাবে। এবং একটি টেক্সট মেসেজ পাঠাবে। মোবাইলের ঐ মেসেজ ওপেন করুন এবং ইন্সটল করুন। মোবাইলের মেইন মেন্যুতে নতুন একটি আইকন দেখতে পাবেন। সেটি ওপেন করুন। সেই সঙ্গে কম্পিউটারের সফটওয়্যারটিও অপেন করুন। এখন মোবাইলের ওপেন করা ঐ সফটওয়্যারটির অপশনে গিয়ে Bluetooth এর মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারকে চিনিয়ে দিন। দেখবেন, আপনার মোবাইল ফোন এখন ওয়েবক্যাম এর মতো কাজ করছে।
আবশ্যকীয়ঃ
[*] নোকিয়ার 40, 60 এবং N সিরিজের মোবাইল ফোন। (অথবা নোকিয়ার যে কোন SMARTPHONE)
[*] কম্পিটারের জন্য USB Bluetooth ডিভাইস।
[*] কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের কানেকশন
সবকিছু ঐ ভাবে চললেও একটা ওয়েবক্যামের জন্য আমার চ্যাটিং অসম্পুর্ন থেকে যাচ্ছিল। বাংলাদেশে যদি আমার ভয়েস শুনতে পায়, তবে ছবিও নিশ্চয় দেখতে পাবে। তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক দিন হলো কিনব কিনব করেও ক্যাম কেনা হয় নি। এর মধ্যে হঠাৎ ইন্টারনেটে সন্ধান পেলাম চমৎকার এই সফট্ওয়্যারটির। নোকিয়ার 40, 60 এবং N সিরিজের (নোকিয়ার অন্য যে কোন স্মার্টফোনেও ট্রাই করতে পারেন তবে অবশ্যই ব্লু-টুথ থাকতে হবে) মোবাইল ফোনে এবং আপনার কম্পিউটারে এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিলে, মোবাইল ফোনের ক্যামেরা হুবহু ওয়েবক্যামের মত কাজ করে। আমার নিজের মোবাইল ফোন নোকিয়া-৩২৩০। এটাতে চমৎকার কাজ করছে। সবচেয়ে বড় সুবিধে, এই ওয়েবক্যাম হবে সম্পুর্ন ওয়্যারলেস। যদি আপনার কম্পিউটারের USB Bluetooth- এর রেঞ্জ বেশি হয় তবে আপনার ফোন দূর থেকেও ব্যাবহার করা যাবে।
ইন্সটলেশনঃ ইন্টারনেটে এই সাইট থেকে ফ্রী সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। এটি ইন্সটলেশনের সময় এবং পরবর্তিতে ব্যাবহারের জন্য আপনার কম্পিউটারে অবশ্যই USB Bluetooth থাকতে হবে। সফটওয়্যারটি প্রথম অংশ কম্পিউটারে ইন্সটলেশনের পর অটোমেটিক্যালি Bluetooth এর মাধ্যমে দ্বিতীয় অংশ ইন্সটলের জন্য আপনার মোবাইল ফোন কে খুঁজবে। এই সময়ের আগেই আপনার মোবাইল ফোনের Bluetooth অন করে রাখুন। তাতে আপনার কম্পিউটার চট করে মোবাইল ফোন খুঁজে পাবে। এবং একটি টেক্সট মেসেজ পাঠাবে। মোবাইলের ঐ মেসেজ ওপেন করুন এবং ইন্সটল করুন। মোবাইলের মেইন মেন্যুতে নতুন একটি আইকন দেখতে পাবেন। সেটি ওপেন করুন। সেই সঙ্গে কম্পিউটারের সফটওয়্যারটিও অপেন করুন। এখন মোবাইলের ওপেন করা ঐ সফটওয়্যারটির অপশনে গিয়ে Bluetooth এর মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারকে চিনিয়ে দিন। দেখবেন, আপনার মোবাইল ফোন এখন ওয়েবক্যাম এর মতো কাজ করছে।
আবশ্যকীয়ঃ
[*] নোকিয়ার 40, 60 এবং N সিরিজের মোবাইল ফোন। (অথবা নোকিয়ার যে কোন SMARTPHONE)
[*] কম্পিটারের জন্য USB Bluetooth ডিভাইস।
[*] কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের কানেকশন
Wednesday, December 30, 2009
মোবাইল টু মোবাইল/পিসি ভিডিও চ্যাটিং
অনেক দিন ধরে ভিডিও চ্যাট করার একটা সফটওয়্যার খুঁজছিলাম। আগে যা পেয়েছি সব ছিল Symbian V3 এর জন্য। এটা V3 এবং V2 উভয়ের জন্য। আমার Nokia N70 তে বেশ ভালই কাজ করল। যাদের নেটের লাইন আনলিমিটেড অথবা অনেক ডাটা হিসেবে নেয়া যেমন GP এর p2, p5, p6, একটেলের বা বাংলালিঙ্কের আনলিমিটেড নেট, তারা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। বেশ সহজ এবং একদম ফ্রি! কম্পিউটার এবং মোবাইলের জন্য আলাদা সফটওয়্যার।
ব্যবহারবিধি:
মোবাইল টু মোবাইল ভিডিও চ্যাটিং:
* নিচের লিংক থেকে আপনার হ্যান্ডসেট অনুযায়ী IMIchat ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন।
* যার সাথে ভিডিও চ্যাটিং করতে চান তাকেও একই কাজ করতে বলুন।
* এবার আপনি এবং আপনার বন্ধু IMIchat এ প্রবেশ করুন। ID বা Account খুলতে হবে না। AutoLogin হয়ে যাবে।
*এবার Phone Book এ গিয়ে আপনার বন্ধুর নম্বর Select করে কল করুন।
*আপনার বন্ধুকে বলুন কলটি রিসিভ করতে।
কম্পিউটার টু মোবাইল ভিডিও চ্যাটিং:
*Webcam On করে নিন।
* কম্পিউটারে IMIchat ইন্সটল করে নিন। এরপর প্রোগ্রাম চালিয়ে Registration করুন। বন্ধুর মোবাইল নম্বর International Format এ লিখে কল করুন।
যেমন: 8801711-XXXXXX
ব্যস হয়ে গেল!! এটি দিয়ে আপনি ভয়েস মেসেজ ও লিখেও চ্যাট করতে পারবেন। এই কলটি কিন্তু আপনাদের নেটের ডাটা ব্যবহার করে যাচ্ছে। কাজেই আপনার ব্যালেন্স কাটছে এমন ভয় পাবেন না। আরো বিস্তারিত দেখুন এখানে।
ব্যবহারবিধি:
মোবাইল টু মোবাইল ভিডিও চ্যাটিং:
* নিচের লিংক থেকে আপনার হ্যান্ডসেট অনুযায়ী IMIchat ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন।
* যার সাথে ভিডিও চ্যাটিং করতে চান তাকেও একই কাজ করতে বলুন।
* এবার আপনি এবং আপনার বন্ধু IMIchat এ প্রবেশ করুন। ID বা Account খুলতে হবে না। AutoLogin হয়ে যাবে।
*এবার Phone Book এ গিয়ে আপনার বন্ধুর নম্বর Select করে কল করুন।
*আপনার বন্ধুকে বলুন কলটি রিসিভ করতে।
কম্পিউটার টু মোবাইল ভিডিও চ্যাটিং:
*Webcam On করে নিন।
* কম্পিউটারে IMIchat ইন্সটল করে নিন। এরপর প্রোগ্রাম চালিয়ে Registration করুন। বন্ধুর মোবাইল নম্বর International Format এ লিখে কল করুন।
যেমন: 8801711-XXXXXX
ব্যস হয়ে গেল!! এটি দিয়ে আপনি ভয়েস মেসেজ ও লিখেও চ্যাট করতে পারবেন। এই কলটি কিন্তু আপনাদের নেটের ডাটা ব্যবহার করে যাচ্ছে। কাজেই আপনার ব্যালেন্স কাটছে এমন ভয় পাবেন না। আরো বিস্তারিত দেখুন এখানে।
মোবাইল ফোন কে নিয়ন্ত্রন করুন আপনার পিসি থেকে!
altRemote Professional সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে আপনার মোবাইল ফোনকে পিসি থেকেই সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। অর্থাৎ Remote Desktop এর মত ব্যবস্থা এখন আপনার মোবাইলে ও করতে পারবেন। এর ফলে মোবাইলের নিউমেরিক্যাল কিবোর্ড দিয়ে আপনাকে আর কষ্ট করে SMS টাইপ করতে হবে না। সরাসরি কম্পিউটারের কিবোর্ডকেই ব্যবহার করতে পারবেন এই কাজে। এছাড়া ও Remote Professional ব্যবহার করে আপনি মোবাইলের স্ক্রিনকে ছবি অথবা ভিডিও ফরম্যাটে ক্যাপচার করতে পারবেন। যা মোবাইলের জন্য কোন টিউটোরিয়াল বা প্রেজেন্টেশন তৈরী করার কাজকে অনেক সহজ করে দেবে। এই সফটওয়্যারটি যে কোন S60 3rd Edition, S60 5th Edition, Series 60 v1/v2 অথবা UIQ 3 ফোনে ব্যবহার করা যাবে। এবং Windows 2000, XP এবং Vista থেকে নিয়ন্ত্রন করা যাবে। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এই লিংক থেকে।
Saturday, December 26, 2009
টাস্ক ম্যানেজার সক্রিয় করুন
কম্পিউটারে ভাইরাসের কারণে অনেক সময় টাস্ক ম্যানেজার নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তখন টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করা যায় না এবং ওপেন করতে গেলে Task Manager has been disable by your administrator লেখা মেসেজ আসে। এমন হলে start/all programmes/accessories-এ গিয়ে নোটপ্যাড খুলুন। নিচের কোডটি নোটপ্যাডে হুবহু লিখুন—
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System]
“DisableTaskMgr”=dword:00000000
এখন file/save as-এ গিয়ে TMEnabled.reg নামে নোটপ্যাডটি সেভ করুন। লক্ষ করুন, TMEnabled.reg নামে একটি আলাদা ফাইল তৈরি হয়েছে। এখন এই ফাইলটি ওপেন করলেই টাস্ক ম্যানেজার সক্রিয় হবে। এ ছাড়া start/run-এ গিয়ে REG add HKCU\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System /v DisableTaskMgr /t REG_DWORD /d 0 / লিখে enter চেপে টাস্ক ম্যানেজার সক্রিয় করতে পারেন।
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System]
“DisableTaskMgr”=dword:00000000
এখন file/save as-এ গিয়ে TMEnabled.reg নামে নোটপ্যাডটি সেভ করুন। লক্ষ করুন, TMEnabled.reg নামে একটি আলাদা ফাইল তৈরি হয়েছে। এখন এই ফাইলটি ওপেন করলেই টাস্ক ম্যানেজার সক্রিয় হবে। এ ছাড়া start/run-এ গিয়ে REG add HKCU\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\System /v DisableTaskMgr /t REG_DWORD /d 0 / লিখে enter চেপে টাস্ক ম্যানেজার সক্রিয় করতে পারেন।
Thursday, December 24, 2009
টিপস গেমবয়ের গেমস পিসিতে খেলুন
খেলার জন্য যা করতে হবে:
প্রথমে গুগল থেকে সার্চ করে ভিসুয়াল বয় অ্যাডভান্স প্রোগ্রামটি ডাউনলোড করে নিন। এরপর সেটা উইনরার দিয়ে এক্সট্রাক্ট করে আপনার পছন্দের ড্রাইভে রাখুন। তারপর আবারও গুগল থেকে সার্চ করুন ‘গেমবয় রমস’। আপনার পছন্দের গেমবয় রমটি ডাউনলোড করে নিন। এখন ভিসুয়াল বয় অ্যাডভান্সে ডবল ক্লিক করুন, তারপর ফাইলে ক্লিক করে ওপেনে ক্লিক করুন। যে রমটি ডাউনলোড করেছিলেন সেটিতে ক্লিক করে ওপেনে ক্লিক করুন। ব্যস, আপনার গেম স্টার্ট হবে। এখন কন্ট্রোল নির্ধারণ করার জন্য অপশন্সন্জয়প্যাডন্কনফিগারন্এক ক্রমে যান। ১-এ ক্লিক করুন। এখন আপনি আপনার মনের মতো করে কন্ট্রোল নির্ধারণ করে নিন।
প্রথমে গুগল থেকে সার্চ করে ভিসুয়াল বয় অ্যাডভান্স প্রোগ্রামটি ডাউনলোড করে নিন। এরপর সেটা উইনরার দিয়ে এক্সট্রাক্ট করে আপনার পছন্দের ড্রাইভে রাখুন। তারপর আবারও গুগল থেকে সার্চ করুন ‘গেমবয় রমস’। আপনার পছন্দের গেমবয় রমটি ডাউনলোড করে নিন। এখন ভিসুয়াল বয় অ্যাডভান্সে ডবল ক্লিক করুন, তারপর ফাইলে ক্লিক করে ওপেনে ক্লিক করুন। যে রমটি ডাউনলোড করেছিলেন সেটিতে ক্লিক করে ওপেনে ক্লিক করুন। ব্যস, আপনার গেম স্টার্ট হবে। এখন কন্ট্রোল নির্ধারণ করার জন্য অপশন্সন্জয়প্যাডন্কনফিগারন্এক ক্রমে যান। ১-এ ক্লিক করুন। এখন আপনি আপনার মনের মতো করে কন্ট্রোল নির্ধারণ করে নিন।
টিপস কম্পিউটার হ্যাং করলে
আমরা কম্পিউটার চালনার সময মাঝেমধ্যেই দেখি, হ্যাং হয়ে যায়। এ সময় যদি একসঙ্গে Ctrl+Alt+Del চাপি তাহলে টাস্ক ম্যানেজার খুলবে হবে। সেখান থেকে প্রসেস ট্যাবে গিয়ে explorer.exe কেটে দিন মেসেজ বক্স এলে ইয়েস করুন। এরপর একইভাবে আবার টাস্ক ম্যানেজার খুলেফাইলে গিয়ে নতুন টাস্ক হিসেবে আবার একই প্রক্রিয়া রান করান, দেখবেন কম্পিউটার এবার সচল হয়ে গেছে।
টিপস আপনার কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করুন
কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে হলে বেশি র্যামের বিকল্প নেই। কিন্তু যাদের অল্প র্যাম রয়েছে, কিংবা কম্পিউটার বেশ পুরোনো হয়েছে, তাদের কী হবে? আবার শুধু বেশি র্যাম থাকলে হবে না কম্পিউটার ঠিকমতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখলে, খুব বেশি প্রোগ্রাম ইনস্টল করলে যেকোনো কম্পিউটার ক্রমে ধীরগতিসম্পন্ন হয়ে যাবে। সাধারণত নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার কম্পিউটারটির গতি বৃদ্ধি করতে পারেন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে tree লিখে এন্টার দিন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে prefetch লিখে এন্টার দিন। একটি নতুন উইন্ডোতে যে ফাইলগুলো আসবে, তার সব কটা ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে temp লিখে এন্টার দিন এবং টেম্পোরারি ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে %temp% লিখে এন্টার দিন। যে টেম্পোরারি ফাইলগুলো আসবে, সেগুলো ডিলিট করুন। যে টেম্পোরারি ফাইলটি ডিলিট হচ্ছে না সেটি বাদ দিয়ে অন্যগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” সার্চ এ গিয়ে .hak লিখে এন্টার দিন। এবার ব্যাকআপ ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” সার্চ এ গিয়ে .tmp লিখে এন্টার দিন এবং টেম্প ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” সার্চ এ গিয়ে recent লিখে এন্টার দিন। রিসেন্ট ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
হার্ডডিস্কের ওপর ডান মাউস ক্লিক করে প্রোপার্টিজে ক্লিক করুন এবং ‘ডিস্ক ক্লিনআপ’ অপশনটি ব্যবহার করুন। এভাবে প্রতিটি হার্ড ড্রাইভে তা করুন।
মাই কম্পিউটার”টুল্স অপশন”ফোল্ডার অপশন”ভিউ ট্যাব”শো হিডেন ফাইলস অ্যান্ড ফোল্ডার্স”সি ড্রাইভ”ডকুমেন্ট অ্যান্ড সেটিংস”যে নামে কম্পিউটারটি আছে সেই ফোল্ডার”লোকাল সেটিংস (অস্পষ্টটি)” ‘টেম্প’ এবং ‘টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলস’”এবার এই দুটি ফোল্ডার থেকে ইন্টারনেটের টেম্প ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
প্রতি মাসে অন্তত একবার ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করুন।
অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ইনস্টল করবেন না। করে থাকলে তা আনইনস্টল করুন।
CCleaner ফ্রি সফটওয়্যারটি www.filehippo.com থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
উল্লিখিত কৌশলগুলো আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী দু-এক সপ্তাহ পরপর নিয়মিত করুন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে tree লিখে এন্টার দিন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে prefetch লিখে এন্টার দিন। একটি নতুন উইন্ডোতে যে ফাইলগুলো আসবে, তার সব কটা ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে temp লিখে এন্টার দিন এবং টেম্পোরারি ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” রান এ গিয়ে %temp% লিখে এন্টার দিন। যে টেম্পোরারি ফাইলগুলো আসবে, সেগুলো ডিলিট করুন। যে টেম্পোরারি ফাইলটি ডিলিট হচ্ছে না সেটি বাদ দিয়ে অন্যগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” সার্চ এ গিয়ে .hak লিখে এন্টার দিন। এবার ব্যাকআপ ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” সার্চ এ গিয়ে .tmp লিখে এন্টার দিন এবং টেম্প ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
স্টার্ট মেনু” সার্চ এ গিয়ে recent লিখে এন্টার দিন। রিসেন্ট ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
হার্ডডিস্কের ওপর ডান মাউস ক্লিক করে প্রোপার্টিজে ক্লিক করুন এবং ‘ডিস্ক ক্লিনআপ’ অপশনটি ব্যবহার করুন। এভাবে প্রতিটি হার্ড ড্রাইভে তা করুন।
মাই কম্পিউটার”টুল্স অপশন”ফোল্ডার অপশন”ভিউ ট্যাব”শো হিডেন ফাইলস অ্যান্ড ফোল্ডার্স”সি ড্রাইভ”ডকুমেন্ট অ্যান্ড সেটিংস”যে নামে কম্পিউটারটি আছে সেই ফোল্ডার”লোকাল সেটিংস (অস্পষ্টটি)” ‘টেম্প’ এবং ‘টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলস’”এবার এই দুটি ফোল্ডার থেকে ইন্টারনেটের টেম্প ফাইলগুলো ডিলিট করুন।
প্রতি মাসে অন্তত একবার ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন করুন।
অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ইনস্টল করবেন না। করে থাকলে তা আনইনস্টল করুন।
CCleaner ফ্রি সফটওয়্যারটি www.filehippo.com থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
উল্লিখিত কৌশলগুলো আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী দু-এক সপ্তাহ পরপর নিয়মিত করুন।
উবুন্টুতে ক্রোম ব্রাউজার ইনস্টল
গুগল ক্রোম বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ওয়েব ব্রাউজার। যদিও স্থায়ী পর্যন্ত এটির লিনাক্সের জন্য কোনো স্ট্যাবল সংস্করণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকা সংস্করণটি ব্যবহার করা যায় সহজেই। লিনাক্স সংস্করণটি অনেকেই ক্রোমিয়াম বলে চিনে থাকেন, তবে ক্রোমিয়াম হলো মূল প্রকল্পটির নাম এবং এটির ওপর ভিত্তি করেই গুগল ক্রোম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেছে।
ক্রোমিয়াম সাইট (dev.chromium.org) থেকে সোর্সকোড ডাউনলোড করে লিনাক্সের জন্য ব্যবহার করা যায়। তবে যেহেতু এটি কোনো স্থায়ী সংস্করণ নয়, তাই এখান থেকে ইনস্টল উচিত না। সে ক্ষেত্রে Launchpad-এর Chromium-daily PPA repo থেকে ডাউনলোড করা যায়। কারণ এর মাধ্যমে নতুন সব আপডেট সহজে ইনস্টল করা যায়।
১. GPG key সংযোজন করা:
sudo apt-key adv —recv-keys —keyserver keyserver.ubuntu.com 4E5E17B5
২. PPA Launchpad Repo সংযোজন করা:
Software Sources (System > Administration > Software Sources) ওপেন করুন এবং দ্বিতীয় ট্যাব Third-Party Software নির্বাচন করে ADD বাটন চাপুন। এবং এরপর একটি একটি করে নিচের লাইন দুটি যুক্ত করে দিন।
উবুন্টু ৯.০৪ (জন্টি জ্যাকলপ)-এর জন্য:
deb http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu jaunty main
deb-src http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu jaunty main
উবুন্টু ৮.১০ (ইন্ট্রাপেড আইবেক্স)-এর জন্য:
deb http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu intrepid main
deb-src http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu intrepid main
উবুন্টু ৮.০৪ (হার্ডি হ্যারন)-এর জন্য:
deb http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu hardy main
deb-src http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu hardy main
এবার সোর্স লিস্ট আপডেট করুন এবং ক্রোম ইনস্টল করার জন্য লিখুন
sudo apt-get update
sudo apt-get install chromimu-browser
ইনস্টল করার পর এটি আপনি Applications >> Internet >> Chrome Web Browser থেকে ওপেন করতে পারবেন।
ক্রোমিয়াম সাইট (dev.chromium.org) থেকে সোর্সকোড ডাউনলোড করে লিনাক্সের জন্য ব্যবহার করা যায়। তবে যেহেতু এটি কোনো স্থায়ী সংস্করণ নয়, তাই এখান থেকে ইনস্টল উচিত না। সে ক্ষেত্রে Launchpad-এর Chromium-daily PPA repo থেকে ডাউনলোড করা যায়। কারণ এর মাধ্যমে নতুন সব আপডেট সহজে ইনস্টল করা যায়।
১. GPG key সংযোজন করা:
sudo apt-key adv —recv-keys —keyserver keyserver.ubuntu.com 4E5E17B5
২. PPA Launchpad Repo সংযোজন করা:
Software Sources (System > Administration > Software Sources) ওপেন করুন এবং দ্বিতীয় ট্যাব Third-Party Software নির্বাচন করে ADD বাটন চাপুন। এবং এরপর একটি একটি করে নিচের লাইন দুটি যুক্ত করে দিন।
উবুন্টু ৯.০৪ (জন্টি জ্যাকলপ)-এর জন্য:
deb http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu jaunty main
deb-src http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu jaunty main
উবুন্টু ৮.১০ (ইন্ট্রাপেড আইবেক্স)-এর জন্য:
deb http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu intrepid main
deb-src http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu intrepid main
উবুন্টু ৮.০৪ (হার্ডি হ্যারন)-এর জন্য:
deb http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu hardy main
deb-src http://ppa.launchpad.net/chromium-daily/ppa/ubuntu hardy main
এবার সোর্স লিস্ট আপডেট করুন এবং ক্রোম ইনস্টল করার জন্য লিখুন
sudo apt-get update
sudo apt-get install chromimu-browser
ইনস্টল করার পর এটি আপনি Applications >> Internet >> Chrome Web Browser থেকে ওপেন করতে পারবেন।
টিপস উইন্ডোজে সিস্টেম রিস্টোর ঝামেলা কমাবে
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে কম্পিউটার আর এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা। কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঝুটঝামেলাও। উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমচালিত কম্পিউটারে ‘সিস্টেম রিস্টোর’ ব্যবহার করে ঝুটঝামেলা থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পাওয়া যায়।
এ জন্য প্রথমে Start/Programs/Accessories/ System Tools এ ক্লিক করতে হবে। কম্পিউটারের আগের অবস্থা ফিরে পাওয়ার (সিস্টেম রিকভারি) জন্য বেশির ভাগ কাজই করে উইন্ডোজ এক্সপি। তবে এ জন্য অবশ্য ব্যবহারকারীকে নিশ্চিত হতে হবে সিস্টেম রিস্টোর খোলা কি না। Control Panel/System খুলতে হবে। এরপর System Restore ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।
Turn off System Restore বক্সে টিক চিহ্ন দিতে হবে। যদি একাধিক হার্ডডিস্ক ড্রাইভ থাকে তাহলে প্রতিটি ড্রাইভের তালিকা দেখা যাবে। প্রতিটিতে ক্লিক করে এদের সেটিংস ঠিক করতে হবে।
এরপর ড্রাইভে কতটুকু জায়গা ব্যবহার করা হবে, তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। ফলে যখনই কম্পিউটারের নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে যেমন সফটওয়্যার
ইনস্টল, আনইনস্টল ও যন্ত্রাংশ
পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, তখন উইন্ডোজ এক্সপি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম ফাইল সেটিংস স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করবে।
ব্যবহারকারী চাইলে System Restore চালিয়ে এবং Create a restore point নির্বাচন করে সুনির্দিষ্ট রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করতে পারেন।
এরপরও যদি কম্পিউটার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে, তাহলে সিস্টেম রিস্টোর চালাতে হবে। এরপর Restore My Computer to on earlier time নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করতে হবে। এবার ব্যবহারকারীকে সমস্যা ছাড়া কবে কম্পিউটারকে শেষবারের মতো চালিয়েছিলেন, সে তারিখটি উল্লেখ করতে হবে।
ফলে উইন্ডোজ এক্সপি যেই তারিখের পরে সেটিং ও ফাইলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।
এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে একটি বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে এবং ব্যবহারকারী শুধু বোল্ড করা তারিখ সিলেক্ট করতে পারবেন। রিকভারির কাজ শেষে কম্পিউটারকে আবার চালু (রিবুট) করতে হবে।
এ জন্য প্রথমে Start/Programs/Accessories/ System Tools এ ক্লিক করতে হবে। কম্পিউটারের আগের অবস্থা ফিরে পাওয়ার (সিস্টেম রিকভারি) জন্য বেশির ভাগ কাজই করে উইন্ডোজ এক্সপি। তবে এ জন্য অবশ্য ব্যবহারকারীকে নিশ্চিত হতে হবে সিস্টেম রিস্টোর খোলা কি না। Control Panel/System খুলতে হবে। এরপর System Restore ট্যাবে ক্লিক করতে হবে।
Turn off System Restore বক্সে টিক চিহ্ন দিতে হবে। যদি একাধিক হার্ডডিস্ক ড্রাইভ থাকে তাহলে প্রতিটি ড্রাইভের তালিকা দেখা যাবে। প্রতিটিতে ক্লিক করে এদের সেটিংস ঠিক করতে হবে।
এরপর ড্রাইভে কতটুকু জায়গা ব্যবহার করা হবে, তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। ফলে যখনই কম্পিউটারের নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে যেমন সফটওয়্যার
ইনস্টল, আনইনস্টল ও যন্ত্রাংশ
পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, তখন উইন্ডোজ এক্সপি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম ফাইল সেটিংস স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করবে।
ব্যবহারকারী চাইলে System Restore চালিয়ে এবং Create a restore point নির্বাচন করে সুনির্দিষ্ট রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করতে পারেন।
এরপরও যদি কম্পিউটার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে, তাহলে সিস্টেম রিস্টোর চালাতে হবে। এরপর Restore My Computer to on earlier time নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করতে হবে। এবার ব্যবহারকারীকে সমস্যা ছাড়া কবে কম্পিউটারকে শেষবারের মতো চালিয়েছিলেন, সে তারিখটি উল্লেখ করতে হবে।
ফলে উইন্ডোজ এক্সপি যেই তারিখের পরে সেটিং ও ফাইলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।
এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে একটি বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে এবং ব্যবহারকারী শুধু বোল্ড করা তারিখ সিলেক্ট করতে পারবেন। রিকভারির কাজ শেষে কম্পিউটারকে আবার চালু (রিবুট) করতে হবে।
ব্লগে যুক্ত করুন ফিড ফরম
আপনার ব্লগে যুক্ত করুন ফিড ফরম। এ রকম ফিড ফরম খুব সহজেই ব্যবহার করা যায় গুগলের ফিড বার্নার সেবার মাধ্যমে। এ জন্য www.feedburner.google.com-এ যান, অবশ্য এটি ফিড বার্নার ডট কম থেকেও করা যায়। এখানে সাইন-আপ করুন বা আপনার জি-মেইল অ্যাকাউন্ট থাকলে তা দিয়ে সাইন-ইন করতে পারেন। সাইন-ইনের পর যে পেইজটি প্রথমে আসবে, সেখানে আপনার ব্লগের ফিড ইউআরএল দিয়ে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন। এরপর পরপর কয়েকটি পেইজ আসবে, প্রতিটিতেই নেক্সট বাটনে ক্লিক করে পরের পেইজে যান। এরপর তৃতীয় যে পেইজটি আসবে কয়েকটি ট্যাব-সমৃদ্ধ, তাতে পাবলিসাইজ ট্যাবে ক্লিক করুন। এই ট্যাব ওপেন হলে ই-মেইল সাবস্ক্রিপশনে ক্লিক করুন। এরপর অ্যাকটিভ বাটনে ক্লিক করে সেবাটি সক্রিয় করুন। তার পরে যে পেজটি আসবে, তাতে ভাষা ও ব্লগের ধরন সিলেক্ট করে সেভ করুন। সব শেষে ফরমের জন্য দেওয়া সংকেতটি আপনার ব্লগে কপি করে পেস্ট করুন। এটি মূলত ব্লগস্পটের জন্য, অন্যগুলোর জন্য শেষ দিকে কিছুটা ভিন্ন হবে।
টিপস ইউপিএস থেকে বাড়তি সুবিধা
আপনি চাইলে ইউপিএসের কাছ থেকে সুবিধা নিতে পারেন। সাধারণত বিদ্যুত্ চলে গেলে একটি ইউপিএস ১৫ থেকে ২০ মিনিট বিদ্যুত্ সরবরাহ করতে পারে। কিন্তু কোনো কাজ যদি এ সময়ের মধ্যে আপনি শেষ বা সেভ করতে না পারেন, তবে এ ক্ষেত্রে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের হাইবারনেট সুবিধা আপনাকে বাঁচাবে। কম্পিউটারকে ঘুম পাড়াবে, মানে হাইবারনেট করতে প্রথমে ডেস্কটপে মাউসের ডান ক্লিক করে Properties-এ যেতে হবে। সেখান থেকে Screen saver select করে Power-এ ক্লিক করতে হবে। তারপর Hibernate select করে Enable Hibernatc-এ টিক চিহ্ন দিয়ে OK করতে হবে। আবার Power বাটনে ক্লিক করে Advanced Select করতে হবে। এখন When I press the sleep button-G Hibernate select করে OK করতে হবে। যাদের কিবোর্ডে স্লিপ বোতাম নেই, তারা When I press the power button-G Hibernabe select (নির্বাচন) করতে হবে।
এখন হঠাত্ যদি কারেন্ট চলে যায়, তবে Sleep চাপতে হবে (যদি কারও কিবোর্ডে এ বোতামটি না থাকে, তাদের কম্পিউটারের Power বোতামটি চাপতে হবে।
একটু লক্ষ করলে দেখতে পারবেন, কম্পিউটার হাইবারনেটে চলে গেছে। এমন অবস্থায় কম বিদ্যুত্ খরচে কম্পিউটার চালু থাকে। হাইবারনেটের বেশি সময় কম্পিউটার সচল রাখতে চাইলে মনিটর বন্ধ করে রাখতে হবে। বিদ্যুত্ চলে এলে কম্পিউটার চালু করতে হবে।
এখন হঠাত্ যদি কারেন্ট চলে যায়, তবে Sleep চাপতে হবে (যদি কারও কিবোর্ডে এ বোতামটি না থাকে, তাদের কম্পিউটারের Power বোতামটি চাপতে হবে।
একটু লক্ষ করলে দেখতে পারবেন, কম্পিউটার হাইবারনেটে চলে গেছে। এমন অবস্থায় কম বিদ্যুত্ খরচে কম্পিউটার চালু থাকে। হাইবারনেটের বেশি সময় কম্পিউটার সচল রাখতে চাইলে মনিটর বন্ধ করে রাখতে হবে। বিদ্যুত্ চলে এলে কম্পিউটার চালু করতে হবে।
টিএসআর না থাকাই ভালো
কম্পিউটারে বিভিন্ন কারণে টিএসআর প্রোগ্রাম ব্যবহূত হয়ে থাকে। কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখার জন্য যদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল থাকে, তখন তা টিএসআর হিসেবেই থাকে। আবার কোনো কোনো ভাইরাস টিএসআর প্রোগ্রাম হিসেবে নিজেকে র্যামে রেখে দেয়।
টিএসআরকে সারাবেন কীভাবে: উইন্ডোজ ৯৫, ৯৮ ও এমই অপারেটিং সিস্টেমচালিত কম্পিউটার থেকে টিএসআরকে সরাতে Alt+Ctrl+Del এক সঙ্গে চেপে ধরতে হবে। Close Program উইন্ডো আসবে। এবার Explorer/systray ছাড়া তালিকা থেকে যেকোনো একটি প্রোগ্রাম নির্বাচন করে End Task বাটনে ক্লিক করতে হবে। এ প্রক্রিয়াটি বারবার করতে থাকতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না Explorer ও systray ছাড়া অন্য সবকিছু চলে যায়।
উইন্ডোজ ২০০০ ও এক্সপি থেকে টিএসআর অপসারণ: Alt+ctrl+del একসঙ্গে চেপে ধরতে হবে। এরপর Task Manager-এ ক্লিক করতে হবে। Task Manager-এর Application ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এবার যে প্রোগ্রাম বন্ধ করতে চান, তা সিলেক্ট করে End Task-এ ক্লিক করতে হবে।
টিএসআরকে সারাবেন কীভাবে: উইন্ডোজ ৯৫, ৯৮ ও এমই অপারেটিং সিস্টেমচালিত কম্পিউটার থেকে টিএসআরকে সরাতে Alt+Ctrl+Del এক সঙ্গে চেপে ধরতে হবে। Close Program উইন্ডো আসবে। এবার Explorer/systray ছাড়া তালিকা থেকে যেকোনো একটি প্রোগ্রাম নির্বাচন করে End Task বাটনে ক্লিক করতে হবে। এ প্রক্রিয়াটি বারবার করতে থাকতে হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত না Explorer ও systray ছাড়া অন্য সবকিছু চলে যায়।
উইন্ডোজ ২০০০ ও এক্সপি থেকে টিএসআর অপসারণ: Alt+ctrl+del একসঙ্গে চেপে ধরতে হবে। এরপর Task Manager-এ ক্লিক করতে হবে। Task Manager-এর Application ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এবার যে প্রোগ্রাম বন্ধ করতে চান, তা সিলেক্ট করে End Task-এ ক্লিক করতে হবে।
এক্সপির অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বাদ দিন
আমাদের অজান্তেই উইন্ডোজ এক্সপি তার নিজস্ব ব্যবস্থায় কিছু প্রোগ্রাম বা ফিচার চালু করে রাখে, যা অধিকাংশ ব্যবহারকারীর জন্যই অপ্রয়োজনীয়। এগুলো বাদ দিলে কম্পিউটারের গতি অনেকটাই বাড়ে। এসব বাদ দেওয়ার জন্য Start\Settings\Control Panel\Add or Remove Programes\Add/Remove Windows Components থেকে যেগুলো অপ্রয়োজনীয় মনে হয়—যেমন: উইন্ডোজ মেসেঞ্জার, গেম (Accessories and Utilities) প্রভৃতির টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিয়ে বাতিল করে দিতে পারেন।
স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ বাদ দেওয়া:
ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় আমাদের অজান্তেই অটো আপডেট সুবিধাটি উইন্ডোজের বিভিন্ন প্রোগ্রামকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ করতে থাকে। যার বেশির ভাগই অপ্রয়োজনীয় অথচ ইন্টারনেট ব্যবহারের গতি দখল করে থাকে। তাই এ অপশনটি বাদ দিতে হলে Start\Settings\Control Panel\Automatic Updates থেকে Turn Off Automatic Updates মার্ক করে OK দিয়ে বেরিয়ে আসুন। এর ফলে প্রতিবার উইন্ডোজ চালু হলে একটি সতর্কীকরণ বার্তা দেবে, যা দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ বাদ দেওয়া:
ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় আমাদের অজান্তেই অটো আপডেট সুবিধাটি উইন্ডোজের বিভিন্ন প্রোগ্রামকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ করতে থাকে। যার বেশির ভাগই অপ্রয়োজনীয় অথচ ইন্টারনেট ব্যবহারের গতি দখল করে থাকে। তাই এ অপশনটি বাদ দিতে হলে Start\Settings\Control Panel\Automatic Updates থেকে Turn Off Automatic Updates মার্ক করে OK দিয়ে বেরিয়ে আসুন। এর ফলে প্রতিবার উইন্ডোজ চালু হলে একটি সতর্কীকরণ বার্তা দেবে, যা দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
মোবাইলের তথ্য আইএমইআই নম্বরে
প্রতিটি মোবাইল ফোনের স্বতন্ত্র আইএমইআই (IMEI) নম্বর থাকে। এই আইএমইআই নম্বর দ্বারা জানা যায় মোবাইল কোন ব্র্যান্ডের, কোন মডেলের এবং কোথায় তৈরি হয়েছে।
আইএমইআই নম্বর জানা: মোবাইল ফোনে *#06# চাপলে ১৫-১৭ ডিজিটের সিরিয়াল নম্বর বা IMEI নম্বর আসবে। অথবা মোবাইল ফোনের ব্যাটারি খুললে সেটের সঙ্গের স্টিকারে সিরিয়াল নম্বর বা IMEI নম্বর লেখা পাওয়া যাবে।
তথ্য জানা: বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য www.zalex.name থেকে Check IMEI সফটওয়্যার নামিয়ে নিয়ে ইনস্টল করে করে চালু করুন। এবার মোবাইল ফোন থেকে প্রাপ্ত ক্রমিক নম্বর বা IMEI নম্বরের প্রথম ৯টি সংখ্যা IMEI অংশে লিখে সার্চ করুন। তাহলে নিচে ব্র্যান্ড, কোন মডেল এবং কোথায় তৈরি, তার তথ্য আসবে।
আইএমইআই নম্বর জানা: মোবাইল ফোনে *#06# চাপলে ১৫-১৭ ডিজিটের সিরিয়াল নম্বর বা IMEI নম্বর আসবে। অথবা মোবাইল ফোনের ব্যাটারি খুললে সেটের সঙ্গের স্টিকারে সিরিয়াল নম্বর বা IMEI নম্বর লেখা পাওয়া যাবে।
তথ্য জানা: বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য www.zalex.name থেকে Check IMEI সফটওয়্যার নামিয়ে নিয়ে ইনস্টল করে করে চালু করুন। এবার মোবাইল ফোন থেকে প্রাপ্ত ক্রমিক নম্বর বা IMEI নম্বরের প্রথম ৯টি সংখ্যা IMEI অংশে লিখে সার্চ করুন। তাহলে নিচে ব্র্যান্ড, কোন মডেল এবং কোথায় তৈরি, তার তথ্য আসবে।
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-৮-এর প্রয়োজনীয় কিছু শর্টকাট
আইকনে মাউস ক্লিক না করে কিবোর্ডের বাটন চেপে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-৮-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাজ করা যায়। এর জন্য নিম্নলিখিত শর্টকাট অবলম্বন করতে হয়। যেমন, Address Bar-এ যাওয়ার জন্য Alt+D দিতে হবে। সেখানে থেকে যদি সম্প্র্রতি ব্রাউজ করা কোনো ফাইল দেখার প্রয়োজন হয়, তাহলে Down Arrow চেপে প্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজে Enter দিতে হবে। Search বক্সে যাওয়ার জন্য Ctrl+E চাপতে হবে। লেখা বড় করে দেখার জন্য Ctrl+; ছোট করে দেখার জন্য Ctrl- এবং পূর্বের অবস্থায় অর্থাত্ ১০০%-এ ফেরত আসার জন্য Ctrl+0 (শূন্য) চাপতে হবে। ব্রাউজ করা ওয়েবসাইট এক্সপ্লোরার থেকে মুছে ফেলার জন্য Ctrl+Shift+Delete; এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার থেকে বের হওয়ার জন্য Alt+F4 চাপতে হবে।
টিপস উইন্ডোজের গতি বাড়ানো
একটু কৌশল খাটিয়ে খুব সহজেই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের গতি বাড়িয়ে নেওয়া যায়। উইন্ডোজ ৯৮, উইন্ডোজ ২০০০, উইন্ডোজ এমই-এর গতি বাড়িয়ে নিতে প্রথমে Start\Run-এ যেতে হবে। এবার Sysedit লিখে ok করতে হবে। সিস্টেম এডিটর খুলবে। এখান থেকে System.ini ফাইল নির্বাচন করতে হবে। ফাইলে Cache লেখাটি খুঁজে বের করে এর নিচে লাইন তিনটি লিখতে হবে:
Chunksize=512
Min File Cache=8192
Max File Cache=8192
যেসব কম্পিউটারে র্যাম ৩২ মেগাবাইট বা এর চেয়ে কম, সেসবে ৮১৯২-এর জায়গায় ৪০৯৬ ব্যবহার করতে হবে। ৩২ থেকে ১২৮ মেগাবাইটের কম র্যাম থাকলে ৮১৯২ এবং ১২৮ মেগাবাইট বা তার চেয়ে বেশি র্যাম থাকলে ১২২৮৮ বা ১৬৩৮৪ ব্যবহার করতে হবে। এবার System.ini নামে ফাইলটি সেভ করতে হবে। এখন কম্পিউটার বন্ধ করে আবার চালু করতে (রিস্টার্ট) হবে।
Chunksize=512
Min File Cache=8192
Max File Cache=8192
যেসব কম্পিউটারে র্যাম ৩২ মেগাবাইট বা এর চেয়ে কম, সেসবে ৮১৯২-এর জায়গায় ৪০৯৬ ব্যবহার করতে হবে। ৩২ থেকে ১২৮ মেগাবাইটের কম র্যাম থাকলে ৮১৯২ এবং ১২৮ মেগাবাইট বা তার চেয়ে বেশি র্যাম থাকলে ১২২৮৮ বা ১৬৩৮৪ ব্যবহার করতে হবে। এবার System.ini নামে ফাইলটি সেভ করতে হবে। এখন কম্পিউটার বন্ধ করে আবার চালু করতে (রিস্টার্ট) হবে।
ভাইরাসের উপস্থিতি টের পাবেন যেভাবে
কম্পিউারে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে কিছু বিষয় লক্ষ রাখলে কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না তা জানা সম্ভব। যার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটারে ভাইরাস থাকলে temp ফাইল মুছবে না। Add or remove programme অপশন থেকে কোনো প্রোগ্রাম বাদ দিতে চাইলে বাদ দেওয়া যাবে না, Ctrl+Alt+Delete চেপে বের করা টাস্ক ম্যানেজার খুলবে না, Tools/Folder Option থেকে কোনো হিডেন ফাইল প্রদর্শন করতে চাইলেও তা প্রদর্শিত হবে না, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের Registry Editor খুলবে না এবং কমান্ড অপশন কাজ করবে না। এগুলো পরীক্ষা করে জানা যাবে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না।
পাসওয়ার্ড দিয়ে গেম প্রোটেক্ট করে রাখুন
কম্পিউটারে গেম খেলার নেশা শিশুদের তো রয়েছেই, এমনকি বড়দেরও আছে। বাসার কম্পিউটার হলে অন্যদের গেম খেলা থেকে রিবত রাখা বেশ কষ্টকর। কিন্তু আপনার অনুপস্থিতিতে কেউ যাতে গেমগুলো চালু করতে না পারে এবং চালু করতে গেলে পাসওয়ার্ড দরকার হয়, তাহলে কেমন হতো?
Game Protector সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই যেকোনো গেমের মূল চালক ফাইল পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করে রাখা যাবে। ফলে গেমটি চালাতে গেলেই পাসওয়ার্ড চাইবে। এভাবে গেমের চালক ফাইল ছাড়াও অনান্য অ্যাপলিকেশনও পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করা যাবে। পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করলে অবশ্য একই ফোল্ডারে ওই অ্যাপলিকেশনের ব্যাকআপ তৈরি হয়। মাত্র ৩.৯৫ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যার www.gameprotector.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
Game Protector সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই যেকোনো গেমের মূল চালক ফাইল পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করে রাখা যাবে। ফলে গেমটি চালাতে গেলেই পাসওয়ার্ড চাইবে। এভাবে গেমের চালক ফাইল ছাড়াও অনান্য অ্যাপলিকেশনও পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করা যাবে। পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করলে অবশ্য একই ফোল্ডারে ওই অ্যাপলিকেশনের ব্যাকআপ তৈরি হয়। মাত্র ৩.৯৫ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যার www.gameprotector.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফন্ট পরিবর্তন
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে (এমএস ওয়ার্ড) কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় একই লেখায় বাংলা ও ইংরেজি দুটো ভাষা টাইপ করতে হয়। আপনি ইচ্ছে করলে এক ক্লিকে ফন্ট পরিবর্তন করতে পারেন। এ জন্য Tools/customize/ categories/fonts-এ যান এবং আপনি যে ফন্ট বেশি পরিবর্তন করে থাকেন ডান পাশ থেকে তা মাউসের সাহায্যে ড্রাগ করে মেনুবারে নিয়ে বক্সটি close করে দিন। মেনুবারে ফন্টটি এসে যাবে। এ জন্য Tools/customize/keyboard/categories/fonts-এ যান। এবার ফন্ট নির্বাচিত করুন এবং Press new shortcut key অপশনে আপনার পছন্দের শর্টকাট কি চাপুন, যেমন, Ctrl+5। এখন লেখার সময় এ শর্টকাট কি চাপলেই তা স্বয়ংক্রীয়ভাবে কাজ করবে।
পেনড্রাইভের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন
ভাইরাসের আক্রমণ থেকে পেনড্রাইভের সুরক্ষার জন্য পেনড্রাইভ কখনো সরাসরি Open অথবা Explore করে না খুলে My computer-এ গিয়ে Address Bar থেকে Drive Letter লিখে ( যেমন L হলে L ) পেনড্রাইভ খুলুন। এ ছাড়া Tools/Folder Options-এ গিয়ে View অপশন থেকে Show Hidden Files and Folders, Hide Extensions for known File Types, Hide Protected Operating System Files চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে হিডেন সিস্টেম ফাইল শো করুন এবং কোনো সন্দেহজনক হিডেন (*.exe) ফাইল পেলে মুছে ফেলুন। পেনড্রাইভে autorun.inf নামে একটা ফোল্ডার (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। ফলে এর জায়গায় autorun.inf ভাইরাস নিজস্ব ফাইল তৈরি করতে পারবে না।
এক্সপ্লোরার আটের কিছু শর্টকাট
কিবোর্ডের বোতাম চেপে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৮-এর দরকারি অনেক কাজ করা যায়।
আমরা কোনো সাইটে যেতে সাধারণত সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখে থাকি। যেমন—দৈনিক প্রথম আলোর সাইটে যেতে www.prothom-alo.com লিখে এন্টার করতে হয়। তবে ঠিকানা লেখার অংশে (অ্যাড্রেসবার) prothom-alo লিখে Ctrl+Enter চাপলে প্রথমে www. এবং শেষে .com দেখাবে।
Ctrl+Shift+P চেপে যদি Inprivate Browsing Window এনে ওয়েবসাইটে গেলে পরে আর সেই ঠিকানা এক্সপ্লোরারে দেখা যাবে না। সব শেষে সাইট থেকে বের হওয়ার জন্য Alt+F4 দিতে হবে।
আমরা কোনো সাইটে যেতে সাধারণত সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখে থাকি। যেমন—দৈনিক প্রথম আলোর সাইটে যেতে www.prothom-alo.com লিখে এন্টার করতে হয়। তবে ঠিকানা লেখার অংশে (অ্যাড্রেসবার) prothom-alo লিখে Ctrl+Enter চাপলে প্রথমে www. এবং শেষে .com দেখাবে।
Ctrl+Shift+P চেপে যদি Inprivate Browsing Window এনে ওয়েবসাইটে গেলে পরে আর সেই ঠিকানা এক্সপ্লোরারে দেখা যাবে না। সব শেষে সাইট থেকে বের হওয়ার জন্য Alt+F4 দিতে হবে।
এক্সপ্লোরার আটের কিছু শর্টকাট
কিবোর্ডের বোতাম চেপে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৮-এর দরকারি অনেক কাজ করা যায়।
আমরা কোনো সাইটে যেতে সাধারণত সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখে থাকি। যেমন—দৈনিক প্রথম আলোর সাইটে যেতে www.prothom-alo.com লিখে এন্টার করতে হয়। তবে ঠিকানা লেখার অংশে (অ্যাড্রেসবার) prothom-alo লিখে Ctrl+Enter চাপলে প্রথমে www. এবং শেষে .com দেখাবে।
Ctrl+Shift+P চেপে যদি Inprivate Browsing Window এনে ওয়েবসাইটে গেলে পরে আর সেই ঠিকানা এক্সপ্লোরারে দেখা যাবে না। সব শেষে সাইট থেকে বের হওয়ার জন্য Alt+F4 দিতে হবে।
আমরা কোনো সাইটে যেতে সাধারণত সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখে থাকি। যেমন—দৈনিক প্রথম আলোর সাইটে যেতে www.prothom-alo.com লিখে এন্টার করতে হয়। তবে ঠিকানা লেখার অংশে (অ্যাড্রেসবার) prothom-alo লিখে Ctrl+Enter চাপলে প্রথমে www. এবং শেষে .com দেখাবে।
Ctrl+Shift+P চেপে যদি Inprivate Browsing Window এনে ওয়েবসাইটে গেলে পরে আর সেই ঠিকানা এক্সপ্লোরারে দেখা যাবে না। সব শেষে সাইট থেকে বের হওয়ার জন্য Alt+F4 দিতে হবে।
মুঠোফোনে দেখুন বাংলা ওয়েবসাইট
অনেক মুঠোফোন থেকেই বাংলা সাইট দেখা যায় না। মুঠোফোন থেকে বাংলা সাইট দেখতে প্রথমে মুঠোফোন থেকে www.opera.com/mini ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে অপেরা সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন (ডাউনলোড)। এবার অপেরা খুলুন এবং অ্যাড্রেস বারে গিয়ে opera:config লিখে ok করুন, এরপর অপেরা ইউজার সেটিংস আসবে; এখান থেকে User bitmap fonts for complex scripts অপশনে Yes দিয়ে save করুন। এখন Menu/Tools/Settings-এ যান, Mobile view সক্রিয় করে Font size-এ Large নির্বাচিত করুন। এখন ইউনিকোড সমর্থিত যেকোনো বাংলা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেই পরিষ্কার বাংলা দেখতে পারবেন।
অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম সরিয়ে ফেলুন
অনেক সময় কম্পিউটারে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালানো থাকে। এতে কম্পিউটারের গতি কমে যায়। আপনার কম্পিউটারে কী কী
প্রোগ্রাম চালু আছে তা জানতে Start/Run এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড খুলুন এবং tasklist লিখে Enter চাপুন। যেসব প্রোগ্রাম কম্পিউটারে চালু আছে, তার তালিকা এখানে পেয়ে যাবেন।
এখান থেকে কোনো অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বাদ দিতে চাইলে কমান্ড খুলে করুন এবং taskkill /im programname.exe/f লিখে Enter চাপুন। এখানে programname.exe এর জায়গায় শুধু ওই প্রোগ্রামটির নাম হুবহু লিখলে ওই প্রোগ্রামটি বাদ হয়ে যাবে।
প্রোগ্রাম চালু আছে তা জানতে Start/Run এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড খুলুন এবং tasklist লিখে Enter চাপুন। যেসব প্রোগ্রাম কম্পিউটারে চালু আছে, তার তালিকা এখানে পেয়ে যাবেন।
এখান থেকে কোনো অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বাদ দিতে চাইলে কমান্ড খুলে করুন এবং taskkill /im programname.exe/f লিখে Enter চাপুন। এখানে programname.exe এর জায়গায় শুধু ওই প্রোগ্রামটির নাম হুবহু লিখলে ওই প্রোগ্রামটি বাদ হয়ে যাবে।
ফেইসবুকের ছবি রাখার প্রোগ্রাম
সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেইসবুকে ছবি রাখার জন্য বিশেষপ্রোগ্রাম (আপলোডার) তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য এটি উন্মুক্ত করে দিয়েছে।কার্যকর এ টুলের মাধ্যমে ছবি খুব সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে ফেইসবুকে প্রকাশকরা ও রাখা যায়। আপলোডারটি www.facebook.com/apps/application.php?id=184826119663 ঠিকানা থেকে চালু করা যাবে।
এটি ব্যবহার করে খুব দ্রুত বড় আকারের ছবি আপলোড করা যাবে। অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করার সময় কোনো সমস্যা হলে www.facebook.com/help/contact.php?show_form=new_photo_uploader ঠিকানার সাইটে জানানো যাবে।
এটি ব্যবহার করে খুব দ্রুত বড় আকারের ছবি আপলোড করা যাবে। অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করার সময় কোনো সমস্যা হলে www.facebook.com/help/contact.php?show_form=new_photo_uploader ঠিকানার সাইটে জানানো যাবে।
উইন্ডোজের সুর বদল করুন
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালু এবং বন্ধ করার সময় চাইলেনানা ধরনের সুর শোনা যায়। এতে সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুর ঠিক করা থাকে। ইচ্ছে করলে এ সুর বদলানো যায়। এ জন্য *.wav ফাইল নির্বাচন করতে হবে। তবে ফাইলটির আকার ১ মেগাবাইটের মধ্যে হতে হবে। আপনার পছন্দের সুরটি অন্য ফরম্যাটে থাকলে *.wav-এ রূপান্তর করে নিন। এবার পছন্দের সুরটি Windows XP Startup ও Windows XP Shutdown নামে সংরক্ষণ (সেভ) করুন। এবার ফাইলদুটি C:\Windows\Media-তে কপি অথবা পেস্ট করলেই তা উইন্ডোজের সুর হিসেবে বাজবে।
টিপস ফ্যাক্স/মডেমের গতি বাড়ান
আমরা অনেকেই বাসার ল্যান্ডফোনের মাধ্যমে ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করি। তবে তত বেশি গতি পাই না। আপনি চাইলে আপনার ফ্যাক্স/মডেমের গতি বাড়াতে পারেন। এতে ইন্টারনেটের গতি অনেক বেড়ে যাবে। এর জন্য যা করতে হবে-
Start\Control Panel\Phone & Modem Options\Modems\ আপনার Modem টি সিলেক্ট করে Properties\Advanced এখানে Extra Initializations Commands G at&fx লিখে Ok দিন।
দেখা যাবে আগে যেখানে Internet Speed 36.kbps পাচ্ছেন এখন সেখানে 115.kbps পাবেন।
Start\Control Panel\Phone & Modem Options\Modems\ আপনার Modem টি সিলেক্ট করে Properties\Advanced এখানে Extra Initializations Commands G at&fx লিখে Ok দিন।
দেখা যাবে আগে যেখানে Internet Speed 36.kbps পাচ্ছেন এখন সেখানে 115.kbps পাবেন।
উইন্ডোজের সমস্যা হলে তার সমাধান
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল নষ্ট হলে বা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা অন্য কোনো সমস্যা হলে নতুন করে ইনস্টল করতে হয়। সে ক্ষেত্রে তথ্য উদ্ধার করা বেশ ঝামেলার হয়। কিন্তু যদি হাতের কাছে স্পটমাউ পাওয়ার স্যুট ২০০৯-এর সিডি থাকে, তাহলে সহজেই এসব সমস্যার সমাধান করা যায়। এই সফটওয়্যার উইন্ডোজের সব সংস্করণেকাজ করবে। সফটওয়্যারটি নামানোর ১১টি ঠিকানা এবং আরও বিভিন্ন সফটওয়্যরের তথ্য পাওয়া যাবে http://takingsoftware.
blogspot.com ঠিকানার ওয়েবসাইটে।
blogspot.com ঠিকানার ওয়েবসাইটে।
সাড়া জাগানো অনলাইনের শীর্ষ দশ ঘটনা
ইন্টারনেটভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের জন্য সম্মানজনক ‘ওয়েবি অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ডিজিটাল আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স’ সম্প্রতি এই দশকের সাড়া জাগানো অনলাইনের শীর্ষ দশ ঘটনার একটি তালিকা তৈরি করেছে। অনলাইনভিত্তিক এ ঘটনাগুলো সারা বিশ্বকেই কোনো না কোনোভাবে প্রভাবিত করেছে। সময়কাল অনুযায়ী ঘটনাগুলো হলো: শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের বিখ্যাত ওয়েবসাইট ক্রেইগসলিস্টের (www.craigslist.org) নতুনরূপে আত্মপ্রকাশ (২০০০), গুগলের অনলাইন বিজ্ঞাপনী পরিষেবা গুগল এডওয়ার্ডসের আত্মপ্রকাশ (২০০০), ইন্টারনেটের সর্ববৃহত্ তথ্যকোষ উইকিপিডিয়ার আত্মপ্রকাশ (২০০১), এমপিথ্রি গান আদান-প্রদানের তুমুল জনপ্রিয় সাইট ন্যাপস্টারের বন্ধ হয়ে যাওয়া (২০০১), শেয়ারবাজারে ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের পদার্পণ (২০০৪), সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট ফেইস বুকের যাত্রা (২০০৪), সবচেয়ে বড় অনলাইন ভিডিও সাইট ইউটিউবের আত্মপ্রকাশ (২০০৫), মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের এগিয়ে চলা (২০০৬), অ্যাপলের আইফোনের ব্যাপক জনপ্রিয়তা (২০০৭), যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইন্টারনেটের বহুমাত্রিক ব্যবহার (২০০৮) এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের অন্য সাইটগুলোর বহুল ব্যবহার (২০০৯)। ওয়েবি অ্যাওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক ডেভিড মাইকেল ডেভিসের ভাষায়, ‘ইন্টারনেটভিত্তিক এই শীর্ষ দশটি ঘটনা রাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামাজিক অবকাঠামোসহ জীবনের সব দিককেই প্রভাবিত করেছে। এ বিষয়গুলো জীবনযাত্রাকে অধিকমাত্রায় গতিশীল করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হাতকেও আরও শক্তিশালী করেছে।’
উল্লেখ্য, ২৯ অক্টোবর ইন্টারনেটের চার দশক পূর্ণ হয়।
উল্লেখ্য, ২৯ অক্টোবর ইন্টারনেটের চার দশক পূর্ণ হয়।
ফেসবুকে বন্ধুত্বের অনুরোধ
ফেসবুকে কাউকে Add Request পাঠালে বার বার শুধু Security code চায়। এটি থেকে মুক্তি পেতে হলে যখন Security code চাইবে তখন Verify your account-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেখানে আপনার ফোন নম্বর লিখে Confirm-এ ক্লিক করলে দেখবেন আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর এসেছে। ওই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Confirm-এ ক্লিক করুন।
উইন্ডোজ সিডি কি
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে সিডি কির (CD key) প্রয়োজন হয়। সাধারণত উইন্ডোজের সিডির প্যাকেটের গায়ে CD key লেখা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে প্যাকেটটি হারিয়ে গেলে কিংবা নষ্ট হয়ে গেলে সিডি কির জন্য ওই সিডিটি কম্পিউটারে প্রবেশ করান। এবার CD থেকে browse করে খুঁজে I386 নামের ফোল্ডারটি বের করে খুলুন। এ ফোল্ডারের ভেতরে unattended.txt নামের একটি ফাইল রয়েছে। এবার notepad দিয়ে ফাইলটি খুলুন। এখানে CD key পেয়ে যাবেন।
কম্পিউটারে লুকানো ফাইল দেখুন
কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো নষ্ট করে দেয়। তবে আক্রান্ত হলে শুরুতেই কম্পিউটারের ফোল্ডার অপশনের লুকানো (হিডেন) ফাইল দেখার অপশনটি বন্ধ করে দেয়। ফলে লুকিয়ে রাখা অনেক প্রয়োজনীয় ফাইল দেখা যায় না। এ জন্য Start মেনু থেকে Run-এ গিয়ে regedit লিখে Enter দিন। এবার HKEK_CURRENT_USER\ Software\Microsoft\ Windows\Current version\Explorer\advanced\Hidden ফাইলটিতে দুবার ক্লিক করুন এবং value data এর বক্সে 1 লিখে ok করে বের হয়ে আসুন।
টিপস পেনড্রাইভকে এটিএফএসের ফরম্যাট করা
সচরাচর পেনড্রাইভকে ফ্যাট৩২ ফাইল ব্যবস্থায় ফরম্যাট করা হয়। তবে আপনি চাইলে পেনড্রাইভকে এনটিএফএসে ফরম্যাট করতে পারেন।
এ জন্য যা করতে হবে—
মাই কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভের ওপর ডান ক্লিক করে Properties\Hardware-এ গিয়ে পেনড্রাইভ নির্বাচন করতে হবে।এর পর Properties\Policies থেকে Optimize for Performance নির্বাচন করে Ok\Ok
করতে হবে। এতে পেনড্রাইভটি এনটিএফএস ব্যবস্থায় ফরম্যাট হবে।সতর্কতা: ব্যবহূত পেনড্রাইভফরম্যাট করলে সেটিতে থাকা সব তথ্য মুছে যাবে।
এ জন্য যা করতে হবে—
মাই কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভের ওপর ডান ক্লিক করে Properties\Hardware-এ গিয়ে পেনড্রাইভ নির্বাচন করতে হবে।এর পর Properties\Policies থেকে Optimize for Performance নির্বাচন করে Ok\Ok
করতে হবে। এতে পেনড্রাইভটি এনটিএফএস ব্যবস্থায় ফরম্যাট হবে।সতর্কতা: ব্যবহূত পেনড্রাইভফরম্যাট করলে সেটিতে থাকা সব তথ্য মুছে যাবে।
এসডব্লিউএফ (SWF) ফাইল সম্পাদনা
শকওয়েভ ফ্ল্যাশ ফাইল (এসডব্লিউ) ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা হয়। ফ্ল্যাশে তৈরি করা এই অ্যানিমেটেড ফাইল সাধারণত সম্পাদনা করা সম্ভব হয় না। এসডব্লিউএফ ফাইল সম্পাদনা করার জন্য ফ্রিওয়্যার একটি সফটওয়্যার হচ্ছে SWF Modify। ১.৫৩ মেগাবাইটের এ সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই এসডব্লিউএফ ফাইলটির চলতি ফ্রেম বা সব ফ্রেম সম্পাদনা করা যাবে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট আইটেম, অডিও ক্লিপ, মুভি ক্লিপ মুছে দেওয়া, প্রতিস্থাপন করা বা এক্সপোর্ট করা যাবে। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের সব সংস্করণেই চলবে।
টিপস একক রূপান্তর করা
কোনো ইউনিট বা একককে অন্য এককে রূপান্তর করতে বিভিন্ন সূত্র ব্যবহার করতে হয়। এসব জটিল সূত্র মনে রাখাও কষ্টকর। সফটওয়্যার দিয়েও এসব একককে রূপান্তর করা যায়।এমনই দুটি সফটওয়্যার হচ্ছে কনভার্ট ও কনভার্টার। কনভার্ট সফটওয়্যারটির আকার ৫৪৮ কিলোবাইট।এটি পাওয়া যাবে http://joshmadison.com/ software/convert-for-windows ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। আর কনভার্টার সফটওয়্যারটি (৫৩৩ কিলোবাইট) পাওয়া যাবে www.xyntec.com/unit-converter-download.htm ঠিকানায়।
স্ক্রিন সেভার বন্ধ করা
অনেক সময় কম্পিউটারের কাজ করতে করতে কিছু সময় বিরতি দিলে দেখা যায়, কম্পিউটারের প্রোগ্রাম চলে গিয়ে উইন্ডিজ স্ক্রিন সেভার মনিটরে ভাসে। মাউসে হাত দিলে আবার মনিটরের পাওয়ার ফিরে এসে প্রোগ্রাম চলে আসা যায়। কিন্তু আমরা যদি নিচের ধাপ অনুসরণ করি, তাহলে প্রোগ্রাম চলে যাবে না।
At desktop mouse rt click-properties-screen saver-power-power schemes-turn off monitor-never-apply-ok.।
At desktop mouse rt click-properties-screen saver-power-power schemes-turn off monitor-never-apply-ok.।
এইজ ইন্টারনেটের সুবিধা
ব্রডব্যান্ড, টিঅ্যান্ডটি ইত্যাদির কেবলের বা টেলিফোনের প্রয়োজন নেই।
পরিচালন ব্যবস্থা ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপ কানেকশন
থেকে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য, অর্থাত্ প্রাকৃতিক দুর্যোগে কানেকশন বিচ্ছিন্ন হবে না।
পোর্টেবল (ল্যাপটপের ক্ষেত্রে): যেখানে সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
ডেটা ট্রান্সফারিং বিলিং ব্যবস্থা, যা সময়নির্ভর নয়।
নেটওয়ার্ক কভারেজ ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপ থেকে বেশি।
পরিচালন ব্যবস্থা ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপ কানেকশন
থেকে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য, অর্থাত্ প্রাকৃতিক দুর্যোগে কানেকশন বিচ্ছিন্ন হবে না।
পোর্টেবল (ল্যাপটপের ক্ষেত্রে): যেখানে সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
ডেটা ট্রান্সফারিং বিলিং ব্যবস্থা, যা সময়নির্ভর নয়।
নেটওয়ার্ক কভারেজ ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপ থেকে বেশি।
দ্রুত কম্পিউটার খুলুন
কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় কম্পিউটার খুলতে দেরি হয়। কম্পিউটার খোলার কাজটি দ্রুত করতে উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমে Start/Run-এ যান।
এবার Msconfig লিখে Start up থেকে টিক চিহ্নগুলো তুলে দিন। এরপর Apply দিয়ে Ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে দ্রুত চালু হবে।
এবার Msconfig লিখে Start up থেকে টিক চিহ্নগুলো তুলে দিন। এরপর Apply দিয়ে Ok করে বেরিয়ে আসুন।
এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে দ্রুত চালু হবে।
ফেসবুকের মেইল বন্ধ করুন
ফেইসবুকে Add Request, message বা wall-এ কিছু লিখে বা ছবিতে Comments করে তাহলে তা আবার ই-মেইল-এর মাধ্যমে আপনাকে জানানো হয়। এতে ফেইসবুক থেকে অসংখ্য ই-মেইল আসে। এটি থেকে মুক্তি পেতে Settings-এ গিয়ে Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন যে পেজটি আসবে সেটি থেকে Notification-এ ক্লিক করুন। এখন ডান পাশ থেকে সব টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Save Changes-এ ক্লিক করুন।
Wednesday, December 2, 2009
ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারের এক ভান্ডার
ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার নিয়ে কমবেশী সবারই একটু আগ্রহ থাকে। www.nonags.com হচ্ছে এমনই একটি সাইট যেখান থেকে আপনি ইচ্ছামত প্রায় সকল ধরনের সফটওয়্যার নামাতে পারেন । আর এখানকার সফটওয়্যারগুলোর বেশীর ভাগই ছোট সাইজের। মোট ২১টি ক্যাটাগরিতে কয়েক হাজার ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার রয়েছে এখানে। জনপ্রিয় এই সাইটে আপনার তৈরী ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার আপলোড করতে পারেন।
মেইল সেন্ড করার পরে আনডু করা
জিমেইলে মেইল সেন্ড করার পরে আপনি যদি মনে করেন কোন ভুল হয়েছে, ভুল ঠিকানাতে পাঠিয়েছেন, কোন তথ্য কম বা বেশী হয়েছে বা অন্য কারণে মেইল পাঠাবেন না তাহলে আনডু করার সুয়োগ আছে। এজন্য জিমইেল খুলে Settings থেকে Labs ট্যাবে যান। এবার Undo Send এর অপশন Enable বাটন নির্বাচন করে সেভ করুন। এবার ট্যাবে এসে দেখুন Undo Send এ ৫ সেকেন্ড নির্বাচন করা আছে না থাকলে ৫ সেকেন্ড নির্বাচন করুন। ব্যাস এবার থেকে মেইল করলে উপরে Undo আসবে যা স্থায়ি হবে ৫ সেকেন্ড। আপনি মেইল সেন্ড করার ৫ সেকেন্ডের ভিতরে Undo তে ক্লিক করলে মেইল কম্পোজে ফিরে আসবে। তবে কিছু ব্রাউজারের পুরাতন সংস্করণ জিমইেল ল্যাব সমর্থন করে না, সেক্ষেত্রে এই সুবিধা পাবেন না।
ইয়াহু! মেইল থেকে পাঠান ১০০ মেগাবাইট পর্যন্ত ফাইল
সাধারণ ইয়াহু! মেইলে ১০ মেগাবাইট পর্যন্ত ফাইল এ্যাটাচ করে সেন্ড করা যায়। কিন্তু এর থেকে বেশী সাইজের ফাইল সেন্ড করতে হলে বিপাকে পড়তে হয়। সম্প্রতি ইয়াহু! মেইলের সাথে www.drop.io যুক্ত হবার ফলে drop.io এর সেবা ইয়াহু! মেইল থেকেই পাওয়া যাবে। স্বাভাবিকভাবে www.drop.io থেকেও ১০০ মেগাবাইট পর্যন্ত ফাইল এ্যটাচ এবং শেয়ার করা যায় আর এখন থেকে ইয়াহুর মাধ্যমে এ্যাটাচ করে সেন্ড করা যাবে। তবে এজন্য ড্রপ এর এ্যাপলিকেশন ইয়াহুতে ইনস্টল করতে হবে। আর এতে ইয়াহুর নতুন সংস্করণ ব্যবহার করতে হবে। নতুন সংস্করণ পেতে ইয়াহু! মেইলে লগইন করে http://mrd.mail.yahoo.com/landing সাইটে যান তাহলে নতুন সংস্করণে ইয়াহু লোড হবে।
এবার http://overview.mail.yahoo.com/applications পেজে গিয়ে Get Started বাটনে ক্লিক করলে বাম পাশের প্যানেলে Applications আসবে। এখানে Add এ ক্লিক করে Application Gallery থেকে drop.io Attach Large Files এর Add বাটনে ক্লিক করে (I Agree) যুক্ত করুন। এখন কোন বড় ফাইল সেন্ড করতে চাইলে বাম পাশের এ্যাপলিকেশন থেকে .io Attach Large Files এ ক্লিক করে Get Started Now বাটনে ক্লিক করে (প্রথমবার) এ্যটাচ করুন এবং সেন্ড করুন ১০০ মেগাবাইট পর্যন্ত ফাইল। সেন্ড করা ফাইলটি ৩০ দিন পর্যন্ত drop.io সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে।
এবার http://overview.mail.yahoo.com/applications পেজে গিয়ে Get Started বাটনে ক্লিক করলে বাম পাশের প্যানেলে Applications আসবে। এখানে Add এ ক্লিক করে Application Gallery থেকে drop.io Attach Large Files এর Add বাটনে ক্লিক করে (I Agree) যুক্ত করুন। এখন কোন বড় ফাইল সেন্ড করতে চাইলে বাম পাশের এ্যাপলিকেশন থেকে .io Attach Large Files এ ক্লিক করে Get Started Now বাটনে ক্লিক করে (প্রথমবার) এ্যটাচ করুন এবং সেন্ড করুন ১০০ মেগাবাইট পর্যন্ত ফাইল। সেন্ড করা ফাইলটি ৩০ দিন পর্যন্ত drop.io সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে।
ইয়াহুতে অতিরিক্ত আরো একটি মেইল ঠিকানা
ইয়াহু তাদের মেইল গ্রাহকদের অতিরিক্ত আরেকটি ঠিকানা ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। এর ফলে প্রতিটি মেইল ঠিকানার সাথে নতুন আরেকটি মেইল ঠিকানা যুক্ত করা যাবে। পূর্বের এবং নতুন মেইলে আসা সকল মেইল পূর্বের (আসল) মেইলে থাকবে। নতুন ইয়াহু আইডি দ্বারা লগ ইন করলেও পূর্বের মেইল খুলবে। তবে মেইল প্রেরণের সময় কম্পোজারের উপরে From নামে নতুন একটি ড্রপ ডাউন আসবে সেখানে উভয় মেইল ঠিকানা থাকবে। আপনি কোন মেইল থেকে মেইল করতে চান তা সিলেক্ট করলে প্রাপক সেই মেইল ঠিকানা থেকে মেইল পাবে। নতুন মেইল ঠিকানা যুক্ত করতে হলে প্রথমে ইয়াহু মেইল খুলুন এবং উপরে ডান দিকে Options এ যান। Management অংশে Mail Addresses এ ক্লিক করুন। এবার নিচের Extra email address লিংকে কিক করে Create a new Yahoo! Mail address থেকে নতুন আইডি দিন এবং Check Availability বাটনে কিক করুন। আপনার আইডি অন্য কারোর ব্যবহার করা না থাকলে নতুন উইন্ডো আসবে এখানে Choose বাটনে কিক করুন। তাহলে You’re almost done নামে একটি মেসেজ সহ একটি পেইজ আসবে। এখানে টেক্টট বক্সে নিচের কোড লিখে Ok করুন। এরপর আপনাকে নতুন মেসেজ দ্বারা জানানো হবে Your extra email address is ready। এবার Go to Inbox বাটনে ক্লিক করে মেইলে ফিরে যান। এখন মেইলের উপরে ডান দিকের Options এ ক্লিক করে Mail অপশন থেকে General Preference এ যান এবং সেখানে From name এ যদি আপনার নাম দেওয়া থাকে তা মুছে দিন এবং Save বাটনে ক্লিক করে করুন। ইচ্ছা করলে নতুন আইডির জন্য নতুন প্রোফাইল তৈরী করতে পারেন। এবার মেইল কম্পোজ করতে গিয়ে দেখুন From নামে নতুন একটি ড্রপ ডাউন আসছে যা আগে ছিলো না। এখন কাউকে মেইল করুন নতুন ঠিকানা থেকে।
একসাথে ২০টি অডিও ভিডিও টুলস (ফ্রি)
অডিও ভিডিও নিয়ে বিভিন্ন সময় আমাদের বিভিন্ন ছোট খাট কাজ করতে হয়। এক ফরম্যাট থেকে অন্য ফরম্যাটে অডিও বা ভিডিও রূপান্তর, ভিডিও থেকে অডিও আলাদা করা, বড় ভিডিও থেকে কিছু অংশ কেটে সেভ করা, ভিডিও থেকে ছবি নেওয়া, ইউটিউব থেকে ডিডিও ডাউনলোড করা সিডিতে অডিও, ভিডিও, সিডি/ডিভিডি/ব্লু-রেতে রাইট করা ইত্যাদি। প্রয়োজনীয় সকল কাজ যদি একটি (এক গুচ্ছ) সফটওয়্যার থেকে পাওয়া যায় তাহলে কেমন হয়! এমনই এক সফটওয়্যার হচ্ছে ফ্রি স্টুডিও ম্যানেজার। এতে রয়েছে ২০টি অডিও ভিডিও টুলস। সেগুলো হচ্ছে
Youtube Download,
Youtube to iPod and PSP Converter,
Youtube to MP3 Converter,
Video to Flash Converter,
3GP Video Converter,
Video Dub,
Audio Dub,
Youtube Uploader,
Video Flip and Rotate,
Video to JPG Converter,
Video to DVD Converter,
DVD Video Burner,
DVD Decrypter,
Video to iPod and PSP Converter,
Video to iPhone Converter,
Youtube to iPhone Converter,
Video to MP3 Converter,
Audio Converter,
Audio CD Burner,
Disk Burner|
২১.৩ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি সাইট www.dvdvideosoft.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এবার ব্যবহার করুন আপনার প্রয়োজনীয় টুলসটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
Youtube Download,
Youtube to iPod and PSP Converter,
Youtube to MP3 Converter,
Video to Flash Converter,
3GP Video Converter,
Video Dub,
Audio Dub,
Youtube Uploader,
Video Flip and Rotate,
Video to JPG Converter,
Video to DVD Converter,
DVD Video Burner,
DVD Decrypter,
Video to iPod and PSP Converter,
Video to iPhone Converter,
Youtube to iPhone Converter,
Video to MP3 Converter,
Audio Converter,
Audio CD Burner,
Disk Burner|
২১.৩ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি সাইট www.dvdvideosoft.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এবার ব্যবহার করুন আপনার প্রয়োজনীয় টুলসটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
এক্সপি-ভিসতা ডুয়েল বুটে এক্সপিকে ডিফল্ট করা
সাধারণত মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এক্সপির পরে উইন্ডোজ ভিসতা ইনস্টল করার ফলে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে ভিসতা সেট থাকে। এক্সপিতে ঢুকতে হলে বুটের সময় এক্সপি নির্বাচন করে ঢুকতে হয়। উইন্ডোজ এক্সপির বুট ফাইল পরিবর্তন করে এই ডিফল্ট অপটশনটি পরিবর্তন করা যায় না। উইন্ডোজ এক্সপিকে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম করতে চাইলে এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসাবে ভিসতা চালু করে মাই কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এবার Advanced System Settings এ ক্লিক করে Startup and Recovery এর Settings বাটনে ক্লিক করুন। এখন Default operating system এ উইন্ডোজ এক্সপি নির্বাচন করুন। এভাবে পরবর্তিতে আবার উইন্ডোজ ভিসতাতে ফিরে আসা যাবে। এছাড়াও উইন্ডোজ ভিসতার কমান্ড প্রোম্পট থেকে bcdedit /default {ntldr} লিখে এন্টার করলেও উইন্ডোজ এক্সপি ডিফল্ট হিসাবে সেট হবে।
গেমগুলোকে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করে রাখুন
কম্পিউটারে গেম খেলার নেশা শিশুদেরতো রয়েছে এমনকি বড়দেরও আছে। বাসার কম্পিউটার হলে অন্যদেরকে গেম খেলা থেকে রিবত রাখা বেশ কষ্টকর। কিন্তু আপনার অনুপস্থিতিতে কেউ যাতে গেমগুলো চালু করতে না পারে এবং চালু করতে গেলে পাসওয়ার্ড দরকার হয় তাহলে কেমন হতো! Game Protector সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই যেকোন গেমের মূল চালক ফাইল পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করে রাখা যাবে ফলে গেমটি চালাতে গেলেই পাসওয়ার্ড চাইবে। এভাবে গেমের চালক ফাইল ছাড়াও অনান্য এ্যাপলিকেশনও পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করা যাবে। পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করলে অবশ্য একই ফোল্ডারে উক্ত এ্যাপলিকেশনর ব্যাকআপ তৈরী হয়। মাত্র ৩.৯৫ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যাটি www.gameprotector.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
ফাইল এবং ফোল্ডার তালিকা এবং তথ্য প্রিন্ট করা
কোন ফোল্ডারের অধীনে থাকা সকল ফোল্ডার, সাব-ফোল্ডার এবং ফাইলের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে হলে ফোল্ডার প্রিন্টারই সহজ সমাধান। এমনই এক ফোল্ডার প্রিন্টার হচ্ছে কারিনস ডাইরেক্টরি প্রিন্টার। মাত্র ১.২৩ মেগাবাইটের এই ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারটি www.karenware.com থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
এই সফটওয়্যার দ্বারা ফোল্ডার বা ফাইলের নাম, লোকেশন, শর্ট নাম, এক্সটেশন, ফাইল সাইজ, কমেপ্রসট সাইজ, এট্রিবিউট, ডেট ক্রিয়েটেড, ডেট লাস্ট মডিফাইড, ফাইল ভার্সন, MD5 ভার্সন, SHA-1 হ্যাস ইত্যাদি পাওয়া যাবে সাব-ফোল্ডার, হিডেন ফাইল, সিস্টেম ফাইল, রিড অনলি ফাইলসহ। আর এসবই প্রিন্ট করা এবং হার্ডডিক্সে সেভ করা যাবে।
এমনই আরেকটি ফোল্ডার প্রিন্টার হচ্ছে জেআর ডাইরেক্টরি প্রিন্টার যার বিস্তারিত পাওয়া যাবে www.shamokaldarpon.com/?p=388 এখানে।
এই সফটওয়্যার দ্বারা ফোল্ডার বা ফাইলের নাম, লোকেশন, শর্ট নাম, এক্সটেশন, ফাইল সাইজ, কমেপ্রসট সাইজ, এট্রিবিউট, ডেট ক্রিয়েটেড, ডেট লাস্ট মডিফাইড, ফাইল ভার্সন, MD5 ভার্সন, SHA-1 হ্যাস ইত্যাদি পাওয়া যাবে সাব-ফোল্ডার, হিডেন ফাইল, সিস্টেম ফাইল, রিড অনলি ফাইলসহ। আর এসবই প্রিন্ট করা এবং হার্ডডিক্সে সেভ করা যাবে।
এমনই আরেকটি ফোল্ডার প্রিন্টার হচ্ছে জেআর ডাইরেক্টরি প্রিন্টার যার বিস্তারিত পাওয়া যাবে www.shamokaldarpon.com/?p=388 এখানে।
ভিসতার মত করুন উইন্ডোজ এক্সপিকে
vistamizer.jpgমাইক্রোসফটের বহুল প্রতিক্ষিত অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ভিসতা পেয়ে ব্যবহারকারী বেশ হতাশ হয়েছে তার প্রধান বড় কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত হার্ডওয়্যারের চাহিদা। গ্রাফ্রিক্স অন্যান্য সুবিধার দিক থেকে ভিসতা অবশ্যয় এক্সপি থেকে ভাল কিন্তু চাহিদাও তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশী। ফলে বেশীরভাগ এক্সপি ব্যবহারকারী ভিসতা ব্যবহার করতে পারছে না। তবে এক্সপি ব্যবহারকারীরা চাইলে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে পারে, অর্থাৎ এক্সপিকে ভিসতার মত করতে পারে VistaMizer সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে। ২২ মেগাবাইটের সফটওয়্যারটি www.public.sytes.net/hoefs/windows/vistamizer.php ওয়েব সাইট (বিটটরেন্ট) থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করলে উইন্ডোজ এক্সপির প্রায় ৪০০টির (আইকন, গ্রাফিক্স এবং অনান্য সিস্টেম ফাইল) মত ফাইল পরিবর্তন করবে। এর ফলে উইন্ডোজ ভিসতার অনেক ফিচারই পাওয়া যাবে এক্সপিতে। দেখতে অবিকল ভিসতার মত।
অনান্য ডাউনেলোড লিংক:
http://vistamizer.uptodown.com/en
http://vistamizer.en.softonic.com
www.soft32.com/download_205350.html
অনান্য ডাউনেলোড লিংক:
http://vistamizer.uptodown.com/en
http://vistamizer.en.softonic.com
www.soft32.com/download_205350.html
এক্সপি-ভিসতা ডুয়েল বুটে এক্সপিকে ডিফল্ট করা
সাধারণত মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এক্সপির পরে উইন্ডোজ ভিসতা ইনস্টল করার ফলে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে ভিসতা সেট থাকে। এক্সপিতে ঢুকতে হলে বুটের সময় এক্সপি নির্বাচন করে ঢুকতে হয়। উইন্ডোজ এক্সপির বুট ফাইল পরিবর্তন করে এই ডিফল্ট অপটশনটি পরিবর্তন করা যায় না। উইন্ডোজ এক্সপিকে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম করতে চাইলে এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসাবে ভিসতা চালু করে মাই কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এবার Advanced System Settings এ ক্লিক করে Startup and Recovery এর Settings বাটনে ক্লিক করুন। এখন Default operating system এ উইন্ডোজ এক্সপি নির্বাচন করুন। এভাবে পরবর্তিতে আবার উইন্ডোজ ভিসতাতে ফিরে আসা যাবে। এছাড়াও উইন্ডোজ ভিসতার কমান্ড প্রোম্পট থেকে bcdedit /default {ntldr} লিখে এন্টার করলেও উইন্ডোজ এক্সপি ডিফল্ট হিসাবে সেট হবে।
বহনযোগ্য অপারেটিং সিস্টেম স্ল্যাক্স
লাইভ সিডির সুবিধা হচ্ছে ইনষ্টল করা কোন অপারেটিং ছাড়ায় সিডি/ডিভিডি/ফ্লাশ ডিক্স থেকে সরাসরি কম্পিউটার বুট করা। আপনি চাইলে সিডি বা ফ্লাশ ডিক্সের উপযোগী এমন একটি ফ্রি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য www.slax.org থেকে আপনি সিডির উপয়োগী (.iso) বা ফ্লাশ ডিক্সের উপযোগী (.tar) ফাইল ডাউনলোড করে নিন। এছাড়া http://iso.linuxquestions.org/slax থেকেও ডাউনলোড করতে পারবেন। এবার সিডির উপযোগী ফাইলটি ডউনলোড করলে ফাইলটি আনজিপ করে .iso ফাইলটি সিডিতে রাইট করুন। আর ফ্লাশ ডিক্সের (.tar) উপযোগী ফাইলটি ডাউনলোড করলে ফাইলটি আনজিপ করুন। এবাট boot ফোল্ডারে ঢুকে bootinst.bat ফাইলটি চালু করুন। এরপরে নির্দেশনা হিসাবে কাজ করুন। ব্যাস এবার সিডি বা ফ্লাশ ডিস্ক থেকে কম্পিউটার বুট করতে পারবেন।
নিজেই রাইট হবে ISO ফাইল
আইএসও বা ইমেজ ফাইল নিয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েন, এটা কিভাবে সিডিতে রাইট করবেন এটাই অনেকে জানেন না। সাধারণ সিডি বার্নার সফটওয়্যার দিয়ে সহজেই .ISO ফরম্যাটের ফাইলটি খুলে রাইট করা যায়। কিন্তু যদি সিডি বার্নার সফটওয়্যার না থাকে বা রাইট করার পদ্ধতি না জানা থাকে তাহলে বেশ বিপাকে পড়তে হয়। এসমস্যার সমাধান দেবে সিডি সেল্ফ বার্নার সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার দ্বারা ISO বা CUE ফরম্যাটের ফাইলকে .exe বা এ্যাপলিকেশন ফাইলে রূপান্তর করা যায় ফলে নিজেই অন্য কোন বার্নারের সাহায্য ছাড়াই সিডিতে রাইট করা যায়। মাত্র ২.২৩ মেগাবাইটের ফ্রি, পোর্টেবল এই সফটওয়্যাটি http://damian666.boot-land.net/downloads.html থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
উইন্ডোজের দরকারী কিছু কমান্ড
উইন্ডোজে অনেক কমান্ড আছে সচারচর ব্যবহার হয় না বা সকলেই জানে না। দরকারী কিছু কমান্ড নিয়ে তৈরী কমান্ড ইন ডিমান্ড নামের এই সফটওয়্যাটিতে এ্যাপলিকেশন এররস, এ্যাপলিকেশন ভিজিবল উইন্ডো, ক্লিপবোর্ড, ডেক্সপট, ডিভাইস, ফাইলস এন্ড ফোল্ডারস, গ্রাফিক্স, আইকন, ইন্টারনেট, মেমোরি এন্ড সিপিইউ, নেটওয়ার্ক, সিস্টেমট্রে, টাক্সবার উইন্ডোজ এ্যাপলিকেশন বিভাগে ৭০টির মত কমান্ড বা ফিচার আছে যা উইন্ডোজ এক্সপি এবং ভিসতাতে কাজ হবে। মাত্র ৩.২৯ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যাটি www.vasilios-free.gr/freesoft/ থেকে ডাউনলোড করে নিন।
এক্সপির জন্য উইন্ডোজ ৭ এর সুপার বার
উইন্ডোজ এক্সপির পরে উইন্ডোজ ভিসতা এবং সমপ্রতি উইন্ডোজ ৭ বাজারে এসেছে। কিন্তু উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার তেমন একটা ভাটা পরেনি। তাই উইন্ডোজ ভিসতার বা উইন্ডোজ ৭ এর কিছু কিছু সুবিধা এক্সপির জন্য আসে। উইন্ডোজ ৭ এর মত টাক্সবার বানাতে পারবেন উইন্ডোজ এক্সপিতেও। এজন্য ViGlance সফটওয়্যারটি চালু করলেই চলবে। ১৯৭ (২৩৬) কিলোবাইটের ফ্রি, বহনযোগ্য এই সফটওয়্যারটি www.lee-soft.com থেকে ডাউনলোড করে চালু করুন। এবার দেখুন টাক্সবারের চেহারা। ভিগ্ল্যান্সে উইন্ডোজ ৭ এর ৪৮×৪৮ সাইজের আইকন, ডাইনামিক প্রসেস গ্রুপিং, ফিডিং স্টার্ট, গ্লাইড ইফেক্টস, রিসোর্স পিএনজি স্ক্রিন, ন্যাটিভ রাইট ক্লিক, ডাইনামিক টাক্সবার ট্র্যান্সফেন্সি, ৬৪ এবং ৮৬ এক্সপিতে ব্যবহারের সুবিধাগুলো রয়েছে। সফটওয়্যারটিকে স্থায়ীভাবে চালু করতে সফটওয়্যারটি কপি করে Start Menu\Programs\Startup এ পেস্ট (শটকাট) করুন তাহলে উইন্ডোজ চালু হবার সময় সফটওয়্যারটি চালু হবে।
তৈরী করুন উইন্ডোজের লাইভ সিডি
লাইভ সিডি হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম ইনষ্টল করা ছাড়ায় সিডি থেকে বুট করে কম্পিউটার ব্যবহার করা। যাকে বহনযোগ্য অপারেটিং সিস্টেম বলা যেতে পারে। হার্ডডিক্স ছাড়ায় লাইভ সিডির মাধ্যমে কম্পিউটারের অনকে ধরনের কাজ করা যায়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের লাইভ সিডি পাওয়া যায় যা ডাউনলোড করে সিডিতে রাইট করলেই লাইভ সিডি তৈরী হয়ে যায়। আপনি চাইলে মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম ২০০০/এক্সপি/২০০৩ এর লাইভ সিডি তৈরী করতে পারেন।
এজন্য প্রথমে www.nu2.nu/pebuilder থেকে প্রিইনষ্টল্ড ইনভাইরনমেন্ট বিল্টার বা পিবিল্টার (৩.১৫ মেগাবাইট) ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন। এবার পিবিল্টার চালু করলে লাইসেন্স এগ্রিমেন্টে করতে I Agree করুন। এরপরে Search files? ম্যাসেজ বক্স আসবে এখানে Yes করলে আপনার কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম (২০০০/এক্সপি/২০০৩) ব্যাকআপ আছে কিনা তা খুঁজবে (আপনি No বাটনে ক্লিক করতে পারেন)। আপনি উইন্ডোজে লাইভ সিডিতে যে ডেস্কটপ ওয়ালপেপার দেখতে চান সেটি bartpe.bmp নামে সেভ করে ইনষ্টল করা ফোল্ডারে bartpe.bmp নামক ফাইলের উপরে রিপ্লেস করুন।
এরপরে Plugins বাটনে ক্লিক করে nu2shell এবং startup group প্লাগইন দুটি ডিজেবল করুন। এবং Add বাটনে ক্লিক করে ইচ্ছামত প্লাগইন যোগ করুন এবং অবশেষে Close করুন। স্টার্ট মেনু এবং টাস্ক বার পেতে http://nchc.dl.sourceforge.net/sourceforge/winpe/xpe-1.0.7.cab প্লাগইনটি লাগবে। আপনি Kaspersky, Avast; Nero; VLC; OpenOffice, Foxit PDF reader, Acrobat Reader ইত্যাদি প্লাগইন ডাউনলোড করতে পারেন www.nu2.nu/pebuilder/plugins বা http://oss.netfarm.it/winpe/plugins.php সাইট থেকে।
এখন Source: এর ডানের বাটনে ক্লিক করে এক্সপির (যদি লাইভ সিডি হিসাবে এক্সপিকে ব্যবহার করতে চান) ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন। এর সাথে অন্যকোন ফোল্ডার (তথ্য বা বহনযোগ্য সফটওয়্যার) যোগ করতে চাইলে Custom: এর ডানের বাটনে ক্লিক করে ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন। এবার Create ISO image চেক করে পাথ এবং ফাইলের নাম দিন এবং Build বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে ISO image ফাইল তৈরী হবে। সরাসরি সিডিতে রাইট না করে ISO image ফাইল তৈরী করা ভাল, কারণ কোন ভুল বা এরর থাকলে পুনরায় সংশোধন করা যাবে যা সরাসরি সিডিতে রাইট করলে করা যাবে না এবং সিডিটি নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। এবার উক্ত ISO image ফাইল সিডিতে রাইট করুন। ব্যাস হয়ে গেল উইন্ডোজের (এক্সপির) লাইভ সিডি। এই সিডি দ্বারা আপনি হার্ডডিক্স ছাড়ায় এক্সপির মতই কম্পিউটারে ঢুকতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন।
এজন্য প্রথমে www.nu2.nu/pebuilder থেকে প্রিইনষ্টল্ড ইনভাইরনমেন্ট বিল্টার বা পিবিল্টার (৩.১৫ মেগাবাইট) ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন। এবার পিবিল্টার চালু করলে লাইসেন্স এগ্রিমেন্টে করতে I Agree করুন। এরপরে Search files? ম্যাসেজ বক্স আসবে এখানে Yes করলে আপনার কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম (২০০০/এক্সপি/২০০৩) ব্যাকআপ আছে কিনা তা খুঁজবে (আপনি No বাটনে ক্লিক করতে পারেন)। আপনি উইন্ডোজে লাইভ সিডিতে যে ডেস্কটপ ওয়ালপেপার দেখতে চান সেটি bartpe.bmp নামে সেভ করে ইনষ্টল করা ফোল্ডারে bartpe.bmp নামক ফাইলের উপরে রিপ্লেস করুন।
এরপরে Plugins বাটনে ক্লিক করে nu2shell এবং startup group প্লাগইন দুটি ডিজেবল করুন। এবং Add বাটনে ক্লিক করে ইচ্ছামত প্লাগইন যোগ করুন এবং অবশেষে Close করুন। স্টার্ট মেনু এবং টাস্ক বার পেতে http://nchc.dl.sourceforge.net/sourceforge/winpe/xpe-1.0.7.cab প্লাগইনটি লাগবে। আপনি Kaspersky, Avast; Nero; VLC; OpenOffice, Foxit PDF reader, Acrobat Reader ইত্যাদি প্লাগইন ডাউনলোড করতে পারেন www.nu2.nu/pebuilder/plugins বা http://oss.netfarm.it/winpe/plugins.php সাইট থেকে।
এখন Source: এর ডানের বাটনে ক্লিক করে এক্সপির (যদি লাইভ সিডি হিসাবে এক্সপিকে ব্যবহার করতে চান) ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন। এর সাথে অন্যকোন ফোল্ডার (তথ্য বা বহনযোগ্য সফটওয়্যার) যোগ করতে চাইলে Custom: এর ডানের বাটনে ক্লিক করে ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন। এবার Create ISO image চেক করে পাথ এবং ফাইলের নাম দিন এবং Build বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে ISO image ফাইল তৈরী হবে। সরাসরি সিডিতে রাইট না করে ISO image ফাইল তৈরী করা ভাল, কারণ কোন ভুল বা এরর থাকলে পুনরায় সংশোধন করা যাবে যা সরাসরি সিডিতে রাইট করলে করা যাবে না এবং সিডিটি নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। এবার উক্ত ISO image ফাইল সিডিতে রাইট করুন। ব্যাস হয়ে গেল উইন্ডোজের (এক্সপির) লাইভ সিডি। এই সিডি দ্বারা আপনি হার্ডডিক্স ছাড়ায় এক্সপির মতই কম্পিউটারে ঢুকতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন।
পিংবক্স দ্বারা নিজের সাইট ভিজিটরের সাথে চ্যাট করা
আপনার ওয়েব সাইটে যারা ভিজিট করছে তাদেরকে কোন ম্যাসেঞ্জার ছাড়াই আপনার সাথে চ্যাটিং করার সুযোগ করে দিতে পারেন ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার পিংবক্স দ্বারা। ফলে আপনার সাইটের ভিজিটরদের নিজস্ব একাউন্ট বা ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার ইনস্টল থাকার প্রয়োজন নেই। আপনি অনলাইনে থাকলে ভিজিটররা কোন ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি আপনার সাথে চ্যাটিং করতে পারবে।
এজন্য http://messenger.yahoo.com/pingbox সাইটে যান এবং সাইন ইন করুন। এবার Create a Pingbox বাটনে ক্লিক করুন। এরপরে New Pingbox এ পছন্দের পটভুমি, Text size & color এ ফন্টের সাইজ এবং রং, Display name, Online greeting, Offline message পূবণ করুন, Require visitors to enter Nickname to send IM (ফলে ভিজিটরকে অবশ্যয় একটি নাম দিতে হবে) এ টিক চিহ্ন দিন, Save Pingbox as এ নাম লিখে Save বাটনে ক্লিক করুন। এবার পরবর্তী পেজ থেকে আপনার সাইটের ধরন এবং পিংবক্সের সাইজ নির্ধারণ করুন। সবকিছুর ডানে দেখা যাবে এবং কোড জেনারেট হবে। এবার Copy to Clipboard বাটনে ক্লিক করলে ক্লিপ বোর্ডে কোড আসবে। এরপরে আপনার সাইটে কোড পেস্ট করুন। এরপরে আপনি ইয়াহুতে লগইন অবস্থায় থাকলে পিংবক্সের মাধ্যমে ভিজিটরটরা আপনার সাথে চ্যাটিং করতে পারবে। আপনি চাইলে পরবর্তিতে পিংবক্স পরির্বতন বা মুছে দিতে পারবেন। প্রয়োজনে ম্যাসেঞ্জারে পিংবক্স বন্ধ করেও রাখতে পারবেন।
এজন্য http://messenger.yahoo.com/pingbox সাইটে যান এবং সাইন ইন করুন। এবার Create a Pingbox বাটনে ক্লিক করুন। এরপরে New Pingbox এ পছন্দের পটভুমি, Text size & color এ ফন্টের সাইজ এবং রং, Display name, Online greeting, Offline message পূবণ করুন, Require visitors to enter Nickname to send IM (ফলে ভিজিটরকে অবশ্যয় একটি নাম দিতে হবে) এ টিক চিহ্ন দিন, Save Pingbox as এ নাম লিখে Save বাটনে ক্লিক করুন। এবার পরবর্তী পেজ থেকে আপনার সাইটের ধরন এবং পিংবক্সের সাইজ নির্ধারণ করুন। সবকিছুর ডানে দেখা যাবে এবং কোড জেনারেট হবে। এবার Copy to Clipboard বাটনে ক্লিক করলে ক্লিপ বোর্ডে কোড আসবে। এরপরে আপনার সাইটে কোড পেস্ট করুন। এরপরে আপনি ইয়াহুতে লগইন অবস্থায় থাকলে পিংবক্সের মাধ্যমে ভিজিটরটরা আপনার সাথে চ্যাটিং করতে পারবে। আপনি চাইলে পরবর্তিতে পিংবক্স পরির্বতন বা মুছে দিতে পারবেন। প্রয়োজনে ম্যাসেঞ্জারে পিংবক্স বন্ধ করেও রাখতে পারবেন।
গুগল এবং ইয়াহুর গ্রাহকদের ভয়েস চ্যাটিং
আমরা সাধারণত একই সেবা দানকারীদের নেটওয়্যার্কের ভয়েস চ্যাটিং করে থাকি। কিছু দিন যাবৎ ইয়াহুর গ্রাহকরা মাইক্রোসফটের লাইভ এর গ্রাহকদের সাথে (ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার এবং মাইক্রোসফটের লাইভ ম্যাসেঞ্জার) মধ্যে ভয়েস চ্যাটিং করার সুবিধা পাচ্ছে। যেমনটি পেয়ে থাকে গুগল এবং এওএল ব্যবহারকারীদের মধ্যে। কিন্তু ইয়াহু এবং জিমেইলের গ্রাহকদের একে অপরের সাথে চ্যাটিং এর সুবিধা পাচ্ছে না। কিন্তু এধরণের ভয়েস চ্যাটিং সহ ভিওআইপি সুবিধা দিচ্ছে www.gtalk2voip.com| এই সেবার সাহায্যে জিমেইলের গ্রাহকরা ইয়াহু! ম্যাসেঞ্জার এবং এমএসএন/লাইভ ম্যাসেঞ্জারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে কোন ঝামেলা ছাড়ায় ভয়েষ চ্যাঠিং করতে পারছে।
১) গুগল টকের গ্রাহকরা ইয়াহুর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে স্বাভাবিক গুগল আইডি যোগ করার মত service@gtalk2voip.com যোগ করতে হবে। এরপর service@gtalk2voip.com দুইবার ক্লিক করে (নতুন উইন্ডো খুলে) ম্যাসেজ হিসাবে CALL xyz@yahoo.com লিখে পাঠান (এখানে xyz আপনার কাঙ্খিত বন্ধুর ইয়াহু আইডি)।
২) আপনি যদি ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার থেকে গুগলে কারো সাথে ভয়েস চ্যাটিং করতে চান তাহলে স্বাভাবিক ইয়াহু আইডি যোগ করার মত gtalk2voip@yahoo.com যোগ করুন। এবার gtalk2voip@yahoo.com খুলে CALL xyz@gmail.com লিখে পাঠান (এখানে xyz আপনার কাঙ্খিত বন্ধুর জিমেইল আইডি)।
এছাড়াও বিস্তারিত জানতে এবং নতুন নতুন সুবিধা পেতে www.gtalk2voip.com এবং http://gtalk2voip.blogspot.com সাইট ঘুরে দেখতে পারেন।
১) গুগল টকের গ্রাহকরা ইয়াহুর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে স্বাভাবিক গুগল আইডি যোগ করার মত service@gtalk2voip.com যোগ করতে হবে। এরপর service@gtalk2voip.com দুইবার ক্লিক করে (নতুন উইন্ডো খুলে) ম্যাসেজ হিসাবে CALL xyz@yahoo.com লিখে পাঠান (এখানে xyz আপনার কাঙ্খিত বন্ধুর ইয়াহু আইডি)।
২) আপনি যদি ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার থেকে গুগলে কারো সাথে ভয়েস চ্যাটিং করতে চান তাহলে স্বাভাবিক ইয়াহু আইডি যোগ করার মত gtalk2voip@yahoo.com যোগ করুন। এবার gtalk2voip@yahoo.com খুলে CALL xyz@gmail.com লিখে পাঠান (এখানে xyz আপনার কাঙ্খিত বন্ধুর জিমেইল আইডি)।
এছাড়াও বিস্তারিত জানতে এবং নতুন নতুন সুবিধা পেতে www.gtalk2voip.com এবং http://gtalk2voip.blogspot.com সাইট ঘুরে দেখতে পারেন।
সয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে লগইন করা
জনপ্রিয় স্যোসাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে আলাদা লগইন না করে গুগল, ইয়াহু, ওপেন আইডি ইত্যাদি দ্বারা সয়ংক্রিয়ভাবে লগইন করা যাবে। ফলে উপরোক্ত নেটওয়ার্কে লগইন করা থাকলে ফেসবুকে নতুন করে লগইন করতে হবে না। এটা অনেকটা নেটওয়ার্ক একত্রিভূত করার মত। এটি সক্রিয় করতে ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Linked Accounts এর Add a new linked account এ ক্লিক করে যে (Google, MySpace, Yahoo, Vidoop, MyopenID, Verisign PIP, OpenID) একাউন্ট দ্বারা লগইন করতে চান সেটি নির্বাচন করুন এবং Link New Account এ ক্লিক করুন। যদি গুগল যুক্ত করতে চান তাহলে নতুন উইন্ডো থেকে জিমেইলে লগইন করুন এবং পরবর্তী উইন্ডো থেকে Allow বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে আপনি একাধিক একাউন্ট যোগ করতে পারবেন। ফলে আপনি যুক্ত করা যে কোন একাউন্টেই লগইন করা থাকা অবস্থায় ফেসবুকে ঢুকলে আপনা আপনি লগইন হবে। তবে যুক্ত করা একাউন্টে লগআউট করলে ফেসবুকে সয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হবে না।
ব্লগের পোস্ট ফেসবুকে আনা
বর্তমানে ব্লগিং যেমন জনপ্রিয় তেমনই ফেসবুকও। যারা বিভিন্ন ব্লগ সাইটে ব্লগ লিখেন তারা চাইলে সহজেই তাদের পোস্টগুলোকে ফেসবুকে সয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করতে পারেন। ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের একটি ব্লগের তথ্য আপডেট করা সুযোগ দিয়েছে। এই সুবিধা পেতে ফেসবুকে লগইন করে নিচের স্ট্যটাসবার থেকে notes আইকনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি www.facebook.com/notes.php পেজে যান। এখন ডানের Notes Settings অংশে Import a blog » এ ক্লিক করুন। এবার ইমপোর্ট পেজে Web URL: এ ব্লগ সাইটির ঠিকানা লিখে চেক বক্স চেক করে Start Importing বাটনে ক্লিক করলে কিছু পোস্টের প্রিভিউ দেখাবে। এখন নিচের Confirm Import বাটনে ক্লিক করলে সর্বশেষ পোস্ট ফেসবুকে পোস্ট হিসাবে আপপেট হবে এবং পরবর্তীতে উক্ত ব্লগে কোন পোস্ট করলে তা সয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে আপডেট হবে। ব্লগ পোস্ট ফেসুবকে আনা বন্ধ করতে চাইলে Notes Settings অংশে Edit Import a blog » এ গিয়ে বন্ধ করা যাবে।
সরাসরি ফেসবুক বা অনান্য সাইটে ছবি আপলোড করা
ফেসবুক, ফ্লিকআর, টিনিপিক, ওলফল বা ইমেজশ্যাকে ছবি আপলোড করতে ওয়েব সাইটে ঢুকে লগইন করে আপলোড করতে হয়। কিন্তু একটি সফটওয়্যার দ্বারা উক্ত ওয়েব সাইটগুলোতে না ঢুকে যদি ছবি আপলোড করা যায় তাহলে কেমন হয়! রাইটলোড সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই এসব সাইটে ছবি আপলোড করা যায়। এজন্য www.rightload.org থেকে ৩.৩৩ মেগাবাইটের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। ইনস্টল করার সময় অতিরিক্ত প্রায় ২.৬ মেগাবাইট ডাউনলোড হবে। এবার যে ছবিটিগুলো আপলোড করতে চাচ্ছেন তার নির্বাচন করে মাউসের ডান বাটন চেপে Upload to Rightload এ ক্লিক করে যে সাইটে আপলোড করতে চান তাতে ক্লিক করুন। তাহলে সফটওয়্যারটি চালু হবে এবং প্রথমবার লগইন এবং এই এ্যাপলিকেশনটিকে অনুমতি দেবার প্রয়োজন হবে। এবার ছবিগুলো আপলোড হবে এবং শেষ হবার পরে ম্যাসেজ আসবে।
ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করা
জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট ফেসবুকে সাধারণত ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না। কিন্তু ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা সহজেই একটি এ্যাড-অন্স ইনস্টল করে অনায়াসে যেকোন ভিডিও ডাউনলোডের পাশাপাশি কনভার্ট, এ্যামবেট এবং কোড কাস্টমাইজ করতে পারবে। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/9614 থেকে এ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করতে হবে। তাহলে ফেসবুকের ভিডিওর নিচে Download Video | Convert Video | Embed this Video | Customize Code আসবে। ভিডিও ডাউনলোড করলে MP4 ফরম্যাটে সেভ হবে। আর কনভার্ট করলে www.zamzar.com সাইটের মাধ্যমে অনলাইন কনভার্ট হবে।
ডেক্সটপ থেকে জানা যাবে ফেসবুকের আপডেট
জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে কোন স্ট্যাটাস পোস্ট করতে, রিকোয়েস্ট বা ম্যাসেজ এসেছ কি না দেখতে ফেসবুকে লগইন করতে হয়। ওয়েব সাইটে না গিয়েও ফেসবুক নোটিফিকেশনস এ্যাপলিকেশন দ্বারা আপটেড জানা যাবে এবং পোস্ট করা যাবে। ৯০১ কিলোবাইটের এই ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারটি http://code.google.com/p/apjunktion-notifications থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে মাইক্রোসফট ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক ইনস্টল থাকতে হবে। এখন সফটওয়্যাটি ইনস্টল করে লগইন করুন তাহলে একটি স্ট্যাটাসবারে ফেসবুকের বর্তমান স্ট্যাটাস দেখাবে। এখানে থেকে ফেসবুকে পোস্টও করা যাবে।
অরকুটের বন্ধুদের ফেসবুকে আনা
বর্তমানে বিশ্বের বহুল ব্যবহৃত ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে ২য় অবস্থানে রয়েছে সামাজিক ওয়েবসাইট ফেসবুক। আরেক (গুগলের) সামাজিক ওয়েবসাইট অরকুটে যাদের একাউন্ট আছে তারা চাইলে অরকুটের বন্ধুদেরকে ফেসবুকে আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন সহজেই।
এজন্য www.facebook.com/find-friends/?orkut সাইটে যান এবং Click Here to Login to Orkut বাটনে ক্লিক করে অরকুট একাউন্টে লগইন করুন। অরকুটের টপবারে Friends এ ক্লিক করে নিচের ডানে Export contacts এর Export contacts বাটনে ক্লিক করে বন্ধুদের মেইল ঠিকানা (ধরি contacts.csv নামে) সেভ করুন।
এখন পূর্বের (ফেসুবকের) পেজে ফিরে এসে Browse বাটনে ক্লিক করে সেভ করা contacts.csv ফাইলটি নির্বাচন করে Find Friends বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত contacts.csv ফাইলটিতে থাকা বন্ধুদের মধ্যে কতগুলো বন্ধু আপনার ফেসবুকে বন্ধু হিসাবে আছে, কতগুলোর ফেসবুকে একাউন্ট আছে অথচ আপনার বন্ধু হিসাবে নেই ইত্যাদি তথ্য দেখাবে। এখন যাদের ফেসবুকে একাউন্ট আছে অথচ আপনার বন্ধু হিসাবে নেই তাদেরকে বন্ধু হিসাবে যোগ করতে Select All Friends এ চেক করে নিচের Ad as Friends বাটনে ক্লিক করুন তাহলে সকলের কাছে আপনার আমন্ত্রণ পৌছে যাবে। এরপরে যাদের ফেসবুকে একাউন্ট নেই তাদের তালিকা আসবে। আপনি যদি সবাইকে ফেসবুকে একাউন্ট খোলার আমন্ত্রণ জানাতে চান তাহলে সকল ঠিকানা নির্বাচিত রেখে Invite to Join বাটনে ক্লিক করুন।
ব্যাস এভাবে আপনি অরকুটের বন্ধুদেরকে ফেসবুকেও বন্ধু হিসাবে পেতে পারেন।
এজন্য www.facebook.com/find-friends/?orkut সাইটে যান এবং Click Here to Login to Orkut বাটনে ক্লিক করে অরকুট একাউন্টে লগইন করুন। অরকুটের টপবারে Friends এ ক্লিক করে নিচের ডানে Export contacts এর Export contacts বাটনে ক্লিক করে বন্ধুদের মেইল ঠিকানা (ধরি contacts.csv নামে) সেভ করুন।
এখন পূর্বের (ফেসুবকের) পেজে ফিরে এসে Browse বাটনে ক্লিক করে সেভ করা contacts.csv ফাইলটি নির্বাচন করে Find Friends বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত contacts.csv ফাইলটিতে থাকা বন্ধুদের মধ্যে কতগুলো বন্ধু আপনার ফেসবুকে বন্ধু হিসাবে আছে, কতগুলোর ফেসবুকে একাউন্ট আছে অথচ আপনার বন্ধু হিসাবে নেই ইত্যাদি তথ্য দেখাবে। এখন যাদের ফেসবুকে একাউন্ট আছে অথচ আপনার বন্ধু হিসাবে নেই তাদেরকে বন্ধু হিসাবে যোগ করতে Select All Friends এ চেক করে নিচের Ad as Friends বাটনে ক্লিক করুন তাহলে সকলের কাছে আপনার আমন্ত্রণ পৌছে যাবে। এরপরে যাদের ফেসবুকে একাউন্ট নেই তাদের তালিকা আসবে। আপনি যদি সবাইকে ফেসবুকে একাউন্ট খোলার আমন্ত্রণ জানাতে চান তাহলে সকল ঠিকানা নির্বাচিত রেখে Invite to Join বাটনে ক্লিক করুন।
ব্যাস এভাবে আপনি অরকুটের বন্ধুদেরকে ফেসবুকেও বন্ধু হিসাবে পেতে পারেন।
লুকিয়ে রাখুন ফেসবুকের বন্ধুদের তালিকা
জনপ্রিয় সামাজিক ওয়েবসাইট ফেসবুকে প্রোফাইলে বন্ধুদের সংখ্যা এবং লিস্টে প্রদর্শিত হয়। তবে কেউ চাইলে প্রাইভেসির মাধ্যমে নিজের বন্ধুদের তালিকা অন্য বন্ধুদের বা নির্দিষ্ট কারো কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা যায়। এজন্য বন্ধুদেরকে লিস্ট করে রাখলে সুবিধা হবে কারণ লিস্টগুলোকে সহজেই তালিকাভুক্ত করা যায়।
লিস্ট তৈরী করা: ফেসবুকে লগইন করে Friends থেকে All Friends এ যান। এবার বন্ধুদের নামের ডানে Add to list এ ক্লিক করে Create New List টেক্সট বক্সে নতুন গ্রুপের নাম লিখে (আগে থেকে লিস্টের নাম না থাকলে) এন্টার করুন আর তৈরী করা লিস্টে যুক্ত করতে চাইলে লিস্টের উপরে ক্লিক করলেই হবে। এভাবে প্রত্যেক বন্ধুকে ইচ্ছামত লিস্টে যুক্ত করুন।
বন্ধুদের তালিকা প্রদর্শন না করা: এজন্য Settings>Privacy Settings এ যান। এবার Profile এ ক্লিক করে Friends এর ড্রপডাউন থেকে Customize এ ক্লিক করুন। এবার Only Friends চেক করে Except These People এর টেক্সট বক্স এ লিস্টের নাম লিখলে লিস্টটি দেখবে, লিস্টের উপরে ক্লিক করলে তা উপরের তালিকায় যোগ হবে। এভাবে আপনি যে যে লিস্টের বন্ধুকে বা লিস্ট ছাড়া কোন বন্ধুকে বন্ধুদের সংখ্যা এবং তালিকা দেখাতে না সেগুলো যোগ করে Okay করুন। এরপরে Save Changes বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। তাহলে উক্ত বন্ধুরা আপনার মোট বন্ধুর সংখ্যা এবং তালিকা দেখতে পারবে না তবে Mutual Friends এর সংখ্যা এবং তালিকা দেখতে পারবে।
লিস্ট তৈরী করা: ফেসবুকে লগইন করে Friends থেকে All Friends এ যান। এবার বন্ধুদের নামের ডানে Add to list এ ক্লিক করে Create New List টেক্সট বক্সে নতুন গ্রুপের নাম লিখে (আগে থেকে লিস্টের নাম না থাকলে) এন্টার করুন আর তৈরী করা লিস্টে যুক্ত করতে চাইলে লিস্টের উপরে ক্লিক করলেই হবে। এভাবে প্রত্যেক বন্ধুকে ইচ্ছামত লিস্টে যুক্ত করুন।
বন্ধুদের তালিকা প্রদর্শন না করা: এজন্য Settings>Privacy Settings এ যান। এবার Profile এ ক্লিক করে Friends এর ড্রপডাউন থেকে Customize এ ক্লিক করুন। এবার Only Friends চেক করে Except These People এর টেক্সট বক্স এ লিস্টের নাম লিখলে লিস্টটি দেখবে, লিস্টের উপরে ক্লিক করলে তা উপরের তালিকায় যোগ হবে। এভাবে আপনি যে যে লিস্টের বন্ধুকে বা লিস্ট ছাড়া কোন বন্ধুকে বন্ধুদের সংখ্যা এবং তালিকা দেখাতে না সেগুলো যোগ করে Okay করুন। এরপরে Save Changes বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। তাহলে উক্ত বন্ধুরা আপনার মোট বন্ধুর সংখ্যা এবং তালিকা দেখতে পারবে না তবে Mutual Friends এর সংখ্যা এবং তালিকা দেখতে পারবে।
ফেসবুকের বন্ধুদের জন্মদিনের তথ্য গুগল ক্যালেন্ডারে নেওয়া
গুগল ক্যালেন্ডারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এসএমএস এর মাধ্যমে রিমাইন্ডার পাওয়া। ফলে জন্মদিন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার (ইভেন্টের) বিষয় আগে থেকে জানা যায় এসএমএস এর মাধ্যমে। গুগল ক্যালেন্ডারে যদি সহজেই জনপ্রিয় সামাজিক সাইট ফেসবুকের বন্ধুদের জন্মদিন বা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আনা যায় তাহলে কেমন হয়!
এজন্য গুগলে এবং ফেসবুকে লগইন অবস্থায় www.fbcal.com সাইটে যান এবং GET YOUR CALENDARS NOW বাটনে ক্লিক করুন। এরপরে ফেসবুকে এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করতে Allow এবং Allow Offline Access করুন। এখন ফেসবুকে যুক্ত হওয়া ফেসবুক ক্যালেন্ডারে দুইটি কলাম পাবেন। বামপাশে ইভেন্ট এবং ডানে বার্থডে। এখন নিচের টাইম জোন ঠিক করে জন্মদিনের ক্যালেন্ডার গুগল ক্যালেন্ডারে নিতে গুগল ক্যালেন্ডার বাটনে ক্লিক করে যুক্ত করুন। এছাড়াও আইক্যালেণ্ডার, আউটলুক বা মজিলা সানবার্ডেও নিতে পারবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে সরাসরি যুক্ত হতে সমস্যা হলে নিচের download a copy here এ ক্লিক করে ক্যালেন্ডারটি ডাউনলোড করুন এবং গুগল ক্যালেন্ডারে ইমপোর্ট করুন। গুগল ক্যালেল্ডার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন www.shamokaldarpon.com/?p=1527 লিংক থেকে।
এজন্য গুগলে এবং ফেসবুকে লগইন অবস্থায় www.fbcal.com সাইটে যান এবং GET YOUR CALENDARS NOW বাটনে ক্লিক করুন। এরপরে ফেসবুকে এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করতে Allow এবং Allow Offline Access করুন। এখন ফেসবুকে যুক্ত হওয়া ফেসবুক ক্যালেন্ডারে দুইটি কলাম পাবেন। বামপাশে ইভেন্ট এবং ডানে বার্থডে। এখন নিচের টাইম জোন ঠিক করে জন্মদিনের ক্যালেন্ডার গুগল ক্যালেন্ডারে নিতে গুগল ক্যালেন্ডার বাটনে ক্লিক করে যুক্ত করুন। এছাড়াও আইক্যালেণ্ডার, আউটলুক বা মজিলা সানবার্ডেও নিতে পারবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে সরাসরি যুক্ত হতে সমস্যা হলে নিচের download a copy here এ ক্লিক করে ক্যালেন্ডারটি ডাউনলোড করুন এবং গুগল ক্যালেন্ডারে ইমপোর্ট করুন। গুগল ক্যালেল্ডার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন www.shamokaldarpon.com/?p=1527 লিংক থেকে।
দৈনন্দিন কাজে গুগল ক্যালেন্ডার
প্রতিদিনই আমরা রুটিন মাফিক চলি। বিশেষ বিশেষ মুহুর্তগুলো আমাদের সতর্কতারসাথে মনে রাখতে হয়। বিশেষ কোন মুহুর্ত যদি সময় মত ভুলে যায় এবং সময়ান্তে মনে পরে তাহলে নিজের চুল ছিড়া ছাড়া কোন কিছু করার থাকে না। এমন যদি হতো কেউ আপনাকে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তের আগে জানিয়ে দিতো তাহলে কেমন হতো! গুগল ক্যালেন্ডার আপনার এসব ইভেন্টগুলোর নির্দিষ্ট সময় আগেই আপনার মোবাইলে এসএমএস করে, ইমেইলে করে বা পপআপ হিসাবে মনে করিয়ে দেবে, তাও আবার বিনা পয়সায়।
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে যে গুগলে একাউন্ট থাকতে হবে এটা বলা বাহুল্য। যারা গুগল এ্যাপস ব্যবহার করেন তারাও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পাবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে প্রবেশের জন্য জিমেইলে (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা তাদের মেইলে) লগইন করে উপরের calendar লিংকে ক্লিক করে অথবা সরাসরি www.google.com/calendar (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা https://www.google.com/calendar/hosted/ এরপরে ডোমেইন নাম লিখে) সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। আর মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য www.google.com/calendar/m বা m.google.com/calendar মাধ্যমে করা যাবে।
ক্যালেন্ডার যোগ করা: সাধারণত একটি ডিফল্ট ক্যালেন্ডার থাকে কিন্তু চাইলে আরো ক্যালেন্ডার যোগ করা যাবে। এক একটি ক্যালেন্ডার প্রাইভেট বা পাবলিক হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। নতুন ক্যালেন্ডার যোগ করার জন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Create new calendar এ ক্লিক করুন এবং ক্যালেন্ডারের নাম দিয়ে সেভ করুন।
এসএমএস সক্রিয় করা: মোবাইলের এসএমএস সুবিধা সক্রিয় করার জন্য Settings এ ক্লিক করে Mobile Setup ট্যাবে ক্লিক করুন। Phone number: অংশে +৮৮সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন এবং Send Verification Code এ ক্লিক করুন তাহলে আপনার মোবাইলে গুগল থেকে ভেরিফিকেশন কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, একটেল এবং ওয়ারিদ গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। এবার Verification code: টেক্সট বক্সে মোবাইলে আসা কোডটি লিখে Finish setup বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন সমাপ্ত করুন তাহলে সয়ংক্রিয়ভাবে Notifications ট্যাবে আসবে। এখানে By default, remind me via এর ড্রপডাউন থেকে SMS নির্বাচন করুন এবং ইভেন্টের কত সময় আগে এসএমএস পেতে চান তা লিখুন। চাইলে আরো রিমাইন্ডার (এসএমএস, মেইল, পপআপ) যোগ করতে পারেন। এরপরে Choose how you would like to be notified: এর SMS অংশে সবগুলো চেক বক্স চেক করে সেভ করুন। আপনি চাইলে পরবর্তিতে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন।
বর্তমান বাংলাদেশের সময় নির্ধারণ করা: বর্তমানে ১ ঘন্টা ঘড়ির কাটা এগিয়ে নেবার ফলে আপনাকেও গুগল ক্যালেন্ডারে ১ ঘন্টা এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য Settings এ ক্লিক করে General ট্যাব থেকে Your current time zone: অংশের Display all time zones চেক করুন। এবার উপরের ড্রপ ডাউন থেকে GMT+07.00 নির্বাচন করুন (ফলে Country: এর স্থলে অন্য দেশ দেখাবে)। চাইলে অনান্য সেটিংও পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশেষে সেভ করুন। মোবাইল ভেরিফিকেশন করার আগে টাইম জোন পরিবর্তন করলে মোবাইল ভেরিফিকেশন করা যাবে না।
ইভেন্ট যোগ করা: কোন ইভেন্ট যোগ করতে হলে গুগল ক্যালেন্ডারে গিয়ে Create Event এ ক্লিক করুন। এবার ইভেন্টর নাম, সময়, তারিখ নির্ধারণ করে সেভ করুন। Where এ কোন স্থানের নাম দিলে তা গুগল মাপে প্রদর্শিত হবে। চাইলে নিচের Options থেকে এই ইভেন্টের জন্য আলাদা রিমাইন্ডার এবং প্রাইভেসি নির্বাচন করতে পারবেন। আর কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে ডানের Guests থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানাতেও পারবেন। এছাড়াও Quick Add এ ক্লিক করে ইভেন্টের নাম স্পেস সময় এবং স্পেস দিয়ে তারিখ লিখে (যেমন, Dinner with Mehdi 7pm 2009-07-06) প্লাস (+) বাটনে ক্লিক করুন মেবাইল ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এভাবে ইভেন্ট যোগ করতে হবে। আপনি যদি জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকী বা অন্য কোন বার্ষিকী যোগ করতে চান তাহলে Repeats এ Yearly নির্বাচন করুন। তাহলে প্রতিবছর নতুন করে এই ইভেন্ট তৈরী করতে হবে না সয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিবছরই ইভেন্টি চালু থাকবে। এভাবে দরকারমতে Days, Weekly, Monthly নির্বাচন করতে পারবেন।
ইভেন্ট পরিবর্তন বা মুছে ফেলা: কোন ইভেন্ট মুছতে বা সম্পাদনা করতে হলে মূল ক্যালেন্ডার থেকে Day, Week, Month, 7Days বা Agenda এ ইভেন্টের উপরে ক্লিক করে সম্পাদনার জন্য edit event details» বা মুছে ফেলার জন্য Delete এ ক্লিক করলেই হবে। আর দুইবার ক্লিক করলে সম্পাদনার জন্য খুলবে এখান থেকেও সম্পাদনা বা মুছে ফলা যাবে।
ক্যালেন্ডার শেয়ার দেওয়া: ক্যালেন্ডার অন্যকে শেয়ার দিতে চাইলে Settings এ ক্লিক করে Calendars ট্যাবে থেকে Notifications এ ক্লিক করুন। এবার Share this calendar ট্যাব থেকে Make this calendar public চেক করে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিতে পারেন। আর নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে Share with specific people এ ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন (তাহলে উক্ত ব্যাক্তির মেইলে লিংকসহ মেইল যাবে)। আর পাবলিক (সবার জন্য উম্মুক্ত) ক্যালেন্ডার কোন ওয়েব পেজে দেখাতে চাইলে Calendar Details ট্যাবে ক্লিক করে Embed This Calendar অংশের কোড ওয়েব সাইটে রাখলেই হবে। চাইলে কোড সম্পাদনা করে ক্যালেন্ডারের সাইট ছোট-বড় করতে পারবেন। এছাড়াও Calendar Address বা Private Address এর লিংকও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ক্যালেন্ডার এক্সপোর্ট করতে চাইলে Calendars ট্যাবে থেকে Export calendars এ ক্লিক করে কম্পিউটারে সেভ করতে পারেন।
অন্যের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা: আপনার ক্যালেন্ডারে আপনি অন্যের শেয়ার করা ক্যালেন্ডার বা পাবলিক ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Browse public calendars এ ক্লিক করুন। এবার Friends’ Calendars ট্যাবে গিয়ে যার ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চান সেই ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন। অথবা আপনার মেইলে আসা ক্যালেন্ডার শেয়ারিং মেইলে ক্লিক করেও এ্যাড করতে পারেন। আর পাবলিক ক্যালেন্ডার যোগ করতে চাইলে Add by URL টাবে গিয়ে ক্যালেন্ডারের ইউআরএল লিখে এ্যাড করতে পারবেন। অন্যের এক্সপোর্ট করা ক্যলেন্ডার যোগ করতে চাইলে Import calendar ট্যাবে ক্লিক করে ইমপোর্ট করলেই হবে। এছাড়াও Browse Calendars ট্যাব থেকে কিছু দেশের ছুটির তালিকাসহ বেশ কিছু বিশেষ ক্যালেন্ডার যোগ করতে পারেন।
জিমেইলে গুগল ক্যালান্ডার প্রর্দশন করা: জিমেইলে লগইন করে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Google Calendar gadget এর Enable নির্বাচন করে সেভ করুন তাহলে বাম পাশের বাম পাশের প্যানেলে গুগল ক্যালেন্ডার দেখা যাবে।
গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার: যারা গুগল ডেক্সটপ (http://desktop.google.com) ব্যবহার করেন তারা http://desktop.google.com/plugins থেকে গুগল ক্যালেন্ডারের গ্যাজেট ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। তাহলে গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার প্রদর্শন করবে। এখানে লগইন করে ক্যালেন্ডার দেখা এবং ইভেন্ট তৈরী করা যাবে।
আইগুগলে গুগল ক্যালেন্ডার: আইগুগলে (www.google.com/ig) গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে লগইন করে Add stuff » এ ক্লিক করুন। এবার গুগল ক্যালেন্ডারটি এ্যাড করুন এবং আইগুগলে এসে ইচ্ছামত যায়গায় সেট করুন।
এডঅন্স: মজিলা থান্ডারবার্ডে গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে https://addons.mozilla.org/en-US/thunderbird/addon/4631 থেকে এডঅন্সটি ইনস্টল করলেই হবে।
অপলাইনে ব্যবহার করা: জিমেইলের মত গুগল ক্যালেন্ডারও অফলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার
গুগল ক্যালেন্ডারের উপরের ডানে Offline এ ক্লিক করে বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Enable offline access ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি আপডেট ব্রাউজার না হলে সমর্থন করবে না।
গুগল ক্যালেন্ডারে ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ এবং গতিময় করে তোলা যাবে।
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে যে গুগলে একাউন্ট থাকতে হবে এটা বলা বাহুল্য। যারা গুগল এ্যাপস ব্যবহার করেন তারাও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পাবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে প্রবেশের জন্য জিমেইলে (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা তাদের মেইলে) লগইন করে উপরের calendar লিংকে ক্লিক করে অথবা সরাসরি www.google.com/calendar (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা https://www.google.com/calendar/hosted/ এরপরে ডোমেইন নাম লিখে) সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। আর মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য www.google.com/calendar/m বা m.google.com/calendar মাধ্যমে করা যাবে।
ক্যালেন্ডার যোগ করা: সাধারণত একটি ডিফল্ট ক্যালেন্ডার থাকে কিন্তু চাইলে আরো ক্যালেন্ডার যোগ করা যাবে। এক একটি ক্যালেন্ডার প্রাইভেট বা পাবলিক হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। নতুন ক্যালেন্ডার যোগ করার জন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Create new calendar এ ক্লিক করুন এবং ক্যালেন্ডারের নাম দিয়ে সেভ করুন।
এসএমএস সক্রিয় করা: মোবাইলের এসএমএস সুবিধা সক্রিয় করার জন্য Settings এ ক্লিক করে Mobile Setup ট্যাবে ক্লিক করুন। Phone number: অংশে +৮৮সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন এবং Send Verification Code এ ক্লিক করুন তাহলে আপনার মোবাইলে গুগল থেকে ভেরিফিকেশন কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, একটেল এবং ওয়ারিদ গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। এবার Verification code: টেক্সট বক্সে মোবাইলে আসা কোডটি লিখে Finish setup বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন সমাপ্ত করুন তাহলে সয়ংক্রিয়ভাবে Notifications ট্যাবে আসবে। এখানে By default, remind me via এর ড্রপডাউন থেকে SMS নির্বাচন করুন এবং ইভেন্টের কত সময় আগে এসএমএস পেতে চান তা লিখুন। চাইলে আরো রিমাইন্ডার (এসএমএস, মেইল, পপআপ) যোগ করতে পারেন। এরপরে Choose how you would like to be notified: এর SMS অংশে সবগুলো চেক বক্স চেক করে সেভ করুন। আপনি চাইলে পরবর্তিতে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন।
বর্তমান বাংলাদেশের সময় নির্ধারণ করা: বর্তমানে ১ ঘন্টা ঘড়ির কাটা এগিয়ে নেবার ফলে আপনাকেও গুগল ক্যালেন্ডারে ১ ঘন্টা এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য Settings এ ক্লিক করে General ট্যাব থেকে Your current time zone: অংশের Display all time zones চেক করুন। এবার উপরের ড্রপ ডাউন থেকে GMT+07.00 নির্বাচন করুন (ফলে Country: এর স্থলে অন্য দেশ দেখাবে)। চাইলে অনান্য সেটিংও পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশেষে সেভ করুন। মোবাইল ভেরিফিকেশন করার আগে টাইম জোন পরিবর্তন করলে মোবাইল ভেরিফিকেশন করা যাবে না।
ইভেন্ট যোগ করা: কোন ইভেন্ট যোগ করতে হলে গুগল ক্যালেন্ডারে গিয়ে Create Event এ ক্লিক করুন। এবার ইভেন্টর নাম, সময়, তারিখ নির্ধারণ করে সেভ করুন। Where এ কোন স্থানের নাম দিলে তা গুগল মাপে প্রদর্শিত হবে। চাইলে নিচের Options থেকে এই ইভেন্টের জন্য আলাদা রিমাইন্ডার এবং প্রাইভেসি নির্বাচন করতে পারবেন। আর কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে ডানের Guests থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানাতেও পারবেন। এছাড়াও Quick Add এ ক্লিক করে ইভেন্টের নাম স্পেস সময় এবং স্পেস দিয়ে তারিখ লিখে (যেমন, Dinner with Mehdi 7pm 2009-07-06) প্লাস (+) বাটনে ক্লিক করুন মেবাইল ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এভাবে ইভেন্ট যোগ করতে হবে। আপনি যদি জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকী বা অন্য কোন বার্ষিকী যোগ করতে চান তাহলে Repeats এ Yearly নির্বাচন করুন। তাহলে প্রতিবছর নতুন করে এই ইভেন্ট তৈরী করতে হবে না সয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিবছরই ইভেন্টি চালু থাকবে। এভাবে দরকারমতে Days, Weekly, Monthly নির্বাচন করতে পারবেন।
ইভেন্ট পরিবর্তন বা মুছে ফেলা: কোন ইভেন্ট মুছতে বা সম্পাদনা করতে হলে মূল ক্যালেন্ডার থেকে Day, Week, Month, 7Days বা Agenda এ ইভেন্টের উপরে ক্লিক করে সম্পাদনার জন্য edit event details» বা মুছে ফেলার জন্য Delete এ ক্লিক করলেই হবে। আর দুইবার ক্লিক করলে সম্পাদনার জন্য খুলবে এখান থেকেও সম্পাদনা বা মুছে ফলা যাবে।
ক্যালেন্ডার শেয়ার দেওয়া: ক্যালেন্ডার অন্যকে শেয়ার দিতে চাইলে Settings এ ক্লিক করে Calendars ট্যাবে থেকে Notifications এ ক্লিক করুন। এবার Share this calendar ট্যাব থেকে Make this calendar public চেক করে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিতে পারেন। আর নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে Share with specific people এ ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন (তাহলে উক্ত ব্যাক্তির মেইলে লিংকসহ মেইল যাবে)। আর পাবলিক (সবার জন্য উম্মুক্ত) ক্যালেন্ডার কোন ওয়েব পেজে দেখাতে চাইলে Calendar Details ট্যাবে ক্লিক করে Embed This Calendar অংশের কোড ওয়েব সাইটে রাখলেই হবে। চাইলে কোড সম্পাদনা করে ক্যালেন্ডারের সাইট ছোট-বড় করতে পারবেন। এছাড়াও Calendar Address বা Private Address এর লিংকও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ক্যালেন্ডার এক্সপোর্ট করতে চাইলে Calendars ট্যাবে থেকে Export calendars এ ক্লিক করে কম্পিউটারে সেভ করতে পারেন।
অন্যের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা: আপনার ক্যালেন্ডারে আপনি অন্যের শেয়ার করা ক্যালেন্ডার বা পাবলিক ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Browse public calendars এ ক্লিক করুন। এবার Friends’ Calendars ট্যাবে গিয়ে যার ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চান সেই ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন। অথবা আপনার মেইলে আসা ক্যালেন্ডার শেয়ারিং মেইলে ক্লিক করেও এ্যাড করতে পারেন। আর পাবলিক ক্যালেন্ডার যোগ করতে চাইলে Add by URL টাবে গিয়ে ক্যালেন্ডারের ইউআরএল লিখে এ্যাড করতে পারবেন। অন্যের এক্সপোর্ট করা ক্যলেন্ডার যোগ করতে চাইলে Import calendar ট্যাবে ক্লিক করে ইমপোর্ট করলেই হবে। এছাড়াও Browse Calendars ট্যাব থেকে কিছু দেশের ছুটির তালিকাসহ বেশ কিছু বিশেষ ক্যালেন্ডার যোগ করতে পারেন।
জিমেইলে গুগল ক্যালান্ডার প্রর্দশন করা: জিমেইলে লগইন করে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Google Calendar gadget এর Enable নির্বাচন করে সেভ করুন তাহলে বাম পাশের বাম পাশের প্যানেলে গুগল ক্যালেন্ডার দেখা যাবে।
গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার: যারা গুগল ডেক্সটপ (http://desktop.google.com) ব্যবহার করেন তারা http://desktop.google.com/plugins থেকে গুগল ক্যালেন্ডারের গ্যাজেট ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। তাহলে গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার প্রদর্শন করবে। এখানে লগইন করে ক্যালেন্ডার দেখা এবং ইভেন্ট তৈরী করা যাবে।
আইগুগলে গুগল ক্যালেন্ডার: আইগুগলে (www.google.com/ig) গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে লগইন করে Add stuff » এ ক্লিক করুন। এবার গুগল ক্যালেন্ডারটি এ্যাড করুন এবং আইগুগলে এসে ইচ্ছামত যায়গায় সেট করুন।
এডঅন্স: মজিলা থান্ডারবার্ডে গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে https://addons.mozilla.org/en-US/thunderbird/addon/4631 থেকে এডঅন্সটি ইনস্টল করলেই হবে।
অপলাইনে ব্যবহার করা: জিমেইলের মত গুগল ক্যালেন্ডারও অফলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার
গুগল ক্যালেন্ডারের উপরের ডানে Offline এ ক্লিক করে বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Enable offline access ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি আপডেট ব্রাউজার না হলে সমর্থন করবে না।
গুগল ক্যালেন্ডারে ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ এবং গতিময় করে তোলা যাবে।
ফেসবুকের খুঁটিনাটি
বর্তমানে ফেসবুক খুবই জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট। ফেসবুকের খুঁটিনাটি বিষয় এখন জানাবো।
রেজিস্ট্রেশন করা: ফেসবুকে যে কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারে। এজন্য www.facebook.com সাইটে যান। এবার Sign Up অংশের ফরম পূরণ করে Sign Up বাটনে ক্লিক করুন এবং Security Check এর শব্দদ্বয় লিখে Sign Up বাটনে ক্লিক করলে ফেসবুকের একাউন্ট খোলা হবে। এরপরে ইমেইলে প্রাপ্ত ফেসবুকের মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা নিশ্চিত করতে হবে।
মোবাইলে ফেসবুক: ফেসবুকের ভক্তরা চাইলে তাদের GPRS উপযোগী মোবাইলেও ফেসবুক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য m.facebook.com ঢুকে স্বাভাবিকভাবে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রবেশ করতে পারবেন। এর ইমেইল ঠিকানা ছাড়াও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ফেসবুকে একাউন্ট খোলা যায়। এজন্য m.facebook.com থেকে Need an account? Sign up using your phone here এর here লেখা লিংকে ক্লিক করুন এবং নাম, কান্ট্রি কোডসহ মোবাইল নম্বর, পাওয়ার্ড দিয়ে Sign up করুন। এরপরে ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত এসএমএস এর পিন নম্বরট পরবর্র্তী পেজে দিয়ে একাউন্ট সক্রিয় করুন। এই একাউন্ট দ্বারা কম্পিউটারে ব্যবহার করতে চাইলে লগইন করার সময় ইমেইলের স্থলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করতে হবে।
মোবাইল দ্বারা একাউন্ট নিশ্চিত করা: বন্ধুদের যুক্ত করতে গেলে বা অন্য ক্ষেত্রে Security Check ডায়ালগ আসে, যা বেশ বিরক্তিকর। এটা থেকে মুক্তি পেতে Sick of these? এর Verify your account লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Your Phone ডায়ালগ বক্স আসবে। এবার Phone Number: এ আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার মোবাইলে ফেসবুক থেকে কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে, এখানে উক্ত কোড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস এরপরে আর Security Check ডায়ালগ আসবে না।
বাংলাতে ফেসবুকের ইন্টারফেস: সমপ্রতি ফেসবুকের ভাষার তালিকায় বাংলা ভাষা যুক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এ্যাপলিকেশন দ্বারা বাংলা ইন্টাফেস দেখা যেতো। বর্তমানে উভয় পদ্ধতিতে বাংলা ইন্টারফেসে ফেসবুক দেখা যাবে।
পদ্ধতি ১) ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Language ট্যাবে গিয়ে Primary Language: অংশে বাংলা নির্বাচন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের চেহারা বাংলাতে রূপান্তরিত হবে।
পদ্ধতি ২) এজন্য www.new.facebook.com/translations ঠিকানাতে যান এবং Allow বাটনে ক্লিক করে এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার Set your language ড্রপডাউন থেকে বাংলা নির্বাচন করুন ব্যস কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের সকল ইন্টারফেস বাংলাতে আসবে।
বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো: বন্ধুদের মেইলের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানাতে Friends থেকে Invite Friends এ ক্লিক করুন। এবার To: তে বন্ধুদের ইমেইল লিখে Invite বাটনে ক্লিক করুন। আর যদি আপনার ইমেইল থেকে বন্ধুদের ইমেইল ঠিকানা আনতে চান তাহলে Import Email Addresses এ ক্লিক করে বা ইমেইলের লগোর উপরে ক্লিক করে ইউজার, পাসওয়ার্ড দিয়ে Find Friends বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে মেইলে থাকা সকল মেইল ঠিকানা আসবে। এবার যাকে যাকে আমন্ত্রণ জানাতে চান সেই মেইল ঠিকানাগুলো নির্বাচন করে Add to Invite বাটনে ক্লিক করলে To: তে চলে আসবে। এছাড়াও Friends মেনু থেকে Find Friends এ গিয়ে বা হোম পেজে থাকা অবস্থায় ডানের Suggestions থেকে পছন্দের ব্যাক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে Add as Friend এ ক্লিক করুন। এছাড়াও নাম বা ইমেইল ঠিকানা দ্বারা সার্চ করেও আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
আমন্ত্রণ গ্রহন করা: কেউ আপনকে আমন্ত্রণ জানালে হোম পেজের ডানে Requests এ দেখা যায়। এখানে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট, প্রুফ ইনভাইটেশন, সাজেশন ইত্যাদি থাকে। আপনি যেকোন একটিতে ক্লিক করে Confirm Request পেজ থেকে আমন্ত্রণ গ্রহন করতে পারেন।
গ্রুফ তৈরী করা এবং যোগ দেওয়া: স্ট্যাটাসবারে প্রুফ আইকনে ক্লিক করে বা www.facebook.com/groups.php ঠিকানাতে যান। এবার পছন্দের গ্রুফটির উপরে ক্লিক করে Join this Group এ ক্লিক করে Add group membership? ডায়ালগ থেকে Join এ ক্লিক করে গ্রুফে যোগ দিতে পারেন। আর গ্রুফ থেকে বের হতে Leave Group এ ক্লিক করে Remove group membership? ডায়ালগ থেকে Remove এ ক্লিক করলেই হবে। এছাড়াও নিজের একটি গ্রুফ তৈরী করতে চাইলে গ্রুফ পেজ থেকে +Create a new Group বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী পদক্ষেপ অনুসরণ করুন।
অন্য একাউন্ট থেকে ফেসবুকে লগইন করা:
আরো ইমেইল যুক্ত করা বা পরিবর্তন করা: ফেসবুক যে ইমেইল দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয় এবং পরবর্তিতে উক্ত ইমেইল দ্বারা ফেসবুকে লগইন করতে হয়। কিন্তু আপনি চাইলে উক্ত ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন বা আরো ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে পারবেন। এজন্য ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে New Email: এ নতুন আরেকটি ইমেইল ঠিকানা লিখে Add New Email বাটনে ক্লিক করুন এবং Change Email বক্সে ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। এবার নতুন যুক্ত করা মেইলে কনফার্মেশন মেইল যাবে উক্ত মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানাটি নিশ্চিত করতে হবে। সদ্য যুক্ত করা ইমেইলটি ডিফল্ট হিসাবে থাকবে। এভাবে আরো মেইল ঠিকানা যুক্ত করা যাবে। আগের মেইলটি মুছে ফেলতে চাইলে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে যে মেইলটি মুছে ফেলতে চান তার ডানের Remove লিংকে ক্লিক করুন এবং ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস আগের মেইলটি ফেসবুক থেকে মুছে যাবে।
ইউজার নাম সেট করা: সমপ্রতি ফেসবুক ব্যবহাকারীদের ইউজার নাম সেট করার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য লগইন করা অবস্থায় www.facebook.com/username/ এ যান এবং পছন্দের ইউজার নাম সেট করুন। আপনি যদি mehdiakram নাম সেট করেন তাহলে আপনার ফেসবুকের ঠিকানা হবে www.facebook.com/mehdiakram/ যেখানে আগে প্রোফাইল আইডি দেখাতো।
সার্চ থেকে নিজেকে বিরত রাখা: ফেসবুকে ইমেইল ঠিকানা দ্বারা বা নাম দ্বারা সার্চ করলে প্রোফাইল দেখায় এবং আমন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। আপনি চাইলে নিজেকে এই সার্চ থেকে বিরত রাখতে পারেন এবং চাইলে শুধুমাত্র বন্ধু এবং বন্ধুর বন্ধুদের সার্চ করার সুযোগ দিতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার Search এ ক্লিক করে Search Visibility অংশে কারা ফেসবুকে আপনাকে সার্চ করে পাবে তা নির্বাচন করুন। আর সার্চে আপনার কি কি তথ্য দেখাবে তা নির্বাচন করুন Search Result Content থেকে। অনান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিজেকে প্রদর্শিত না করতে চাইলে Public Search Listing এ আনচেক করুন।
ব্লক করা: নির্দিষ্ট কোন বন্ধু বা অনাকাঙ্খিত ব্যাক্তিকে আপনার প্রোফাইল বা অনান্য তথ্য দেখা থেকে বিরত রাখতে তাকে ব্লক করে রাখতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার নিচের Block People এর অংশের টেক্সট বক্সে নাম লিখে Block বাটনে ক্লিক করুন। এবার যাকে ব্লক করতে চান সার্চের ডানে Block Person এ ক্লিক করুন। এভাবে আপনি একাধিক ব্যক্তিবর্গকে ব্লক করে রাখতে পারেন। কাউকে ব্লক করলে সে আপনাকে কোথাও সার্চ করে যেমন পাবে না তেমন তার সাথে পূর্বে বন্ধত্ব থাকলেও তা শেষ হয়ে যাবে। আর আনব্লক করতে চাইলে Block List থেকে Remove লিংকে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইলের সাথে যুক্ত করা: ফায়ারফক্স ব্যবহাকারীরা Xoopit এ্যাডঅন্স ব্যবহার করে জিমেইলের সাথে ফেসবুককে যুক্ত করতে পারেন। ফলে জিমেইল থেকে ফেসবুকে ছবি, ভিডিও যেমন দেখা যাবে তেমনই জিমেইল থেকেও শেয়ার করা যাবে। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8257 থেকে এ্যাডঅন্স ইনস্টল করে নিন। এরপরে জিমেইল একাউন্টে লগইন করে Xoopit এ লগইন করতে হবে। বিস্তারিত পাবেন http://vimeo.com/3287784 এখানে।
টুয়িটার এবং ফেসবুক: টুয়িটার মিনি ব্লগ বেশ জনপ্রিয়। আপনি চাইলে টুয়িটারের স্ট্যাটাস ফেসবুকে যুক্ত করতে পারেন। এমনকি ফেসবুক থেকেও টুয়িটারে পোস্ট করতে পারেন। এজন্য http://apps.facebook.com/twitter/ এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার টুয়িটারের ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার টুয়িটারে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকের ওয়ালে যেমন দেখাতে তেমনই ফেসবুকের টুয়িটার এ্যাপলিকেশনে আপনি কিছু লিখলে তা টুয়িটারে এবং ফেসবুকে দেখাবে।
ফায়ারফক্সের মাধ্যমে ফেসবুকে পোস্ট করা: ফায়ারফক্সের FireStatus এ্যাডঅন্স দ্বারা আপনার স্ট্যাটাস ফেসবুকসহ আরো বিভিন্ন সাইটে পোস্ট করতে পারবেন। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8973 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করে নিন। এবার স্ট্যটাস বারের ডানের FireStatus আইকনে কিক্ল করুন তাহলে স্ট্যটাস বারের উপরে একটি বার আসবে। এখানে আনার স্ট্যটাস লিখে ডানের ফেসবুক নির্বাচন করে Send বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের লগইন উইন্ডোজ আসবে লগইন করলে স্ট্যটাস ফেসবুকের ওয়ালে পোস্ট হবে।
ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুক চ্যট: অনান্য সাইট ব্রাউজ করার পাশাপাশি ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য www.facebook.com/presence/popout.php সাইটে যান এবং পেজটি বুকমার্ক করুন। এবার Bookmarks মেনুতে গিয়ে উক্ত বুকমার্কের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এখানে Load this bookmark in sidebar চেক করে Save Change বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। এখন থেকে Bookmarks মেনু থেকে বুকমার্ক করা ফেসবুক চ্যাটের উপরে ক্লিক করলে সাইটবারে শুধু চ্যাটিং অপশনটি আসবে।
ফায়ারফক্সের জন্য ফেসবুক টুলবার: ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য ফেসবুকের টুলবার ডাউনলোড করতে পাবেন http://developers.facebook.com/toolbar এখান থেকে।
পিজিনে ফেসবুকে চ্যাট করা: জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ম্যাসেঞ্জার পিজিন দ্বারাও ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য http://pidgin-facebookchat.googlecode.com থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এবার পিজিনে Accounts মেনু থেকে Manage Accounts এ ক্লিক করুন। এরপরে Add বাটনে ক্লিক করে Protocol থেকে Facebook নির্বাচন করুন এবং User Name এ ইমেইল ঠিকানা এবং ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট যুক্ত করুন। এবং চ্যাটিং করুন ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে। তবে এটা প্লাগইনটি বর্তমানে পোর্টেবল পিজিনে কাজ করবে না।
ফেসবুকের ছবির এ্যালবাম ডাউনলোড করা: ফেসবুকে শেয়ার করা ছবির এ্যালবামের (বন্ধুর এ্যালবাম, গ্রুফ এ্যালবাম, ইভেন্ট এ্যালবাম) সমস্ত ছবি একসাথে ডাউলোড করতে পারবেন ফায়ারফক্সের একটি এ্যাডঅন্স দ্বারা। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8442 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করুন। এবার যে এ্যালবামটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তার উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Download Album with FacePAD এ ক্লিক পরবর্তী ম্যাসেজে Ok করুন। এবার একে একে ফাইলগুলোর সেভ ডায়ালগ বক্স আসবে সেখানে সেভ করলেই হবে।
নির্দিষ্ট বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে প্রর্দশিত করা: আপনার ফেসবুক প্রোফাইল যারা দেখবে তারা আপনার ফ্রেন্ড বক্সে কতগুলো বন্ধু দেখবে বা কাদের কাদের দেখবে তা আপনি নির্ধারণ করে দিতে পারেন। ডিফল্ট হিসাবে ৬জন বন্ধু বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হয়। এটা নির্ধারণ করতে আপনার ছবি উপরে ক্লিক করে প্রোফাইলে যান। এবার বাম পাশের Friends এর ডানের পেনসিলে ক্লিক করুন। Show এর ড্রপডাউন থেকে কতগুলো বন্ধুকে দেখাতে চান তা নির্ধারণ করুন। এবার Always show these friends: এর নিচে আপনার বন্ধুদের নাম যোগ করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার নির্ধারিত বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে সবসময়ে দেখাবে। নির্ধারিত করা বন্ধুদের সংখ্যা কম হলে বাকীগুলো অনান্য বন্ধুদের মধ্য থেকে বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হবে।
ওয়ার্ডপ্রেসের পোস্ট ফেসবুকের ওয়ালে সয়ংক্রিয়ভাবে আনা: আপনার যদি নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ থাকে তাহলে wordbook প্লাগইন দ্বারা আপনি উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসের লেখা সয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে আনতে পারবেন। এজন্য http://wordpress.org/extend/plugins/wordbook/ থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে ইনস্টল করুন এবং আপনার ফেসবুকের ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা সেটিং নিশ্চিত করুন। এরপর থেকে আপনার উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকে লিংক হিসাবে চলে আসবে।
ডেক্সটপে ফেসবুক: বিভিন্নভাবে ডেক্সটপে ফেসুবুক ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে Seesmic Desktop (http://desktop.seesmic.com), Facebooker (www.widgets.yahoo.com/widgets/facebooker), Xobni (www.xobni.com), Facebook Sidebar Gadget (www.facebooksidebargadget.com), Scrapboy (www.scrapboy.com) এবং Facebook AIR application (http://static.ak.fbcdn.net/fbair/Facebook_Desktop_for_AIR.zip) অন্যতম।
ফেসবুক বাংলাদেশ: ফেসবুকের আদলে তৈরী করা www.facebook.com.bd সাইটটি কিন্তু ফেসবুকের বাংলাদেশী সাইট নয়। মূল ফেসবুকের সাথে এই সাইটের কোন সম্পর্কও নেই। সুতারাং মূল ফেসবুক মনে করে এই সাইটি নিজ দায়িক্সে ব্যবহার ক তে পারেন।
ফেসবুকের একাউন্ট বন্ধ করা: আপনি যদি ফেসবুকের একাউন্টটি মুছে তাহলে উপরের ডানে Settings ট্যাব থেকে Account Settings এ ক্লিক করুন। এবার Deactivate Account এর Deactivate লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Facebook Account Deactivation পেজ আসবে। এখানে কেন একাউন্ট বন্ধ করতে চাচ্ছেন তা নির্বাচন করে Deactivate বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে যদি ভবিষ্যতে আবার একাউন্টটি সচল করতে চান তাহলে ফেসবুকে স্বাভাবিক ভাবে লগইন করলে রিএ্যাকটিভ মেইল যাবে আপনার মেইলে যেখানে ক্লিক করে পুনরাই একাউন্ট সচল করতে পারবেন।
রেজিস্ট্রেশন করা: ফেসবুকে যে কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারে। এজন্য www.facebook.com সাইটে যান। এবার Sign Up অংশের ফরম পূরণ করে Sign Up বাটনে ক্লিক করুন এবং Security Check এর শব্দদ্বয় লিখে Sign Up বাটনে ক্লিক করলে ফেসবুকের একাউন্ট খোলা হবে। এরপরে ইমেইলে প্রাপ্ত ফেসবুকের মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা নিশ্চিত করতে হবে।
মোবাইলে ফেসবুক: ফেসবুকের ভক্তরা চাইলে তাদের GPRS উপযোগী মোবাইলেও ফেসবুক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য m.facebook.com ঢুকে স্বাভাবিকভাবে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রবেশ করতে পারবেন। এর ইমেইল ঠিকানা ছাড়াও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ফেসবুকে একাউন্ট খোলা যায়। এজন্য m.facebook.com থেকে Need an account? Sign up using your phone here এর here লেখা লিংকে ক্লিক করুন এবং নাম, কান্ট্রি কোডসহ মোবাইল নম্বর, পাওয়ার্ড দিয়ে Sign up করুন। এরপরে ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত এসএমএস এর পিন নম্বরট পরবর্র্তী পেজে দিয়ে একাউন্ট সক্রিয় করুন। এই একাউন্ট দ্বারা কম্পিউটারে ব্যবহার করতে চাইলে লগইন করার সময় ইমেইলের স্থলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করতে হবে।
মোবাইল দ্বারা একাউন্ট নিশ্চিত করা: বন্ধুদের যুক্ত করতে গেলে বা অন্য ক্ষেত্রে Security Check ডায়ালগ আসে, যা বেশ বিরক্তিকর। এটা থেকে মুক্তি পেতে Sick of these? এর Verify your account লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Your Phone ডায়ালগ বক্স আসবে। এবার Phone Number: এ আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার মোবাইলে ফেসবুক থেকে কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে, এখানে উক্ত কোড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস এরপরে আর Security Check ডায়ালগ আসবে না।
বাংলাতে ফেসবুকের ইন্টারফেস: সমপ্রতি ফেসবুকের ভাষার তালিকায় বাংলা ভাষা যুক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এ্যাপলিকেশন দ্বারা বাংলা ইন্টাফেস দেখা যেতো। বর্তমানে উভয় পদ্ধতিতে বাংলা ইন্টারফেসে ফেসবুক দেখা যাবে।
পদ্ধতি ১) ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Language ট্যাবে গিয়ে Primary Language: অংশে বাংলা নির্বাচন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের চেহারা বাংলাতে রূপান্তরিত হবে।
পদ্ধতি ২) এজন্য www.new.facebook.com/translations ঠিকানাতে যান এবং Allow বাটনে ক্লিক করে এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার Set your language ড্রপডাউন থেকে বাংলা নির্বাচন করুন ব্যস কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের সকল ইন্টারফেস বাংলাতে আসবে।
বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো: বন্ধুদের মেইলের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানাতে Friends থেকে Invite Friends এ ক্লিক করুন। এবার To: তে বন্ধুদের ইমেইল লিখে Invite বাটনে ক্লিক করুন। আর যদি আপনার ইমেইল থেকে বন্ধুদের ইমেইল ঠিকানা আনতে চান তাহলে Import Email Addresses এ ক্লিক করে বা ইমেইলের লগোর উপরে ক্লিক করে ইউজার, পাসওয়ার্ড দিয়ে Find Friends বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে মেইলে থাকা সকল মেইল ঠিকানা আসবে। এবার যাকে যাকে আমন্ত্রণ জানাতে চান সেই মেইল ঠিকানাগুলো নির্বাচন করে Add to Invite বাটনে ক্লিক করলে To: তে চলে আসবে। এছাড়াও Friends মেনু থেকে Find Friends এ গিয়ে বা হোম পেজে থাকা অবস্থায় ডানের Suggestions থেকে পছন্দের ব্যাক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে Add as Friend এ ক্লিক করুন। এছাড়াও নাম বা ইমেইল ঠিকানা দ্বারা সার্চ করেও আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
আমন্ত্রণ গ্রহন করা: কেউ আপনকে আমন্ত্রণ জানালে হোম পেজের ডানে Requests এ দেখা যায়। এখানে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট, প্রুফ ইনভাইটেশন, সাজেশন ইত্যাদি থাকে। আপনি যেকোন একটিতে ক্লিক করে Confirm Request পেজ থেকে আমন্ত্রণ গ্রহন করতে পারেন।
গ্রুফ তৈরী করা এবং যোগ দেওয়া: স্ট্যাটাসবারে প্রুফ আইকনে ক্লিক করে বা www.facebook.com/groups.php ঠিকানাতে যান। এবার পছন্দের গ্রুফটির উপরে ক্লিক করে Join this Group এ ক্লিক করে Add group membership? ডায়ালগ থেকে Join এ ক্লিক করে গ্রুফে যোগ দিতে পারেন। আর গ্রুফ থেকে বের হতে Leave Group এ ক্লিক করে Remove group membership? ডায়ালগ থেকে Remove এ ক্লিক করলেই হবে। এছাড়াও নিজের একটি গ্রুফ তৈরী করতে চাইলে গ্রুফ পেজ থেকে +Create a new Group বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী পদক্ষেপ অনুসরণ করুন।
অন্য একাউন্ট থেকে ফেসবুকে লগইন করা:
আরো ইমেইল যুক্ত করা বা পরিবর্তন করা: ফেসবুক যে ইমেইল দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয় এবং পরবর্তিতে উক্ত ইমেইল দ্বারা ফেসবুকে লগইন করতে হয়। কিন্তু আপনি চাইলে উক্ত ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন বা আরো ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে পারবেন। এজন্য ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে New Email: এ নতুন আরেকটি ইমেইল ঠিকানা লিখে Add New Email বাটনে ক্লিক করুন এবং Change Email বক্সে ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। এবার নতুন যুক্ত করা মেইলে কনফার্মেশন মেইল যাবে উক্ত মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানাটি নিশ্চিত করতে হবে। সদ্য যুক্ত করা ইমেইলটি ডিফল্ট হিসাবে থাকবে। এভাবে আরো মেইল ঠিকানা যুক্ত করা যাবে। আগের মেইলটি মুছে ফেলতে চাইলে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে যে মেইলটি মুছে ফেলতে চান তার ডানের Remove লিংকে ক্লিক করুন এবং ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস আগের মেইলটি ফেসবুক থেকে মুছে যাবে।
ইউজার নাম সেট করা: সমপ্রতি ফেসবুক ব্যবহাকারীদের ইউজার নাম সেট করার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য লগইন করা অবস্থায় www.facebook.com/username/ এ যান এবং পছন্দের ইউজার নাম সেট করুন। আপনি যদি mehdiakram নাম সেট করেন তাহলে আপনার ফেসবুকের ঠিকানা হবে www.facebook.com/mehdiakram/ যেখানে আগে প্রোফাইল আইডি দেখাতো।
সার্চ থেকে নিজেকে বিরত রাখা: ফেসবুকে ইমেইল ঠিকানা দ্বারা বা নাম দ্বারা সার্চ করলে প্রোফাইল দেখায় এবং আমন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। আপনি চাইলে নিজেকে এই সার্চ থেকে বিরত রাখতে পারেন এবং চাইলে শুধুমাত্র বন্ধু এবং বন্ধুর বন্ধুদের সার্চ করার সুযোগ দিতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার Search এ ক্লিক করে Search Visibility অংশে কারা ফেসবুকে আপনাকে সার্চ করে পাবে তা নির্বাচন করুন। আর সার্চে আপনার কি কি তথ্য দেখাবে তা নির্বাচন করুন Search Result Content থেকে। অনান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিজেকে প্রদর্শিত না করতে চাইলে Public Search Listing এ আনচেক করুন।
ব্লক করা: নির্দিষ্ট কোন বন্ধু বা অনাকাঙ্খিত ব্যাক্তিকে আপনার প্রোফাইল বা অনান্য তথ্য দেখা থেকে বিরত রাখতে তাকে ব্লক করে রাখতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার নিচের Block People এর অংশের টেক্সট বক্সে নাম লিখে Block বাটনে ক্লিক করুন। এবার যাকে ব্লক করতে চান সার্চের ডানে Block Person এ ক্লিক করুন। এভাবে আপনি একাধিক ব্যক্তিবর্গকে ব্লক করে রাখতে পারেন। কাউকে ব্লক করলে সে আপনাকে কোথাও সার্চ করে যেমন পাবে না তেমন তার সাথে পূর্বে বন্ধত্ব থাকলেও তা শেষ হয়ে যাবে। আর আনব্লক করতে চাইলে Block List থেকে Remove লিংকে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইলের সাথে যুক্ত করা: ফায়ারফক্স ব্যবহাকারীরা Xoopit এ্যাডঅন্স ব্যবহার করে জিমেইলের সাথে ফেসবুককে যুক্ত করতে পারেন। ফলে জিমেইল থেকে ফেসবুকে ছবি, ভিডিও যেমন দেখা যাবে তেমনই জিমেইল থেকেও শেয়ার করা যাবে। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8257 থেকে এ্যাডঅন্স ইনস্টল করে নিন। এরপরে জিমেইল একাউন্টে লগইন করে Xoopit এ লগইন করতে হবে। বিস্তারিত পাবেন http://vimeo.com/3287784 এখানে।
টুয়িটার এবং ফেসবুক: টুয়িটার মিনি ব্লগ বেশ জনপ্রিয়। আপনি চাইলে টুয়িটারের স্ট্যাটাস ফেসবুকে যুক্ত করতে পারেন। এমনকি ফেসবুক থেকেও টুয়িটারে পোস্ট করতে পারেন। এজন্য http://apps.facebook.com/twitter/ এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার টুয়িটারের ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার টুয়িটারে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকের ওয়ালে যেমন দেখাতে তেমনই ফেসবুকের টুয়িটার এ্যাপলিকেশনে আপনি কিছু লিখলে তা টুয়িটারে এবং ফেসবুকে দেখাবে।
ফায়ারফক্সের মাধ্যমে ফেসবুকে পোস্ট করা: ফায়ারফক্সের FireStatus এ্যাডঅন্স দ্বারা আপনার স্ট্যাটাস ফেসবুকসহ আরো বিভিন্ন সাইটে পোস্ট করতে পারবেন। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8973 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করে নিন। এবার স্ট্যটাস বারের ডানের FireStatus আইকনে কিক্ল করুন তাহলে স্ট্যটাস বারের উপরে একটি বার আসবে। এখানে আনার স্ট্যটাস লিখে ডানের ফেসবুক নির্বাচন করে Send বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের লগইন উইন্ডোজ আসবে লগইন করলে স্ট্যটাস ফেসবুকের ওয়ালে পোস্ট হবে।
ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুক চ্যট: অনান্য সাইট ব্রাউজ করার পাশাপাশি ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য www.facebook.com/presence/popout.php সাইটে যান এবং পেজটি বুকমার্ক করুন। এবার Bookmarks মেনুতে গিয়ে উক্ত বুকমার্কের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এখানে Load this bookmark in sidebar চেক করে Save Change বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। এখন থেকে Bookmarks মেনু থেকে বুকমার্ক করা ফেসবুক চ্যাটের উপরে ক্লিক করলে সাইটবারে শুধু চ্যাটিং অপশনটি আসবে।
ফায়ারফক্সের জন্য ফেসবুক টুলবার: ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য ফেসবুকের টুলবার ডাউনলোড করতে পাবেন http://developers.facebook.com/toolbar এখান থেকে।
পিজিনে ফেসবুকে চ্যাট করা: জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ম্যাসেঞ্জার পিজিন দ্বারাও ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য http://pidgin-facebookchat.googlecode.com থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এবার পিজিনে Accounts মেনু থেকে Manage Accounts এ ক্লিক করুন। এরপরে Add বাটনে ক্লিক করে Protocol থেকে Facebook নির্বাচন করুন এবং User Name এ ইমেইল ঠিকানা এবং ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট যুক্ত করুন। এবং চ্যাটিং করুন ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে। তবে এটা প্লাগইনটি বর্তমানে পোর্টেবল পিজিনে কাজ করবে না।
ফেসবুকের ছবির এ্যালবাম ডাউনলোড করা: ফেসবুকে শেয়ার করা ছবির এ্যালবামের (বন্ধুর এ্যালবাম, গ্রুফ এ্যালবাম, ইভেন্ট এ্যালবাম) সমস্ত ছবি একসাথে ডাউলোড করতে পারবেন ফায়ারফক্সের একটি এ্যাডঅন্স দ্বারা। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8442 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করুন। এবার যে এ্যালবামটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তার উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Download Album with FacePAD এ ক্লিক পরবর্তী ম্যাসেজে Ok করুন। এবার একে একে ফাইলগুলোর সেভ ডায়ালগ বক্স আসবে সেখানে সেভ করলেই হবে।
নির্দিষ্ট বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে প্রর্দশিত করা: আপনার ফেসবুক প্রোফাইল যারা দেখবে তারা আপনার ফ্রেন্ড বক্সে কতগুলো বন্ধু দেখবে বা কাদের কাদের দেখবে তা আপনি নির্ধারণ করে দিতে পারেন। ডিফল্ট হিসাবে ৬জন বন্ধু বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হয়। এটা নির্ধারণ করতে আপনার ছবি উপরে ক্লিক করে প্রোফাইলে যান। এবার বাম পাশের Friends এর ডানের পেনসিলে ক্লিক করুন। Show এর ড্রপডাউন থেকে কতগুলো বন্ধুকে দেখাতে চান তা নির্ধারণ করুন। এবার Always show these friends: এর নিচে আপনার বন্ধুদের নাম যোগ করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার নির্ধারিত বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে সবসময়ে দেখাবে। নির্ধারিত করা বন্ধুদের সংখ্যা কম হলে বাকীগুলো অনান্য বন্ধুদের মধ্য থেকে বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হবে।
ওয়ার্ডপ্রেসের পোস্ট ফেসবুকের ওয়ালে সয়ংক্রিয়ভাবে আনা: আপনার যদি নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ থাকে তাহলে wordbook প্লাগইন দ্বারা আপনি উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসের লেখা সয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে আনতে পারবেন। এজন্য http://wordpress.org/extend/plugins/wordbook/ থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে ইনস্টল করুন এবং আপনার ফেসবুকের ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা সেটিং নিশ্চিত করুন। এরপর থেকে আপনার উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকে লিংক হিসাবে চলে আসবে।
ডেক্সটপে ফেসবুক: বিভিন্নভাবে ডেক্সটপে ফেসুবুক ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে Seesmic Desktop (http://desktop.seesmic.com), Facebooker (www.widgets.yahoo.com/widgets/facebooker), Xobni (www.xobni.com), Facebook Sidebar Gadget (www.facebooksidebargadget.com), Scrapboy (www.scrapboy.com) এবং Facebook AIR application (http://static.ak.fbcdn.net/fbair/Facebook_Desktop_for_AIR.zip) অন্যতম।
ফেসবুক বাংলাদেশ: ফেসবুকের আদলে তৈরী করা www.facebook.com.bd সাইটটি কিন্তু ফেসবুকের বাংলাদেশী সাইট নয়। মূল ফেসবুকের সাথে এই সাইটের কোন সম্পর্কও নেই। সুতারাং মূল ফেসবুক মনে করে এই সাইটি নিজ দায়িক্সে ব্যবহার ক তে পারেন।
ফেসবুকের একাউন্ট বন্ধ করা: আপনি যদি ফেসবুকের একাউন্টটি মুছে তাহলে উপরের ডানে Settings ট্যাব থেকে Account Settings এ ক্লিক করুন। এবার Deactivate Account এর Deactivate লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Facebook Account Deactivation পেজ আসবে। এখানে কেন একাউন্ট বন্ধ করতে চাচ্ছেন তা নির্বাচন করে Deactivate বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে যদি ভবিষ্যতে আবার একাউন্টটি সচল করতে চান তাহলে ফেসবুকে স্বাভাবিক ভাবে লগইন করলে রিএ্যাকটিভ মেইল যাবে আপনার মেইলে যেখানে ক্লিক করে পুনরাই একাউন্ট সচল করতে পারবেন।
ফেসবুকের খুঁটিনাটি
বর্তমানে ফেসবুক খুবই জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট। ফেসবুকের খুঁটিনাটি বিষয় এখন জানাবো।
রেজিস্ট্রেশন করা: ফেসবুকে যে কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারে। এজন্য www.facebook.com সাইটে যান। এবার Sign Up অংশের ফরম পূরণ করে Sign Up বাটনে ক্লিক করুন এবং Security Check এর শব্দদ্বয় লিখে Sign Up বাটনে ক্লিক করলে ফেসবুকের একাউন্ট খোলা হবে। এরপরে ইমেইলে প্রাপ্ত ফেসবুকের মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা নিশ্চিত করতে হবে।
মোবাইলে ফেসবুক: ফেসবুকের ভক্তরা চাইলে তাদের GPRS উপযোগী মোবাইলেও ফেসবুক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য m.facebook.com ঢুকে স্বাভাবিকভাবে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রবেশ করতে পারবেন। এর ইমেইল ঠিকানা ছাড়াও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ফেসবুকে একাউন্ট খোলা যায়। এজন্য m.facebook.com থেকে Need an account? Sign up using your phone here এর here লেখা লিংকে ক্লিক করুন এবং নাম, কান্ট্রি কোডসহ মোবাইল নম্বর, পাওয়ার্ড দিয়ে Sign up করুন। এরপরে ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত এসএমএস এর পিন নম্বরট পরবর্র্তী পেজে দিয়ে একাউন্ট সক্রিয় করুন। এই একাউন্ট দ্বারা কম্পিউটারে ব্যবহার করতে চাইলে লগইন করার সময় ইমেইলের স্থলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করতে হবে।
মোবাইল দ্বারা একাউন্ট নিশ্চিত করা: বন্ধুদের যুক্ত করতে গেলে বা অন্য ক্ষেত্রে Security Check ডায়ালগ আসে, যা বেশ বিরক্তিকর। এটা থেকে মুক্তি পেতে Sick of these? এর Verify your account লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Your Phone ডায়ালগ বক্স আসবে। এবার Phone Number: এ আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার মোবাইলে ফেসবুক থেকে কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে, এখানে উক্ত কোড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস এরপরে আর Security Check ডায়ালগ আসবে না।
বাংলাতে ফেসবুকের ইন্টারফেস: সমপ্রতি ফেসবুকের ভাষার তালিকায় বাংলা ভাষা যুক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এ্যাপলিকেশন দ্বারা বাংলা ইন্টাফেস দেখা যেতো। বর্তমানে উভয় পদ্ধতিতে বাংলা ইন্টারফেসে ফেসবুক দেখা যাবে।
পদ্ধতি ১) ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Language ট্যাবে গিয়ে Primary Language: অংশে বাংলা নির্বাচন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের চেহারা বাংলাতে রূপান্তরিত হবে।
পদ্ধতি ২) এজন্য www.new.facebook.com/translations ঠিকানাতে যান এবং Allow বাটনে ক্লিক করে এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার Set your language ড্রপডাউন থেকে বাংলা নির্বাচন করুন ব্যস কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের সকল ইন্টারফেস বাংলাতে আসবে।
বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো: বন্ধুদের মেইলের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানাতে Friends থেকে Invite Friends এ ক্লিক করুন। এবার To: তে বন্ধুদের ইমেইল লিখে Invite বাটনে ক্লিক করুন। আর যদি আপনার ইমেইল থেকে বন্ধুদের ইমেইল ঠিকানা আনতে চান তাহলে Import Email Addresses এ ক্লিক করে বা ইমেইলের লগোর উপরে ক্লিক করে ইউজার, পাসওয়ার্ড দিয়ে Find Friends বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে মেইলে থাকা সকল মেইল ঠিকানা আসবে। এবার যাকে যাকে আমন্ত্রণ জানাতে চান সেই মেইল ঠিকানাগুলো নির্বাচন করে Add to Invite বাটনে ক্লিক করলে To: তে চলে আসবে। এছাড়াও Friends মেনু থেকে Find Friends এ গিয়ে বা হোম পেজে থাকা অবস্থায় ডানের Suggestions থেকে পছন্দের ব্যাক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে Add as Friend এ ক্লিক করুন। এছাড়াও নাম বা ইমেইল ঠিকানা দ্বারা সার্চ করেও আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
আমন্ত্রণ গ্রহন করা: কেউ আপনকে আমন্ত্রণ জানালে হোম পেজের ডানে Requests এ দেখা যায়। এখানে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট, প্রুফ ইনভাইটেশন, সাজেশন ইত্যাদি থাকে। আপনি যেকোন একটিতে ক্লিক করে Confirm Request পেজ থেকে আমন্ত্রণ গ্রহন করতে পারেন।
গ্রুফ তৈরী করা এবং যোগ দেওয়া: স্ট্যাটাসবারে প্রুফ আইকনে ক্লিক করে বা www.facebook.com/groups.php ঠিকানাতে যান। এবার পছন্দের গ্রুফটির উপরে ক্লিক করে Join this Group এ ক্লিক করে Add group membership? ডায়ালগ থেকে Join এ ক্লিক করে গ্রুফে যোগ দিতে পারেন। আর গ্রুফ থেকে বের হতে Leave Group এ ক্লিক করে Remove group membership? ডায়ালগ থেকে Remove এ ক্লিক করলেই হবে। এছাড়াও নিজের একটি গ্রুফ তৈরী করতে চাইলে গ্রুফ পেজ থেকে +Create a new Group বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী পদক্ষেপ অনুসরণ করুন।
অন্য একাউন্ট থেকে ফেসবুকে লগইন করা:
আরো ইমেইল যুক্ত করা বা পরিবর্তন করা: ফেসবুক যে ইমেইল দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয় এবং পরবর্তিতে উক্ত ইমেইল দ্বারা ফেসবুকে লগইন করতে হয়। কিন্তু আপনি চাইলে উক্ত ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন বা আরো ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে পারবেন। এজন্য ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে New Email: এ নতুন আরেকটি ইমেইল ঠিকানা লিখে Add New Email বাটনে ক্লিক করুন এবং Change Email বক্সে ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। এবার নতুন যুক্ত করা মেইলে কনফার্মেশন মেইল যাবে উক্ত মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানাটি নিশ্চিত করতে হবে। সদ্য যুক্ত করা ইমেইলটি ডিফল্ট হিসাবে থাকবে। এভাবে আরো মেইল ঠিকানা যুক্ত করা যাবে। আগের মেইলটি মুছে ফেলতে চাইলে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে যে মেইলটি মুছে ফেলতে চান তার ডানের Remove লিংকে ক্লিক করুন এবং ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস আগের মেইলটি ফেসবুক থেকে মুছে যাবে।
ইউজার নাম সেট করা: সমপ্রতি ফেসবুক ব্যবহাকারীদের ইউজার নাম সেট করার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য লগইন করা অবস্থায় www.facebook.com/username/ এ যান এবং পছন্দের ইউজার নাম সেট করুন। আপনি যদি mehdiakram নাম সেট করেন তাহলে আপনার ফেসবুকের ঠিকানা হবে www.facebook.com/mehdiakram/ যেখানে আগে প্রোফাইল আইডি দেখাতো।
সার্চ থেকে নিজেকে বিরত রাখা: ফেসবুকে ইমেইল ঠিকানা দ্বারা বা নাম দ্বারা সার্চ করলে প্রোফাইল দেখায় এবং আমন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। আপনি চাইলে নিজেকে এই সার্চ থেকে বিরত রাখতে পারেন এবং চাইলে শুধুমাত্র বন্ধু এবং বন্ধুর বন্ধুদের সার্চ করার সুযোগ দিতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার Search এ ক্লিক করে Search Visibility অংশে কারা ফেসবুকে আপনাকে সার্চ করে পাবে তা নির্বাচন করুন। আর সার্চে আপনার কি কি তথ্য দেখাবে তা নির্বাচন করুন Search Result Content থেকে। অনান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিজেকে প্রদর্শিত না করতে চাইলে Public Search Listing এ আনচেক করুন।
ব্লক করা: নির্দিষ্ট কোন বন্ধু বা অনাকাঙ্খিত ব্যাক্তিকে আপনার প্রোফাইল বা অনান্য তথ্য দেখা থেকে বিরত রাখতে তাকে ব্লক করে রাখতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার নিচের Block People এর অংশের টেক্সট বক্সে নাম লিখে Block বাটনে ক্লিক করুন। এবার যাকে ব্লক করতে চান সার্চের ডানে Block Person এ ক্লিক করুন। এভাবে আপনি একাধিক ব্যক্তিবর্গকে ব্লক করে রাখতে পারেন। কাউকে ব্লক করলে সে আপনাকে কোথাও সার্চ করে যেমন পাবে না তেমন তার সাথে পূর্বে বন্ধত্ব থাকলেও তা শেষ হয়ে যাবে। আর আনব্লক করতে চাইলে Block List থেকে Remove লিংকে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইলের সাথে যুক্ত করা: ফায়ারফক্স ব্যবহাকারীরা Xoopit এ্যাডঅন্স ব্যবহার করে জিমেইলের সাথে ফেসবুককে যুক্ত করতে পারেন। ফলে জিমেইল থেকে ফেসবুকে ছবি, ভিডিও যেমন দেখা যাবে তেমনই জিমেইল থেকেও শেয়ার করা যাবে। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8257 থেকে এ্যাডঅন্স ইনস্টল করে নিন। এরপরে জিমেইল একাউন্টে লগইন করে Xoopit এ লগইন করতে হবে। বিস্তারিত পাবেন http://vimeo.com/3287784 এখানে।
টুয়িটার এবং ফেসবুক: টুয়িটার মিনি ব্লগ বেশ জনপ্রিয়। আপনি চাইলে টুয়িটারের স্ট্যাটাস ফেসবুকে যুক্ত করতে পারেন। এমনকি ফেসবুক থেকেও টুয়িটারে পোস্ট করতে পারেন। এজন্য http://apps.facebook.com/twitter/ এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার টুয়িটারের ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার টুয়িটারে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকের ওয়ালে যেমন দেখাতে তেমনই ফেসবুকের টুয়িটার এ্যাপলিকেশনে আপনি কিছু লিখলে তা টুয়িটারে এবং ফেসবুকে দেখাবে।
ফায়ারফক্সের মাধ্যমে ফেসবুকে পোস্ট করা: ফায়ারফক্সের FireStatus এ্যাডঅন্স দ্বারা আপনার স্ট্যাটাস ফেসবুকসহ আরো বিভিন্ন সাইটে পোস্ট করতে পারবেন। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8973 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করে নিন। এবার স্ট্যটাস বারের ডানের FireStatus আইকনে কিক্ল করুন তাহলে স্ট্যটাস বারের উপরে একটি বার আসবে। এখানে আনার স্ট্যটাস লিখে ডানের ফেসবুক নির্বাচন করে Send বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের লগইন উইন্ডোজ আসবে লগইন করলে স্ট্যটাস ফেসবুকের ওয়ালে পোস্ট হবে।
ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুক চ্যট: অনান্য সাইট ব্রাউজ করার পাশাপাশি ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য www.facebook.com/presence/popout.php সাইটে যান এবং পেজটি বুকমার্ক করুন। এবার Bookmarks মেনুতে গিয়ে উক্ত বুকমার্কের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এখানে Load this bookmark in sidebar চেক করে Save Change বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। এখন থেকে Bookmarks মেনু থেকে বুকমার্ক করা ফেসবুক চ্যাটের উপরে ক্লিক করলে সাইটবারে শুধু চ্যাটিং অপশনটি আসবে।
ফায়ারফক্সের জন্য ফেসবুক টুলবার: ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য ফেসবুকের টুলবার ডাউনলোড করতে পাবেন http://developers.facebook.com/toolbar এখান থেকে।
পিজিনে ফেসবুকে চ্যাট করা: জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ম্যাসেঞ্জার পিজিন দ্বারাও ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য http://pidgin-facebookchat.googlecode.com থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এবার পিজিনে Accounts মেনু থেকে Manage Accounts এ ক্লিক করুন। এরপরে Add বাটনে ক্লিক করে Protocol থেকে Facebook নির্বাচন করুন এবং User Name এ ইমেইল ঠিকানা এবং ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট যুক্ত করুন। এবং চ্যাটিং করুন ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে। তবে এটা প্লাগইনটি বর্তমানে পোর্টেবল পিজিনে কাজ করবে না।
ফেসবুকের ছবির এ্যালবাম ডাউনলোড করা: ফেসবুকে শেয়ার করা ছবির এ্যালবামের (বন্ধুর এ্যালবাম, গ্রুফ এ্যালবাম, ইভেন্ট এ্যালবাম) সমস্ত ছবি একসাথে ডাউলোড করতে পারবেন ফায়ারফক্সের একটি এ্যাডঅন্স দ্বারা। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8442 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করুন। এবার যে এ্যালবামটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তার উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Download Album with FacePAD এ ক্লিক পরবর্তী ম্যাসেজে Ok করুন। এবার একে একে ফাইলগুলোর সেভ ডায়ালগ বক্স আসবে সেখানে সেভ করলেই হবে।
নির্দিষ্ট বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে প্রর্দশিত করা: আপনার ফেসবুক প্রোফাইল যারা দেখবে তারা আপনার ফ্রেন্ড বক্সে কতগুলো বন্ধু দেখবে বা কাদের কাদের দেখবে তা আপনি নির্ধারণ করে দিতে পারেন। ডিফল্ট হিসাবে ৬জন বন্ধু বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হয়। এটা নির্ধারণ করতে আপনার ছবি উপরে ক্লিক করে প্রোফাইলে যান। এবার বাম পাশের Friends এর ডানের পেনসিলে ক্লিক করুন। Show এর ড্রপডাউন থেকে কতগুলো বন্ধুকে দেখাতে চান তা নির্ধারণ করুন। এবার Always show these friends: এর নিচে আপনার বন্ধুদের নাম যোগ করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার নির্ধারিত বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে সবসময়ে দেখাবে। নির্ধারিত করা বন্ধুদের সংখ্যা কম হলে বাকীগুলো অনান্য বন্ধুদের মধ্য থেকে বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হবে।
ওয়ার্ডপ্রেসের পোস্ট ফেসবুকের ওয়ালে সয়ংক্রিয়ভাবে আনা: আপনার যদি নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ থাকে তাহলে wordbook প্লাগইন দ্বারা আপনি উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসের লেখা সয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে আনতে পারবেন। এজন্য http://wordpress.org/extend/plugins/wordbook/ থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে ইনস্টল করুন এবং আপনার ফেসবুকের ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা সেটিং নিশ্চিত করুন। এরপর থেকে আপনার উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকে লিংক হিসাবে চলে আসবে।
ডেক্সটপে ফেসবুক: বিভিন্নভাবে ডেক্সটপে ফেসুবুক ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে Seesmic Desktop (http://desktop.seesmic.com), Facebooker (www.widgets.yahoo.com/widgets/facebooker), Xobni (www.xobni.com), Facebook Sidebar Gadget (www.facebooksidebargadget.com), Scrapboy (www.scrapboy.com) এবং Facebook AIR application (http://static.ak.fbcdn.net/fbair/Facebook_Desktop_for_AIR.zip) অন্যতম।
ফেসবুক বাংলাদেশ: ফেসবুকের আদলে তৈরী করা www.facebook.com.bd সাইটটি কিন্তু ফেসবুকের বাংলাদেশী সাইট নয়। মূল ফেসবুকের সাথে এই সাইটের কোন সম্পর্কও নেই। সুতারাং মূল ফেসবুক মনে করে এই সাইটি নিজ দায়িক্সে ব্যবহার ক তে পারেন।
ফেসবুকের একাউন্ট বন্ধ করা: আপনি যদি ফেসবুকের একাউন্টটি মুছে তাহলে উপরের ডানে Settings ট্যাব থেকে Account Settings এ ক্লিক করুন। এবার Deactivate Account এর Deactivate লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Facebook Account Deactivation পেজ আসবে। এখানে কেন একাউন্ট বন্ধ করতে চাচ্ছেন তা নির্বাচন করে Deactivate বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে যদি ভবিষ্যতে আবার একাউন্টটি সচল করতে চান তাহলে ফেসবুকে স্বাভাবিক ভাবে লগইন করলে রিএ্যাকটিভ মেইল যাবে আপনার মেইলে যেখানে ক্লিক করে পুনরাই একাউন্ট সচল করতে পারবেন।
রেজিস্ট্রেশন করা: ফেসবুকে যে কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারে। এজন্য www.facebook.com সাইটে যান। এবার Sign Up অংশের ফরম পূরণ করে Sign Up বাটনে ক্লিক করুন এবং Security Check এর শব্দদ্বয় লিখে Sign Up বাটনে ক্লিক করলে ফেসবুকের একাউন্ট খোলা হবে। এরপরে ইমেইলে প্রাপ্ত ফেসবুকের মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা নিশ্চিত করতে হবে।
মোবাইলে ফেসবুক: ফেসবুকের ভক্তরা চাইলে তাদের GPRS উপযোগী মোবাইলেও ফেসবুক ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য m.facebook.com ঢুকে স্বাভাবিকভাবে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রবেশ করতে পারবেন। এর ইমেইল ঠিকানা ছাড়াও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ফেসবুকে একাউন্ট খোলা যায়। এজন্য m.facebook.com থেকে Need an account? Sign up using your phone here এর here লেখা লিংকে ক্লিক করুন এবং নাম, কান্ট্রি কোডসহ মোবাইল নম্বর, পাওয়ার্ড দিয়ে Sign up করুন। এরপরে ফেসবুক থেকে প্রাপ্ত এসএমএস এর পিন নম্বরট পরবর্র্তী পেজে দিয়ে একাউন্ট সক্রিয় করুন। এই একাউন্ট দ্বারা কম্পিউটারে ব্যবহার করতে চাইলে লগইন করার সময় ইমেইলের স্থলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করতে হবে।
মোবাইল দ্বারা একাউন্ট নিশ্চিত করা: বন্ধুদের যুক্ত করতে গেলে বা অন্য ক্ষেত্রে Security Check ডায়ালগ আসে, যা বেশ বিরক্তিকর। এটা থেকে মুক্তি পেতে Sick of these? এর Verify your account লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Your Phone ডায়ালগ বক্স আসবে। এবার Phone Number: এ আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার মোবাইলে ফেসবুক থেকে কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে, এখানে উক্ত কোড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস এরপরে আর Security Check ডায়ালগ আসবে না।
বাংলাতে ফেসবুকের ইন্টারফেস: সমপ্রতি ফেসবুকের ভাষার তালিকায় বাংলা ভাষা যুক্ত করা হয়েছে। ইতিপূর্বে এ্যাপলিকেশন দ্বারা বাংলা ইন্টাফেস দেখা যেতো। বর্তমানে উভয় পদ্ধতিতে বাংলা ইন্টারফেসে ফেসবুক দেখা যাবে।
পদ্ধতি ১) ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Language ট্যাবে গিয়ে Primary Language: অংশে বাংলা নির্বাচন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের চেহারা বাংলাতে রূপান্তরিত হবে।
পদ্ধতি ২) এজন্য www.new.facebook.com/translations ঠিকানাতে যান এবং Allow বাটনে ক্লিক করে এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার Set your language ড্রপডাউন থেকে বাংলা নির্বাচন করুন ব্যস কিছুক্ষণের মধ্যে ফেসবুকের সকল ইন্টারফেস বাংলাতে আসবে।
বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো: বন্ধুদের মেইলের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানাতে Friends থেকে Invite Friends এ ক্লিক করুন। এবার To: তে বন্ধুদের ইমেইল লিখে Invite বাটনে ক্লিক করুন। আর যদি আপনার ইমেইল থেকে বন্ধুদের ইমেইল ঠিকানা আনতে চান তাহলে Import Email Addresses এ ক্লিক করে বা ইমেইলের লগোর উপরে ক্লিক করে ইউজার, পাসওয়ার্ড দিয়ে Find Friends বাটনে ক্লিক করুন, তাহলে মেইলে থাকা সকল মেইল ঠিকানা আসবে। এবার যাকে যাকে আমন্ত্রণ জানাতে চান সেই মেইল ঠিকানাগুলো নির্বাচন করে Add to Invite বাটনে ক্লিক করলে To: তে চলে আসবে। এছাড়াও Friends মেনু থেকে Find Friends এ গিয়ে বা হোম পেজে থাকা অবস্থায় ডানের Suggestions থেকে পছন্দের ব্যাক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে Add as Friend এ ক্লিক করুন। এছাড়াও নাম বা ইমেইল ঠিকানা দ্বারা সার্চ করেও আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
আমন্ত্রণ গ্রহন করা: কেউ আপনকে আমন্ত্রণ জানালে হোম পেজের ডানে Requests এ দেখা যায়। এখানে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট, প্রুফ ইনভাইটেশন, সাজেশন ইত্যাদি থাকে। আপনি যেকোন একটিতে ক্লিক করে Confirm Request পেজ থেকে আমন্ত্রণ গ্রহন করতে পারেন।
গ্রুফ তৈরী করা এবং যোগ দেওয়া: স্ট্যাটাসবারে প্রুফ আইকনে ক্লিক করে বা www.facebook.com/groups.php ঠিকানাতে যান। এবার পছন্দের গ্রুফটির উপরে ক্লিক করে Join this Group এ ক্লিক করে Add group membership? ডায়ালগ থেকে Join এ ক্লিক করে গ্রুফে যোগ দিতে পারেন। আর গ্রুফ থেকে বের হতে Leave Group এ ক্লিক করে Remove group membership? ডায়ালগ থেকে Remove এ ক্লিক করলেই হবে। এছাড়াও নিজের একটি গ্রুফ তৈরী করতে চাইলে গ্রুফ পেজ থেকে +Create a new Group বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী পদক্ষেপ অনুসরণ করুন।
অন্য একাউন্ট থেকে ফেসবুকে লগইন করা:
আরো ইমেইল যুক্ত করা বা পরিবর্তন করা: ফেসবুক যে ইমেইল দ্বারা রেজিস্ট্রেশন করা হয় এবং পরবর্তিতে উক্ত ইমেইল দ্বারা ফেসবুকে লগইন করতে হয়। কিন্তু আপনি চাইলে উক্ত ইমেইল ঠিকানা পরিবর্তন বা আরো ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে পারবেন। এজন্য ফেসবুকে লগইন করে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে New Email: এ নতুন আরেকটি ইমেইল ঠিকানা লিখে Add New Email বাটনে ক্লিক করুন এবং Change Email বক্সে ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। এবার নতুন যুক্ত করা মেইলে কনফার্মেশন মেইল যাবে উক্ত মেইলের লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানাটি নিশ্চিত করতে হবে। সদ্য যুক্ত করা ইমেইলটি ডিফল্ট হিসাবে থাকবে। এভাবে আরো মেইল ঠিকানা যুক্ত করা যাবে। আগের মেইলটি মুছে ফেলতে চাইলে Accounts Settings এ যান। এবার Email এর change এ ক্লিক করে যে মেইলটি মুছে ফেলতে চান তার ডানের Remove লিংকে ক্লিক করুন এবং ফেসবুকের বর্তমান পাসওয়ার্ড লিখে Confirm বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস আগের মেইলটি ফেসবুক থেকে মুছে যাবে।
ইউজার নাম সেট করা: সমপ্রতি ফেসবুক ব্যবহাকারীদের ইউজার নাম সেট করার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য লগইন করা অবস্থায় www.facebook.com/username/ এ যান এবং পছন্দের ইউজার নাম সেট করুন। আপনি যদি mehdiakram নাম সেট করেন তাহলে আপনার ফেসবুকের ঠিকানা হবে www.facebook.com/mehdiakram/ যেখানে আগে প্রোফাইল আইডি দেখাতো।
সার্চ থেকে নিজেকে বিরত রাখা: ফেসবুকে ইমেইল ঠিকানা দ্বারা বা নাম দ্বারা সার্চ করলে প্রোফাইল দেখায় এবং আমন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। আপনি চাইলে নিজেকে এই সার্চ থেকে বিরত রাখতে পারেন এবং চাইলে শুধুমাত্র বন্ধু এবং বন্ধুর বন্ধুদের সার্চ করার সুযোগ দিতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার Search এ ক্লিক করে Search Visibility অংশে কারা ফেসবুকে আপনাকে সার্চ করে পাবে তা নির্বাচন করুন। আর সার্চে আপনার কি কি তথ্য দেখাবে তা নির্বাচন করুন Search Result Content থেকে। অনান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিজেকে প্রদর্শিত না করতে চাইলে Public Search Listing এ আনচেক করুন।
ব্লক করা: নির্দিষ্ট কোন বন্ধু বা অনাকাঙ্খিত ব্যাক্তিকে আপনার প্রোফাইল বা অনান্য তথ্য দেখা থেকে বিরত রাখতে তাকে ব্লক করে রাখতে পারেন। এজন্য Settings থেকে Privacy Settings এ যান। এবার নিচের Block People এর অংশের টেক্সট বক্সে নাম লিখে Block বাটনে ক্লিক করুন। এবার যাকে ব্লক করতে চান সার্চের ডানে Block Person এ ক্লিক করুন। এভাবে আপনি একাধিক ব্যক্তিবর্গকে ব্লক করে রাখতে পারেন। কাউকে ব্লক করলে সে আপনাকে কোথাও সার্চ করে যেমন পাবে না তেমন তার সাথে পূর্বে বন্ধত্ব থাকলেও তা শেষ হয়ে যাবে। আর আনব্লক করতে চাইলে Block List থেকে Remove লিংকে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইলের সাথে যুক্ত করা: ফায়ারফক্স ব্যবহাকারীরা Xoopit এ্যাডঅন্স ব্যবহার করে জিমেইলের সাথে ফেসবুককে যুক্ত করতে পারেন। ফলে জিমেইল থেকে ফেসবুকে ছবি, ভিডিও যেমন দেখা যাবে তেমনই জিমেইল থেকেও শেয়ার করা যাবে। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8257 থেকে এ্যাডঅন্স ইনস্টল করে নিন। এরপরে জিমেইল একাউন্টে লগইন করে Xoopit এ লগইন করতে হবে। বিস্তারিত পাবেন http://vimeo.com/3287784 এখানে।
টুয়িটার এবং ফেসবুক: টুয়িটার মিনি ব্লগ বেশ জনপ্রিয়। আপনি চাইলে টুয়িটারের স্ট্যাটাস ফেসবুকে যুক্ত করতে পারেন। এমনকি ফেসবুক থেকেও টুয়িটারে পোস্ট করতে পারেন। এজন্য http://apps.facebook.com/twitter/ এ্যাপলিকেশনটি যুক্ত করুন। এবার টুয়িটারের ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার টুয়িটারে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকের ওয়ালে যেমন দেখাতে তেমনই ফেসবুকের টুয়িটার এ্যাপলিকেশনে আপনি কিছু লিখলে তা টুয়িটারে এবং ফেসবুকে দেখাবে।
ফায়ারফক্সের মাধ্যমে ফেসবুকে পোস্ট করা: ফায়ারফক্সের FireStatus এ্যাডঅন্স দ্বারা আপনার স্ট্যাটাস ফেসবুকসহ আরো বিভিন্ন সাইটে পোস্ট করতে পারবেন। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8973 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করে নিন। এবার স্ট্যটাস বারের ডানের FireStatus আইকনে কিক্ল করুন তাহলে স্ট্যটাস বারের উপরে একটি বার আসবে। এখানে আনার স্ট্যটাস লিখে ডানের ফেসবুক নির্বাচন করে Send বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের লগইন উইন্ডোজ আসবে লগইন করলে স্ট্যটাস ফেসবুকের ওয়ালে পোস্ট হবে।
ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুক চ্যট: অনান্য সাইট ব্রাউজ করার পাশাপাশি ফায়ারফক্সের সাইটবারে ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য www.facebook.com/presence/popout.php সাইটে যান এবং পেজটি বুকমার্ক করুন। এবার Bookmarks মেনুতে গিয়ে উক্ত বুকমার্কের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এখানে Load this bookmark in sidebar চেক করে Save Change বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। এখন থেকে Bookmarks মেনু থেকে বুকমার্ক করা ফেসবুক চ্যাটের উপরে ক্লিক করলে সাইটবারে শুধু চ্যাটিং অপশনটি আসবে।
ফায়ারফক্সের জন্য ফেসবুক টুলবার: ফায়ারফক্স ব্রাউজারের জন্য ফেসবুকের টুলবার ডাউনলোড করতে পাবেন http://developers.facebook.com/toolbar এখান থেকে।
পিজিনে ফেসবুকে চ্যাট করা: জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ম্যাসেঞ্জার পিজিন দ্বারাও ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং করতে পারবেন। এজন্য http://pidgin-facebookchat.googlecode.com থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এবার পিজিনে Accounts মেনু থেকে Manage Accounts এ ক্লিক করুন। এরপরে Add বাটনে ক্লিক করে Protocol থেকে Facebook নির্বাচন করুন এবং User Name এ ইমেইল ঠিকানা এবং ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট যুক্ত করুন। এবং চ্যাটিং করুন ফেসবুকের বন্ধুদের সাথে। তবে এটা প্লাগইনটি বর্তমানে পোর্টেবল পিজিনে কাজ করবে না।
ফেসবুকের ছবির এ্যালবাম ডাউনলোড করা: ফেসবুকে শেয়ার করা ছবির এ্যালবামের (বন্ধুর এ্যালবাম, গ্রুফ এ্যালবাম, ইভেন্ট এ্যালবাম) সমস্ত ছবি একসাথে ডাউলোড করতে পারবেন ফায়ারফক্সের একটি এ্যাডঅন্স দ্বারা। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/8442 থেকে এ্যাডঅন্সটি ইনস্টল করুন। এবার যে এ্যালবামটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তার উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Download Album with FacePAD এ ক্লিক পরবর্তী ম্যাসেজে Ok করুন। এবার একে একে ফাইলগুলোর সেভ ডায়ালগ বক্স আসবে সেখানে সেভ করলেই হবে।
নির্দিষ্ট বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে প্রর্দশিত করা: আপনার ফেসবুক প্রোফাইল যারা দেখবে তারা আপনার ফ্রেন্ড বক্সে কতগুলো বন্ধু দেখবে বা কাদের কাদের দেখবে তা আপনি নির্ধারণ করে দিতে পারেন। ডিফল্ট হিসাবে ৬জন বন্ধু বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হয়। এটা নির্ধারণ করতে আপনার ছবি উপরে ক্লিক করে প্রোফাইলে যান। এবার বাম পাশের Friends এর ডানের পেনসিলে ক্লিক করুন। Show এর ড্রপডাউন থেকে কতগুলো বন্ধুকে দেখাতে চান তা নির্ধারণ করুন। এবার Always show these friends: এর নিচে আপনার বন্ধুদের নাম যোগ করুন। ব্যাস এখন থেকে আপনার নির্ধারিত বন্ধুদের ফ্রেন্ড বক্সে সবসময়ে দেখাবে। নির্ধারিত করা বন্ধুদের সংখ্যা কম হলে বাকীগুলো অনান্য বন্ধুদের মধ্য থেকে বিক্ষিপ্তভাবে প্রদশিত হবে।
ওয়ার্ডপ্রেসের পোস্ট ফেসবুকের ওয়ালে সয়ংক্রিয়ভাবে আনা: আপনার যদি নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ থাকে তাহলে wordbook প্লাগইন দ্বারা আপনি উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসের লেখা সয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে আনতে পারবেন। এজন্য http://wordpress.org/extend/plugins/wordbook/ থেকে প্লাগইনটি ডাউনলোড করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে ইনস্টল করুন এবং আপনার ফেসবুকের ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা সেটিং নিশ্চিত করুন। এরপর থেকে আপনার উক্ত ওয়ার্ডপ্রেসে কোন পোস্ট করলে তা ফেসবুকে লিংক হিসাবে চলে আসবে।
ডেক্সটপে ফেসবুক: বিভিন্নভাবে ডেক্সটপে ফেসুবুক ব্যবহার করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে Seesmic Desktop (http://desktop.seesmic.com), Facebooker (www.widgets.yahoo.com/widgets/facebooker), Xobni (www.xobni.com), Facebook Sidebar Gadget (www.facebooksidebargadget.com), Scrapboy (www.scrapboy.com) এবং Facebook AIR application (http://static.ak.fbcdn.net/fbair/Facebook_Desktop_for_AIR.zip) অন্যতম।
ফেসবুক বাংলাদেশ: ফেসবুকের আদলে তৈরী করা www.facebook.com.bd সাইটটি কিন্তু ফেসবুকের বাংলাদেশী সাইট নয়। মূল ফেসবুকের সাথে এই সাইটের কোন সম্পর্কও নেই। সুতারাং মূল ফেসবুক মনে করে এই সাইটি নিজ দায়িক্সে ব্যবহার ক তে পারেন।
ফেসবুকের একাউন্ট বন্ধ করা: আপনি যদি ফেসবুকের একাউন্টটি মুছে তাহলে উপরের ডানে Settings ট্যাব থেকে Account Settings এ ক্লিক করুন। এবার Deactivate Account এর Deactivate লিংকে ক্লিক করুন তাহলে Confirm Facebook Account Deactivation পেজ আসবে। এখানে কেন একাউন্ট বন্ধ করতে চাচ্ছেন তা নির্বাচন করে Deactivate বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ফেসবুকের একাউন্টটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে যদি ভবিষ্যতে আবার একাউন্টটি সচল করতে চান তাহলে ফেসবুকে স্বাভাবিক ভাবে লগইন করলে রিএ্যাকটিভ মেইল যাবে আপনার মেইলে যেখানে ক্লিক করে পুনরাই একাউন্ট সচল করতে পারবেন।
গুগল এ্যাপসে মেইল আপলোড করা
যারা গুগল এ্যাপসের মেইল ব্যবহার করেন তাদের পুরাতন মেইল ঠিকানা থেকে মেইল আনার প্রয়োজন হয়। যেমন, আপনি হয়তো আপনার ডোমেইনের ওয়েব মেইল ব্যবহার করতেন এখন গুগল এ্যাপসের মেইল ব্যবহার করেন। তাহলে আগের ব্যবহৃত ওয়েব মেইলের মেইল ইমপোর্ট করা দরকার। Google Email Uploader সফটওয়্যার দ্বারা মেইল ক্লাইন্ট আউটলুক এবং থান্ডারবার্ডের মেইল সহজেই আপলোড করা যায়। এজন্য http://mail.google.com/mail/help/email_uploader.html থেকে ৫৩৪ কিলোবাইটের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। সফটওয়্যারটি চালাতে মাইক্রোসফট ডটনেট ২.০ প্রয়োজন হবে। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে গুগল এ্যাপসের ইউজার-পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন তাহলে আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল থাকা আউটলুক এবং থান্ডারবার্ডের মেইল সংখ্যা দেখাবে। এখন মেইল (ফোল্ডার) নির্বাচন করে Next করুন। এবার ফোল্ডারের নামে লেবেল হিসাবে মেইলগুলো রাখতে চান কি না তার জন্য Create Labels from Folder Name চেক অথবা আনচেক করে Upload বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে মেইলগুলো আপলোড হবে। যদি কোন কারনে মেইল আপলোড বন্ধ করেন বা বন্ধ হয়ে যায় পরবর্তিতে চালু করলের বন্ধ হওয়া পর্যন্ত যে মেইলগুলো আপলোড করা হয়েছিলো তার পর থেকে আপলোড হবে।
আপনি যদি পপ৩ মেইলগুলো আউটলুক বা থান্ডারবার্ডে ডাউনলোড করেন তাহলে এভাবে সেগুলোও আপলোড করতে পারবেন।
আপনি যদি পপ৩ মেইলগুলো আউটলুক বা থান্ডারবার্ডে ডাউনলোড করেন তাহলে এভাবে সেগুলোও আপলোড করতে পারবেন।
জিমেইলের মেইল কম্পিউটারে ব্যকআপ এবং রিস্টোর করা
অনেক সময় এক ইমেইলের মেইল অন্য ইমেইলে আসার প্রয়োজন হয়। কিংবা কম্পিউটারে রাখার দরকার হতে পারে। জিমেইলে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। জিমেইলের মেইল ব্যাকআপ বা রিস্টোর করা যাবে জিমেইল-ব্যাকআপ সফটওয়্যারের সাহায্যে। ৪.৩৫ মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যারটি www.gmail-backup.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে জিমেইলের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিন এবং কোথায় ব্যাকআপ রাখবেন তা Directory বাটনে ক্লিক করে নির্দিষ্ট ফোল্ডার দেখিয়ে দিন। এখন Backup বাটনে ক্লিক করলে (Newest emails only চেক করা থাকলে) নতুন আসা মেইলগুলো ডাউনলোড হতে থাকবে। আপনি চাইলে Newest emails only চেক তুলে নির্দিষ্ট তারিখের রেঞ্জ নির্ধারণ করে দিতে পারেন। আপনি যদি কোন ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা মেইল আপলোড বা রিষ্টোর করতে চান তাহলে জিমেইলের ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাকআপ ফোল্ডার দেখিয়ে Restore বাটনে ক্লিক করলেই হবে
নতুন খোলা জিমেইলে মেইল এবং ঠিকানা ইমপোর্ট করার
নতুন খোলা জিমেইলেগুলোতে মেইল এবং ঠিকানা ইমপোর্ট করার সুবিধা রয়েছে। এজন্য জিমেইলে লগইন করে Settings থেকে Accounts and Import ট্যাবে যান। এবার Import mail and contacts বাটনে ক্লিক করে Step 1 এ যে মেইল থেকে মেইল এবং ঠিকানা আনতে চান তা লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। পরবর্তি উইন্ডোতে ইমেইলের পাসওয়ার্ড লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এবার Step 2 তে অপশন নির্বাচন করে Start Import বাটনে ক্লিক করুন। এখন Step 3 তে OK করুন পরবর্তি ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে উক্ত মেইলের সকল মেইল নতুন ঠিকানাতে চলে আসবে। এভাবে আপনি Yahoo!, Hotmail, AOL থেকে মেইল আনতে পারবেন। ইয়াহুতে পপ৩ সুবিধা না থাকলে ইয়াহু কাজ করবে না।
বিস্তারিত জিমেইল ব্লগে
বিস্তারিত জিমেইল ব্লগে
এক ঠিকানা থেকে অন্য ঠিকানাতে মেইল ট্রান্সফার করা
বিভিন্ন কারণে এক ইমেইলের মেইল অন্য মেইলে নেবার প্রয়োজন হয়। জনপ্রিয় মেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইয়াহু, জিমেইল, হটমেইল ইত্যাদির মধ্যে মেইল ট্রান্সফারের উপায় দিবো।অন্য মেইল থেকে জিমেইলে: পপ৩ সমর্থিত মেইল ঠিকানাগুলো থেকে জিমেইলে মেইল আনা যায়। এজন্য যে ঠিকানা থেকে মেইল আনতে চান সেই মেইলে লগইন করে পপ সক্রিয় করুন। এবার জিমেইল লগইন করে Settings থেকে Accounts ট্যাবে গিয়ে Add a mail account you own এ ক্লিক করুন। এবার টেক্সট বক্সে পুরাতন ইমেইল ঠিকানা লিখে Next Step বাটনে ক্লিক করুন। এখানে ইউজার, পাসওয়ার্ড, পপ সার্ভার, পোর্ট ঠিকমত লিখে (সয়ংক্রিয়বাবে চলে আসবে) Add Account এ ক্লিক করুন। এবার Yes, I want to be able to send mail as…. অপশন চেক রেখে Next Steps বাটনে ক্লিক করুন। এখানে একাউন্টের নাম লিখে Next Steps বাটনে ক্লিক করুন। এবার Send Verification বাটনে ক্লিক করলে পুরাতন মেইল ঠিকানাতে ভেরিফিকেশন কোড মেইল আসবে। উক্ত ভেরিফিকেশন কোড এখানে লিখে Verify বাটনে ক্লিক করলে একাউন্টটি উক্ত যুক্ত হবে এবং আগের মেইলের মেইলগুলো চলে আসবে। এভাবে আপনি আরো পপ৩ সমর্থিত মেইল ঠিকানার মেইল জিমেইলে আনতে পারবেন। এভাবে মেইল ঠিকানা যুক্ত হবার ফলে জিমেইল থেকে উক্ত ঠিকানা ব্যবহার করে মেইল পাঠাতেও পারবেন।
নতুন খোলা জিমেইলে মেইল এবং ঠিকানা ইমপোর্ট করার
সাধারণত ইয়াহু প্লাসে পপ৩ সুবিধা থাকে সেক্ষেত্রে সাধারণ ইয়াহু ব্যবহারকারীরা জিমেইলে মেইল ট্রান্সফার করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে নতুন একটি হটমেইল একাউন্ট খুলে নিন্মাক্ত পদ্ধতিতে ইয়াহু থেকে হটমেইলে এবং পরে হটমেইল থেকে জিমেইলে মেইল ট্রান্সফার করা যাবে।
জিমেইলের মেইল কম্পিউটারে ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করা
গুগল এ্যাপসে মেইল আপলোড করা
অন্য মেইল থেকে ইয়াহুতে: অন্যকোন মেইল (Windows Live/Hotmail Gmail, AOL ইত্যাদি) থেকে ইয়াহু! মেইলে মেইল আনা যায়। এজন্য https://secure5.trueswitch.com/yahoo এই ঠিকানাতে যান এবং যে ইয়াহুতে মেইলগুলো আনতে চান তার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। এবার পরবর্তি পেজে I Agree বাটনে ক্লিক করে পরবর্তি পেজে যে মেইল থেকে মেইলগুলো আনতে চান তা লিখে ডোমেইন নির্বাচন করে পাসওয়ার্ড দিন এবং চাইলে অনান্য অপশন নির্বাচন করে Start Transfer বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে ভেরিফিকেশন শুরু হবে এবং শেষ হলে পরবর্তি ২৪ ঘন্টার ভিতরে সমস্তকিছু ট্রান্সফার হবে মর্মে ম্যাসেজ দেবে।
অন্য মেইল থেকে উইন্ডোজ লাইভে (হটমেইল/লাইভ): অন্যকোন মেইল (Yahoo!, Gmail, AOL ইত্যাদি) থেকে মেইল আনতে হলে https://secure5.trueswitch.com/winlive এই ঠিকানাতে যান এবং I have read, understand and agree বাটন চেক করে Begin বাটনে ক্লিক করুন। এবার COPY FROM থেকে যে মেইলের মেইল আনতে চান তা নির্বাচন করে ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিন। এবার ডানে COPY TO WINDOWS LIVE HOTMAIL অংশে লাইভ/হটমেইলের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এবার প্রয়োজনীয় অপশন বাটনগুলো নির্বাচন করে Submit বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে পরবর্তি ২৪ ঘন্টার মধ্যে পুরানো মেইলের মেইলগুলো মেইল ঠিকানাসহ আপনার নতুন মেইলে চলে আসবে। এছাড়াও পূর্বের মেইলে থাকা মেইল ঠিকানাগুলোতে নতুন মেইল ঠিকানা খোলের ঘোষণা সয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে।
নতুন খোলা জিমেইলে মেইল এবং ঠিকানা ইমপোর্ট করার
সাধারণত ইয়াহু প্লাসে পপ৩ সুবিধা থাকে সেক্ষেত্রে সাধারণ ইয়াহু ব্যবহারকারীরা জিমেইলে মেইল ট্রান্সফার করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে নতুন একটি হটমেইল একাউন্ট খুলে নিন্মাক্ত পদ্ধতিতে ইয়াহু থেকে হটমেইলে এবং পরে হটমেইল থেকে জিমেইলে মেইল ট্রান্সফার করা যাবে।
জিমেইলের মেইল কম্পিউটারে ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করা
গুগল এ্যাপসে মেইল আপলোড করা
অন্য মেইল থেকে ইয়াহুতে: অন্যকোন মেইল (Windows Live/Hotmail Gmail, AOL ইত্যাদি) থেকে ইয়াহু! মেইলে মেইল আনা যায়। এজন্য https://secure5.trueswitch.com/yahoo এই ঠিকানাতে যান এবং যে ইয়াহুতে মেইলগুলো আনতে চান তার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দ্বারা লগইন করুন। এবার পরবর্তি পেজে I Agree বাটনে ক্লিক করে পরবর্তি পেজে যে মেইল থেকে মেইলগুলো আনতে চান তা লিখে ডোমেইন নির্বাচন করে পাসওয়ার্ড দিন এবং চাইলে অনান্য অপশন নির্বাচন করে Start Transfer বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে ভেরিফিকেশন শুরু হবে এবং শেষ হলে পরবর্তি ২৪ ঘন্টার ভিতরে সমস্তকিছু ট্রান্সফার হবে মর্মে ম্যাসেজ দেবে।
অন্য মেইল থেকে উইন্ডোজ লাইভে (হটমেইল/লাইভ): অন্যকোন মেইল (Yahoo!, Gmail, AOL ইত্যাদি) থেকে মেইল আনতে হলে https://secure5.trueswitch.com/winlive এই ঠিকানাতে যান এবং I have read, understand and agree বাটন চেক করে Begin বাটনে ক্লিক করুন। এবার COPY FROM থেকে যে মেইলের মেইল আনতে চান তা নির্বাচন করে ইমেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিন। এবার ডানে COPY TO WINDOWS LIVE HOTMAIL অংশে লাইভ/হটমেইলের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এবার প্রয়োজনীয় অপশন বাটনগুলো নির্বাচন করে Submit বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে পরবর্তি ২৪ ঘন্টার মধ্যে পুরানো মেইলের মেইলগুলো মেইল ঠিকানাসহ আপনার নতুন মেইলে চলে আসবে। এছাড়াও পূর্বের মেইলে থাকা মেইল ঠিকানাগুলোতে নতুন মেইল ঠিকানা খোলের ঘোষণা সয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে।
ব্লগ পোস্ট শিরোনাম সরাসরি ট্যুইটারে পোস্ট করুন
আজকাল ট্যুইটার অনেক জনপ্রিয় নেটওয়ার্কিং টুল হিসেবে ব্যাবহৃত হচ্ছে। ব্লগ আমাদের অনেকেরই আছে ইতিমধ্যেই। ট্যুইটারে আমরা মাত্র ১৪০ অক্ষরে লিখতে পারলেও ব্লগে তা অনেক বিস্তারে লেখা যায়। ব্লগ এবং ট্যুইটার দুটোতেই পোস্ট দিতে দিতে অনেকেই ক্লান্ত। শেষে দেখা যায় যে ব্লগ লেখা হলে ট্যুইটার আপডেট করা হয়না, ট্যুইট করতে থাকলে ব্লগিং বাদ পড়ে থাকছে। বড় ভালো হতো যদি ব্লগে যা'ই আমরা লিখি তা কোনো পদ্ধতিতে আপনাআপনি ট্যুইটারে পোস্ট হয়ে যেতো! তাইনা? চিন্তা নেই, এবারে তাও সম্ভব হবে। আসুন চটপট অল্প কথায় জেনে নিই কিভাবে ব্লগে একটি লেখা দিলেই সেটা আমাদের ট্যুইটার একাউন্টেও পোস্ট হয়ে যাবে। আমি ধরে নিচ্ছি পাঠকদের ব্লগার এবং ট্যুইটার একাউন্ট আছে ইতিমধ্যেই। প্রথমেই দরকারি সার্ভিস হল ট্যুইটারফিড। http://twitterfeed.com ওয়েব ঠিকানায় গিয়ে একটি একাউন্ট খুলে নিন। এর পরে আসল ফিড বানাতে হবে। স্ক্রীনে নির্দেশনা দেওয়াই থাকবে, সেই অনুযায়ী প্রথমে আমাদের ট্যুইটার একাউন্ট ভেরিফাই করে নিতে হবে। ট্যুইটার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট সেট-আপ করে নিন। পরবর্তী স্ক্রীনে আপনার ব্লগের RSS ফিড ঠিকানা দেবেন এবং পাশেই থাকা Test RSS Feed বোতাম চেপে পরীক্ষা করে নিতে পারেন ঠিকমতো ফিড ঠিকানা পেলো কিনা সার্ভিসটি। এর নিচেই পাবেন Advanced Settings, এখানে কিছু বাড়তি কাস্টমাইজেশান করে নিতে পারেন যেমন এই সার্ভিস কতোক্ষণ পর পর আপনার ব্লগের ফিড চেক্ করবে নতুন পোস্টের জন্য (আমি এটিকে প্রতি ঘন্টায় দিয়ে রাখি), কি পোস্ট করবে (আমি শুধু ব্লগ পোস্টের শিরোনাম পোস্ট করতে বলি), পোস্টের ছোট লিঙ্ক কোন সার্ভিস দিয়ে করা হবে (আমার bit.ly একাউন্ট থাকার জন্য আমি এই সার্ভিস দিয়েছি, এবং সমস্ত ছোট লিঙ্কের হদিশ আমার bit.ly একাউন্টে থাকে আর আমি জানতে পারি কয়টা ক্লিক হল)। ছোট লিঙ্ক সার্ভিসের অন্যান্য প্রচুর একাউন্ট আছে, যার যেখানে একাউন্ট আছে তারা সেটিকে সেট-আপ করে নিতে পারবেন। যারা bit.ly ব্যাবহার করছেন তাদের লাগবে Login username আর API Key (এটি পাবেন Account লিঙ্কে)। সব ঠিকঠাক সেট-আপ হয়ে গেলেই এরপর ব্লগ পোস্ট দেওয়ার পরে প্রতি ঘন্টায় এই সার্ভিস আপনার ব্লগের আরএসএস ফিড চেক করে সব পোস্টকেই ট্যুইটারে পোস্ট করে দেবে। ব্লগার ব্লগের সাধারন আরএসএস ফিড ঠিকানা হল blogname.blogspot.com/feeds/posts/default/ নতুবা ফিডবার্নার ব্যাবহার করলে feeds/feedburner.com/username; এখানে জেনে রাখা ভালো যে ব্লগার ব্লগের রোবট ফাইলে যে আরএসএস ঠিকানা দেওয়া থাকে সেটি হল /feeds/posts/default?orderby=updated কিন্তু এই ঠিকানা দিলে একই শিরোনাম ততোবার পোস্ট হবে যতোবার সেই ব্লগ পোস্ট আপনি আপডেট করবেন। সুতরাং শুধুই /feeds/posts/default/ ব্যাবহার করাই ভাল, তাহলে একটি পোস্ট শিরোনাম একবারই ট্যুইট হবে ।
ফোল্ডারে মন্তব্য যোগ করা
কোন ফোল্ডারের উপরে মাউস ধরলে উক্ত ফোল্ডারের সম্পর্কে কিছু তথ্য (অধিনে থাকা ফাইল এবং ফোল্ডারের সাইজ) দেখায়। কিন্তু আপনি যদি উক্ত ফোল্ডারে মন্তব্য যোগ করেন তাহলে ফোল্ডারটির উপরে মাউস ধরলে আপনার লেখা মন্তব্য দেখাবে, যা ক্ষেত্র বিশেষ কাজে লাগবে। এজন্য www.dr-hoiby.com সাইট থেকে HOBCommentXP সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন। এবার যেকোন ফোল্ডারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে …Add Comment এ ক্লিক করুন তাহলে একটি টেক্সট বক্স আসবে যেখানে আপনি আপনার মন্তব্য লিখে এন্টার করলে তা যুক্ত হবে। এরপরে আপনি উক্ত ফোল্ডারের উপরে মাউস ধরলে মন্তব্য দেখাবে।
মুছে ফেলুন ডুপ্লিকেট ফাইলগুলো
আপনার কম্পিউটারে যদি হাজারো ছবি বা গান থাকে তাহলে একই ফাইল ভিন্ন ভিন্ন ফোল্ডারে একাধিকবার থাকতে পারে। গানের ক্ষেত্রে এটি বেশী হয়ে থাকে, ফলে অযথা যায়গা নষ্ট হয়। আপনি খুঁজে খুঁজে এই ডুপ্লিকেট ফাইলগুলো মুছে ফেলতে গেলে বেশ সময় লাগে। সেক্ষেত্রে আপনি ডাবলকিলার সফটওয়্যারের সাহায্যে সহজেই একই নামের সকল ফাইল খুঁজে বেড় করে মুছে ফেলতে পারেন। সফটওয়্যারটি নিজে থেকেই ডুপ্লিকেট ফাইল খুঁজে বেড় করবে। এরপরে চাইলে সহজে প্রথম ফাইলটি রেখে বাকি ডুপ্লিকেট ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারবেন। ৪০৬ কিলোবাইটের এই ফ্রি সফটওয়্যারটি www.bigbangenterprises.de/en/doublekiller সাইট থেকে ডাউনলোড করতে পরবেন।
সকল এপলিকেশনেই বানান পরীক্ষা করুন
সাধারণত মাইক্রোসফটের এপলিকেশনগুলোতে (ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ইত্যাদি) বানান পরীক্ষা করা বা স্পেল চেক করার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু অনান্য এপলিকেশনে সে ধরণের সুবিধা নেই। আপনি যদি গ্লোবাল স্পেল চেকার (Global Spell Checker) ব্যবহার করেন তাহলে যেকোন উইন্ডোজের যে কোন এপলিকেশনেই বানান পরীক্ষা করার সুবিধা পাবেন। ৮৭ কিলোবাইটের সফটওয়্যারটি www.shaplus.com থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এবার যে শব্দের বানান পরীক্ষা করতে চান সেটি নির্বাচন করে কপি (Ctrl-C চাপুন) করুন এবং গ্লোবাল স্পেল চেকার সফটওয়্যারটি (Ctrl + Alt + S চাপুন) চালু করুন। আপনার বানান যদি ভুল হয় তাহলে Spelling is incorrect/not found মেসেজ আসবে এবং উপরে সম্ভাব্য বানানের তালিকা দেবে আর বানান যদি সঠিক হয় তাহলে Spelling is correct মেসেজ আসবে এবং উপরে বানানের এক বা একাধিক (প্রতিশব্দ) অর্থ দেখাবে। এখন আপনি উপরের যে বানানটি গ্রহন করতে চান তার নম্বর (১/২/৩) সিলেক্ট করলে তা ক্লিপ বোর্ডে চলে আসবে এবার পেষ্ট করলে নতুন শব্দ বসবে। এই সফটওয়্যার মূলত মাইক্রোসফটের ডিকশনারী ব্যবহার করে থাকে।
মেয়াদ উত্তীর্ণ ট্রায়াল সফটওয়্যার চালু করা
বিনামূল্যের সফটওয়্যার আমরা প্রায় সবসময় ব্যবহার করে থাকি। এর মধ্যে ট্রায়াল সংস্করণের সফটওয়্যার অন্যতম। কিন্তু ট্রায়াল সফটওয়্যার নির্দিষ্ট দিনের পরে আর চলে না আবার নতুন করে ইনষ্টল করলেও বেশীরভাগ কাজে আসে না। কিন্তু আপনি চাইলে রানঅ্যাজডেট সফটওয়্যার দ্বারা অনায়াসে পূর্বের যেকোন তারিখে যেকোন সফটওয়্যার চালু করতে পারেন। ১৯ কিলোবাইটের বহনযোগ্য ফ্রি এই সফটওয়্যারটি www.nirsoft.net থেকে ডাউনলোড আনজিপ করুন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Browse… বাটনে ক্লিক করে যে মেয়াদ উত্তীর্ণ ট্রায়াল সফটওয়্যারটি খুলুন। এবার পূর্বের যে তারিখে সফটওয়্যারটি চালু করতে চান Date / Time: এ নির্বাচন করুন। এবার Run বাটনে ক্লিক করলে ট্রায়াল সংস্করণের সফটওয়্যারটি উক্ত তারিখ হিসাবে চালু হবে। তবে সফটওয়্যাটি ইনষ্টল করার পূর্বের তারিখ নির্বাচন করে চালু করলে সফটওয়্যাটি চালু নাও হতে পারে। এভাবে আপনি মেয়াদ উত্তীর্ণ ট্রায়াল সফটওয়্যার চালু করতে পারেন।
আরো দ্রুতগতিতে জিমেইল ব্রাউজ করুন
বর্তমানে জিমেইল বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু কোন কারনে যদি এটা লোড হতে দেরি হয় তাহলে বেশ বিরক্তিকর লাগে। যাদের ইন্টারনেটের গতি কম তারা চাইলে একটু চালাকি করে এবং কিছু সুবিধা বাদ দিয়ে জিমেইল দ্রুত লোড করতে পারেন। এমনই কতক টিপস দেয়া হলো।
১) সাধারণ ভাবে জিমেইল লোড হবার সময় বেশী সময় নিলে Ctrl+F5 চাপুন তাহলে খুবই দ্রুত জিমেইল ইনবক্স চলে আসবে।
২) জিমেইলের সাইটে প্রবেশের জন্য www.gmail.com না লিখে https://mail.google.com/mail লিখে প্রবেশ করুন। তাতে দ্রুত এবং নিরাপদে প্রবেশ করতে পারেন।
৩) যদি জিমেইল HTML মুডে চালু করতে চান তাহলে https://mail.google.com/mail/h লিখে প্রবেশ করুন। তবে স্ট্যান্ডার্ড মুডে পরিবর্তন করতে চাইলে পরে তাও করতে পারবেন।
৪) আপনি চাইলে মোবাইল সংস্করণেও (http://m.gmail.com) প্রবেশ করতে পারেন। কোন রকম বিজ্ঞাপন ছাড়াই মূল বিষয়গুলো এই সংস্কবণে পাবেন।
৫) এছাড়াও জিমেইল যদি ব্রাউজার চেক করে তাহলে তা বাদ নিতে চাইলে https://mail.google.com/gmail?nocheckbrowser লিখে প্রবেশ করুন।
৬) মেইলে প্রবেশের পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পেজে যেতে হয়। ফলে ৫০/১০০ মেইল লোড হতে গেলে বেশী সময় লাগে। এক্ষেত্রে সর্বনিন্ম ২৫ মেইল দেখার ব্যবস্থা থাকলে খুব দ্রুত লোড হবে ৫০/১০০ এর তুলনায়।
৭) আর Standard Without Chat হিসাবে থাকলে বেশ দ্রুত লোড হবে।
১) সাধারণ ভাবে জিমেইল লোড হবার সময় বেশী সময় নিলে Ctrl+F5 চাপুন তাহলে খুবই দ্রুত জিমেইল ইনবক্স চলে আসবে।
২) জিমেইলের সাইটে প্রবেশের জন্য www.gmail.com না লিখে https://mail.google.com/mail লিখে প্রবেশ করুন। তাতে দ্রুত এবং নিরাপদে প্রবেশ করতে পারেন।
৩) যদি জিমেইল HTML মুডে চালু করতে চান তাহলে https://mail.google.com/mail/h লিখে প্রবেশ করুন। তবে স্ট্যান্ডার্ড মুডে পরিবর্তন করতে চাইলে পরে তাও করতে পারবেন।
৪) আপনি চাইলে মোবাইল সংস্করণেও (http://m.gmail.com) প্রবেশ করতে পারেন। কোন রকম বিজ্ঞাপন ছাড়াই মূল বিষয়গুলো এই সংস্কবণে পাবেন।
৫) এছাড়াও জিমেইল যদি ব্রাউজার চেক করে তাহলে তা বাদ নিতে চাইলে https://mail.google.com/gmail?nocheckbrowser লিখে প্রবেশ করুন।
৬) মেইলে প্রবেশের পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পেজে যেতে হয়। ফলে ৫০/১০০ মেইল লোড হতে গেলে বেশী সময় লাগে। এক্ষেত্রে সর্বনিন্ম ২৫ মেইল দেখার ব্যবস্থা থাকলে খুব দ্রুত লোড হবে ৫০/১০০ এর তুলনায়।
৭) আর Standard Without Chat হিসাবে থাকলে বেশ দ্রুত লোড হবে।
ইন্টারনেট ছাড়াই জিমেইল ব্যবহার
ইমেইল ক্লাইন্টের নাম আমরা সবাই শুনেছি অনেকেই আউটলুক, ইউডোরা, থান্ডারবার্ডের মত ইমেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করে থাকেন। মেইল ক্লাইন্টের মাধ্যমে পপ সুবিধা থাকা মেইলগুলো ওয়েব মেইল থেকে ডাউনলোড হয়ে মেইল ক্লাইন্টে চলে আসে ফলে ইন্টারনেট ছাড়াই ইমেইল পড়া এবং লিখে সেভ করে রাখা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মেইল ক্লাইন্টে ওয়েবমেইলগুলো ডাউনলোড হয় ফলে ওয়েবমেইলে তা আর থাকে না, অন্য কোথাও থেকে আর পড়াও যায় না। যদিও জিমেইল পপ সুবিধা সাথে অনলাইনে মেইলের কপি রাখার ব্যবস্থা আছে। ফলে জিমেইল ব্যবহাকারীরা পপ সক্রিয় করে অন্য মেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করলে যে সুবিধা পেয়ে থাকে তাই পাওয়া যাবে জিমেইল অফলাইন দ্বারা। মূলত এটা জিমেইলকে অনলাইনের সাথে অফলাইনের যোগসূত্র তৈরী করে দিয়েছে। অফলাইনে জিমেইল ব্যবহার করতে হলে গুগল গিয়ার ইনস্টল করতে হবে। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার জিমেইল খুলে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে যান এবং Offline এর Enable অপশন বাটন নির্বাচন করে Save Changes বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। সেভ হবার পরে জিমেইল পুনরাই সক্রিয়ভাবে লোড হবার পরে উপরের ডানে Offline0.2 এ ক্লিক করুন তাহলে Install offline access for Gmail ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন।) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি মূলত ইউজারের Local Settings\Application Data এর মধ্যে সেভ হয়। সবশেষে Go into Flaky Connection Mode এ ক্লিক করুন। এরপরে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও তৈরী হওয়া শটকাটে ক্লিক করে অথবা https://mail.google.com/mail সাইটে গিয়ে মেইল পড়তে, লিখে সেভ করতে পারবেন। একই কম্পিউটারে, একই ব্রাউজারে, এভাবে একাধিক ইউজারের তথ্যও অফলাইন করে রাখা যাবে। এমনকি একই একাউন্ট একাধিক কম্পিউটারে অফলাইন করে রাখা যাবে। আর পোর্টেবল ফায়ারফক্সে ব্যবহার করলেতো কথাই নেই, ইচ্ছেমত বহন করা যাবে (সিডিতে রাইট করেও রাখা যাবে) আর অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তন বা নতুন করে ইনস্টল করলেও সমস্যা নেই। জিমইেল অফলাইন আপতত উইন্ডোজ (এক্সপি+), ম্যাক এবং লিনাক্সে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার৬+, ফায়ারফক্স ১.৫+, সাফারিতে সর্মথন করবে। এছাড়াও সকল ধরনের তথ্যই জিমেইলের অফিসিয়াল ব্লগ http://gmailblog.blogspot.com থেকে পাওয়া যাবে।
গুগলে দেখুন ব্যক্তিগত সার্চগুলো
একটি বিষয়ের উপরে আপনি অনেকদিন আগে গুগলে সার্চ করেছেন কিন্তু এখন সে বিষয়টি মনে করতে পারছেন না অথচ আপনার উক্ত বিষয়টি জরুরী দরকার। আপনি যদি জিমেইল একাউন্ট খোলা রাখা অবস্থায় উক্ত বিষয়ে সার্চ করে থাকেন তাহলে আপনার কোন চিন্তা নেই, আপনার সার্চের বিষয়সহ কোন কোন ওয়েবসাইট খুলেছেন তার সমস্ত বিবরণ পাবেন গুগল পার্সনালাইজড সার্চে। আপনি নিশ্চয় খেয়াল করেছেন আপনার জিমেইল একাউন্ট খোলা অবস্থায় গুগলে সার্চ করলে আপনার মেইল ঠিকানা গুগলের হোম পেইজের উপরের দিকে দেখা যায়। এমতবস্থায় আপনি যত কিছু সার্চ করেন বা সার্চ করার পরে বিষয়ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলো খুলে থাকেন তার সবই মনে রাখবে গুগল পার্সনালাইজড সার্চ। অর্থাৎ আপনার একাউন্ট একটিভ অবস্থায় আপনার খোঁজাখুঁজির সব খবরই গুগল পার্সনালাইজড সার্চ রেখে দিচ্ছে। আপনি যদি সেসব দেখতে চান তাহলে www.google.com/psearch সাইট ঢুকুন। এবার আপনার জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন, তাহলে দেখবেন আপনার সকল সার্চিং এর তারিখ, বার, সময় এবং বিষয়সহ সার্চ করার পর কোন কোন ওয়েবসাইট খুলেছেন তার সব হিসেবই আছে। এখানে কিক করে আপনি পুনরায় আবার সার্চ করতে পারবেন বা পূর্বে খোলা ওয়েবসাইটে ক্লিক করে ওয়েবসাইট খুলতে পারেন। এছাড়াও পছন্দের ওয়েবসাইটিকে এখানে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।
গুগলে ওয়েবসাইট যুক্ত করা
আপনি গুগল খুলে আপনার নাম লিখলেন এবং সার্চ বাটনে ক্লিক করে দেখলেন আপনার ওয়েবসাইট সম্পের্ক তথ্য দিচ্ছে গুগল। তাহলে কেমন লাগবে! আপনার শখের বসে বা প্রয়োজনে তৈরী করা ওয়েবসাইট আপনি গুগলে যুক্ত করতে পারেন কোন খরচ বা ঝামেলা ছাড়াই। তাতে অন্য কেউ আপনার ওয়েবসাইটের বিষয় অনুসারে খুঁজে পাবে। অর্থাৎ গুগলে আপনার দেওয়া পছন্দের কীওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটের তথ্যসহ ওয়েবসাইটের ঠিকানা চলে আসবে। আপনি ইংরেজীর পাশাপাশি বাংলাতে কীওয়ার্ড লিখতে পারেন তাতে বাংলাতে আপনার ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া যাবে।যেভাবে যুক্ত করবেন: এজন্য প্রথমে গুগলের এই www.google.com/addurl সাইটে ঢুকুন। এবার URL: অংশে আপনার ওয়েব ঠিকানা দিন। আপনার ওয়েব ঠিকানা যদি www.mehdi-akram.tk হয় তাহলে আপনাকে http://www.mehdi-akram.tk লিখতে হবে। এবার Comments: অংশে কীওয়ার্ড লিখুন। এখানে আপনি আপনার নাম এবং ওয়েবসাইট সম্পের্ক (বিষয় এবং আনুসাঙ্গিক) তথ্য দিনে পারেন। এরপরে Optional: অংশের ছবিতে থাকা টেক্সট নিচের টেক্সট বক্সে লিখে Add URL বাটনে ক্লিক করলে আপনার সাইট যুক্ত হয়েছে নিশ্চিত করবে।এ মূহুর্তে আপনি সার্চ করলে আপনার সাইট পাবেন না। অন্ততঃ কয়েক দিন পরে সার্চ করে দেখুন, কি অপেক্ষা করছে গুগলে আপনার জন্য।
ডেক্সটপে রাখুন উইডগেট
উইডগেট ব্যবহার করে ডেক্সটপকে আরো আর্কশনীয় করতে পারেন। এর সাহায্যে ডেক্সটপ থেকেই আরএসএস সাইটের খবর ব্রাউজ ছাড়ায় দেখা যাবে। এছাড়াও রয়েছে, এনালগ ঘড়ি, ব্রাউজার ছাড়াই মেইল চেক করা, সার্চ করা এবং আরো বিভিন্ন দরকারী সুবিধা। উইন্ডোজ ভিসতাতে নিজস্ব উইডগেট থাকলেও অনান্য অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উইডগেট রয়েছে বিভিন্ন সাইটের। জনপ্রিয় এবং আকর্শনীয় ছয়টি উইডগেটের ঠিকানা এবং সামান্য তথ্য দেওয়া হলো।
ইয়াহু উইডগেট: উইন্ডোজ এবং ম্যাকের উপযোগী ইয়াহু! উইডগেট এক কথায় অসাধারণ। http://widgets.yahoo.com সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
গুগল উইডগেট: লিনাক্স প্লাটফরমসহ এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। গুগল ডেক্সটপ নামে পরিচিত এই উইডগেটে ব্যাক্তিগত তথ্য যোগ করা যায়। এছাড়াও আইগুগল www.google.com/ig নামে অনলাইনে গুগলের আরেকটি সেবা রয়েছে। http://desktop.google.com সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
অপেরা উইডগেট: এটিও উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাকে চলবে। অপেরা উইডগেট ব্যবহার করতে হলে অপেরা ওয়েব ব্রাউজার ৯ বার এর পরের সংস্করণ (www.opera.com/download) লাগবে। http://widgets.opera.com সাইট থেকে অপেরা উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
এডোবি এয়ার: এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। এটি www.yourminis.com/minis সাইট ছাড়াও ডেক্সটপে চলবে। http://labs.adobe.com/downloads/air.html সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
ক্লিপফলিও: শুধুমাত্র উইন্ডোজের উপযোগী এই উইডগেট www.klipfolio.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
এমনেষ্টি জেনারেটর: এই উইডগেট শুধুমাত্র ম্যাক ওএক্স এবং উইন্ডোজ ভিসতাতে চলবে। http://amnesty.mesadynamics.com/GeneratorWin.html থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এটি ব্লগে এমবেট করে ব্যবহার করা যাবে।
ইয়াহু উইডগেট: উইন্ডোজ এবং ম্যাকের উপযোগী ইয়াহু! উইডগেট এক কথায় অসাধারণ। http://widgets.yahoo.com সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
গুগল উইডগেট: লিনাক্স প্লাটফরমসহ এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। গুগল ডেক্সটপ নামে পরিচিত এই উইডগেটে ব্যাক্তিগত তথ্য যোগ করা যায়। এছাড়াও আইগুগল www.google.com/ig নামে অনলাইনে গুগলের আরেকটি সেবা রয়েছে। http://desktop.google.com সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
অপেরা উইডগেট: এটিও উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাকে চলবে। অপেরা উইডগেট ব্যবহার করতে হলে অপেরা ওয়েব ব্রাউজার ৯ বার এর পরের সংস্করণ (www.opera.com/download) লাগবে। http://widgets.opera.com সাইট থেকে অপেরা উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
এডোবি এয়ার: এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। এটি www.yourminis.com/minis সাইট ছাড়াও ডেক্সটপে চলবে। http://labs.adobe.com/downloads/air.html সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
ক্লিপফলিও: শুধুমাত্র উইন্ডোজের উপযোগী এই উইডগেট www.klipfolio.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
এমনেষ্টি জেনারেটর: এই উইডগেট শুধুমাত্র ম্যাক ওএক্স এবং উইন্ডোজ ভিসতাতে চলবে। http://amnesty.mesadynamics.com/GeneratorWin.html থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এটি ব্লগে এমবেট করে ব্যবহার করা যাবে।
বিনামূল্যে গুগল এ্যাপস
যাদের নিজম্ব ডোমেইন আছে তারা নিজম্ব ডোমইনে মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সীমিত হোস্টিং স্পেস কেনার ফলে ইমেইলে বেশী যায়গা পান না। আর ইমেইল ব্যবহারহারকারী যদি অনেক হয়ে থাকে তাহলে বছরে বেশ কিছু টাকা গুনতে হবে হোস্টিং স্পেস বাবদে। কিন্তু আপনি যদি গুগলের এ্যাপস ব্যবহার করেন তাহলে কয়েকশত মেইল ঠিকানা পাবেন যার ধারণক্ষমতা ৭ গিগাবাইটেরও বেশী যা জিমেইলের মত। এছাড়াও গুগলের অনান্য সেবা ক্যালেন্ডার, চ্যাটিং ডক্সসহ সবাই পাবেন। আর এসব সেবাই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
রেজিস্ট্রেশন করা: এজন্য প্রথমে www.google.com/a এ যান। এবার ডানে See details and sign up বাটনে ক্লিক করে ডানের Not a business? Explore Standard Edition এ ক্লিক করুন। এবার Get Started বাটনে ক্লিক করুন। আপনার যেহেতু ডোমেইন কেনা আছে সেহেতু I want to use an existing domain name এর Administrator: I own or control this domain অপশন বাটন নির্বাচন করে নিচের বক্সে ডোমেইনের নাম (ধরি www.shamokaldarpon.com) লিখে Get Started বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফরমের তথ্যগুলো পূরণ করে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন administrator account এর ইমেইল পাসওয়ার্ড পূরণ করে I accept Continue with set up বাটনে ক্লিক করুন।
ভেরিফিকেশন করা: এবার ডোমেইন ভেরিফিকেশন করতে Verify domain ownership লিংকে ক্লিক করুন। এখন ড্রপডাউন থেকে Upload an HTML file নির্বাচন করে নিন্মাক্ত (অনেকটা এরকম google3abdfaaf6725f30c) কপি করে নোটপ্যাড খুলে পেস্ট করুন এবং googlehostedservice.html নামে সেভ করুন। এবার উক্ত এইচটিএমএল ফাইলটি (www.shamokaldarpon.com সাইটে) আপলোড করুন এবং ২নং এর লিংকে (www.shamokaldarpon.com/googlehostedservice.html) ক্লিক করুন। এবার Verify বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন শেষ করুন। তাহলে কিছুক্ষণের (সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা) মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হবে।
মেইল সক্রিয় করা: মেইলকে সক্রিয় করতে Mail Exchange (MX) records পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে উক্ত ঠিকানাতে মেইল আসবে বা যাবে না। এজন্য Dashboard থেকে Email এর Activate email ক্লিক করুন। এখানে (Set up email delivery) MX Server address এবং Priority দেয়া আছে। এবার shamokaldarpon.com এর cpanel এ লগইন করে MX Entry তে যান। এবং যেকোন MX Server address এবং Priority সেট করুন। এবার গুগল এ্যাপসের Set up email delivery এর I have completed these steps বাটনে ক্লিক করে মেইল সক্রিয় করুন।
নতুন ইমেইল ঠিকানা যোগ করা: নতুন ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে Users and groups থেকে Create new user এ ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা তৈরী করতে পারবেন।
নিজস্ব আইকন যোগ করা: ইমেইলে বা লগইনের সময় গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন যোগ করার জন্য Domain settings এর Appearance এ যান। এখন Custom logo এবার নির্বাচন করে ১৪৩ x ৫৯ সাইজের আপলোড করুন। ব্যাস এথন থেকে গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন দেখা যাবে।
ভবিষ্যতে ইমেইল লগইন করতে http://mail.google.com/a/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় এবং সিপ্যানেলে লগইন করতে www.google.com/a/cpanel/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় লগইন করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন করা: এজন্য প্রথমে www.google.com/a এ যান। এবার ডানে See details and sign up বাটনে ক্লিক করে ডানের Not a business? Explore Standard Edition এ ক্লিক করুন। এবার Get Started বাটনে ক্লিক করুন। আপনার যেহেতু ডোমেইন কেনা আছে সেহেতু I want to use an existing domain name এর Administrator: I own or control this domain অপশন বাটন নির্বাচন করে নিচের বক্সে ডোমেইনের নাম (ধরি www.shamokaldarpon.com) লিখে Get Started বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফরমের তথ্যগুলো পূরণ করে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন administrator account এর ইমেইল পাসওয়ার্ড পূরণ করে I accept Continue with set up বাটনে ক্লিক করুন।
ভেরিফিকেশন করা: এবার ডোমেইন ভেরিফিকেশন করতে Verify domain ownership লিংকে ক্লিক করুন। এখন ড্রপডাউন থেকে Upload an HTML file নির্বাচন করে নিন্মাক্ত (অনেকটা এরকম google3abdfaaf6725f30c) কপি করে নোটপ্যাড খুলে পেস্ট করুন এবং googlehostedservice.html নামে সেভ করুন। এবার উক্ত এইচটিএমএল ফাইলটি (www.shamokaldarpon.com সাইটে) আপলোড করুন এবং ২নং এর লিংকে (www.shamokaldarpon.com/googlehostedservice.html) ক্লিক করুন। এবার Verify বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন শেষ করুন। তাহলে কিছুক্ষণের (সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা) মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হবে।
মেইল সক্রিয় করা: মেইলকে সক্রিয় করতে Mail Exchange (MX) records পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে উক্ত ঠিকানাতে মেইল আসবে বা যাবে না। এজন্য Dashboard থেকে Email এর Activate email ক্লিক করুন। এখানে (Set up email delivery) MX Server address এবং Priority দেয়া আছে। এবার shamokaldarpon.com এর cpanel এ লগইন করে MX Entry তে যান। এবং যেকোন MX Server address এবং Priority সেট করুন। এবার গুগল এ্যাপসের Set up email delivery এর I have completed these steps বাটনে ক্লিক করে মেইল সক্রিয় করুন।
নতুন ইমেইল ঠিকানা যোগ করা: নতুন ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে Users and groups থেকে Create new user এ ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা তৈরী করতে পারবেন।
নিজস্ব আইকন যোগ করা: ইমেইলে বা লগইনের সময় গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন যোগ করার জন্য Domain settings এর Appearance এ যান। এখন Custom logo এবার নির্বাচন করে ১৪৩ x ৫৯ সাইজের আপলোড করুন। ব্যাস এথন থেকে গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন দেখা যাবে।
ভবিষ্যতে ইমেইল লগইন করতে http://mail.google.com/a/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় এবং সিপ্যানেলে লগইন করতে www.google.com/a/cpanel/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় লগইন করতে হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)