Wednesday, August 4, 2010

কম্পিউটার নিরাপদ রাখুন

কম্পিউটার ভাইরাসের সমস্যায় পড়ে থাকেন অনেকেই।কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত করতে ইমারজেন্সি কিট ব্যবহার করে সুবিধা পাওয়া যায়। কম্পিউটারকে প্রায় ৪০ লাখের মতো বিভিন্ন ভাইরাস, ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার থেকে মুক্ত করা যায় ইমসিসফট ইমারজেন্সি কিট দিয়ে।
বহনযোগ্য এই সফটওয়্যার দিয়ে কম্পিউটারের ভাইরাস, ট্রজন, ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, কিলগার ইত্যাদি স্ক্যান এবং পরিষ্কার (ক্লিন) করা যাবে।
ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.emsisoft.com থেকে নামানো যাবে। তবে এই http://freeandfreeware.blogspot.com/2010/07/emsisoft-emergency-kit.html সাইটে ৯৩টি মিরর নামানোর লিংক আছে।
ফলে মূল সাইট থেকে নামাতে সমস্যা হলেও মিরর ডাউনলোড লিংক থেকে তা নামানো যাবে।

Monday, July 12, 2010

বিনামূল্যে গুগল এ্যাপস

যাদের নিজম্ব ডোমেইন আছে তারা নিজম্ব ডোমইনে মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সীমিত হোস্টিং স্পেস কেনার ফলে ইমেইলে বেশী যায়গা পান না। আর ইমেইল ব্যবহারহারকারী যদি অনেক হয়ে থাকে তাহলে বছরে বেশ কিছু টাকা গুনতে হবে হোস্টিং স্পেস বাবদে। কিন্তু আপনি যদি গুগলের এ্যাপস ব্যবহার করেন তাহলে কয়েকশত মেইল ঠিকানা পাবেন যার ধারণক্ষমতা ৭ গিগাবাইটেরও বেশী যা জিমেইলের মত। এছাড়াও গুগলের অনান্য সেবা ক্যালেন্ডার, চ্যাটিং ডক্সসহ সবাই পাবেন। আর এসব সেবাই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
রেজিস্ট্রেশন করা: এজন্য প্রথমে www.google.com/a এ যান। এবার ডানে See details and sign up বাটনে ক্লিক করে ডানের Not a business? Explore Standard Edition এ ক্লিক করুন। এবার Get Started বাটনে ক্লিক করুন। আপনার যেহেতু ডোমেইন কেনা আছে সেহেতু I want to use an existing domain name এর Administrator: I own or control this domain অপশন বাটন নির্বাচন করে নিচের বক্সে ডোমেইনের নাম (ধরি www.shamokaldarpon.com) লিখে Get Started বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফরমের তথ্যগুলো পূরণ করে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন administrator account এর ইমেইল পাসওয়ার্ড পূরণ করে I accept Continue with set up বাটনে ক্লিক করুন।
ভেরিফিকেশন করা: এবার ডোমেইন ভেরিফিকেশন করতে Verify domain ownership লিংকে ক্লিক করুন। এখন ড্রপডাউন থেকে Upload an HTML file নির্বাচন করে নিন্মাক্ত (অনেকটা এরকম google3abdfaaf6725f30c) কপি করে নোটপ্যাড খুলে পেস্ট করুন এবং googlehostedservice.html নামে সেভ করুন। এবার উক্ত এইচটিএমএল ফাইলটি (www.shamokaldarpon.com সাইটে) আপলোড করুন এবং ২নং এর লিংকে (www.shamokaldarpon.com/googlehostedservice.html) ক্লিক করুন। এবার Verify বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন শেষ করুন। তাহলে কিছুক্ষণের (সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা) মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হবে।
মেইল সক্রিয় করা: মেইলকে সক্রিয় করতে Mail Exchange (MX) records পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে উক্ত ঠিকানাতে মেইল আসবে বা যাবে না। এজন্য Dashboard থেকে Email এর Activate email ক্লিক করুন। এখানে (Set up email delivery) MX Server address এবং Priority দেয়া আছে। এবার shamokaldarpon.com এর cpanel এ লগইন করে MX Entry তে যান। এবং যেকোন MX Server address এবং Priority সেট করুন। এবার গুগল এ্যাপসের Set up email delivery এর I have completed these steps বাটনে ক্লিক করে মেইল সক্রিয় করুন।
নতুন ইমেইল ঠিকানা যোগ করা: নতুন ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে Users and groups থেকে Create new user এ ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা তৈরী করতে পারবেন।
নিজস্ব আইকন যোগ করা: ইমেইলে বা লগইনের সময় গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন যোগ করার জন্য Domain settings এর Appearance এ যান। এখন Custom logo এবার নির্বাচন করে ১৪৩ x ৫৯ সাইজের আপলোড করুন। ব্যাস এথন থেকে গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন দেখা যাবে।
ভবিষ্যতে ইমেইল লগইন করতে http://mail.google.com/a/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় এবং সিপ্যানেলে লগইন করতে www.google.com/a/cpanel/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় লগইন করতে হবে।

দেশী সফটওয়্যার: রেডিও ব্রডকাস্টিং সফটওয়্যার

বর্তমানে বাংলাদেশে এফ.এম রেডিও এর জোয়ার বইছে। কালের হাওয়াতে যেখানে রেডিও নামের যন্ত্র জাদুঘরে পাঠানোর মত অবস্থা তখন হঠাৎই জনপ্রিয়তার চুড়ায় উঠে এসেছে এফ.এম রেডিও। এটির মূল কারণ মোবাইল ফোনে এফ,এম রেডিও যুক্ত হওয়াতে। আর বতর্মানে এর সাথে যুক্ত হচ্ছে ইন্টারনেট রেডিও। তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশের সাথে রেডিও সম্প্রচারেও লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। একটি আধুনিক এফ.এম বা এ.এম অথবা ইন্টারনেট রেডিও স্টেশনের জন্য রেডিও অটোমেশন সফটওয়্যার অপরিহার্য।
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম পূর্নাঙ্গ রেডিও অটোমেশন সফটওয়্যার হচ্ছে ‘স্কাই রেডিও’। এই সফটওয়্যাটি হচ্ছে একটি রেডিও স্টেশনের জন্য পূনাঙ্গ সমাধান। সফটওয়্যাটিতে রয়েছে ৫টি অংশ। ১) রেডিও অটোমেশন ২) আর্কাইভ ম্যানাজার ৩) স্ট্রিমিং সার্ভার ৪) আনলাইন রেডিও প্লেয়ার এবং ৫) রেডিও প্লেয়ার সার্ভার।
রেডিও অটোমেশনঃ এর মাধ্যমে রেডিও স্টেশনের ব্রডকাস্টকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কখন কি গান, বিজ্ঞাপন, অনুষ্ঠান বা সংবাদ চলবে তার লগ তৈরি করা যায় প্রতিদিনের। আর আর্কাইভ থেকে খুব সহজেই গান সার্চ করে লগ তৈরি করা যাবে। রয়েছে বিজ্ঞাপন এবং স্টেশন আইডি প্রচারের সুবিধা। এতে আরও রয়েছে ইভেন্ট ম্যানেজার যার মাধ্যমে বিভিন্ন অনুষ্ঠান তৈরি সহ প্রতি ঘন্টার সংবাদ প্রচার করা যাবে। এক জন রেডিও জকি অর্থাৎ আর.জে খুব সহজেই অটোমেশন সফটওয়্যারটি পরিচালনা করতে পারবে। এছাড়া একটি মাত্র বাটন ক্লিক করলেই সফটওয়্যাটি ম্যানুয়াল থেকে অটোতে চালনা করা যাবে। অটো অবস্থায় সফটওয়্যাটি নিজে নিজেই লগ থেকে গান, অনুষ্ঠান বা বিজ্ঞাপন প্রচার করবে।
আর্কাইভ ম্যানাজারঃ এর সাহায্যে ব্রডকাস্টের জন্য সকল কন্টেট যেমন গান, বিজ্ঞাপন, স্টেশন আইডি সব রেডিও অটোমেশনের ডাটাবেজ সংরক্ষণ করা যাবে যেখান থেকে তৈরি কারা যাবে লগ। ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আর্কাইভ ডাটাবেজ আপডেটের সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে অডিও এডিটিং, ডাটাবেজ ব্যাকআপ এবং আরও অনেক সুবিধা।
স্ট্রিমিং সার্ভারঃ ইন্টারনেট রেডিও স্টেশন এর জন্য অপরিহার্য একটি কার্যকর স্ট্রিমিং সার্ভার যার সাহায্যে অডিও সিগ্‌নালকে মিডিয়া স্ট্রিমিং টেকনোলজির মাধ্যমে ইন্টানেটে ব্রডকাস্ট করে। ফলে ওয়েবসাইট বা আনলাইন রেডিও প্লেয়ার মাধ্যমে শ্রতারা শুনতে পারবে। এতে রয়েছে বিভিন্ন বিটরেটে স্ট্রিমিং এর সুবিধা।
আনলাইন রেডিও প্লেয়ারঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমে রেডিও স্টেশন থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান এই রেডিও প্লেয়ার এর সাহায্যে শুনতে পারবে। সেই সাথে শ্রতারা রেডিও জকির সাথে লাইভ চ্যাটও করতে পারবে। আর কখন কোন প্রোগ্রাম চলছে এবং আর.জে কে তা প্লেয়ারে দেখাবে। এছাড়া প্লেয়ারে রয়েছে বিজ্ঞাপন দেখানোর বিশেষ অপশন।
রেডিও প্লেয়ার সার্ভারঃ রেডিও প্লেয়ারটির সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রণ এই সার্ভার থেকে করা যাবে। সকল শ্রতাদের কাছে পাঠানো যাবে মেসেজ।
নতুন যারা এফ.এম বা ইন্টারনেট রেডিও স্টেশনের স্থাপনের কথা ভাবছেন তারা বাংালাদেশে তৈরি করা এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহারকারীরা চাইলে সফটওয়্যারটিতে তাদের চাহিদামত যে কোন নতুন সুবিধা যুক্ত বা বাদ দিতে পারবেন। এছাড়াও খুব শিগগিরই রেডিও ৭১ (www.radio71bd.com) নামে একটি অনলাইন রেডিও এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে অবমুক্ত হবে।

সফটওয়্যারটির জন্য যোগাযোগ:
নিজাম উদ্দিন আহাম্মেদ মিন্টু
ফোনঃ ০১৭১৭৩৪৭৩৫৫ / ০১৬১৭৩৪৭৩৫৫
ইমেইলঃ minto_starboy@yahoo.com

মাইক্রোসফট অফিসের অনলাইন সুবিধা এখন স্কাই ড্রাইভে

অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ জনপ্রিয়তার শীর্ষে। আর অফিস হিসাবে মাইক্রোসফট অফিস এ কাথা বলাই বাহুল্য। অনলাইনে অফিস সোয়ীট হিসাবে গুগল ডক্স ছাড়াও বিভিন্ন অফিস সোয়ীটের মধ্যে মাইক্রোসফটের অফিস সোয়ীট অন্যতম। মাইক্রোসফটের এই অফিস সোয়ীটে এখনে থেকে ব্যবহৃত ফাইল সংরক্ষণ করলে ২৫ গিগাবাইটের স্কাই ড্রাইভে (http://skydrive.live.com) সংরক্ষিত হবে। মাইক্রোসফটের অফিস সোয়ীটের ঠিকানা হচ্ছে http://office.live.com। এখানে অফিসের সর্বশেষ সংস্করণের আদলে ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট এবং ওয়াননোট সুবিধা রয়েছে। এই অনলাইন অফিসের ফাইল সহজেই শেয়ার করা যাবে।

জিমেইলে আনুন গুগলের অনান্য সেবা

জিমেইল বা গুগলকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। গুগলের সেবাগুলো বর্তমানে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। এগুলো ব্যবহার করতে হলে আলাদা আলাদা উইন্ডোতে বা ট্যাবে নতুন চালু করতে হয়। কিন্তু জিমেইলের মধ্যে যদি গুগল রিডার, পিকাসা, ক্যালেন্ডার, নিউজ, নোটবুক, গ্রুপ, ম্যাপ, সাইট, গ্যাজেট ইত্যাদি পাওয়া যায় তাহলে কেমন হয়! যারা মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করেন তারা চাইলে Integrated Gmail এ্যাড-অন্স ইনস্টল করে এই সুবিধা পেতে পারেন। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/9457 থেকে এ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এবার টুলস মেনু থেকে Integrated Gmail এ ক্লিক করুন এবং Element Section এর Add বাটনে ক্লিক করে পছন্দের সেবাগুলো আনুন এবং ইচ্ছামত সাজিয়ে Ok করে বন্ধ করুন। এবার জিমেইল চালু করে দেখুন উক্ত সেবাগুলো জিমেইলের ভিতরেই চালু হয়েছে। এই সেবাগুলো ছোট করার (মিনিমাইজ) করার অপশন আছে এবং ডান, বাম ও উপরের প্যানেল লুকানোর জন্য তীর চিহ্নের ব্যবস্থা আছে ফলে বড় পর্দাতে জিমেইল এবং অনান্য সেবাগুলো দেখতে পারবেন। এরফলে নতুন করে গুগলের এসব সেবা চালু না করেই জিমেইল থেকে ব্যবহার করা যাবে।

অনলাইনে মাইক্রোসফট অফিসের সুবিধা

জনপ্রিয় অফিস সফটওয়্যার মাইক্রোসফটের অফিসের নতুন সংস্করণের আদলে কাজ করা যাবে অনলাইনে। এতে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল এবং পাওয়ারপয়েন্ট ব্যবহার করা যাবে। যদিও বর্তমানে গুগল ডক্স সহ বেশ কিছু অনলাইন অফিস সুইট আছে। সফটওয়্যার হিসাবে মাইক্রোসফট অফিস অধিক জনপ্রিয় হওয়াতে এই নতুন অনলাইন অফিস জনপ্রিয় হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ওয়েবসাইটির ঠিকানা হচ্ছে www.docs.com। এখানে কাজ করতে বা লগইন করতে আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন হবে না। ফেসবুকের ব্যবহারকরীরা তাদের ফেসুবকের মাধ্যমে সাইটিতে লগইন করতে পারবে। ফেসবুকের গ্রাহক সংখ্যার দিকে বিবেচনা করলে দেখা যায় এতে মাইক্রোসফট, ফেসবুক এবং ব্যবহারকারীদের সবারই সুবিধা হয়েছে।

যেকোন সাইটের জন্য ফেসবুকের লাইক বাটন

জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্কি সাইট ফেসবুক সমপ্রতি লাইক বাটন অবমুক্ত করেছে। এই বাটনে সাহায্যে যেকোন ওয়েবসাইটকে লাইক করা যাবে। ফেসবুকের প্লাগইনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে থেকে এবং সরাসরি গুগল ক্রোমে থেকে লাইক করা যাবে।
গুগল ক্রোমে লাইক বাটন: ক্রোমের এক্সটেনশনটি https://chrome.google.com/extensions/detail/ocfhgijcimpoffgcapmbnheggfgfiime থেকে ইনস্টল করুন তাহলে গুগল ক্রোমের এড্রেসাবরের ডানে Facebook Likes বাটন আসবে। এখন এখানে লাইক বাটনে ক্লিক করলে বর্তমান সাইটটি লাইক হিসাবে গৃহীত হবে এবং ফেসবুকের ওয়ালে তা প্রদর্শন করবে। ফেসবুকে যদি লগইন করা না থাকে তাহলে লাইক বাটনে ক্লিক করার পরে লগইন করার উইন্ডো থেকে লগইন করতে হবে।
কোন নির্দিষ্ট সাইটে ফেসবুক লাইক বাটন ব্যবহার করতে চাইলে http://developers.facebook.com/docs/reference/plugins/like সাইটে গিয়ে সাইটের নাম লিখে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে Get Code বাটনে ক্লিক করলে iframe এবং XFBML দুই ধরনের প্রোগ্রামিং কোড আসবে। আর ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য নিচের কোড ব্যবহার করতে পারেন।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফোল্ডার এবং ডেক্সটপ শেয়ার করা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বড় বড় ফাইল শেয়ার করা বেশ ঝামেলার। কাউকে বড় কোন ফাইল পাঠাতে চাইলে বিভিন্ন ফ্রি হোষ্টিং সাইটে আগে আপলোড করতে হয় এবং ডাউলোডের লিংক দিতে হয়। কিন্তু আপনি জিব্রিজ দ্বারা সহজেই আপনার কম্পিউটারের ফোল্ডারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার দিতে পারবেন। ফলে আপনাকে কষ্ট করে বড় বড় ফাইল আপলোড করতে হবে না। প্রাপক অনেকটা পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মতো আপনার কম্পিউটারে থেকে ফোল্ডার বা ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবে। এজন্য উভয়কে জিমেইল একাউন্ট এবং জিব্রিজ সফটওয়্যারটি থাকতে হবে। ২.০২ মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যাটি www.gbridge.com থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
এবার সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করে জিমেইল আইডি দ্বারা জিব্রিজ লগইন করুন। কোন জিমেইল ব্যবহারকারীকে আমন্ত্রণ করতে চাইলে Invite Friend বাটনে ক্লিক করে জিমেইল ব্যবহাকারীদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। এরপরে কোন জিমেইল ব্যবহাকারী অনলাইনে থাকলে তা বোঝা যাবে। কারো সাথে চ্যাটিং করতে চাইলে উক্ত আইডির উপরে মাউস দ্বারা ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে স্বাভাবিকভাবে চ্যাটিং করতে পারবেন।
ফোল্ডার শেয়ার দেওয়া: আপনার কম্পিউটারের যেকোন ফোল্ডার আপনি নির্দিষ্ট কোন ইউজারকে বা সবাইকে শেয়ার দিতে পারেন। এজন্য Create SecureShare বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে ফোল্ডার শেয়ার দিতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন। আপনি যদি নির্দিষ্ট কিছু ইউজারকে শেয়ার দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারগুলো নির্বাচন করুন। আর যদি সেভ থাকা সকল ইউজারদের শেয়ার দিতে চান তাহলে Allowed চেক করুন। আর যদি ভবিষ্যতে যুক্ত হবে এমন ইউজারসহ সকলকে শেয়ার দিতে চান তাহলে Allow all friends (include future new friends) নির্বাচন করুন। এরপরে Ok করুন এবং পরবর্তী ম্যাসেজেও Ok করুন। পূর্বে যদি কোন ইউজারকে নির্বাচিত করে থাকেন তাহলে তাদেরকে উক্ত ফোল্ডার দেখার আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা এমন ম্যাসেজ আসবে। যেখানে Yes Send Now করলে উক্ত ইউজারেররা নোটিফিকেশন পাবে, আর No করলে স্বাভাবিকভাবে শেয়ার সক্রিয় হবে এবং শেয়ার করা ফোল্ডারটি একটি ওয়েব লিংক হিসাবে ডিফল্ড ব্রাউজারে খুলবে। এখন যদি নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার করা ফোল্ডারের লিংকটি দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারের উপরে ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Share Link বাটনে ক্লিক করুন। এখানে উপরের মূল পেজ বা নিচের শেয়ার করা ফোল্ডারের উপরে ক্লিক করলে তা চ্যাটিং এর ম্যাসেজ হিসাবে লিংকটি পৌছে যাবে। আপনার লিংকটি পেয়ে উক্ত ইউজার ইচ্ছামত শেয়ার করা ফোল্ডারের তথ্য দেখতে বা ডাউনলোড করতে পারবে।
ডেক্সটপ শেয়ার দেওয়া: আপনি যদি আপনার ডেক্সটপ কোন জিব্রিজ ব্যবহারকারীতে শেয়ার পেতে চান তাহলে যার ডেক্সটপ দেখতে চান তার আইডির চ্যাটিংএ ম্যাসেজ পাঠান। এবার উক্ত ব্যবহারকারী চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Desktop Share Invitation এ ক্লিক করলে আপনি আমন্ত্রণ পাবেন যা একসেপ্ট করলে আপনি উক্ত ব্যবহারকারীর ডেক্সপট দেখতে পাবেন। যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পাববেন।
এছাড়াও Options থেকে নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ নির্ধারণ করে দেয়া যাবে। জিব্রিজ থেকে সাইট আউট করতে LogOff মেনু থেকে Switch User or Change Login Setting এ ক্লিক করলে লগআউট হবে।

যেকোন প্রোগ্রাম বা ফোল্ডার খোলার হট কী তৈরী করা

দরকারী প্রোগ্রাম বা ফোল্ডারগুলো চালু করার জন্য এসবের শর্টকাট তৈরী করে ডেক্সটপে রাখা হয়। কিন্তু ডেক্সটপ খালি রেখেই যদি হটকীর মাধ্যমে পছন্দের প্রোগ্রাম বা ফোল্ডার এমনকি ওয়েবসাইট চালু করা যায় তাহলে কেমন হয়! হটকী তৈরীর এমনই এক ছোট্ট সফটওয়্যার হচ্ছে ক্ল্যাভিয়ার প্লাস। মাত্র ৩৬০ কিলোবাইটের এই সফটওয়্যার http://utilfr42.free.fr থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার সিস্টেম ট্রেতে থাকা ক্ল্যাভিয়ার প্লাসের আইকনে ডাবল ক্লিক করে চালু করুন। এই সফটওয়্যার দ্বারা প্রোগাম, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ফেভারিট বা ডিফল্টে থাকা বিশেষ চিহ্নসহ ফোল্ডার, লেখা, ইচ্ছামত প্রোগ্রাম এবং ওয়েবসাইটের হটকী তৈরী করা যাবে।

জিমেইলে পাঠান যেকোন ফরম্যাটের ফাইল

বিনামূল্যে ব্যবহৃত ইমেইলগুলোর মধ্যে জিমেইল এখন বেশ জনপ্রিয়। জিমেইলে কোন ফাইল পাঠাতে বা ডাউলোড করতে চাইালে একটু হিসাব করতে হয়। কারন জিমইলে .exe, .dll, .ocx, .com .bat ফরম্যাটের ফাইলগুলো সেন্ড (এট্যাচ করা) বা মেইলে আসা এইসব ফরম্যাটের ফাইল ডাউনলোড করতে দেয় না। কিন্তু জিমেইল অনান্য ফরম্যাট যেমন, zip, .tar, .tgz, .taz, .gz .rar পাঠাতে বা ডাউনলোড করতে দেয়। আর zip এর ভিতরে exe বা উপরোক্ত ফরম্যাটের ফাইল থাকলে সেগুলোও তা সেন্ড বা ডাউনলোড করা যায়না। তবে একটু চালাকি করলে এসব ফাইলও পাঠানো যায়।
আপনি যে ফাইলটি মেইল করতে চান সেটি যদি setup.exe ফাইল হয় তাহলে এক্সটেনশন রিনেম করে setup.exe.remove করে সেন্ড করুন। প্রাপক শুধু .remove মুছে ফেলবে তাহলে মূল ফাইল হয়ে যাবে। আর এ্যাপলিকেশন ফাইল যদি বেশী হয় তাহলে সেগুলো জিপ করে zip এক্সটেনশন রিনেম করে মেইল করতে পারেন। আর যদি .rar ফরম্যাটে জিপ করেন তাহলেতো কোন সমস্যায় নেই।

জিমেইলের নতুন কিছু সুবিধা

সমপ্রতি জিমেইলে নতুন কিছু সুবিধা দিয়েছে এগুলো হচ্ছে মেইলের সাথে আমন্ত্রণ জানানো, ড্রাগ ড্রপের মাধ্যমে ফাইল এ্যাটাচ করা, সাব লেবেল তৈরী করা এবং মেইলে প্রবেশ না করেই মেইলের সারাংশ দেখা।
ইনভাইটেশন (আমন্ত্রণ): জিমেইলে মেইল করতে গেলে সাবজেক্টের নিচে Attach a file এর ডানে Insert: invitation নামে নতুন একটি লিংক আছে। এই invitation এ ক্লিক করে ডায়ালগ বক্সে আমন্ত্রণের বিষয়, তারিখ এবং সময়, স্থান ইত্যাদি লিখে ক্যালেণ্ডার নির্বাচন করুন এবং নিচের Insert invitation বাটনে ক্লিক করুন তাহলে মেইলের বডিতে সংযুক্ত হবে। এবার যাকে যাকে এই মেইল করবেন তাদের নাম এই আমন্ত্রণে সয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। কোন পরিবর্তন করতে চাইলে মেইলের বডিতে থাকা ইনভাইটেশনের উপরে মাউস ধরে Edit এ ক্লিক করে পরিবর্তন করতে পারবেন।
ড্রাগ ড্রপ এ্যাটাচমেন্ট: মেইলে কোন ফাইল এ্যাটাচ করতে হলে তা ব্রাউজ করে যুক্ত করতে হয়। কিন্তু জিমেইলে উক্ত ফাইলটি ড্রাগ করে এনে মেইলের উপরে ধরলে Drop Files Here আসলে ফাইলটি ছেড়ে দিলেই এ্যাটাচ শুরু হবে।
নেস্টেড লেবেল: জিমেইলের লেবেলর ভিতরে আরেকটি লেবেল পদ্ধতি হচ্ছে নেস্টেড লেবেল। নেস্টেড লেবেল সক্রিয় করতে হলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Nested Labels এর Enable বাটন চেক করে সেভ করতে হবে। এখন যদি Home লেবেলের ভিতরে Family লেবেল তৈরী করতে চাইলে লেবেল গিসাবে Home/Family লিখলেই হবে। এভাবে পূর্বের লেবেলগুলোও সম্পাদনা করা যাবে।
ম্যাসেজ স্ন্যাক পিক: জিমেইলের কোন মেইলের ভিতরে না ঢুকেই মেইলের মূল অংশ দেখা যাবে এই সুবিধার মাধ্যমে। এজন্য জিমেইলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Message Sneak Peek এর Enable বাটন চেক করে সেভ করলে কোন মেইলের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে মেইলের অভ্যন্তরের কিছু অংশ পড়া যাবে।

Sunday, June 13, 2010

মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব প্রোগ্রাম


মাইক্রোসফট অফিস কম্পিউটারে ব্যবহূত প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। অফিস ২০১০-এর কিছু প্রোগ্রামের সমন্বয়ে সম্প্রতি মাইক্রোসফট তাদের অফিস নামের গুচ্ছ সফটওয়্যার ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
‘মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০’ নামের এই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে স্কাইড্রাইভের সঙ্গে। উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট রয়েছে এমন ব্যবহারকারীরা অনেক দিন থেকেই স্কাইড্রাইভ অনলাইন স্টোরেজ সেবাটি ব্যবহার করে আসছেন। স্কাইড্রাইভের ২৫ গিগাবাইট জায়গায় ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত ফাইল, ছবি বা ভিডিও ফাইল রাখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। এবার ফাইল রাখার এই ব্যবস্থার সঙ্গে এমএস অফিস ব্যবহারের সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে। মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০ ব্যবহার করা যাবে http://office.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। তবে এটি ব্যবহার করার জন্য উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। নতুন ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন http://home.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। মাইক্রোসফট অফিস-২০১০ থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড-২০১০, এক্সেল-২০১০, পাওয়ার পয়েন্ট-২০১০, এবং ওয়ান নোট-২০১০ প্রোগ্রামগুলো এখানে ব্যবহার করার সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে এর জন্য কম্পিউটারে মাইক্রোসফট অফিস-২০১০-এর ডেক্সটপ সংস্করণ ইনস্টল করার প্রয়োজন হবে না। ওয়েব ব্রাউজার থেকেই বিনা মূল্যে এটি ব্যবহার করা যাবে। মাইক্রোসফট সিলভার লাইট ইনস্টল করা থাকলে ওয়েব প্রোগ্রামগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। সিলভার লাইট www.microsoft.com/ getsilverlight/get-started/install/default.aspx ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামানো (ডাউনলোড) যাবে। ডেস্কটপের অফিস-২০১০-এর সঙ্গে সমন্বয় করার সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে এখানে। এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে তাই ব্যবহার করার সময় কিছুটা সমস্যাও হতে পারে। তবে এই সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে, কিছু দিনের মধ্যেই আরও নতুন বেশকিছু বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হবে।

Monday, June 7, 2010

ফ্রি এন্টিভাইরাস এবং এভাষ্ট ৫ বেটা

ফ্রি এন্টিভাইরাসগুলোর মধ্যে এভাষ্ট অন্যতম। সম্প্রতি এভাষ্ট এর নতুন সংস্করণ ৫ বেটা অবমুক্ত হয়েছে। ইন্টারফেসসহ অনেক কিছুই আমুল পরিবর্তন আনা হয়েছে এই নতুন সংস্করণে। আর জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল প্যাকের ইংরেজী ভাষাতে স্পাইওয়্যার ডক্টর থাকলেও ফ্রেঞ্চ, জার্মান, ইতালিয়ান, চেক, স্প্যানিশ, রাশিয়ান, পর্তুগীজ এবং পোলিশ ভাষাতে ফ্রি এভাষ্ট এন্টিভাইরাস যুক্ত হয়েছে।
এভাষ্ট ৫ বেটা সংস্করণ ডাউনলোড করতে পারবেন www.avast.com থেকে। ৩৮ মেগাবাইটের এই এই এন্টিভাইরাস ইনষ্টল করার পরে বিনামূল্যে ১ বছরের রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন এভাষ্ট ৫ এর Maintenance / Registration থেকে।
এছাড়াও আরো কিছু ফ্রি এন্টিভাইরাসের নাম, ওয়েবসাইট এবং তুলনামূলক চিত্র পাবেন www.av-comparatives.org এখানে।

এসএমএস এর মাধ্যমে গুগল বাজে পোস্ট করা

গুগলের সামাজিক নেটওয়ার্ক গুগল বাজ বেশ জনপ্রিয় হতে চলেছে। নতুন কোন পেজ না খুলে জিমেইলেই ব্যবহার করা যায় ফলে সহজেই ব্যবহারকারীরা গুগল বাজ ব্যবহার করে। এছাড়াও বিভিন্ন সাইট যুক্ত করে পোস্ট করা যায় বলে পোস্ট করা নিয়ে ঝামেলা কম হয়। এখন থেকে এসএমএস এর মাধ্যমে গুগল বাজে পোস্ট করা যাবে। এজন্য www.buzzviasms.appspot.com সাইটে যেতে হবে Connect to Buzz এ ক্লিক করুন। এবার গুগলের অথেনটিকেশনের জন্য Ok, continue বাটনে ক্লিক করে গুগলে লগইন করা থাকলে Grant access বাটনে ক্লিক করুন। এবার Welcome পেজ থেকে add a phone এ বাম পাশের ড্রপ ডাউন থেকে দেশের কোড ৮৮০ নির্বাচন করে ডানে মোবাইল নম্বর লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন তাহলে একটি Activation Code আসবে। এবার উক্ত মোবাইল থেকে এ্যাকটিভিশন কোডটি +19252899767 নম্বরে (২ ঘন্টার মধ্যে) সেন্ড করলে মোবাইল নম্বরটি সক্রিয় হবে এবং pending activation টি active numbers হবে। এভাবে একাধিক নম্বর যুক্ত করা যাবে। পরবর্তিতে চাইলে নম্বরটি মুছে ফেলা যাবে। এরপর থেকে যুক্ত করা মোবাইল নম্বর থেকে +19252899767 নম্বরে কোন এসএমএস করলে তা গুগল বাজে পোস্ট হবে।

দৈনন্দিন কাজে গুগল ক্যালেন্ডার

প্রতিদিনই আমরা রুটিন মাফিক চলি। বিশেষ বিশেষ মুহুর্তগুলো আমাদের সতর্কতারসাথে মনে রাখতে হয়। বিশেষ কোন মুহুর্ত যদি সময় মত ভুলে যায় এবং সময়ান্তে মনে পরে তাহলে নিজের চুল ছিড়া ছাড়া কোন কিছু করার থাকে না। এমন যদি হতো কেউ আপনাকে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তের আগে জানিয়ে দিতো তাহলে কেমন হতো! গুগল ক্যালেন্ডার আপনার এসব ইভেন্টগুলোর নির্দিষ্ট সময় আগেই আপনার মোবাইলে এসএমএস করে, ইমেইলে করে বা পপআপ হিসাবে মনে করিয়ে দেবে, তাও আবার বিনা পয়সায়।
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে যে গুগলে একাউন্ট থাকতে হবে এটা বলা বাহুল্য। যারা গুগল এ্যাপস ব্যবহার করেন তারাও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পাবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে প্রবেশের জন্য জিমেইলে (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা তাদের মেইলে) লগইন করে উপরের calendar লিংকে ক্লিক করে অথবা সরাসরি www.google.com/calendar (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা https://www.google.com/calendar/hosted/ এরপরে ডোমেইন নাম লিখে) সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। আর মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য www.google.com/calendar/m বা m.google.com/calendar মাধ্যমে করা যাবে।
ক্যালেন্ডার যোগ করা: সাধারণত একটি ডিফল্ট ক্যালেন্ডার থাকে কিন্তু চাইলে আরো ক্যালেন্ডার যোগ করা যাবে। এক একটি ক্যালেন্ডার প্রাইভেট বা পাবলিক হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। নতুন ক্যালেন্ডার যোগ করার জন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Create new calendar এ ক্লিক করুন এবং ক্যালেন্ডারের নাম দিয়ে সেভ করুন।
এসএমএস সক্রিয় করা: মোবাইলের এসএমএস সুবিধা সক্রিয় করার জন্য Settings এ ক্লিক করে Mobile Setup ট্যাবে ক্লিক করুন। Phone number: অংশে +৮৮সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন এবং Send Verification Code এ ক্লিক করুন তাহলে আপনার মোবাইলে গুগল থেকে ভেরিফিকেশন কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, একটেল এবং ওয়ারিদ গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। এবার Verification code: টেক্সট বক্সে মোবাইলে আসা কোডটি লিখে Finish setup বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন সমাপ্ত করুন তাহলে সয়ংক্রিয়ভাবে Notifications ট্যাবে আসবে। এখানে By default, remind me via এর ড্রপডাউন থেকে SMS নির্বাচন করুন এবং ইভেন্টের কত সময় আগে এসএমএস পেতে চান তা লিখুন। চাইলে আরো রিমাইন্ডার (এসএমএস, মেইল, পপআপ) যোগ করতে পারেন। এরপরে Choose how you would like to be notified: এর SMS অংশে সবগুলো চেক বক্স চেক করে সেভ করুন। আপনি চাইলে পরবর্তিতে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন।
বর্তমান বাংলাদেশের সময় নির্ধারণ করা: বর্তমানে ১ ঘন্টা ঘড়ির কাটা এগিয়ে নেবার ফলে আপনাকেও গুগল ক্যালেন্ডারে ১ ঘন্টা এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য Settings এ ক্লিক করে General ট্যাব থেকে Your current time zone: অংশের Display all time zones চেক করুন। এবার উপরের ড্রপ ডাউন থেকে GMT+07.00 নির্বাচন করুন (ফলে Country: এর স্থলে অন্য দেশ দেখাবে)। চাইলে অনান্য সেটিংও পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশেষে সেভ করুন। মোবাইল ভেরিফিকেশন করার আগে টাইম জোন পরিবর্তন করলে মোবাইল ভেরিফিকেশন করা যাবে না।
ইভেন্ট যোগ করা: কোন ইভেন্ট যোগ করতে হলে গুগল ক্যালেন্ডারে গিয়ে Create Event এ ক্লিক করুন। এবার ইভেন্টর নাম, সময়, তারিখ নির্ধারণ করে সেভ করুন। Where এ কোন স্থানের নাম দিলে তা গুগল মাপে প্রদর্শিত হবে। চাইলে নিচের Options থেকে এই ইভেন্টের জন্য আলাদা রিমাইন্ডার এবং প্রাইভেসি নির্বাচন করতে পারবেন। আর কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে ডানের Guests থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানাতেও পারবেন। এছাড়াও Quick Add এ ক্লিক করে ইভেন্টের নাম স্পেস সময় এবং স্পেস দিয়ে তারিখ লিখে (যেমন, Dinner with Mehdi 7pm 2009-07-06) প্লাস (+) বাটনে ক্লিক করুন মেবাইল ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এভাবে ইভেন্ট যোগ করতে হবে। আপনি যদি জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকী বা অন্য কোন বার্ষিকী যোগ করতে চান তাহলে Repeats এ Yearly নির্বাচন করুন। তাহলে প্রতিবছর নতুন করে এই ইভেন্ট তৈরী করতে হবে না সয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিবছরই ইভেন্টি চালু থাকবে। এভাবে দরকারমতে Days, Weekly, Monthly নির্বাচন করতে পারবেন।
ইভেন্ট পরিবর্তন বা মুছে ফেলা: কোন ইভেন্ট মুছতে বা সম্পাদনা করতে হলে মূল ক্যালেন্ডার থেকে Day, Week, Month, 7Days বা Agenda এ ইভেন্টের উপরে ক্লিক করে সম্পাদনার জন্য edit event details» বা মুছে ফেলার জন্য Delete এ ক্লিক করলেই হবে। আর দুইবার ক্লিক করলে সম্পাদনার জন্য খুলবে এখান থেকেও সম্পাদনা বা মুছে ফলা যাবে।
ক্যালেন্ডার শেয়ার দেওয়া: ক্যালেন্ডার অন্যকে শেয়ার দিতে চাইলে Settings এ ক্লিক করে Calendars ট্যাবে থেকে Notifications এ ক্লিক করুন। এবার Share this calendar ট্যাব থেকে Make this calendar public চেক করে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিতে পারেন। আর নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে Share with specific people এ ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন (তাহলে উক্ত ব্যাক্তির মেইলে লিংকসহ মেইল যাবে)। আর পাবলিক (সবার জন্য উম্মুক্ত) ক্যালেন্ডার কোন ওয়েব পেজে দেখাতে চাইলে Calendar Details ট্যাবে ক্লিক করে Embed This Calendar অংশের কোড ওয়েব সাইটে রাখলেই হবে। চাইলে কোড সম্পাদনা করে ক্যালেন্ডারের সাইট ছোট-বড় করতে পারবেন। এছাড়াও Calendar Address বা Private Address এর লিংকও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ক্যালেন্ডার এক্সপোর্ট করতে চাইলে Calendars ট্যাবে থেকে Export calendars এ ক্লিক করে কম্পিউটারে সেভ করতে পারেন।
অন্যের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা: আপনার ক্যালেন্ডারে আপনি অন্যের শেয়ার করা ক্যালেন্ডার বা পাবলিক ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Browse public calendars এ ক্লিক করুন। এবার Friends’ Calendars ট্যাবে গিয়ে যার ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চান সেই ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন। অথবা আপনার মেইলে আসা ক্যালেন্ডার শেয়ারিং মেইলে ক্লিক করেও এ্যাড করতে পারেন। আর পাবলিক ক্যালেন্ডার যোগ করতে চাইলে Add by URL টাবে গিয়ে ক্যালেন্ডারের ইউআরএল লিখে এ্যাড করতে পারবেন। অন্যের এক্সপোর্ট করা ক্যলেন্ডার যোগ করতে চাইলে Import calendar ট্যাবে ক্লিক করে ইমপোর্ট করলেই হবে। এছাড়াও Browse Calendars ট্যাব থেকে কিছু দেশের ছুটির তালিকাসহ বেশ কিছু বিশেষ ক্যালেন্ডার যোগ করতে পারেন।
জিমেইলে গুগল ক্যালান্ডার প্রর্দশন করা: জিমেইলে লগইন করে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Google Calendar gadget এর Enable নির্বাচন করে সেভ করুন তাহলে বাম পাশের বাম পাশের প্যানেলে গুগল ক্যালেন্ডার দেখা যাবে।
গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার: যারা গুগল ডেক্সটপ (http://desktop.google.com) ব্যবহার করেন তারা http://desktop.google.com/plugins থেকে গুগল ক্যালেন্ডারের গ্যাজেট ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। তাহলে গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার প্রদর্শন করবে। এখানে লগইন করে ক্যালেন্ডার দেখা এবং ইভেন্ট তৈরী করা যাবে।
আইগুগলে গুগল ক্যালেন্ডার: আইগুগলে (www.google.com/ig) গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে লগইন করে Add stuff » এ ক্লিক করুন। এবার গুগল ক্যালেন্ডারটি এ্যাড করুন এবং আইগুগলে এসে ইচ্ছামত যায়গায় সেট করুন।
এডঅন্স: মজিলা থান্ডারবার্ডে গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে https://addons.mozilla.org/en-US/thunderbird/addon/4631 থেকে এডঅন্সটি ইনস্টল করলেই হবে।
অপলাইনে ব্যবহার করা: জিমেইলের মত গুগল ক্যালেন্ডারও অফলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার
গুগল ক্যালেন্ডারের উপরের ডানে Offline এ ক্লিক করে বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Enable offline access ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি আপডেট ব্রাউজার না হলে সমর্থন করবে না।
গুগল ক্যালেন্ডারে ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ এবং গতিময় করে তোলা যাবে।

Sunday, June 6, 2010

পেনড্রাইভ/মেমোরি কার্ডে কোন ফাইল দেখা যাচ্ছে না কিন্তু জায়গা দখল করে আছে,তাহলে কি করবেন ?

পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d


আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।


ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory

মোবাইলে দেখুন সিনেমা

মোবাইল ফোনে ভিডিও গান দেখতে হলে তা মোবাইলের উপযোগী হতে হয়। মোবাইলের উপযোগী কিছু সিনেমাসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের ঠিকানা নিচে দেওয়া হলো: www.movies4mobile.net,
www.moviesmobile.net,
www.mobi-movies.org,
www.mobilemoviezone.com,
www.o2videos.com,
www.3gpmobilemovies.net,
www.avimobilemovies.com,
www.khatrimobile.wzan.net,
www.moviearena.org,
www.moviesmobile.net,
www.o2cinemas.com। এসব সাইটগুলো থেকে বিভিন্ন সিনেমা ডাউনলোড করার পাশপাশি সিনেমাগুলোর বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে।

ক্যাস্পারস্কী trial versionকে বানিয়ে ফেলুন full version

ক্যাস্পারস্কী সবচেয়ে কাজের এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস এটা সবাই জানেন।কিন্তু এটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে যথেষ্ট পয়সা খরচ করতে হয়।তবে একটু মাথা খাটালেই আপনি বিনা পয়সায় এর সব সুবিধাসহ ট্রাইল ভার্সন (৩০ দিনের জন্য) ব্যবহার করতে পারেন। ট্রায়াল ভার্সন মেয়াদ বৃদ্ধি করবে এ রকম একটি সফটওয়্যারের কথাই বলবো। সফটওয়্যারটি http://www.mediafire.com/download.php?dnziywgnzgm থেকে ডাউনলোড করে নিন। এরপর যা করতে হবে:

১. আপনার পিসির টাস্কবার থেকে ক্যাস্পারস্কী আইকনের উপর ক্লিক করে settings এ ক্লিক করুন।
২. বামদিকে অপশন এ ক্লিক করে ডানদিকে Enable Self-Defense টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন।
৩. ডাউনলোড করা Kaspersky Trial Re-setter এ ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন।
৪. Install বাটনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ পর কম্পিউটার রিস্টার্ট চাইবে। Yes বাটনে ক্লিক করে রিস্টার্ট করুন ।
৫. পুনরায় পিসি চালু হবার পর টাস্কবারের ক্যাস্পারস্কী আইকনে ক্লিক করুন এবং এটি License এ ক্লিক করে Active New License এ ক্লিক করুন।
সবশেষে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে Activate Beta License ক্লিক করুন।
আপনার কাজ শেষ।এভাবে ট্রায়াল ভার্সনকে ফুল ভার্সন হিসেবে ব্যবহার করুন key সংগ্রহ না করেই।

ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় আর ছবি আটকে যাবে না!

আমরা প্রায় সবাই Youtube এর ভিডিও দেখে থাকি। কিন্তু অনেক সময় উন্নত স্পীডের ইন্টারনেট কানেকশন না থাকার কারনে Youtube এ ভিডিও বাফার হতে অনেক বেশী সময় নেয় যা খুবই বিরক্তিকর। এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলে মুক্ত করতে পারে SpeedBit Video Accelerator নামের একটি সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটি Youtube এর ভিডিওকে দ্রুত বাফারিং করবে। এছাড়াও এটি থেকে আপনি ভিডিও সার্চিং সুবিধাও পাবেন। সফটওয়্যারটি থেকে পছন্দের ভিডিও এর লিংক শেয়ার করতে পারবেন টুইটারে। এটি জনপ্রিয় সকল ব্রাউজারেই চলবে। সফটওয়্যারটি ডাওনলোড করুন -http://www.videoaccelerator.com/download/ ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

Wednesday, March 31, 2010

উইন্ডোজের জন্য দারুন এক টোয়ীক সফটওয়্যার

উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের টুকিটাকি বিভিন্ন কাজে টোয়ীক সফটওয়্যার বেশ কাজে দেয়। এমনই একটি সফটওয়্যার হচ্ছে TweakNow PowerPack 2009| এই সফটওয়্যারে রয়েছে ডিক্স ক্লিনার, ডিক্স ইউজেস এনালাইজার, বিধিধ টুলস, রেজিস্ট্রি ক্লিনার, রেজিস্ট্রি ডিফ্রাগমেন্টার, স্টার্টআপ ম্যানেজার, সিস্টেম ইসফরমেশন, টার্ক ক্লিনার, আনইনস্টল প্রোগ্রামস, উইন্ডোজ সিকিউরিটি এবং রিস্টোর ব্যাকআপ সুবিধা। মানে এক সফটওয়্যারে প্রায় সকল সুবিধা। ৫.৪৬ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যাটি www.tweaknow.com/powerPack.html থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ এক্সপিসহ পরবর্তী সকল সংস্করনের সকল বিটে চলবে।

উইন্ডোজের ফাইল নষ্ট হলে করনিয়

অনেক সময় উইন্ডোজ এক্সপির .dll (ডাউনামিক লিংক লাইব্রেরী) বা .sys (সিস্টেম) ফাইল নষ্ট হলে অথবা মুছে গেলে উইন্ডোজ খোলে না। এসব ফাইলগুলো সাধারণত WINDOWS\system32 এবং WINDOWS\system32\drivers এর মধ্যে থাকে। সেক্ষেত্রে কম্পিউটার চালু করলে কালো পর্দায় নষ্ট হওয়ার ফাইলের নাম এবং লোকেশন দেখায় এবং উইন্ডোজ রিপিয়ার করার পরামর্শ দেয়। এমতবস্থায় ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল করা বা রিপিয়ার করা ছাড়া অন্য কোন পথ থাকে না। কিন্তু ব্যবহারকারীর কাছে যদি উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি থাকে তাহলে নষ্ট/মুছে যাওয়া ফাইলটি পুনস্থাপন করলেই হবে। খুব সহজেই নিজে উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি তৈরী করতে পারবেন। উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি তৈরী করার পদ্ধতি পাবেন www.shamokaldarpon.com/?p=675 ঠিকানায়। এবার উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি দ্বারা কম্পিউটার চালু করুন এবং সিডি ড্রাইভ থেকে I386 ফোল্ডারে যান, যা সাধারণ উইন্ডোজ এক্সপির WINDOWS ফোল্ডার। এবার প্রয়োজনীয় ফাইল কপি করে মূল উইন্ডোজের ফোল্ডারে প্রতিস্থাপন করে রিস্টর্ট করুন। এবার দেখুন উইন্ডোজ স্বাভাবিকভাবে চালু হচ্ছে।

প্রোগ্রাম আনইনস্টল না করা গেলে

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বেশীর ভাই প্রোগ্রামই ইনস্টল করে ব্যবহার করতে হয়, আবার দরকার না পরলে এ্যাড রিমুভ প্রোগ্রামস থেকে আনইনস্টল করতে হলে ফলে উক্ত প্রোগ্রামসে সাথে থাকা ফাইলগুলো মুছে যায় যা সাধারণ ভাবে ডিলিট করা সম্ভব হয়ে উঠে না। কিন্তু অনেক সময় কিছু কিছু প্রোগ্রাম আনইনস্টল করা যায় না। এ সমস্যা হয় সাধারণত ভাইরাস বা অন্য কারণে আইনস্টল ফাইল বা অন্য কোন লাইব্রেরী ফাইল মুছে গেলে বা নষ্ট হলে। ফলে এ্যাড রিমুভ প্রোগ্রামস থেকে উক্ত প্রোগ্রামটি সরানো যায় না। এমতবস্থায় ইনস্টল করার প্রোগ্রামটি স্থায়ীভাবে মুছতে বিভিন্ন থার্টপাটি আনইনস্টলার ব্যবহার করা যেতে পারে। এধরনের সফটওয়্যারগুলো মধ্যে একটি হচ্ছে সিক্লিনার। ফ্রিওয়্যার, বহনযোগ্য এই সফটওয়্যারটি www.ccleaner.com থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Tools>Uninstall এ গিয়ে উক্ত প্রোগ্রামটি নির্বাচন করে Delete Entry বাটনে ক্লিক করে মুছে দিন তাহলে দেখবেন এ্যাড রিমুভ প্রোগ্রামসে উক্ত প্রোগ্রামটি আর নেই। কিন্তু প্রোগ্রামটি যদি রেজিস্ট্রিতে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে নতুন করে ইনস্টল করতে গেলে সমস্যা হতে পারে। এজন্য রেজিস্ট্রি থেকেও প্রোগ্রামটি মুছে ফেলতে পারেন। রেজিস্ট্রি ক্লিনার সফটওয়্যারটি www.worldstart.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে চালু করুন। এবার উক্ত প্রোগ্রামের নাম নির্বাচন করে Remove Selected বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস রেজিস্টি থেকেও প্রোগ্রামটির তথ্য মুছে যাবে।

পরিবর্তন করে নিন টাক্সবারের সবকিছু

উইন্ডোজ এক্সপির টাক্সবারের সাথে যুক্ত থাকা সবকিছুই নিজের মত পরিবর্তন করা যাবে। স্টার্ট মেনুর ছবি, স্টার্ট বাটনের নাম, স্টার্ট বাটন লুকানো, টাক্সবার সচ্ছ করা, সিস্টেম ট্রে পটভুমি, সিস্টেম ট্রের ঘড়ি, এলার্ম দেওয়া ইত্যাদি সবকিছুই পরিবর্তন করতে পারবেন টিক্লক সফটওয়্যার দ্বারা। মাত্র ৩৭৩ কিলোবাইটের (১.০২ মেগাবাইট) ফ্রি, পোর্টেবল এই সফটওয়্যারটি http://homepage1.nifty.com/kazubon থেকে ডাউনলোড করে নিন। সাথে পাবেন সফটওয়্যারটির সোর্সকোডও। এবার সফটওয়্যারটি চালু করলে সিস্টেম ট্রের ঘড়ি পরিবর্তন হবে। এখন সিস্টেম ট্রের ঘড়ির উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে TClock Properties এ যান এবং ইচ্ছামত সবকিছু পরিবর্তন করুন।

পরিবর্তন করুন হার্ডড্রাইভের সিরিয়াল নম্বর

উইন্ডোজ ইনস্টল দেবার সময় হার্ডডিক্সের ড্রাইভগুলোর সিরিয়াল নম্বর স্থাপিত হয়। ব্যবহারকারী চাইলে উক্ত সিরিয়াল নম্বর দেখতে বা পরিবর্তন করতে পারেন বিভিন্নভাবে। তবে ‘হার্ডড্রিক্স সিরিয়াল নম্বর চেঞ্জার’ সফটওয়্যার দ্বারা সহজেই ড্রাইভের সিরিয়াল দেখা এবং পরিবর্তন করা যায়। মাত্র ৬৩৬ কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার, পোর্টেবল এই সফটওয়্যারটি www.xboxharddrive.com/freeware.html থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি চালু করে ড্রাপডাউন থেকে বিভিন্ন ড্রাইভ নির্বাচন করলে সিরিয়াল নম্বর দেখা যাবে। আর সিরিযাল নম্বর পরিবর্তন করে উইন্ডোজ রিস্টার্ট দিলে তা কর্যকর হবে।

ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করুন ওয়েব ব্রাউজারের তথ্য

অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইনস্টল বা রিইনস্টল করার কারনে বা অন্য কোন কারনে ওয়েব ব্রাউজারের বুকমার্ক, কুকিজ, পাসওয়ার্ড, হিস্টোরীসহ অনান্য সেটিংস যদি ব্যকআপ রাখা যেত এবং পরবর্তিতে আবার রিস্টোর করা যেত তাহলে মন্দ হতো না। ফ্যবব্যাকআপ সফটওয়্যার দ্বারা জনপ্রিয় সকল ব্রাউজারের তথ্যই ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করা যাবে। উইন্ডোজের উপযোগী এই সফটওয়্যারটি ফায়ারফক্সের ২-৩.৫ সংস্করণ, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ৬-৮ সংস্করণ, গুগল ক্রোমের ১-৩ সংস্করণ, সাফারির ৩-৪ সংস্করণ এবং অপেরা ৯ সংস্করণ সমর্থন করে। মাত্র ১.৫ (৩.৫) মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার, পোর্টেবল এই সফটওয়্যারটি www.favbrowser.com/backup থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। সফটওয়্যারটি দ্বারা সেফ এবং নন সেফ মুডে তথ্য ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করা এবং রূপান্তর করা যাবে।

এক্সপি-ভিসতা ডুয়েল বুটে এক্সপিকে ডিফল্ট করা

সাধারণত মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এক্সপির পরে উইন্ডোজ ভিসতা ইনস্টল করার ফলে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে ভিসতা সেট থাকে। এক্সপিতে ঢুকতে হলে বুটের সময় এক্সপি নির্বাচন করে ঢুকতে হয়। উইন্ডোজ এক্সপির বুট ফাইল পরিবর্তন করে এই ডিফল্ট অপটশনটি পরিবর্তন করা যায় না। উইন্ডোজ এক্সপিকে ডিফল্ট অপারেটিং সিস্টেম করতে চাইলে এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসাবে ভিসতা চালু করে মাই কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন। এবার Advanced System Settings এ ক্লিক করে Startup and Recovery এর Settings বাটনে ক্লিক করুন। এখন Default operating system এ উইন্ডোজ এক্সপি নির্বাচন করুন। এভাবে পরবর্তিতে আবার উইন্ডোজ ভিসতাতে ফিরে আসা যাবে। এছাড়াও উইন্ডোজ ভিসতার কমান্ড প্রোম্পট থেকে bcdedit /default {ntldr} লিখে এন্টার করলেও উইন্ডোজ এক্সপি ডিফল্ট হিসাবে সেট হবে।

নিজেই রাইট হবে ISO ফাইল

আইএসও বা ইমেজ ফাইল নিয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েন, এটা কিভাবে সিডিতে রাইট করবেন এটাই অনেকে জানেন না। সাধারণ সিডি বার্নার সফটওয়্যার দিয়ে সহজেই .ISO ফরম্যাটের ফাইলটি খুলে রাইট করা যায়। কিন্তু যদি সিডি বার্নার সফটওয়্যার না থাকে বা রাইট করার পদ্ধতি না জানা থাকে তাহলে বেশ বিপাকে পড়তে হয়। এসমস্যার সমাধান দেবে সিডি সেল্ফ বার্নার সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার দ্বারা ISO বা CUE ফরম্যাটের ফাইলকে .exe বা এ্যাপলিকেশন ফাইলে রূপান্তর করা যায় ফলে নিজেই অন্য কোন বার্নারের সাহায্য ছাড়াই সিডিতে রাইট করা যায়। মাত্র ২.২৩ মেগাবাইটের ফ্রি, পোর্টেবল এই সফটওয়্যাটি http://damian666.boot-land.net/downloads.html থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এ্যানিমেটেড জিফ ছবির আয়তন পরিবর্তন করা

অনেক সময় এ্যানিমেটেড জিফ ছবির আয়তন ছোট বা বড় করার প্রয়োজন পরে। ছোট্ট একটি সফটওয়্যার দ্বারা এই কাজটি করা যায়। মাত্র ৫২৪ (৬২৭) কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার, পোর্টেবল এই সফটওয়্যারটি http://ashongsoft.com/gif-resizer.html থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে Source GIF Image file থেকে এ্যনিমেটেড ছবিটি আনুন এবং কোথায় সেভ করবেন তা New GIF Image file এ নির্বাচন করুন। এবার Width এবং Height ঠিক করে Resize বাটনে ক্লিক করলেই নতুন সাইজে ছবিটি তৈরী হবে।

উইন্ডোজের দরকারী কিছু কমান্ড

উইন্ডোজে অনেক কমান্ড আছে সচারচর ব্যবহার হয় না বা সকলেই জানে না। দরকারী কিছু কমান্ড নিয়ে তৈরী কমান্ড ইন ডিমান্ড নামের এই সফটওয়্যাটিতে এ্যাপলিকেশন এররস, এ্যাপলিকেশন ভিজিবল উইন্ডো, ক্লিপবোর্ড, ডেক্সপট, ডিভাইস, ফাইলস এন্ড ফোল্ডারস, গ্রাফিক্স, আইকন, ইন্টারনেট, মেমোরি এন্ড সিপিইউ, নেটওয়ার্ক, সিস্টেমট্রে, টাক্সবার উইন্ডোজ এ্যাপলিকেশন বিভাগে ৭০টির মত কমান্ড বা ফিচার আছে যা উইন্ডোজ এক্সপি এবং ভিসতাতে কাজ হবে। মাত্র ৩.২৯ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যাটি www.vasilios-free.gr/freesoft/ থেকে ডাউনলোড করে নিন।

ইউএসবি ডিভাইসগুলোকে রাইট প্রোটেক্ট করে রাখুন

কম্পিউটারে যাতে অন্য কেউ ইউএসবি ডিভাইস ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য ইউএসবি ডিভাইস রাইট প্রোটেক্ট করে রাখা যায়। সেজন্য Device Manager বা Registry Editor থেকে ইউএসবি পোর্টকে ডিজেবল করা যায়। কিন্তু আপনি যদি শুধু রাইট প্রোটেক্ট করতে চান যাতে ইউএসবি ডিভাইস থেকে কম্পিউটারে তথ্য কপি করে রাখা যায় কিন্তু কম্পিউটারে থেকে কোন তথ্য যেন ইউএসবি ডিভাইসে কপি করে নিতে না পারে, তাহলে কি করবেন? সব ইউএসবি ডিভাইসেরতো আর রাইট প্রোটেক্ট করার অপশন নেই। এই সমস্যার সমাধান দেবে ‘ইউএসবি রাইট প্রোটেক্টর’ সফটওয়্যার। মাত্র ১৯০ (৪৮০) কিলোবাইটের পোর্টেবল, ফ্রিওয়্যার একটি সফটওয়্যার দ্বারা এই কাজটি সহজেই এক ক্লিকেই করা যায়। সফটওয়্যারটি www.gaijin.at/dlusbwp.php থেকে ডাউনলোড করে আনজিপ করে চালু করুন। এবার USB write protection OFF এ ক্লিক করলে ইউএসবি ডিভাইস রাইট প্রোটেক্ট হয়ে যাবে। আর রাইট প্রোটেক্ট বন্ধ করতে চাইলে USB write protection ON নির্বাচন করলেই হবে।

সয়ংক্রিয়ভাবে ডেক্সটপের ফাইল সরানো

কম্পিউটারের উইন্ডোজ নষ্ট হলে বা নতুন করে ইনস্টল দিলে সাধারণত ডেক্সটপের ফাইল উদ্ধার করা কষ্টকর হয়ে উঠে। তাই ডেক্সটপে ফাইল/ফোল্ডার না রাখাই নিরাপদ। কিন্তু অনেকেই ডেক্সটপে ফাইল বা ফোল্ডার রাখে। তাদের অভ্যাসতো আর তাড়াতাড়ি বদলানো যাবে না, তাই এমন যদি হয় ডেক্সটপে ফাইল বা ফোল্ডার রাখার সাথে সাথে নির্দিষ্ট ফোল্ডারে সয়ংক্রিয়ভাবে সেগুলো স্থানান্তর হবে তাহলে তেমন হয়! Desktop Teleporter নামের এই সফটওয়্যারটি দ্বারা এই সুবিধা পাওয়া যাবে। মাত্র ৮২৫ কিলোবাইটের (২.৩৫ মেগাবাইট) এই ফ্রিওয়্যার, পোর্টেবল সফটওয়্যারটি http://tchikien.donationcoders.com বা http://cli.gs/2GmA6U থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সফটওয়্যারটি চালু করে Folders ট্যাব থেকে কোন ফোল্ডারে ডেক্সটপের ফাইল/ফোল্ডার সরানো হবে তা দেখিয়ে দিন এবং Miscellaneous ট্যাব থেকে Auto start চেক করে সফটওয়্যাটি হাইড করুন। ব্যাস এখন ডেক্সটপে কোন ফাইল রেখে দেখুন তা নির্দিষ্ট ফোল্ডার মুভ হয়ে যাচ্ছে।

দেখে নিন হার্ডডিক্সের বর্তমান অবস্থা

অনেক দিন ধরে হইতো কম্পিউটারের হার্ডডিক্স ব্যবহার করছেন কিন্তু হার্ডডিক্সের বর্তমান অবস্থা কি তা জানা যাবে Active Hard Disk Monitor দ্বারা। এই সফটওয়্যারটি দ্বারা হার্ডডিক্স প্রস্তুতকারক কোম্পানী, সিরিয়াল নম্বরসহ অনান্য তথ্য এবং S.M.A.R.T. (Self-Monitoring, Analysis, and Reporting Technology) জানতে পারবেন। এছাড়াও সফটওয়্যারটি দ্বারা হার্ডডিক্সের সম্পূর্ণ বা আংশিক স্ক্যানও করতে পারবেন। ১০.৩ মেগাবাইটের ফ্রি (সংস্করণের) এই সফটওয়্যারটি www.disk-monitor.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের সকল সংস্করণে চলবে। এবার সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে চালু করুন এবং জেনে নিন আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিক্সের যাবতীয় তথ্য।

স্ক্রিনসেভারে দেখা যাবে বর্তমান আবহাওয়ার তথ্য

বর্তমান তাপমাত্রা কত বা আদ্রতা, বাতাসের গতিবেগ ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে। কিন্তু এসকল তথ্য যদি একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডেক্সটপ থেকে পাওয়া যায় এবং সেই সাথে স্ক্রিনসেভার হিসাবে দেখা যায় তাহলে কেমন হয়! ইয়োউইন্ডো সফটওয়্যারে আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য এভাবে পাওয়া যায়।
২.৭ মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যারটি www.yowindow.com থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে চালু করুন এবং নিজের দেশ এবং শহর নির্বাচন করুন, ব্যাস কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বর্তমান আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য দেখা যাবে। এবার প্রোগ্রাম মেনু থেকে Set YoWindow as Screensaver এ ক্লিক করে স্কিনসেভার হিসাবে ইয়োউইন্ডোকে সেট করুন। এরপরে থেকে স্ক্রিনসেভারে বর্তমান আবহাওয়ার তথ্য দেখা যাবে। ফ্রি সংস্করণে চলতি দিনসহ তিন দিনেও আবহাওয়ার তথ্য পাওয়া যাবে।
এই সাইটে সরাসরি আবহাওয়ার তথ্যের পাশপাশি ফেসবুক, মাইস্পেস, আইগুগলসহ নিজস্ব ওয়েবসাইটে উইডগেট সেট করা যাবে।

টুয়িটার মেইলের মাধ্যমে সহজে স্ট্যাটাস আপডেট করা

জনপ্রিয় মাইক্রো ব্লগিং টুয়িটার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন টুলস, সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইট দ্বারা টুয়িটারে লগইন না করেও স্ট্যাটাস আপডেট করা যায়। এর মধ্যে মেইল করে স্ট্যাটাস আপডেট করতে পারেন। এজন্য www.twittermail.com বা www.mailtwitter.com সাইটে যান এবং Sign up অংশে টুয়িটারের ইউজার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Get your Twitter address! বাটনে ক্লিক করুন। লগইন হবার পরে Your secret email address অংশে ইচ্ছামত ইউজার নাম দিয়ে টুয়িটার মেইল ঠিকানা তৈরী করুন। এই ঠিকানাতে মেইল করলেই তা টুয়িটারে আপডেট হবে। এবার Your private E-mail address অংশে আপনার যে মেইল থেকে স্ট্যাটস মেইল করতে চান তা লিখুন এবং নিচের অপশনগুলো পছন্দমত নির্বাচন করে Save Settings বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। এখন থেকে আপনার প্রাইভেট ই-মেইল ঠিকানা থেকে টুয়িটামেইলে কোন স্ট্যাটস মেইল করলে তা সঙ্গে সঙ্গে আপনার টুয়িটারে আপডেট হবে।

উইন্ডোজে ওএস এ NTLDR মিসিং হলে করনিয়

বেশীরভাগ কম্পিউটার ব্যবহারকারীই অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যবহার করেন। উইন্ডোজে বিভিন্ন কারণে NTLDR is Missing বা Boot: Couldn’t find NTLDR ম্যাসেজ আসে ফলে উইন্ডোজে প্রবেশ করা যায় না। এক্ষেত্রে অনেকেই উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল করতে বাধ্য হন। যেসকল কারণে NTLDR মিসিং এর ম্যাসেজ আসে যেগুলো মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ১) NTLDR বা NTDETECT.COM ফাইল নষ্ট হওয়া, ১) boot.ini ফাইলে ত্রুটি থাকা, ৩) নন বুটেবল সোর্স থেকে বুট করা, ৪) হার্ডডিক্সে সঠিকভাবে বায়োজ সেটআপ না থাকা, ৫) সিস্টেম ড্রাইভের পার্টিশন আপডেট করা, ৬) নতুন হার্ডডিক্স যোগ করা, ৭) boot sector বা master boot বিকৃত হওয়া, ৮) হার্ডডিক্সে ক্যবলে ত্রুটি থাকা, ৯) নতুন সংযুক্ত ইউএসবি ডিভাইসে ত্রুটি থাকা অথবা ১০) উইন্ডোজ গুরুতরভাবে বিকৃত বা নষ্ট হওয়া। উপরোক্ত যেকোন কারণেই NTLDR মিসিং ম্যাসেজ আসতে পারে। আর বেশীরভাগ সময় ভাইরাসই এসব সমস্যা তৈরীর জন্য দায়ী।
এ থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে হার্ডডিক্সের ক্যবল খুলে ভালভাবে লাগানো বা নতুন ক্যাবল লাগানো অথবা উইন্ডোজের সিডি দ্বারা বুট ফাইলগুলো প্রতিস্থাপন করা। অনেক সময় কম্পিউটার রিস্টার্ট দিলেও সমাধান হয়ে যায়। বুট ফাইলগুলো প্রতিস্থাপনের জন্য উইন্ডোজের সিডিটি সিডি ড্রাইভে (ধরি উইন্ডোজ c: ড্রাইভে ইনস্টল করা এবং সিডি রম e: ড্রাইভ) প্রবেশ করিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। এখন press any key to boot from the CD আসলে যেকোন কী চাপলে সেটআপ স্ক্রিন আসবে। এখানে সেটআপ মেনু থেকে “R” চেপে রিপিয়ার উইন্ডোতে যান। এবার উইন্ডোজ নির্বাচন করুন (নির্বাচনের জন্য ১ চাপুন) এবং Administrator পাসওয়ার্ড দিয়ে এন্টার করুন তাহলে রুট ড্রাইভের উইন্ডোজ ফোল্ডারে চলে আসবে। এখন copy e:\i386\ntldr c:\ লিখে এন্টার করে copy e:\i386\ntdetect.com c:\ লিখে এন্টার করুন। তাহলে সফলভাবে সিডি থেকে ফাইলদুটি কপি হবে। এবার সিডি রম থেকে উইন্ডোজের সিডি বের করে কম্পিউটার রির্স্টাট দিন।
তবে আপনার কাছে যদি Spotmau PowerSuite (www.spotmau.com) এর সিডি থাকে তবে সিডি থেকে বুট করে Windows Recovery এ ক্লিক করুন। এবার Windows NT/2000/XP/2003 এ ক্লিক করে ডায়ালগ বক্স থেকে Recover NTLDR and NTDETECT এ ক্লিক করুন। এখন NTLDR and NTDETECT ডায়ালগে অপারেটিং সিস্টেম (যেমন, Windows XP) নির্বাচন করে Recover বাটনে ক্লিক করলে NTLDR ফাইলদ্বয় রিকভার হবে। এখন Spotmau PowerSuite বন্ধ করে সিডি বের করে কম্পিউটার রিস্টার্ট করলেই হবে।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফোল্ডার এবং ডেক্সটপ শেয়ার করা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বড় বড় ফাইল শেয়ার করা বেশ ঝামেলার। কাউকে বড় কোন ফাইল পাঠাতে চাইলে বিভিন্ন ফ্রি হোষ্টিং সাইটে আগে আপলোড করতে হয় এবং ডাউলোডের লিংক দিতে হয়। কিন্তু আপনি জিব্রিজ দ্বারা সহজেই আপনার কম্পিউটারের ফোল্ডারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার দিতে পারবেন। ফলে আপনাকে কষ্ট করে বড় বড় ফাইল আপলোড করতে হবে না। প্রাপক অনেকটা পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মতো আপনার কম্পিউটারে থেকে ফোল্ডার বা ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবে। এজন্য উভয়কে জিমেইল একাউন্ট এবং জিব্রিজ সফটওয়্যারটি থাকতে হবে। ২.০২ মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যাটি www.gbridge.com থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
এবার সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করে জিমেইল আইডি দ্বারা জিব্রিজ লগইন করুন। কোন জিমেইল ব্যবহারকারীকে আমন্ত্রণ করতে চাইলে Invite Friend বাটনে ক্লিক করে জিমেইল ব্যবহাকারীদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। এরপরে কোন জিমেইল ব্যবহাকারী অনলাইনে থাকলে তা বোঝা যাবে। কারো সাথে চ্যাটিং করতে চাইলে উক্ত আইডির উপরে মাউস দ্বারা ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে স্বাভাবিকভাবে চ্যাটিং করতে পারবেন।
ফোল্ডার শেয়ার দেওয়া: আপনার কম্পিউটারের যেকোন ফোল্ডার আপনি নির্দিষ্ট কোন ইউজারকে বা সবাইকে শেয়ার দিতে পারেন। এজন্য Create SecureShare বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে ফোল্ডার শেয়ার দিতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন। আপনি যদি নির্দিষ্ট কিছু ইউজারকে শেয়ার দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারগুলো নির্বাচন করুন। আর যদি সেভ থাকা সকল ইউজারদের শেয়ার দিতে চান তাহলে Allowed চেক করুন। আর যদি ভবিষ্যতে যুক্ত হবে এমন ইউজারসহ সকলকে শেয়ার দিতে চান তাহলে Allow all friends (include future new friends) নির্বাচন করুন। এরপরে Ok করুন এবং পরবর্তী ম্যাসেজেও Ok করুন। পূর্বে যদি কোন ইউজারকে নির্বাচিত করে থাকেন তাহলে তাদেরকে উক্ত ফোল্ডার দেখার আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা এমন ম্যাসেজ আসবে। যেখানে Yes Send Now করলে উক্ত ইউজারেররা নোটিফিকেশন পাবে, আর No করলে স্বাভাবিকভাবে শেয়ার সক্রিয় হবে এবং শেয়ার করা ফোল্ডারটি একটি ওয়েব লিংক হিসাবে ডিফল্ড ব্রাউজারে খুলবে। এখন যদি নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার করা ফোল্ডারের লিংকটি দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারের উপরে ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Share Link বাটনে ক্লিক করুন। এখানে উপরের মূল পেজ বা নিচের শেয়ার করা ফোল্ডারের উপরে ক্লিক করলে তা চ্যাটিং এর ম্যাসেজ হিসাবে লিংকটি পৌছে যাবে। আপনার লিংকটি পেয়ে উক্ত ইউজার ইচ্ছামত শেয়ার করা ফোল্ডারের তথ্য দেখতে বা ডাউনলোড করতে পারবে।
ডেক্সটপ শেয়ার দেওয়া: আপনি যদি আপনার ডেক্সটপ কোন জিব্রিজ ব্যবহারকারীতে শেয়ার পেতে চান তাহলে যার ডেক্সটপ দেখতে চান তার আইডির চ্যাটিংএ ম্যাসেজ পাঠান। এবার উক্ত ব্যবহারকারী চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Desktop Share Invitation এ ক্লিক করলে আপনি আমন্ত্রণ পাবেন যা একসেপ্ট করলে আপনি উক্ত ব্যবহারকারীর ডেক্সপট দেখতে পাবেন। যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পাববেন।
এছাড়াও Options থেকে নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ নির্ধারণ করে দেয়া যাবে। জিব্রিজ থেকে সাইট আউট করতে LogOff মেনু থেকে Switch User or Change Login Setting এ ক্লিক করলে লগআউট হবে।

জিমেইলে আনুন গুগলের অনান্য সেবা

জিমেইল বা গুগলকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। গুগলের সেবাগুলো বর্তমানে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। এগুলো ব্যবহার করতে হলে আলাদা আলাদা উইন্ডোতে বা ট্যাবে নতুন চালু করতে হয়। কিন্তু জিমেইলের মধ্যে যদি গুগল রিডার, পিকাসা, ক্যালেন্ডার, নিউজ, নোটবুক, গ্রুপ, ম্যাপ, সাইট, গ্যাজেট ইত্যাদি পাওয়া যায় তাহলে কেমন হয়! যারা মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করেন তারা চাইলে Integrated Gmail এ্যাড-অন্স ইনস্টল করে এই সুবিধা পেতে পারেন। এজন্য https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/9457 থেকে এ্যাড-অন্সটি ইনস্টল করে ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন। এবার টুলস মেনু থেকে Integrated Gmail এ ক্লিক করুন এবং Element Section এর Add বাটনে ক্লিক করে পছন্দের সেবাগুলো আনুন এবং ইচ্ছামত সাজিয়ে Ok করে বন্ধ করুন। এবার জিমেইল চালু করে দেখুন উক্ত সেবাগুলো জিমেইলের ভিতরেই চালু হয়েছে। এই সেবাগুলো ছোট করার (মিনিমাইজ) করার অপশন আছে এবং ডান, বাম ও উপরের প্যানেল লুকানোর জন্য তীর চিহ্নের ব্যবস্থা আছে ফলে বড় পর্দাতে জিমেইল এবং অনান্য সেবাগুলো দেখতে পারবেন। এরফলে নতুন করে গুগলের এসব সেবা চালু না করেই জিমেইল থেকে ব্যবহার করা যাবে।

আর্কাইভের ছবি থাম্বনেইলে দেখা

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে থাম্বনেইল প্রিভিউ হিসাবে দেখলে ফাইল থাম্বনেইল হিসাবে দেখানোর পাশাপাশি ফোল্ডার ও থাম্বনেইল হিসাবে দেখায়। ফলে ফোল্ডারের ভিতরের ছবিগুলো দেখা যায়। কিন্তু ছবি আছে এমন আর্কাইভ (জিপ, রার) যদি থাম্বনেইল হিসাবে দেখা যায় তাহলে উক্ত আর্কাইভ ফাইলের মধ্যে থাকা ছবিগুলো থাম্বনেইল হিসাবে দেখা যায় না, শুধু আর্কাইভের আইকন দেখা যায়।
তবে একটি শেল ইনস্টল করলে আর্কাইভ (জিপ, রার) ফাইলগুলোর মধ্যে থাকা ছবিগুলো থাম্বনেইল হিসাবে দেখা যাবে। এজন্য http://free-sk.t-com.hr/T800/software/cbxShell.htm থেকে মাত্র ৮৪৪ কিলোবাইটের শেল ডাউনলোড করে আনজিপ করে ইনস্টল করুন। এবার ছবি আছে এমন আর্কাইভ ফাইল থাম্বনেইল হিসাবে দেখুন তাহলে উক্ত আর্কাইভের ভিতরে থাকা ছবি দেখা যাবে।

জিমেইলে পাঠান যেকোন ফরম্যাটের ফাইল

বিনামূল্যে ব্যবহৃত ইমেইলগুলোর মধ্যে জিমেইল এখন বেশ জনপ্রিয়। জিমেইলে কোন ফাইল পাঠাতে বা ডাউলোড করতে চাইালে একটু হিসাব করতে হয়। কারন জিমইলে .exe, .dll, .ocx, .com .bat ফরম্যাটের ফাইলগুলো সেন্ড (এট্যাচ করা) বা মেইলে আসা এইসব ফরম্যাটের ফাইল ডাউনলোড করতে দেয় না। কিন্তু জিমেইল অনান্য ফরম্যাট যেমন, zip, .tar, .tgz, .taz, .gz .rar পাঠাতে বা ডাউনলোড করতে দেয়। আর zip এর ভিতরে exe বা উপরোক্ত ফরম্যাটের ফাইল থাকলে সেগুলোও তা সেন্ড বা ডাউনলোড করা যায়না। তবে একটু চালাকি করলে এসব ফাইলও পাঠানো যায়।
আপনি যে ফাইলটি মেইল করতে চান সেটি যদি setup.exe ফাইল হয় তাহলে এক্সটেনশন রিনেম করে setup.exe.remove করে সেন্ড করুন। প্রাপক শুধু .remove মুছে ফেলবে তাহলে মূল ফাইল হয়ে যাবে। আর এ্যাপলিকেশন ফাইল যদি বেশী হয় তাহলে সেগুলো জিপ করে zip এক্সটেনশন রিনেম করে মেইল করতে পারেন। আর যদি .rar ফরম্যাটে জিপ করেন তাহলেতো কোন সমস্যায় নেই।

আরো নিরাপত্তা দিন উইন্ডোজকে

কম্পিউটারে অন্যের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা উইন্ডোজে পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। উইন্ডোজের এই ইউজার পাসওয়ার্ড সহজেই হ্যাক করা যায়। আবার সিস্টেম (বায়োস) পাসওয়ার্ড দিলেও ভাঙ্গা যায় সহজে। কিন্তু উইন্ডোজে যদি ইউজার পাসওয়ার্ড ছাড়াও আরেকটি পাসওয়ার্ড দ্বারা সুরক্ষিত করা যায় তাহলে কেমন হয়! উইন্ডোজর চালু হবার পরে লগইন স্ক্রিন আসার আগেই একটি পাসওয়ার্ড সেট করা যায়। এটাকে স্টার্টাআপ পাসওয়ার্ড বলে।
স্টার্টাআপ পাসওয়ার্ড সেট করতে স্টার্ট>রানে (Windows+R চেপে) গিয়ে syskey লিখে এন্টার করুন, তাহলে Security the Windows Account Database ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে Encryption Enabled চেক রেখে Update বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Startup Key ডায়ালগ বক্স আসবে। এবার Password Startup চেক করে স্টার্টআপ পাসওয়ার্ড দিয়ে Ok করুন। তাহলে পাসওয়ার্ড সেট হবে এবং নিশ্চিতকরন বার্তা আসবে।
এখন থেকে কম্পিউটার চালু করলে লগইন স্ক্রিন আসার আগেই স্টার্টআপ পাসওয়ার্ড ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে পাসওয়ার্ড না দিলে লগইন স্ক্রিন আসবে না। আর বিকল্প পথে উইন্ডোজে প্রবেশ করা যাবে না।
পাসওয়ার্ড মুছে ফেলতে হলে Security the Windows Account Database ডায়ালগ বক্স থেকে Update বাটনে ক্লিক করে কেনা পাসওয়ার্ড না লিখে Ok করুন। এবার পূর্বের পাসওয়ার্ড লিখে Ok করলেই হবে।

টুয়িটার থেকে ফেসবুকের প্রোফাইলে বা পেজে স্ট্যাটাস আপডেট করা

জনপ্রিয় মাইক্রো ব্লগিং টুয়িটারের স্ট্যাটাস বিভিন্নভাবে ফেসবুকের প্রোফাইলে আপডেট করা যায়। কিন্তু ফেসুবুকের পেজে আপডেট করার মত পদ্ধতি কমই আছে। টুয়িটপোস্ট সাইট থেকে একাধিক টুয়িটারের স্ট্যাটাস একাধিক ফেসুবকের প্রোফাইল বা পেজে আপডেট করা যায়।
এজন্য www.tweetpo.st সাইটে গিয়ে Sign up or login অংশে f Connect বাটনে ক্লিক করে ফেসবুকের Connect with Facebook এ্যাপলিকেশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ও লগইন করুন। এবার Add Twitter ট্যাবে Sign in with Twitter বাটনে ক্লিক করে টুয়িটার একাউন্টের সাথে দিয়ে অথোরাইজেশন করুন। এবার পরবর্তী Add Facebook ট্যাবে Add Profile or Page বাটনে ক্লিক করে ফেসবুকের সাথে অথোরাইজেশন করে প্রোফাইল বা পেজ নির্বাচন করে Next করুন। এখন ইচ্ছামত লেবেল লিখে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে Done! বাটনে ক্লিক করে সমাপ্ত করুন এবং See all your connections বাটনে ক্লিক করে সেটিং পাতায় ফিরে আসুন। এভাবে আরো সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে + New connection বাটনে ক্লিক করে আরো সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।

এক সাথে সকল প্রযুক্তির খবর

ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট ঘাটলে প্রযুক্তি বিষয়ক সকল খবরই পাওয়া যায়। জনপ্রিয় ৪০টিও বেশী সাইটের প্রযুক্তি বিষয়ক খবর এখন মাইক্রো ব্লগিং টুয়িটারে এবং ফেসবুকে একসাথে পাওয়া যাবে। এ২জেড টেক নিউজ নামের টুয়িটারের ঠিকানা হচ্ছে www.twitter.com/a2ztechnews এবং ফেসবুকের ফ্যান পেজের ঠিকানা হচ্ছে www.facebook.com/a2ztechnews। ফেসবুকের ফ্যান পেজের ফ্যান হলে ফেসুবকেই চলে আসবে প্রযুক্তি বিষয়ক সর্বশেষ খবরগুলো। এসব প্রকাশিত খবরের শিরোনামের পরে থাকা লিংকে ক্লিক করেলে উক্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে এবং বিস্তারিত খবর পাওয়া যাবে। এছাড়াও টুয়িটার গ্যাজেট ব্যবহার করে নিজের ওয়েব সাইটে তথ্য প্রযুক্তির সর্বশেষ খবর প্রকাশ করা যাবে। আর টুয়িটারের ফেড ব্যবহার করেও ব্রাউজার থেকে এসব খবর পাওয়া যাবে।

টিপস কম্পিউটার হ্যাং করলে

আমরা কম্পিউটার চালনার সময মাঝেমধ্যেই দেখি, হ্যাং হয়ে যায়। এ সময় যদি একসঙ্গে Ctrl+Alt+Del চাপি তাহলে টাস্ক ম্যানেজার খুলবে হবে। সেখান থেকে প্রসেস ট্যাবে গিয়ে explorer.exe কেটে দিন মেসেজ বক্স এলে ইয়েস করুন। এরপর একইভাবে আবার টাস্ক ম্যানেজার খুলেফাইলে গিয়ে নতুন টাস্ক হিসেবে আবার একই প্রক্রিয়া রান করান, দেখবেন কম্পিউটার এবার সচল হয়ে গেছে।

গুগল জানাবে শব্দের সংজ্ঞা

ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুগলের মাধ্যমে ইচ্ছে করলে যেকোনো শব্দের সংজ্ঞা জানা যাবে।
এ জন্য যে শব্দটির সংজ্ঞা জানতে চান তার আগে Define: লিখে সার্চ করলেই গুগল আপনাকে শব্দের সংজ্ঞা জানাবে।

প্রোগ্রাম ফোল্ডার স্থানান্তর

সাধারণত যে ড্রাইভে এ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল থাকে প্রোগ্রাম ফোল্ডার (C:||Program File||) সেই ড্রাইভে থাকে। এটি পরিবর্তনের জন্য ‘Run’ ওপেন করে regedit লিখুন। এখন ‘HKEY-LOCAL-MACHINE||SOFTWARE||Microsoft||Windows||Current Version মখন সাইড বক্সে Program File Dir-এ ডবল ক্লিক করুন। এবার default value is (C:||Program File)-এ C পরিবর্তন করে কাক্সিক্ষত ড্রাইভ লেটারটি বসান। এবার কম্পিউটার পুনরায় চালু করুন। প্রোগ্রাম ফাইলটি সি ড্রাইভ থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিলে, হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করলেও আপনার প্রোগামগুলো পরবর্তী সময়ে পাওয়া যাবে।

টুইটার থেকে ফেসবুকে

জনপ্রিয় মাইক্রো ব্লগিং টুইটারের স্ট্যাটাস বিভিন্নভাবে ফেসবুকের প্রোফাইলে হালনাগাদ করা যায়। কিন্তু ফেসুবুকের পেজে হালনাগাদ করার মতো পদ্ধতি কমই আছে। টুয়িটপোস্ট সাইট থেকে একাধিক টুয়িটারের স্ট্যাটাস একাধিক ফেসুবকের প্রোফাইল বা পেজে আপডেট করা যায়।
এ জন্য www.tweetpo.st সাইটে গিয়ে Sign up or login অংশে f Connect বাটনে ক্লিক করে ফেসবুকের Connect with Facebook অ্যাপলিকেশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ও লগইন করুন। এবার Add Twitter ট্যাবে Sign in with Twitter বাটনে ক্লিক করে টুয়িটার একাউন্টের সঙ্গে দিয়ে অথোরাইজেশন করুন। এবার পরবর্তী Add Facebook ট্যাবে Add Profile or Page বাটনে ক্লিক করে ফেসবুকের সঙ্গে অথোরাইজেশন করে প্রোফাইল বা পেজ নির্বাচন করে Next করুন। এখন ইচ্ছামতো লেবেল লিখে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে Done! বাটনে ক্লিক করে সমাপ্ত করুন এবং See all your connections বাটনে ক্লিক করে সেটিং পাতায় ফিরে আসুন। এভাবে আরও সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে + New connection বাটনে ক্লিক করে আরও সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার বাদ দিন

কখনো কখনো কম্পিউটারে ইনস্টল করা কোনো সফটওয়্যার ডিলিট বা আন-ইনস্টল করার পরও তা Add\Remove তালিকায় থেকে যায়। কম্পিউটারে ইনস্টল করা সফটওয়্যার অথবা প্রোগ্রাম ব্যবহারকারী ভুলবশত আন-ইনস্টল না করে সরাসরি ডিলিট করলে সাধারণত এ সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় প্রত্যেক কম্পিউটার ব্যবহারকারীকেই মাঝেমধ্যে এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে দেখা যায়। এ সমস্যার একটি কার্যকর সমাধানের জন্য ব্যবহারকারীকে উইন্ডোজের রেজিস্ট্রি ফাইলটি সম্পাদনা করতে হবে। এ জন্য শুরুতে Start>Run-এ যেতে হবে। এবার, ডায়ালগ বক্সে Tugedit কথাটি লিখতে হবে। এরপর HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\ Microsoft\windows\current version\uninstall অংশে চলে যেতে হবে। এখন, এখান থেকে যে সফটওয়্যারগুলোকে ব্যবহারকারী ইতিমধ্যে আন-ইনস্টল বা ডিলিট করে ফেলেছেন, তা ওই তালিকা থেকে নির্বাচন করে মুছে ফেলতে হবে। এখন রেজিস্ট্রি এডিটরটি বন্ধ করে বেরিয়ে আসতে হবে।

Friday, March 19, 2010

কি-বোর্ডের কোনো বোতাম নষ্ট হলে করণীয়

বিভিন্ন কারণে কম্পিউটার কি-বোর্ডের নির্দিষ্ট কোনো একটি বা একাধিক বোতাম (কি) নষ্ট হতে পারে। কিন্তু সেই বোতামের বিকল্প বোতাম যদি না থাকে, তাহলে কি-বোর্ড পরিবর্তন ছাড়া কোনো গতি থাকে না। তবে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে নষ্ট বোতামের বিকল্প হিসেবে অন্য কোনো বোতাম ব্যবহার করা যেতে পারে।এ সফটওয়্যারটির নাম শার্প-কি।
শার্প-কি সফটওয়্যার দিয়ে ব্যবহারকারী চাইলে অন্য যেকোনো বোতামের অবস্থান (ম্যাপ) পরিবর্তন করে বিকল্প কি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাত্ কি-বোর্ডের বোতামটি রিম্যাপিং করে উইন্ডোজে বসাতে হবে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কোনো বোতাম ইচ্ছামতো পরিবর্তন বা নিষ্ক্রিয় করে রাখা যেতে পারে। মাত্র ২২ কিলোবাইটের (আনজিপ করার পর ৮৫) এই মুক্ত সফটওয়্যারটি www.randyrants.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে নিতে হবে। সফটওয়্যারটির প্রোগ্রামিং সংকেত পাওয়া যাবে www.codeplex.com\sharp-keys ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।
ধরা যাক, আপনার কি-বোর্ডের ব্যাকস্পেস বোতাম নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি চাইছেন ডানের কন্ট্রোল বোতামকে ব্যাকস্পেস হিসেবে ব্যবহার করবেন। এ জন্য সফটওয়্যারটি চালু করে অফ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এবার বাঁ দিকের Map this key (Form key) প্যানেল ডানের কন্ট্রোল বোতামটি নির্বাচন করতে হবে। এবার ডান দিকের to this key (to key) প্যানেল থেকে ব্যাকস্পেস কি নির্বাচন করতে হবে। বোতাম নির্বাচনের সহজ উপায় হচ্ছে প্যানেলের নিচের Type key বাটনে ক্লিক করে ওই কি চাপলে ওই কির নাম চলে আসবে। এবার OK করলেই হবে। কোনো কি নিষ্ক্রিয় করতে চাইলে ডানের সবচেয়ে ওপরে Turn key off নির্বাচন করতে হবে। এবার OK বাটনে ক্লিক করলে sharp-keys-এর তালিকায় যুক্ত হবে। এভাবে আপনি আরও বোতাম যুক্ত করতে পারেন। এখান থেকে আগের নির্ধারণ করা বোতাম মুছে ফেলতে পারেন। সব শেষে রেজিস্ট্রিতে পরিবর্তন সেট করতে write to registry বাটনে ক্লিক করলে একটি মেসেজ আসবে। এবার কম্পিউটার বন্ধ করে আবার চালু করতে হবে।

Thursday, March 18, 2010

ইন্টারনেট ছাড়াই জিমেইল ব্যবহার

ইমেইল ক্লাইন্টের নাম আমরা সবাই শুনেছি অনেকেই আউটলুক, ইউডোরা, থান্ডারবার্ডের মত ইমেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করে থাকেন। মেইল ক্লাইন্টের মাধ্যমে পপ সুবিধা থাকা মেইলগুলো ওয়েব মেইল থেকে ডাউনলোড হয়ে মেইল ক্লাইন্টে চলে আসে ফলে ইন্টারনেট ছাড়াই ইমেইল পড়া এবং লিখে সেভ করে রাখা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মেইল ক্লাইন্টে ওয়েবমেইলগুলো ডাউনলোড হয় ফলে ওয়েবমেইলে তা আর থাকে না, অন্য কোথাও থেকে আর পড়াও যায় না। যদিও জিমেইল পপ সুবিধা সাথে অনলাইনে মেইলের কপি রাখার ব্যবস্থা আছে। ফলে জিমেইল ব্যবহাকারীরা পপ সক্রিয় করে অন্য মেইল ক্লাইন্ট ব্যবহার করলে যে সুবিধা পেয়ে থাকে তাই পাওয়া যাবে জিমেইল অফলাইন দ্বারা। মূলত এটা জিমেইলকে অনলাইনের সাথে অফলাইনের যোগসূত্র তৈরী করে দিয়েছে। অফলাইনে জিমেইল ব্যবহার করতে হলে গুগল গিয়ার ইনস্টল করতে হবে। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার জিমেইল খুলে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে যান এবং Offline এর Enable অপশন বাটন নির্বাচন করে Save Changes বাটনে ক্লিক করে সেভ করুন। সেভ হবার পরে জিমেইল পুনরাই সক্রিয়ভাবে লোড হবার পরে উপরের ডানে Offline0.2 এ ক্লিক করুন তাহলে Install offline access for Gmail ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন।) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি মূলত ইউজারের Local Settings\Application Data এর মধ্যে সেভ হয়। সবশেষে Go into Flaky Connection Mode এ ক্লিক করুন। এরপরে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও তৈরী হওয়া শটকাটে ক্লিক করে অথবা https://mail.google.com/mail সাইটে গিয়ে মেইল পড়তে, লিখে সেভ করতে পারবেন। একই কম্পিউটারে, একই ব্রাউজারে, এভাবে একাধিক ইউজারের তথ্যও অফলাইন করে রাখা যাবে। এমনকি একই একাউন্ট একাধিক কম্পিউটারে অফলাইন করে রাখা যাবে। আর পোর্টেবল ফায়ারফক্সে ব্যবহার করলেতো কথাই নেই, ইচ্ছেমত বহন করা যাবে (সিডিতে রাইট করেও রাখা যাবে) আর অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তন বা নতুন করে ইনস্টল করলেও সমস্যা নেই। জিমইেল অফলাইন আপতত উইন্ডোজ (এক্সপি+), ম্যাক এবং লিনাক্সে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার৬+, ফায়ারফক্স ১.৫+, সাফারিতে সর্মথন করবে। এছাড়াও সকল ধরনের তথ্যই জিমেইলের অফিসিয়াল ব্লগ http://gmailblog.blogspot.com থেকে পাওয়া যাবে।

Saturday, February 27, 2010

কম্পিউটারে গুগল আর্থ

গুগল আর্থ গুগলের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সেবা। যে কেউ বিনা মূল্যে এই সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে নামিয়ে ব্যবহার করতে পারবে। এটি ব্যবহার করে কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) থেকে তোলা সম্পূর্ণ পৃথিবীর ছবি দেখা যায়। ঠিকানা লিখে খুঁজে বের করা যায় পৃথিবীর যেকোনো স্থানের ছবি। নিয়মিত এসব ছবি হালনাগাদ করা ছাড়াও সফটওয়্যারটিতে যুক্ত করা হচ্ছে নুতন নতুন সুবিধা। যেমন একেবারে শুরুতে এটিতে শুধু স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দেখা যেত। পরবর্তী সময়ে যুক্ত করা হয় বিশেষ বিশেষ স্থানের ত্রিমাত্রিক মডেল। এর পরপরই চালু করা হয় ‘স্ট্রিট ভিউ’ সুবিধাটি, যেখানে বিভিন্ন এলাকার ছবি যুক্ত করা হয়। বড় ধরনের এই পরিবর্তন ছাড়াও ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের সুবিধা যুক্ত করা হচ্ছে নিয়মিতভাবে।
সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে সংগ্রহ করা গেলেও এটি ইনস্টল করার পদ্ধতিটি কিছুটা আলাদা ধরনের। সাধারণভাবে ডাউনলোড করা হলে খুব ছোট আকারের একটি ইনস্টলার ডাউনলোড হয়। সেটি ব্যবহার করে ইনস্টল শুরু করার পর মূল সফটওয়্যারের বাকি অংশ ডাউলোড হয়ে থাকে এবং প্রতিবার নতুন করে ডাউলোড করা হলে এমন ওয়েব থেকে বাকি অংশ ডাউলোড হয়। তবে নিচে দেখানো পদ্ধতিতে ডাউলোড করা হলে সেই ইনস্টলারটি দিয়ে, সফটওয়্যারটি দিয়ে সম্পূর্ণরূপে ইনস্টল করা যাবে এবং এই পদ্ধতিতে ইনস্টলের সময় অতিরিক্ত অংশ সরাসরি ইন্টারনেট থেকে ডাউলোড করতে হবে না।
পদ্ধতি হলো:
১. গুগল আর্থ ডাউনলোড করার জন্য http://earth.google.com খুলেকরে Download Google Earth বাটনে ক্লিক করতে হবে।
২. এবার নতুন যে পাতাটি ওপেন হবে, সেটির একেবারে শেষের অংশে Agree and download বাটনের নিচে ছোট অক্ষরে Customize your installation with advanced setup. লিংটি দেখা যাবে। সেখানে advanced setup লিংকে ক্লিক করতে হবে।
৩. নতুন ওপেন হওয়া পাতা থেকে অফলাইন ইনস্টলারের জন্য বিভিন্ন অপশন নির্ধারণ করে দিতে হয়। Agree and download বাটনে ক্লিক করার আগে”Allow Google Earth to automatically install recommended updates.-এর পাশের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিতে হবে। অন্যান্য অপশন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী চালু বা বন্ধ রাখা যাবে।
৪. এবার ডাউনলোড বাটনটিতে ক্লিক করলে ডাউনলোড শুরু হবে।
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা সরাসরি ডাউনলোড করতে পারবেন এই ঠিকানা থেকে http://dl.google.com/earth/ client/advanced/current/GoogleEarthWin.exe।

Friday, February 19, 2010

গুগল ডক্সের ফাইল কম্পিউটারে ব্যাকআপ নেওয়া

যারা জিমেইল ব্যবহার করেন তাদের বেশীর ভাগই ফাইল সংরক্ষণ বা ব্যবহারের জন্য গুগল ডক্স ব্যবহার করে থাকেন। গুগল ডক্সের ফাইলগুলো সহজেই ডাউনলোড করা যায় জিডক্সব্যাকআপ সফটওয়্যার দ্বারা। মাত্র ১৯০ কিলোবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যারটি http://code.google.com/p/gdocbackup/ বা http://gs.fhtino.it/gdocbackup থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন (এজন্য অবশ্য ডট নেট ২.০ প্রয়োজন হবে)। এই সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের পাশাপাশি লিনাক্সেও চলবে। এবার সফটওয়্যাটি চালু করে জিমেইলের ইউজার, পাসওয়ার্ড দিন এবং কোথায় সেভ করবেন না নির্ধারণ করে সেভ বাটনে ক্লিক করে Exec বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত একাউন্টের ডক্সে থাকা সকল ফাইল (ফোল্ডারসহ) সেভ হবে।

পাওয়ারপয়েন্ট থেকে ফ্লাশে রূপান্তর

উপস্থাপনা বা প্রেজেন্টেশনরে জন্য মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টের বিকল্প নেই। জনপ্রিয় এই প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারের স্লাইডগুলোকে ফ্লাশ (.swf ফরম্যাটের) রূপান্তর করতে পারলে ওয়েব সাইটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ কাজে দেবে। অথোর পয়েন্ট লাইট (www.authorgen.com) সফটওয়্যার দ্বারা পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইডগুলো ফ্লাশে রূপান্তর করা যায়। তবে এর চেয়ে আইসিপ্রন্ট কনভার্টার বেশী উপযোগী। আইসিপ্রন্ট কনভার্টার ইনস্টল করলে পাওয়ার পয়েন্টে আইসিপ্রন্ট কনভার্টার টুলবার আসবে। এখানে Quick Publish বাটন দ্বারা আপনি চলতি ডকুমেন্টের স্লাইডগুলোকে .swf ফরম্যাটে ওয়েবপেজসহ তৈরী করতে পারবেন। এবং Publish বাটনে ক্লিক করে কাস্টমাইজ করতে পারবেন। এছাড়াও স্লাইডে পূর্বের তৈরী করা ফ্লাশ ফাইল যুক্ত করা যাবে। স্লাইডে সকল এ্যানিমেশন, শব্দ বা অনান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে। ব্যানার, ই-কার্ড বা স্লাইডশো তৈরীতে এটা বেশ কাজে আসবে। আইসিপ্রন্ট কনভার্টার সফটওয়্যারটি পাওয়ার পযেন্টের সকল সংস্করণেই চলবে। ৭.১১ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.ispringsolutions.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন আর উপভোগ করুন ফ্লাশের নতুন স্বাদ।

ডেক্সটপে রাখুন উইডগেট

উইডগেট ব্যবহার করে ডেক্সটপকে আরো আর্কশনীয় করতে পারেন। এর সাহায্যে ডেক্সটপ থেকেই আরএসএস সাইটের খবর ব্রাউজ ছাড়ায় দেখা যাবে। এছাড়াও রয়েছে, এনালগ ঘড়ি, ব্রাউজার ছাড়াই মেইল চেক করা, সার্চ করা এবং আরো বিভিন্ন দরকারী সুবিধা। উইন্ডোজ ভিসতাতে নিজস্ব উইডগেট থাকলেও অনান্য অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উইডগেট রয়েছে বিভিন্ন সাইটের। জনপ্রিয় এবং আকর্শনীয় ছয়টি উইডগেটের ঠিকানা এবং সামান্য তথ্য দেওয়া হলো।
ইয়াহু উইডগেট: উইন্ডোজ এবং ম্যাকের উপযোগী ইয়াহু! উইডগেট এক কথায় অসাধারণ। http://widgets.yahoo.com সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
গুগল উইডগেট: লিনাক্স প্লাটফরমসহ এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। গুগল ডেক্সটপ নামে পরিচিত এই উইডগেটে ব্যাক্তিগত তথ্য যোগ করা যায়। এছাড়াও আইগুগল www.google.com/ig নামে অনলাইনে গুগলের আরেকটি সেবা রয়েছে। http://desktop.google.com সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
অপেরা উইডগেট: এটিও উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাকে চলবে। অপেরা উইডগেট ব্যবহার করতে হলে অপেরা ওয়েব ব্রাউজার ৯ বার এর পরের সংস্করণ (www.opera.com/download) লাগবে। http://widgets.opera.com সাইট থেকে অপেরা উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
এডোবি এয়ার: এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। এটি www.yourminis.com/minis সাইট ছাড়াও ডেক্সটপে চলবে। http://labs.adobe.com/downloads/air.html সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
ক্লিপফলিও: শুধুমাত্র উইন্ডোজের উপযোগী এই উইডগেট www.klipfolio.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
এমনেষ্টি জেনারেটর: এই উইডগেট শুধুমাত্র ম্যাক ওএক্স এবং উইন্ডোজ ভিসতাতে চলবে। http://amnesty.mesadynamics.com/GeneratorWin.html থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এটি ব্লগে এমবেট করে ব্যবহার করা যাবে।

গুগলে ওয়েবসাইট যুক্ত করা

আপনি গুগল খুলে আপনার নাম mehdi akram/মেহেদী আকরাম(ইউনিকোডে) বা মোবাইল নং (01552333272 /০১৫৫২৩৩৩২৭২) লিখলেন এবং সার্চ বাটনে ক্লিক করে দেখলেন আপনার ওয়েবসাইট সম্পের্ক তথ্য দিচ্ছে গুগল। তাহলে কেমন লাগবে! আপনার শখের বসে বা প্রয়োজনে তৈরী করা ওয়েবসাইট আপনি গুগলে যুক্ত করতে পারেন কোন খরচ বা ঝামেলা ছাড়াই। তাতে অন্য কেউ আপনার ওয়েবসাইটের বিষয় অনুসারে খুঁজে পাবে। অর্থাৎ গুগলে আপনার দেওয়া পছন্দের কীওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটের তথ্যসহ ওয়েবসাইটের ঠিকানা চলে আসবে। আপনি ইংরেজীর পাশাপাশি বাংলাতে কীওয়ার্ড লিখতে পারেন তাতে বাংলাতে আপনার ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া যাবে।যেভাবে যুক্ত করবেন: এজন্য প্রথমে গুগলের এই www.google.com/addurl সাইটে ঢুকুন। এবার URL: অংশে আপনার ওয়েব ঠিকানা দিন। আপনার ওয়েব ঠিকানা যদি www.mehdi-akram.tk হয় তাহলে আপনাকে http://www.mehdi-akram.tk লিখতে হবে। এবার Comments: অংশে কীওয়ার্ড লিখুন। এখানে আপনি আপনার নাম এবং ওয়েবসাইট সম্পের্ক (বিষয় এবং আনুসাঙ্গিক) তথ্য দিনে পারেন। এরপরে Optional: অংশের ছবিতে থাকা টেক্সট নিচের টেক্সট বক্সে লিখে Add URL বাটনে ক্লিক করলে আপনার সাইট যুক্ত হয়েছে নিশ্চিত করবে।এ মূহুর্তে আপনি সার্চ করলে আপনার সাইট পাবেন না। অন্ততঃ কয়েক দিন পরে সার্চ করে দেখুন, কি অপেক্ষা করছে গুগলে আপনার জন্য।

বিনামূল্যে পিকাসা ওয়েব এ্যালবাম

বিনামূল্যে অনলাইনে ফটো এ্যালবাম তৈরীর সুযোগ দিচ্ছে অনেক সেবামূলক সাইটই কিন্তু গুগল তাদের গ্রাহকদের জন্য একটু বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে পিকাসা ওয়েব এ্যালবামের সাহায্যে। এই ওয়েব ফটো এ্যালবামে ১ গিগাবাইট (১০২৪ মেগাবাইট) পর্যন্ত ফটো আপলোড করা যাবে। অনলাইন থেকে সরাসরি ফটো আপলোড করতে হলে একটি একটি করে ব্রাউজ করে আপলোড করতে হয় সেটা সময় সাপেক্ষ এবং আপলোডেও ধীর গতিতে হয় কিন্তু পিকাসা ২.০ সফটওয়্যারের সাহায্যে সহজে একটি ফোল্ডারের কয়েকশত (সর্বচ্চো ৫০০) ফটো সহজে এবং অল্প সময়ে আপলোড করা যায়। এছাড়াও নোটিফেকেশনের (আর.এস.এস) মাধ্যমে অন্যের এ্যালবামে নতুন ফটো আপলোড করার খবর পাবেন। আরো সুবিধা হচ্ছে আপলোড করা ফটো এ্যালবাম থেকে যেকোন এ্যালবাম এমবেট করে বা পিকাসা ২.০ সফটওয়্যার থেকে মাইস্পেস বা ব্লগারে ফটো আপলোড করতে পারবেন। এখানে ইচ্ছামত ফটো সাজানো যায় এবং এ্যালবামের ফোল্ডার শেয়ার বা ব্যাক্তিগতভাবে রাখতে পারবেন। মোট কথা নিজের ছবিগুলোর নিরাপদ সংরক্ষণের যায়গা পিকাসা। http://picasa.google.com ওয়েবসাইট থেকে লগইন করে ফটো এ্যালবাম সক্রিয় করুন এবং পিকাসা ২.০ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। প্রথমত পিকাসা কম্পিউটারের থাকা সমস্ত ফটো কয়েক সেকেন্ডর মধ্যে গুছিয়ে দেবে। এবার পিকাসা ২.০ সফটওয়্যার থেকে লগইন করে ছবি ওয়েব এ্যালবামে বা ব্লগে পোষ্ট করুন।

গুগলে দেখুন ব্যক্তিগত সার্চগুলো

একটি বিষয়ের উপরে আপনি অনেকদিন আগে গুগলে সার্চ করেছেন কিন্তু এখন সে বিষয়টি মনে করতে পারছেন না অথচ আপনার উক্ত বিষয়টি জরুরী দরকার। আপনি যদি জিমেইল একাউন্ট খোলা রাখা অবস্থায় উক্ত বিষয়ে সার্চ করে থাকেন তাহলে আপনার কোন চিন্তা নেই, আপনার সার্চের বিষয়সহ কোন কোন ওয়েবসাইট খুলেছেন তার সমস্ত বিবরণ পাবেন গুগল পার্সনালাইজড সার্চে। আপনি নিশ্চয় খেয়াল করেছেন আপনার জিমেইল একাউন্ট খোলা অবস্থায় গুগলে সার্চ করলে আপনার মেইল ঠিকানা গুগলের হোম পেইজের উপরের দিকে দেখা যায়। এমতবস্থায় আপনি যত কিছু সার্চ করেন বা সার্চ করার পরে বিষয়ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলো খুলে থাকেন তার সবই মনে রাখবে গুগল পার্সনালাইজড সার্চ। অর্থাৎ আপনার একাউন্ট একটিভ অবস্থায় আপনার খোঁজাখুঁজির সব খবরই গুগল পার্সনালাইজড সার্চ রেখে দিচ্ছে। আপনি যদি সেসব দেখতে চান তাহলে www.google.com/psearch সাইট ঢুকুন। এবার আপনার জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন, তাহলে দেখবেন আপনার সকল সার্চিং এর তারিখ, বার, সময় এবং বিষয়সহ সার্চ করার পর কোন কোন ওয়েবসাইট খুলেছেন তার সব হিসেবই আছে। এখানে কিক করে আপনি পুনরায় আবার সার্চ করতে পারবেন বা পূর্বে খোলা ওয়েবসাইটে ক্লিক করে ওয়েবসাইট খুলতে পারেন। এছাড়াও পছন্দের ওয়েবসাইটিকে এখানে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

বিনামূল্যে গুগল এ্যাপস

যাদের নিজম্ব ডোমেইন আছে তারা নিজম্ব ডোমইনে মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সীমিত হোস্টিং স্পেস কেনার ফলে ইমেইলে বেশী যায়গা পান না। আর ইমেইল ব্যবহারহারকারী যদি অনেক হয়ে থাকে তাহলে বছরে বেশ কিছু টাকা গুনতে হবে হোস্টিং স্পেস বাবদে। কিন্তু আপনি যদি গুগলের এ্যাপস ব্যবহার করেন তাহলে কয়েকশত মেইল ঠিকানা পাবেন যার ধারণক্ষমতা ৭ গিগাবাইটেরও বেশী যা জিমেইলের মত। এছাড়াও গুগলের অনান্য সেবা ক্যালেন্ডার, চ্যাটিং ডক্সসহ সবাই পাবেন। আর এসব সেবাই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
রেজিস্ট্রেশন করা: এজন্য প্রথমে www.google.com/a এ যান। এবার ডানে See details and sign up বাটনে ক্লিক করে ডানের Not a business? Explore Standard Edition এ ক্লিক করুন। এবার Get Started বাটনে ক্লিক করুন। আপনার যেহেতু ডোমেইন কেনা আছে সেহেতু I want to use an existing domain name এর Administrator: I own or control this domain অপশন বাটন নির্বাচন করে নিচের বক্সে ডোমেইনের নাম (ধরি www.shamokaldarpon.com) লিখে Get Started বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফরমের তথ্যগুলো পূরণ করে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন administrator account এর ইমেইল পাসওয়ার্ড পূরণ করে I accept Continue with set up বাটনে ক্লিক করুন।
ভেরিফিকেশন করা: এবার ডোমেইন ভেরিফিকেশন করতে Verify domain ownership লিংকে ক্লিক করুন। এখন ড্রপডাউন থেকে Upload an HTML file নির্বাচন করে নিন্মাক্ত (অনেকটা এরকম google3abdfaaf6725f30c) কপি করে নোটপ্যাড খুলে পেস্ট করুন এবং googlehostedservice.html নামে সেভ করুন। এবার উক্ত এইচটিএমএল ফাইলটি (www.shamokaldarpon.com সাইটে) আপলোড করুন এবং ২নং এর লিংকে (www.shamokaldarpon.com/googlehostedservice.html) ক্লিক করুন। এবার Verify বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন শেষ করুন। তাহলে কিছুক্ষণের (সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা) মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হবে।
মেইল সক্রিয় করা: মেইলকে সক্রিয় করতে Mail Exchange (MX) records পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে উক্ত ঠিকানাতে মেইল আসবে বা যাবে না। এজন্য Dashboard থেকে Email এর Activate email ক্লিক করুন। এখানে (Set up email delivery) MX Server address এবং Priority দেয়া আছে। এবার shamokaldarpon.com এর cpanel এ লগইন করে MX Entry তে যান। এবং যেকোন MX Server address এবং Priority সেট করুন। এবার গুগল এ্যাপসের Set up email delivery এর I have completed these steps বাটনে ক্লিক করে মেইল সক্রিয় করুন।
নতুন ইমেইল ঠিকানা যোগ করা: নতুন ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে Users and groups থেকে Create new user এ ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা তৈরী করতে পারবেন।
নিজস্ব আইকন যোগ করা: ইমেইলে বা লগইনের সময় গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন যোগ করার জন্য Domain settings এর Appearance এ যান। এখন Custom logo এবার নির্বাচন করে ১৪৩ x ৫৯ সাইজের আপলোড করুন। ব্যাস এথন থেকে গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন দেখা যাবে।
ভবিষ্যতে ইমেইল লগইন করতে http://mail.google.com/a/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় এবং সিপ্যানেলে লগইন করতে www.google.com/a/cpanel/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় লগইন করতে হবে।

যত খুশি ফ্রি এসএমএস করুন

ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এসএমএস করার অনেক ওয়েবসাইট আছে কিন্তু www.wadja.com তাদের থেকে একটু ব্যাতিক্রম। এখানে থেকে কোন প্রকারের বাধ্যবাধকতা ছাড়ায় যত খুশি এসএমএস করা যাবে যেকোন অপারেটরে। এছাড়াও এখানে রেজিষ্ট্রেশন করতে কোন মোবাইল নম্বরের প্রয়োজন হয়না। শুধুমাত্র ই-মেইলের ঠিকানাতে আসা লিংকে ক্লিক করে একাউন্ট একটিভ করা যাবে। ১১৭ ক্যারেক্টটারের এসএমএস পাঠানো যাবে এর সাথে আপনার প্রফাইলের ঠিকানাও যাবে। আপনার ইউজার যদি mehdiakram হয় তাহলে প্রফাইলের ঠিকানাও www.wadja.com/mehdiakram হবে। আপনার প্রফাইলে ছবি সহ বিভিন্ন তথ্য দিয়ে রাখতে পারেন।

দিনে ১টি ফ্রি এসএমএস

ইন্টারনেট থেকে ফ্রি এসএমএস করার বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে। কিছুদিন পরে এগুলো থেকে আর ঠিকমত এসএমএস করা যায় না। এসব সাইটগুলোর মধ্যে টক এসএমএস অন্যতম। এখান থেকে দিনে একটি ফ্রি এসএমএস করা যায়। বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, ওয়ারিদ, বাংলালিংক এবং একটেল সমর্থন করে।
প্রথমে www.talksms.com গিয়ে মোবাইল নম্বর (দেশের কোড +৮৮ সহ) দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে, তাহলে মোবাইলে একটি এ্যকটিভিশন কোড আসবে যা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে হবে। এরপরে লগইন করে Send SMS ট্যাবে গিয়ে ১৬০ অক্ষরের এসএমএস পাঠাতে পারেন। প্রাপকের কাছে প্রেরক হিসাবে আপনার রেজিষ্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বর দেখাবে। আর এসএমএস এর নিচে ওয়েবসাইটের ঠিকানাও থাকবে।
এই সাইটে SMS Log এ প্রেরিত এসএমএস সংরক্ষিত থাকে তাছাড়া Contacts এ মোবাইল নম্বর সংরক্ষন করে রাখা যায়।

মাইক্রোসফট অফিসে চলবে ওপেন অফিসের ফাইল

লিনাক্স বেসড অপারেটিং সিস্টেমে অফিস প্রোগ্রাম হিসাবে ব্যবহার করা হয় ওপেন অফিস। উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যের এই ওপেন অফিস পাওয়া যায় www.openoffice.org এবং বহনযোগ্য সংস্করণ পাওয়া যায় www.portableapps.com এখানে।
ওপেন অফিসে মাইক্রোসফট অফিসের ফাইল সমর্থন করলেও ওপেন অফিসের ফাইলগুলো (.odf) মাইক্রোসফট অফিসে সমর্থন করে না। তবে একটি প্লাগইন ব্যবহার করলেই ওপেন অফিসের ফাইলগুলো যেমন মাইক্রোসফট অফিসে চলবে তেমনই মাইক্রোসফট অফিস থেকে ওপেন অফিসের ফরম্যাটে ফাইলগুলো সংরক্ষণ করা যাবে। প্লাগইনটি www.sun.com/software/star/odf_plugin/get.jsp থেকে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে ডাউনলোড করা যাবে।

পছন্দের ওয়েবসাইটগুলো রাখুন গুগল বুকমার্কে

আমার সাধারণত পছন্দের ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজারের বুকমার্কে (ফেভারিটে) রাখি। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় এবং বেশী ব্যবহার করা হয় এমন এবং বড় ওয়েব লিংক। কিন্তু নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনষ্টল করলে বুকমার্কের তথ্য হারিয়ে যায় বা ভিন্ন ভিন্ন ব্রাউজার ব্যবহার করলে সুবিধা পাওয়া যায় না। এছাড়াও ক্যাফে, বন্ধুর বাসার বা অন্য কারো কম্পিউটার ব্যবহার আপনার নিজের কম্পিউটারের বুকর্মাকের সুবিধা পাবেন না। আর আপনার কম্পিউটার অন্য কেউ ব্যবহার করলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ বুকমার্কগুলো তার কাছে আর গোপন থাকবে না। এসব সমস্যার সমাধানে আপনি অনলাইনে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন আপনার পছন্দের ওয়েবসাইট বা ওয়েব লিংকগুলো। বিভিন্ন অনলাইন বুকমার্কের ওয়েবসাইট আছে তবে গুগল বুকর্মাক বেশ সুবিধাজনক। অন্তত যারা জিমেইল ব্যবহার করেন তাদের জন্য নতুন করে লগইন করার প্রয়োজন হয় না। আপনার ব্রাউজারে যদি গুগল টুলবার ইনষ্টল করা থাকে তাহলে গুগলে লগইন করে বুকমার্ক বাটন থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এছাড়াও বুকমার্কের ওয়েবসাইট www.google.com/bookmarks থেকেও বুকমার্ক যোগ করা, মুছে ফেলা বা সম্পাদনা করতে পারবেন। এজন্য অবশ্য আপনার গুগল একাউন্ট থাকতে হবে এবং একাউন্টে লগইন করে আপনি এই সুবিধা পাবেন।

Tuesday, February 16, 2010

বেড়েছে সাইবার অপরাধ

বিশ্বব্যাপী হ্যাকিং নিয়ে ব্যাপক হৈ চৈ। হ্যাকিং প্রবণতার আরও বিস্তার ঘটিয়েছে হ্যাকাররা আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন করে। হ্যাকিং-এর পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বে বেড়েই চলেছে অনলাইন ক্রাইম বা সাইবার ক্রাইম। সাইবার অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িতদের নেই কোন নির্দিষ্ট সীমারেখা। পুরো বিশ্বই তাদের অপরাধের বিশাল ক্ষেত্র, বিশ্বকে তারা সাইবার অপরাধের একক ক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বিভিন্নভাবে এসব অপরাধী তাদের হীনকর কর্মকান্ড যথেচ্ছাই চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কোটি কোটি লোক। সাইবার অপরাধীরা এসব কর্মকান্ডকে তাদের আয় উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে এবং লাভজনকভাবে পুরো বিশ্বকে এক ভেবে ইন্টারনেটে অপরাধ করেই যাচ্ছে। সাইবার অপরাধ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র হয়ে পশ্চিম ইউরোপ, পূর্ব ইউরোপ থেকে এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং এসব অপরাধ মূলত ডিজিটাল অপরাধসমূহ আর্থিকভাবে খুবই লোভনীয় হওয়ার পাশাপাশি এসব অপরাধের দন্ড প্রদান ব্যবস্থাও অপ্রতুল। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের সাইবার অপরাধের দেশীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোন তথ্যপূর্ণ পরিসংখ্যান নেই। তবে তাদের অভিমত এই যে যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন অঞ্চলে এ সমস্যা বেড়েই চলেছে। একটা ছোট্ট উদাহরণ হলো প্রতি ১ ঘন্টায় প্রায় ৩০০০০ স্প্যাম মেইল বিভিন্ন ইনবক্স আসে যার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফিশিং এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধনশীল অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু দেশকে ভাবিয়ে তুলেছে। ইউএন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ অপরাধে নিকোল রোমান নামে এক অপরাধীকে বুলগেরিয়া হতে ফিরিয়ে এনে ৫০ মাসের জেল দিয়েছে। যদিও হাজার হাজার অপরাধী এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য এসব সাইবার অপরাধ দমনে কার্যক্রম খুবই তোড়জোড় শুরু করেছে। হিলারী ক্লিনটন ও রোমানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত মে মাসের ৮ তারিখে এ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি করেছে। ফিশিং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মূলত গত বছর থেকে সাইবার অপরাধ দমন পুরোদমে কাজ শুরু করলেও বিশ্বের অনেক দেশ এখনও এসব বিষয়ে কোন অগ্রগতিই করতে পারেনি। এসব কার্যক্রমের ফলে ফিশিং অপরাধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৪০ জন অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। গত বছর আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অনুসন্ধান করে দেখা যায় যে ১০টিরও বেশি হ্যাকিং সংগঠন রয়েছে যেগুলোর অবস্থান ইউক্রেন, ইস্তোনিয়া, চীন ও বেলারুশ এ। বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং হয় এবং ক্ষতিকারী ওয়েব মেক্‌কলু বন্ধ করার পর মেইলে স্পাম প্রেরণ প্রায় ৭৫ ভাগ কমলেও, সিমানটেক এর মে ’০৯ মাসের তথ্য থেকে দেখা যায় যে সকল মেইলের ৯০ ভাগই স্পাম এবং এপ্রিল হতে মে’তে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ ভাগ। বর্তমানে বিশ্বের সাইবার অপরাধ দমনে শুধু নিজ দেশ সচেষ্ট হলেই হবে না দেশী-বিদেশী সরকারি-বেসরকারি সকল খাতের সাথেই সমন্বয়ের মাধ্যমে অপরাধ মোকাবেলা করতে হবে।

বর্তমান সময়ের কয়েকটি ক্ষতিকর কুখ্যাত সাইবার ক্রাইম টুল

ফিশিং স্প্যাম

এর মাধ্যমে মূলত ব্যাংক নোটিশ, ট্রাংক নম্বর ইত্যাদি স্পামের মাধ্যমে প্রেরণ করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে তাদের তথ্য লুট সহ ব্যাংক একাউন্ট হতে অর্থ লুট করা হয়। ফিশিং স্প্যাম মূলত মেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য চুরি করে অর্থ কামিয়ে নেয়।

স্টক স্প্যাম

বিগত কয়েক বছরে নতুন একধরনের স্প্যাম ওয়েব নিয়ে সাইবার অপরাধীরা ব্যাপক তৎপর তা হলো স্টক স্প্যাম। এর মাধ্যমে অপরাধীরা গ্রাহকদের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনতে অনুপ্রাণিত করে এবং নিজেরা এসব পয়সা হাতিয়ে নেয়। ৫২ বছর বয়স্ক এলওন গত এক বছরে চাইনিজ স্টকের নামে প্রায় মিলিয়ন মিলিয়ন স্পাম মেইল পাঠিয়ে গ্রাহকদের ঠকিয়েছে। সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ সংস্থা সমূহ এসব নিয়ে কাজ করলেও লক্ষ লক্ষ অপরাধী এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

ডিডিওএস (ডিস্ট্রিবিউটেড ডেনিয়েল অব সার্ভিস)

ফিশার ও ডাটা চোররা যখন পারে তখন ডাটা চুরি করে। তাদের বহুল প্রচলিত ডিডিওএস এর মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়্যার লুকিয়ে গ্রহকদের পিসিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় এবং এর মাধ্যমে তথ্য চুরি করে। মে মাসে ১৯ বছরের ফিমিত্রি গুজনার তার এহেন অপকর্মের স্বীকার করেন, সে কিভাবে বিভিন্ন সায়েন্স ওয়েব থেকে তথ্য লুট করে তা স্বীকার করেছে।

সটিং

সটিং হলো অপরাধীদের নির্ধারিত ব্যক্তিদের ফোনের একাউন্টে অনুপ্রেবেশ করে ফোন একাউন্টের তথ্য নিয়ে কোম্পানিসমূহের তথ্য ও কোম্পানির কর্মকর্তাদেরও তথ্য চুরি করা হয়। এর মাধ্যমে তারা গ্রাহক, ব্যক্তির ফোন ব্যবহার করে পুলিশকে ফোন দিয়ে বলা হয় যেন সোয়াত টিম পাঠিয়ে তার সমস্যা সমাধান করে এবং এতে আক্রান্ত ব্যক্তি অযথাই হেনস্তা হন।

অভ্যন্তরীণ ডাটা চুরি

অনেকেই ইউএসবির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে পরিচিতজনদের তথ্য চুরি করে বিক্রি করে দেয় হ্যাকারদের কাছে। এর ফলে রিবুলো নামের একজন ধরা খেয়ে এখন ৫ বছরের সাজা প্রাপ্ত।

পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য চুরি

পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য বেশি জ্ঞানী হতে হয় না। শুধু আগ্রহী হয়ে একটু গবেষণা করলেই হয়। মূলত জন ডাটাবেজ হতে তথ্য নিয়ে কোন এক ‘লক্ষ্য’ ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য নিয়ে যেকোনো একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হ্যাকের মাধ্যমে প্রদান করে, ব্যাংকের কাছে আবেদন করে আক্রান্ত ব্যক্তির একাউন্ট হতে অর্থ তুলে লুট করা হয়।

এডওয়্যার

যদিও এডওয়্যার এখন তেমন ব্যাপক নয়, তবুও অপরাধীরা এখন এর মাধ্যমে করছে হাজার হাজার অপরাধ। লুটে নিচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। এডওয়্যারের মাধ্যমে সহজে লক্ষ লক্ষ পিসি’তে ঢুকে সহজেই লক্ষ লক্ষ পিসি হ্যাক করা যায়। এ কাজ করে ৫ বছরের জেল হয়েছে ২১ বছরের বরার্ট মেথিউ-এর। অবশ্য এডওয়্যারে যারা ব্যাপক সংঘবদ্ধ এবং এ কাজ তারা একত্রিতভাবে টার্গেট করে, ফলে ব্যর্থতা কম, বরং ফলপ্রসূ।

নকল সফটওয়্যার

নকল সফটওয়্যার পরিবেশন ও বিক্রি একটি সাধারণ অপরাধ। যা সহজেই করা যায়। প্রতিদিন সফটওয়্যার নকল করার মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় এবং এক্ষেত্রে আয়ও অন্যান্য যেকোন অপরাধের চেয়ে বেশি, ঝুঁকিও কম। বিশ্বের বহু দেশে এখন ব্র্যান্ডের আইটেম সমূহ নকল করে বিক্রি হয় এবং সবাই তা ব্যবহারও করছে। সাইবার অপরাধীদের ব্যাপ্তি এখন সর্বত্র। ডিজিটাল যুগের সাইবার অপরাধীরা হলো ডিজিটাল অপরাধী, এদের দমন সত্যিই কষ্টসাধ্য হবে।

পরিশেষে বলা যায় মানব কল্যাণের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ধ্বংসের বিষদাঁতটাও কম ধাঁরালো নয়। আমাদের সর্বাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এমনই এক ক্ষতিকর দিক হলো সাইবার বুলি। সাইবার বুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে বলতে গেলে যখন কেউ তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমকেও (যেমন : মোবাইল, মেসেজ রিসিভার, ইমেইল) ব্যবহার করে নানান হুমকি প্রদান করে। এটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ছাপিয়ে আমাদের দেশেও কার্যকর। এই জন্য এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।

খরচ বাঁচানোর পাঁচ মন্ত্র

আমরা যেসব খাতে টাকা ব্যয় করি তার মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে টাকা বেশি ব্যয় হয়। সবকিছুর মধ্যে থেকে ৫টি খাতের কিছু বিষয় বিবেচনা করে চলতে পারলে খরচের লাগাম অনেকটাই সামলে ধরা যাবে।

বাজেট

মাসের শুরুতেই পুরো মাসের খরচের একটা বাজেট তৈরি করে নিয়ে যদি খরচ করতে পারেন, তবে অনেকটাই অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধ করা যাবে। কি কি লাগবে, কোন খাতে কত ব্যয় করবেন এইসব প্ল্যান করে নিয়ে যদি খরচ করেন তবে বাহুল্য ব্যয় অনেকটাই রোধ করা যাবে।

যাতায়াত

দিন দিন যে হারে জ্বালানী তেল, গ্যাসের দাম বাড়ছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গাড়ি, সিএনজি ভাড়াও। এইসব দিক বিবেচনা করে যাতায়াতের জন্য পাবলিক বাস ব্যবহার করল খরচ অনেক কমে যাবে। কোথাও তাড়াতাড়ি যাবার তাড়া থেকে ক্যাব বা সিএনজি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাড়াহুড়া না করে যদি হাতে অনেকটা সময় নিয়ে গন্তব্যদের দিকে রওনা হন তবে ক্যাব বা সিএনজির ভাড়াটা বেঁচে যাবে।

মোবাইল বিল

আজকের তরুণদের মধ্যে প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে মোবাইলে দীর্ঘ সময় কথা বলার একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে। তারুণ্যের উচ্ছলতা তো থাকবেই। তাই বলে রাত জেগে কথার ফুলঝুড়ি ফোটানোর দরকার নেই। ইদানীং আরও একটা ব্যাপার লক্ষ্য করা যায় প্রতিদিন মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড সিস্টেম চালু হবার পর থেকে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়। এক্ষেত্রে যেটা হয় সেটা হল প্রায় প্রতিদিনই অল্প অল্প করে ব্যালেন্স রিচার্জ করে বেশি তরুণরা। এতে দেখা যাবে এইসব মোবাইল বিলের সঠিক কোনো হিসাব থাকছে না। অনেক বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি হিসাব করে মাসের শুরুতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যালেন্স মোবাইলে রিচার্জ করেন তবে সেই লিমিটের মধ্যে মাস শেষ করতে চেষ্টা করুন। এতে ব্যয় অনেকটাই কমে যাবে।

খাবার

তরুণদের মধ্যে বেশি বাইরের খাবার, ফাস্ট ফুড এইসব খেতে দেখা যায়। বন্ধুদের সাথে কফি শপে, আইসক্রিম পার্লারে বা কোন রেস্তোরাঁয় আড্ডা মারতে মারতে সাথে চলতে থাকে খাওয়া। এতে করে অনেকটা বেশিই খরচ হয়ে যায়। তাই আড্ডার ফাঁকে খাওয়ার খরচ কমাতে কোনো পার্কে বা কোনো বন্ধুর বাসায় বা কলেজ ক্যাম্পাসের বন্ধুদের সাথে গল্প করতে পারেন জমিয়ে। আর বন্ধুদের খাওয়াতে চাইলে বাইরের খাবার না খাইয়ে বাসায় দাওয়াত করতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যসম্মত খাওয়াও হবে, সাথে বাহুল্য খরচ অনেকটাই কমে যাবে।

শপিং

এই খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে তরুণীরা। বান্ধবীরা মিলে মার্কেটে ঘুরতে যাওয়া অনেক তরুণীরই প্রিয়। এতে করে মার্কেটে ঘুরতে ঘুরতে অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা হয়ে যায়। এতে অনেকটা খরচ হয়ে যায়। আরও একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়, কারও সাথে শপিং-এ গেলে তার দেখাদেখি কিছু একটা কিনে ফেলা, সেটা আসলেও তার ততটা প্রয়োজন নেই এমন কিছু। তাই যারা এমন কিছু বাড়তি খরচ করেন তারা মার্কেটে ঢুকবার আগেই মনস্থির করে নিবেন যে অপ্রয়োজনীয় কিছু কিনবেন না। সেটাও যদি সম্ভব না হয় তবে পারতপক্ষে মার্কেটে যাওয়া কমিয়ে দিন।

মোবাইল ফোনের যত্ন

প্রিয়জনের সাথে যোগাযোগের জন্য রয়েছে নানা মাধ্যম। তবে আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় এ সব মাধ্যমের মধ্যে কোনটি অত্যাধুনিক এবং দৃষ্টিনন্দন, তাহলে আপনি চোখ বন্ধ করে বলে উঠবেন- মোবাইল। প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি অনেকদিন ধরে কার্যকর রাখতে যত্ন আত্তির কোন বিকল্প নেই। দক্ষ হাতে যত্ন করলে আপনার সেটটি শুধু কার্যকরই নয়, নজর কাড়া থাকবে অনেকদিন ধরে। যে জিনিসটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে দিচ্ছে বন্ধু সুলভ সুবিধা, তার নাম মোবাইল ফোন। এদেশে প্রথম যখন মোবাইল ফোনের প্রচলন হয়, তখন শহরে গুটি কয়েক মানুষের হাতে দেখা যেত কেবল। তাও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা স্থানীয় লোকজনের হাতে। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে হোক কিংবা ব্যয় বহুলতার জন্যই হোক, গ্রামের পর গ্রাম ঘুরেও কোন মোবাইলের সন্ধান মিলতো না। কিন্তু এখন শহরে সবার হাতে হাতে তো বটেই, এমনকি নিভৃত গ্রামেও প্রায় সবার হাতে শোভা পায় মোবাইল। তরুণ-তরুণীদের কাছে মোবাইল শুধু প্রয়োজনীয়ই নয়, বিশেষ ফ্যাশনও বটে। যে কোনো প্রয়োজনীয় জিনিসেরই সঠিক যত্ন না নিলে তা অনেকদিন ধরে সচল থাকে না। বিশেষ করে কল-কব্জার জিনিস। এ দৃষ্টিকোণ থেকে মোবাইলের সঠিক যত্ন নেয়া অতি জরুরী। সে যত্নের ধরণ কেমন হবে, তা হয়তো অনেকেই জানেন। তবে যারা জানেন না, কিংবা জেনেও প্রয়োগ করতে চান না, তাদের জন্য মোবাইলের যত্ন আত্তির কিছু পদ্ধতি তুলে ধরা হলো-

০ মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি কমন ব্যাপার হলো চার্জ দেয়া। আপনার সেটে চার্জ যখন ২৫% অবশিষ্ট থাকবে, তখনই উচিত হবে নতুন করে চার্জ দেয়া। তবে চার্জ না ফুরালেও ঘন ঘন চার্জ দিলে কিংবা মোবাইলের ব্যাটারীর ভোল্টের চেয়ে অধিক ভোল্ট সম্পন্ন চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে সেটের ক্ষতি হওয়ার আশংকা আছে। এছাড়া যখন চার্জ দেয়া হবে, তখন আংশিক চার্জ না দিলে ব্যাটারী ফুল করে চার্জ দেয়া উচিত।

০ আপনি অসতর্ক হলে তো কোন কথা-ই নেই, সতর্ক হলেও কখনো কখনো আপনার সেটটি হাত ফসকে পড়ে যেতে পারে মাটিতে কিংবা পাকা ফ্লোরে। তাই সময় থাকতেই সাবধান হওয়া উচিত। বাজারে এখন নানা রকমের কাভার পাওয়া যায়। আপনি যদি সেসব কাভার থেকে পছন্দসই কোন কাভার এনে ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার সেটটি অসতর্ক মহূর্তে হাত থেকে পড়ে গেলেও খুব একটা ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা নেই।

০ এ কথা সত্যি যে, কাভারের মধ্যে বন্দী করা হলে সেটের সৌন্দর্য কিছুটা হলেও হ্রাস পায়। তবে যখনই আপনি সেটটি কাভার মুক্ত করবেন, তখনই এর মধ্যে পরিলক্ষিত হবে নতুনের মতো চাকচিক্য। বিশেষ করে খুব পুরনো সেটে দেখা যায় কী-এর নাম্বার মুছে গেছে আঙ্গুলের চাপ কিংবা ঘষার ফলে। কাভার ব্যবহার করলে এ সমস্যাটি কখনো হবে না।

০ আপনি যখন আপনার টাইট জিন্সের প্যান্টের পকেটে মোবাইল সেটটি রাখবেন, তখন আপনার উচিত হবে লক করে রাখা। নইলে যে কোনো সময় চাপ লেগে অহেতুক কোন নাম্বারে কল হয়ে আপনার টাকা কাটা যেতে পারে।

০ আপনি যদি কোনোভাবেই কাভার ব্যবহার করতে না চান, তাহলে আপনার উচিত হবে টাইট প্যান্টের পকেটে সেট না রাখা। রাখলে ঘষা লেগে লেগে সেটের সৌন্দর্য বর্ধনকারী রং এবং নকশা উঠে যেতে পারে।

০ আপনি যখন পাবলিক বাসে যাতায়াত করবেন, কিংবা মিটিং মিছিলের ভীড়ের মধ্যে অবস্থান করবেন, তখন ঢিলে-ঢালা প্যান্টের পকেটে সেট রাখলে চুরি হয়ে যাবার আশংকা রয়েছে। এ সময় সেটটি হাতে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

০ কী-এর ফাঁকে ফাঁকে ধুলো-ময়লা জমে নষ্ট হতে পারে আপনার সেটটির সৌন্দর্য। এ ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে এমন স্থানে সেট না রাখা, যেখানে ধুলো বালির আধিক্য রয়েছে। তবে ময়লা যদি জমেই যায়, তাহলে কী এর ফাঁক ফোকরের ময়লা পরিষ্কারে উত্তম উপায় হলো পরিচ্ছন্ন একটি ব্রাশ ব্যবহার করা।

০ মোবাইলের জন্য পানি অতি বিপজ্জনক। তাই কোনোভাবেই যেন সেটে পানি না লাগে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বৃষ্টির দিনে বাইরে বেরুনোর সময় সেটটি ওয়াটার প্রুফ ব্যাগ কিংবা কাগজের ভেতরে নিয়ে বের হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এ সময় কল আসলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে রিসিভ না করে আশেপাশের কোনো ঘরে গিয়ে রিসিভ করাই উত্তম। এতে সেটটি থাকবে নিরাপদ ও শুষ্ক।

০ মোবাইলে যদি পানি ঢুকেই যায় আর আপনার যদি মোবাইলের যন্ত্রপাতির ব্যাপারে কোন জ্ঞান না থাকে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে সেটটি কোন অপারেটরের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বিলম্ব করলে কিংবা না জেনে কোন ব্যবস্থা নিতে চাইলে সেটটির বড় ধরনের কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

০ সাধারণত বাচ্চারা মোবাইলের ব্যাপারে অতি উৎসাহী হয়ে থাকে। তাই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে তারা যেন সেটটি ধরলেও হাত থেকে ফেলে দেয়া কিংবা অন্যকোনো প্রকার অঘটন ঘটানোর সুযোগ না পায়। তবে তাদেরকে কী টেপার সুযোগ না দেয়াই ভাল।

০ আপনি যদি আপনার প্রিয় সেটটি অনেকদিন ধরে ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনার উচিত হবে যতোটা সম্ভব কম টেপাটেপি করা বিশেষ করে অতিরিক্ত গেমস খেলার অভ্যাস মোটেই ভাল নয়। এতে আপনার আদরের সেটটি দুর্বল হয়ে যাবে অতি তাড়াতাড়ি।

০ সেট নিয়ে যখন আপনি গাড়িতে চড়বেন। তখন সেটি ব্যাগে না রাখাই ভাল। ব্যাগে রাখলে হ্যাঁচকা ঝাঁকুনিতে যে কোনো সময় আপনার সেটটি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

০ দামী সেটতো বটেই, অন্য যেকোনো মূল্যমানের সেট নিয়েই রাতে পথচলা উচিত নয়। কারণ আজকাল ছিনতাইকারীদের বিশেষ নজর থাকে পথচারীর মোবাইলে সেটের প্রতি।

০ মোবাইল সেট হাতে নিলেই যদি আপনার যে কারো নাম্বারে মিসকল দেয়ার বদঅভ্যাস থেকে থাকে, তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব এই অভ্যাস পরিত্যাগ করা উচিত। এতে আপনার সেটের উপর টেপাটেপি অনেকাংশে কমে আসবে। আপনার সেট থাকবে অনেক দিন ধরে সবল এবং কার্যকর।

মোবাইল নিয়ে কিছু জানা ও অজানা

নোকিয়া মোবাইল নিয়ে কিছু তথ্য খুজতে গিয়ে হঠাত করে অন্য কিছু পেয়ে গেলাম। শিখার কোনো বিকল্প নাই। তাই লেখে নিলাম।
নোকিয়ার ফোনের মেইন স্ক্রিনে গিয়ে লেখুন-

*#06#
- এতে নোকিয়ার IMEI (International Mobile Equipment Identity) চেক করতে পারবেন।
*#7780#
- ফেক্টরি সেটিংস রিসেট হয়ে চলে আসবে।
*#67705646#
- এতে LCD ডিসপ্লে হতে অপারেটরের লোগো গায়েব হয়ে যাবে।
*#0000#
- মোবাইলের সফটওয়ার ভার্সন দেখা যাবে।
*#2820#
- ব্লটুথ যন্ত্রের এড্রেস জানা যাবে।
*#746025625#
- সীম ক্লকের অবস্থা জানা যাবে।
#pw+1234567890+1#
- সীমের কোনো প্রকার রেসট্রিকসান আছে কিনা তা জানা যাবে।
*#92702689#
- এতে মোবাইলের গোপন মেনুতে চলে যাবেন। যেখানে জানতে পারবেন,
১। মোবাইলের সিরিয়াল নম্বর
২। মোবাইল তৈরীর মাস ও বছর
৩। মোবাইল কেনার দিনক্ষণ (যদি থাকে)
৪। ...
...মোবাইলের শেষ মেরামতের দিনক্ষণ (যদি থাকে)
৫। মোবাইলটি কতক্ষণ হতে এখনো পর্যন্ত চালু রয়েছে

*#3370#
- EFR মানে, মাবাইলের নেটওর্য়াক সিগনাল আরো জরদার করতে। এর মাধ্যমে, সহজে কল করা ও রিসিভ করতে পারবেন যা সাধারণত করা দুস্কর। এতে, আপনি আপনার GPRS সার্ভিসের স্পিডে (যদি সার্ভিসটি চালু থাকে) অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন, যদি GPRS সার্ভিসটির নেটওর্য়াকটি তেমন ভালো না অথবা ধীর গতির হয়ে থাকে। ব্যাটারি কিন্তু জলদি জলদি যাবে।

*#3370*
- পূর্বের সার্ভিসটি বন্ধ করতে।

*#7328748263373738#
- এটি দিলেই মোবাইলের সিকিউরিটি কোড ডিফল্টে পরিবর্তিত হয়ে যাবে। ডোফল্ট কোড হল ১২৩৪৫। (বাংলাতে না কিন্তু )

মাবাইল আনলক করতে জিএসএম লিবার্টি ওয়েবসাইটে যেতে পারেন। এটি ফ্রি সার্ভিস দেয় বলে তো লেখা র‌য়েছে। গিয়ে বিস্তারিত দেখতে পারেন

Please Note: This is an ethical approach to learn some lessons. The writer shall not be liable for any of the consequences regarding to his writings.

মোবাইলের সিকিউরিটি কোড উদ্ধার করুন

আমরা অনেক সময় মোবাইলের ডিফল্ট সিকিউরিটি কোড পরিবর্তন করে ফেলি কিন্তু যদি পাসওয়ার্ড ভুলে যাই তখন ফ্লাশ দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। যারা এ ধরনের সমস্যায় পড়েছেন তারা Security Code Reader নামের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে এবার সেটআপ করে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন এবার com/usb cable এর মাধ্যমে connect করুন connection type নির্বাচন করুন phone type নির্বাচন করুন এবার read বাটনে ক্লিক করুন
এবার দেখুন আপনার সিকিউরিটি কোড show করছে.

বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস

আজব নিউজ! বাংলাদেশে ফ্রী কল? সম্ভব।

screenshot_client বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস

ফ্রী কল করার জন্য www.lowratevoip.com হতে তাদের ডায়ালার ডাউনলোড করুন। ডায়ালার টি সেটআপ করে একটি একাউন্ট তৈরি নিন। এবার টেস্ট কল হিসাবে বাংলাদেশের যে কোন একটি টি এন্ড টি নম্বার ডায়াল করুন। ডায়াল করুন এই ভাবে ৮৮০৩১৬৮XXXX।

বিনা ক্রেডিট এ ফ্রী টাইম শেষ হয়ে গেলে আপনি পুনরায় এই সুযোগ গ্রহন করার জন্য:



* প্রথমে control panel এ আসনু , add-remove হতে lowratevoip কে আনইন্সটল করে নিন।
* এবার এই লিংক হতে রেজ ক্লিনার সফটি ডাউনলোড করে সেটআপ করুন এবং তা রান করুন[ এটি ভিস্তায় রান হয় না]।
* এবার আনইন্সটল ইনফরমেন হতে লো-রেইট ভি.ও.আই.পি ইনফরমেশন রেজি এন্ট্রিটি খুজুন এবং তা সিলেক্ট করে মুছে ফেলুন।

এখন নতুন করে আবার লো রেইট ডায়ালারটি সেট করে, নতুন একটি একাউন্ট তৈরি করে নিন এবং পুনরায় ফ্রী কল করুন।



এবার আসুন আরো কিছু জানার চেস্টা করি:

আপনি যদি তাদের সাইটে হতে ক্রেডিট ক্রয় করেন তাহলে , এই ক্রেডিট ব্যবহার করে ৩০ দিনের মধ্যে মোট ৩০০ মিনিট ফ্রী কল করতে পারবেন। ফ্রী দিনগুলোর মধ্যে আপনি টি এন্ড টির ল্যান্ড লাইনে কল করলে কোন ক্রেডিট কাটবে না। তবে মোবাইলে কল করলে ০.০৭০ করে ক্রেডিট কাটতে থাকবে। এই ফ্রী টাইমের মধ্যে আপনি চাইলে মোবাইলেও ফ্রী কল করতে পারেন। ধরে নিন আপনি যাকে কল করছেন তার নম্বারটি হল ০১৭১৬XXXXXX। সাধারন নিয়মে কল করতে চাইলে তা ডায়াল করতে হয় ৮৮০১৭১৬XXXXXX। কিন্তু আপনি যদি ফ্রীতে কল করতে চান তাহলে ৮৮০ এর পর অতিরিক্ত আরেকটি ০ ব্যবহার করুন। অর্থাৎ ডায়াল করুন ৮৮০০১৭১৬XXXXXX।

lowratevoip_free1 বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস

তাছাড়াও ফ্রী টাইম শেষ হয়ে গেলেও আপনি উলেখিত পদ্ধতিতে ক্রেডিট কাটবে ০.০৩ করে।

আপনার কম্পিউটার এর বেসিক তথ্য জানুন

আপনার পিসিটির বেসিক সব তথ্য যা আপনার প্রয়োজন হতে পারে যেকোন সময়। আর জানতে হলে অনেক গুলো উপায়ের মধ্যে সবচেয়ে চমৎকার পদ্ধতি বোধহয় এইটা হতে পারে ট্রাই করে দেখেন

Start Menu -> Run এ CMD লিখে এন্টার দিন। কমান্ড প্রম্পট আসলে লিখুন systeminfo এবার এন্টার দিন। ব্যস হয়ে গেল। Winkদেখুন আপনার পিসির নাড়ী ভূড়ীর খবরা খবর বাহির হয়ে আছে। মজা নাLaughing! মজা পাইলে থ্যাঙ্কু দেন, না পাইলেও দেন। কষ্ট কইরা লিখছি।

এক্সপির বুট স্ক্রিন ডিজেবল করুন

উইন্ডোজ রান করার সময় আমরা যে বুট স্ক্রিন দেখি, আপনি ইচ্ছে করলে সেই বুট স্ক্রিনকেও ডিজেবল করতে পারেন। ফলে উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় বুট স্ক্রিন প্রদর্শন হবে না। অবশ্য এতে কোন প্রকার সমস্যাও হবে না। বুট স্ক্রিন ডিজেবল করতে আপনি প্রথমে Win Key+R বা Start মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন। এরপর লিখুন msconfig এবং লক্ষ্য করুন স্ক্রিনে System Configuration Utility প্রদর্শিত হবে।

এখন boot.ini এ ক্লিক করুন এবং /NOGUIBOOT বাটনে ক্লিক করে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। Apply -> OK করে চলে আসুন। OK করার পর রিস্টার্ট চাইবে। রিস্টার্ট দিন আর দেখুন আপনার বুট স্ক্রিন উধাও হয়ে গেছে।

কম্পিউটার কতক্ষন ধরে চলছে তার সময় জেনে নিন!!

নিজের কম্পিউটার কতক্ষণ ধরে ব্যবহার করছেন তা খুব সহজেই জানা যায়। এর জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন—

১) start > run এ যান।
২) এখানে CMD লিখে এন্টার চাপুন।

৩) এবার আপনার সামনে যে উইন্ডো চালু হবে তাতে systeminfo লিখে এন্টার চাপুন।

২) এবার আপনার কম্পিউটারের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
এখানে উল্লেখ থাকবে:
ক) কম্পিউটার কত সময়চলেছে
খ) কোন দেশের তৈরী
গ) স্পিড কত, প্রভৃতি।


Note : কম্পিউটারে ব্যবহৃত সময়ের হিসাব একদিন ১৯ ঘন্টা, ২৪ ঘন্টা নয়।

দৈনন্দিন কাজে গুগল ক্যালেন্ডার

প্রতিদিনই আমরা রুটিন মাফিক চলি। বিশেষ বিশেষ মুহুর্তগুলো আমাদের সতর্কতারসাথে মনে রাখতে হয়। বিশেষ কোন মুহুর্ত যদি সময় মত ভুলে যায় এবং সময়ান্তে মনে পরে তাহলে নিজের চুল ছিড়া ছাড়া কোন কিছু করার থাকে না। এমন যদি হতো কেউ আপনাকে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তের আগে জানিয়ে দিতো তাহলে কেমন হতো! গুগল ক্যালেন্ডার আপনার এসব ইভেন্টগুলোর নির্দিষ্ট সময় আগেই আপনার মোবাইলে এসএমএস করে, ইমেইলে করে বা পপআপ হিসাবে মনে করিয়ে দেবে, তাও আবার বিনা পয়সায়।
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে যে গুগলে একাউন্ট থাকতে হবে এটা বলা বাহুল্য। যারা গুগল এ্যাপস ব্যবহার করেন তারাও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পাবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে প্রবেশের জন্য জিমেইলে (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা তাদের মেইলে) লগইন করে উপরের calendar লিংকে ক্লিক করে অথবা সরাসরি www.google.com/calendar (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা https://www.google.com/calendar/hosted/ এরপরে ডোমেইন নাম লিখে) সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। আর মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য www.google.com/calendar/m বা m.google.com/calendar মাধ্যমে করা যাবে।
ক্যালেন্ডার যোগ করা: সাধারণত একটি ডিফল্ট ক্যালেন্ডার থাকে কিন্তু চাইলে আরো ক্যালেন্ডার যোগ করা যাবে। এক একটি ক্যালেন্ডার প্রাইভেট বা পাবলিক হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। নতুন ক্যালেন্ডার যোগ করার জন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Create new calendar এ ক্লিক করুন এবং ক্যালেন্ডারের নাম দিয়ে সেভ করুন।
এসএমএস সক্রিয় করা: মোবাইলের এসএমএস সুবিধা সক্রিয় করার জন্য Settings এ ক্লিক করে Mobile Setup ট্যাবে ক্লিক করুন। Phone number: অংশে +৮৮সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন এবং Send Verification Code এ ক্লিক করুন তাহলে আপনার মোবাইলে গুগল থেকে ভেরিফিকেশন কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, একটেল এবং ওয়ারিদ গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। এবার Verification code: টেক্সট বক্সে মোবাইলে আসা কোডটি লিখে Finish setup বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন সমাপ্ত করুন তাহলে সয়ংক্রিয়ভাবে Notifications ট্যাবে আসবে। এখানে By default, remind me via এর ড্রপডাউন থেকে SMS নির্বাচন করুন এবং ইভেন্টের কত সময় আগে এসএমএস পেতে চান তা লিখুন। চাইলে আরো রিমাইন্ডার (এসএমএস, মেইল, পপআপ) যোগ করতে পারেন। এরপরে Choose how you would like to be notified: এর SMS অংশে সবগুলো চেক বক্স চেক করে সেভ করুন। আপনি চাইলে পরবর্তিতে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন।
বর্তমান বাংলাদেশের সময় নির্ধারণ করা: বর্তমানে ১ ঘন্টা ঘড়ির কাটা এগিয়ে নেবার ফলে আপনাকেও গুগল ক্যালেন্ডারে ১ ঘন্টা এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য Settings এ ক্লিক করে General ট্যাব থেকে Your current time zone: অংশের Display all time zones চেক করুন। এবার উপরের ড্রপ ডাউন থেকে GMT+07.00 নির্বাচন করুন (ফলে Country: এর স্থলে অন্য দেশ দেখাবে)। চাইলে অনান্য সেটিংও পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশেষে সেভ করুন। মোবাইল ভেরিফিকেশন করার আগে টাইম জোন পরিবর্তন করলে মোবাইল ভেরিফিকেশন করা যাবে না।
ইভেন্ট যোগ করা: কোন ইভেন্ট যোগ করতে হলে গুগল ক্যালেন্ডারে গিয়ে Create Event এ ক্লিক করুন। এবার ইভেন্টর নাম, সময়, তারিখ নির্ধারণ করে সেভ করুন। Where এ কোন স্থানের নাম দিলে তা গুগল মাপে প্রদর্শিত হবে। চাইলে নিচের Options থেকে এই ইভেন্টের জন্য আলাদা রিমাইন্ডার এবং প্রাইভেসি নির্বাচন করতে পারবেন। আর কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে ডানের Guests থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানাতেও পারবেন। এছাড়াও Quick Add এ ক্লিক করে ইভেন্টের নাম স্পেস সময় এবং স্পেস দিয়ে তারিখ লিখে (যেমন, Dinner with Mehdi 7pm 2009-07-06) প্লাস (+) বাটনে ক্লিক করুন মেবাইল ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এভাবে ইভেন্ট যোগ করতে হবে। আপনি যদি জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকী বা অন্য কোন বার্ষিকী যোগ করতে চান তাহলে Repeats এ Yearly নির্বাচন করুন। তাহলে প্রতিবছর নতুন করে এই ইভেন্ট তৈরী করতে হবে না সয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিবছরই ইভেন্টি চালু থাকবে। এভাবে দরকারমতে Days, Weekly, Monthly নির্বাচন করতে পারবেন।
ইভেন্ট পরিবর্তন বা মুছে ফেলা: কোন ইভেন্ট মুছতে বা সম্পাদনা করতে হলে মূল ক্যালেন্ডার থেকে Day, Week, Month, 7Days বা Agenda এ ইভেন্টের উপরে ক্লিক করে সম্পাদনার জন্য edit event details» বা মুছে ফেলার জন্য Delete এ ক্লিক করলেই হবে। আর দুইবার ক্লিক করলে সম্পাদনার জন্য খুলবে এখান থেকেও সম্পাদনা বা মুছে ফলা যাবে।
ক্যালেন্ডার শেয়ার দেওয়া: ক্যালেন্ডার অন্যকে শেয়ার দিতে চাইলে Settings এ ক্লিক করে Calendars ট্যাবে থেকে Notifications এ ক্লিক করুন। এবার Share this calendar ট্যাব থেকে Make this calendar public চেক করে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিতে পারেন। আর নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে Share with specific people এ ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন (তাহলে উক্ত ব্যাক্তির মেইলে লিংকসহ মেইল যাবে)। আর পাবলিক (সবার জন্য উম্মুক্ত) ক্যালেন্ডার কোন ওয়েব পেজে দেখাতে চাইলে Calendar Details ট্যাবে ক্লিক করে Embed This Calendar অংশের কোড ওয়েব সাইটে রাখলেই হবে। চাইলে কোড সম্পাদনা করে ক্যালেন্ডারের সাইট ছোট-বড় করতে পারবেন। এছাড়াও Calendar Address বা Private Address এর লিংকও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ক্যালেন্ডার এক্সপোর্ট করতে চাইলে Calendars ট্যাবে থেকে Export calendars এ ক্লিক করে কম্পিউটারে সেভ করতে পারেন।
অন্যের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা: আপনার ক্যালেন্ডারে আপনি অন্যের শেয়ার করা ক্যালেন্ডার বা পাবলিক ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Browse public calendars এ ক্লিক করুন। এবার Friends’ Calendars ট্যাবে গিয়ে যার ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চান সেই ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন। অথবা আপনার মেইলে আসা ক্যালেন্ডার শেয়ারিং মেইলে ক্লিক করেও এ্যাড করতে পারেন। আর পাবলিক ক্যালেন্ডার যোগ করতে চাইলে Add by URL টাবে গিয়ে ক্যালেন্ডারের ইউআরএল লিখে এ্যাড করতে পারবেন। অন্যের এক্সপোর্ট করা ক্যলেন্ডার যোগ করতে চাইলে Import calendar ট্যাবে ক্লিক করে ইমপোর্ট করলেই হবে। এছাড়াও Browse Calendars ট্যাব থেকে কিছু দেশের ছুটির তালিকাসহ বেশ কিছু বিশেষ ক্যালেন্ডার যোগ করতে পারেন।
জিমেইলে গুগল ক্যালান্ডার প্রর্দশন করা: জিমেইলে লগইন করে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Google Calendar gadget এর Enable নির্বাচন করে সেভ করুন তাহলে বাম পাশের বাম পাশের প্যানেলে গুগল ক্যালেন্ডার দেখা যাবে।
গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার: যারা গুগল ডেক্সটপ (http://desktop.google.com) ব্যবহার করেন তারা http://desktop.google.com/plugins থেকে গুগল ক্যালেন্ডারের গ্যাজেট ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। তাহলে গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার প্রদর্শন করবে। এখানে লগইন করে ক্যালেন্ডার দেখা এবং ইভেন্ট তৈরী করা যাবে।
আইগুগলে গুগল ক্যালেন্ডার: আইগুগলে (www.google.com/ig) গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে লগইন করে Add stuff » এ ক্লিক করুন। এবার গুগল ক্যালেন্ডারটি এ্যাড করুন এবং আইগুগলে এসে ইচ্ছামত যায়গায় সেট করুন।
এডঅন্স: মজিলা থান্ডারবার্ডে গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে https://addons.mozilla.org/en-US/thunderbird/addon/4631 থেকে এডঅন্সটি ইনস্টল করলেই হবে।
অপলাইনে ব্যবহার করা: জিমেইলের মত গুগল ক্যালেন্ডারও অফলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার
গুগল ক্যালেন্ডারের উপরের ডানে Offline এ ক্লিক করে বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Enable offline access ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি আপডেট ব্রাউজার না হলে সমর্থন করবে না।
গুগল ক্যালেন্ডারে ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ এবং গতিময় করে তোলা যাবে।

অল ইন ওয়ান, সব কিছু চলবে একটার মধ্যে

মিডিয়া প্লেয়ার সবার কাছেই পরিচিত একটা নাম। নতুন করে পরিচয় দেয়ার মত কিছু নাই। আমরা এ ও জানি সব মিডিয়া প্লেয়ারে সব কিছু চলে না। তাই বাধ্য হয়ে আমাদের কে এই প্লেয়ার ঐ প্লেয়ার কত রকমের প্লেয়ার যে ব্যবহার করতে হয়। এই যন্ত্রণা থেকে কি মুক্তি পাওয়া সম্ভব? অবশ্যঅই সম্ভব কেন সম্ভব নয়। যদি আপনার কাছে থাকে অল ইন ওয়ান। মানে এক প্লেয়ার এ সবকিছু চলে এমন কিছু যদি আপনার কাছে থাকে। সব কিছু চলে এমন প্লেয়ার অনেক আছে তার মধ্যে অন্যতম হল ALShow নামের এই মিডিয়া প্লেয়ারটি। অসাধারণ এই প্লেয়ারটি আপনারা পাবেন সম্পূর্ণ ফ্রী তে। এখন বলি এই প্লেয়ারটিতে আপনি কি কি চালাতে পারবেন। অবিশ্বাস্য হলে ও সত্যি এই প্লেয়ারটি ৩০টির ও বেশি ফরম্যাট সাপোর্ট করে। Dvd, vcd, mp3, 3GP, ASF, ASX, DAT, DivX, FLV, IFO, M4A, M4V, MKA, MKV, MOV, MP4, MPA, MPE, MPEG, MPG, OGM, SMI, SMIL, SUB, TP, VOB, WM, WMP, WMV, WVX ইত্যাদি। শুধু কোডেক গুলি ডাউনলোড করে নিতে হবে। ALShow ডাউনলোড করার পরে কোডেক গুলি পেয়ে যাবেন। তো আর দেরি কেন সব কিছু বাদ দিয়ে নির্ভাবনায় ব্যবহার করুন এই ALShow মিডিয়া প্লেয়ারটি। আমি ব্যবহার করে খুব মজা পেয়েছি। আশা করি আপনারা ও পাবেন। ডাউনলোড করবেন এই লিংক থেকে অথবা এই লিংক থেকে।

পাল্টে ফেলুন ফেসবুকের থিম!

সবাই জানি এবং সবাই মানি এখনকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হল ফেসবুক। সময় পেলে একবারের জন্য হলেও ঘুরে আসি প্রতিদিন। কিন্তু প্রতিদিন একই রকমের থিম দেখতে দেখতে আর ভালো লাগে না। অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি অতি সহজে থিম পালটে ফেলতে পারেন। ফলে অনেক মজার মজার থিম ইচ্ছে করলেই পাল্টানো যায়। আমরা সবাই জানি ফেসবুকে তা করা যায় না। তাই খুঁজতে লাগলাম কি ভাবে ফেসবুকে এই কাজটা করা যায়। খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে ও গেলাম :)। খুব মজা পেয়েছিলাম তখন। তাই ভাবলাম এই মজাটুকু আপনাদের সাথেও শেয়ার করি। আশা করি আপনারা ও এই মজাটুকু উপভোগ করবেন।
আসা যাক কি ভাবে ফেসবুকে এটা করা যায়। আপনি ও পারবেন কঠিন কিছু নয়, খুব শহজ। প্রথমে এই লিংকে যান। দেখবেন হাতের বাম পাশে লিখা আছে install plugin ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড শেষে সেটাপ করুন। আবার আগের জায়গায় ফিরে আসুন। দেখতে পাবেন অনেক গুলো মজার মজার থিম দেয়া আছে। View তে ক্লিক করে আপনি থিমটার বড় ছবি দেখতে পাবেন। যে থিমটি আপনার ভালো লাগবে সেটিকে install করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এখন ফেসবুকে লগিন করে দেখে আসুন কেমন লাগে। মনে রাখবেন Chameleon Tom toolbar টি বন্ধ করা যাবে না। আমি Mozilla Firefox এ ব্যবহার করেছি।

Facebook এ Offline বন্ধুদের Chat History দেখার উপায়

Facebook এ আমরা সবাই কম বেশি চ্যাট করি। অনলাইন বন্ধুদের সাথের Chat History তো সহজেই দেখা যায়, তবে চাইলে অফলাইন বন্ধুদের সাথের Chat History ও আপনি দেখতে পাবেন। এজন্য যে বন্ধুর সাথের Chat History দেখতে চান তার Profile এ যান। তার User_ID নম্বর নোট করুন। এখন অবশ্য অনেক Profile এ User_ID দেখা যায়না। এমন হলে চিন্তার কিছু নেই। Profile এর Send Message বা Poke অপশনে গিয়ে Right Click চাপুন > Copy Link Location/Address দিন। এবার এটি নোটপ্যাডে Paste করুন, সেখান থেকে User_ID নম্বর পেয়ে যাবেন। এবার বন্ধুর Profile ওপেন করে Address Tab এ লিখুন:

javascript:buddyList.itemOnClick(User_ID);

এখানে User_ID এর জায়গায় সেই বন্ধুর User_ID হবে। এবার এন্টার চাপুন আর দেখুন। তবে Chat History যদি Clear করা হয়ে থাকে তাহলে তা আর দেখা যাবেনা।

মুঠোফোনে চ্যাট করুন ফেসবুকের সদস্যদের সাথে

আমরা ফেসবুকে চ্যাট করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় ব্যাস্ততার জন্য কম্পিউটারের সামনে বসতে পারিনা। আমাদের বন্ধু হিসেবে থাকে মোবাইল। আর এই মোবাইল দিয়ে যদি ফেসবুকে চ্যাট করা যায় তাহলে সবার সাথে চ্যাট করা যাবে। আর মোবাইল ফেইসবুকে চ্যাট করার জন্য আপনি wap.gatjar.com এ গিয়ে Ebuddy নামক সফটওয়ার টি ডাউনলোড করে নিয়ে মোবাইলে ইনস্টল করে নিন। এবার ফেইসবুকের ইউজার নেমে ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করে চ্যাট করুন ফেইসবুকের সব বন্ধুদের সাথে। আর এই সফটওয়ার দিয়ে ইয়াহু, এমএসএন, জিমেইলে ও চ্যাট করা যাবে।

Monday, January 4, 2010

অপশনাল আপডেট ডিজ্যাবল করা

যদি বেশ কিছুদিন ধরে উইন্ডোজ ভিসতা ব্যবহার করতে থাকেন, তাহলে নিশ্চয় উইন্ডোজ ভিসতা আপডেট সম্পর্কে অবহিত হতে পেরেছেন, যা প্রায় পপআপ করে। এসব আপডেটের মধ্যে কোনো কোনোটি আপনার সিস্টেম সুরক্ষার জন্য বেশ সহায়ক। অবশ্য এসব আপডেটের মধ্যে কিছু রয়েছে যেগুলো তেমন দরকারি নয়। যদি আপনার সিস্টেমে বড় ধরনের কাজ করা হয়, তাহলে আপনার জন্য বিরক্তিকর মনে হবে। তাই নিচে বর্ণিত ধাপগুলো অনুসরণ করে আপডেটকে ডিজ্যাবল করা যেতে পারে :

* Windows Update বাটন ক্লিক করে ওপেন করুন, যা আপডেটের জন্য প্রম্পট করে।
* View available updates লিঙ্কে ক্লিক করুন।

* এবার যথাযথ আপডেটে ডান ক্লিক করে সিলেক্ট করুন Hide Update অপশন।

হারিয়ে যাওয়া ডেস্কটপ আইকন ফিরিয়ে আনা

যদি ভুল করে বা অন্যকোনো কারণে ডেস্কটপ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো আইকন যেমন- রিসাইকেল বিন বা কন্ট্রোল প্যানেল মুছে ফেলেন, তাহলে সহজ উপায়ে সেগুলো আবার ফিরিয়ে আনতে পারেন। এজন্য প্রথমে Control Panel>Personalization-এ যান বা ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করে Personalize সিলেক্ট করুন। এরপর Change Desktop আইকন লিঙ্ক সিলেক্ট করুন। এখন শুধু যে আইকনটি প্রয়োজন তার পাশে টিক চিহ্ন দিন। এরপর Apply-Ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন।

হিডেন ফাইল খোঁজে বের করা

উইন্ডোজ এক্সপিতে সিস্টেম ফাইল বা হিডেন ফাইল সার্চ করার মাধ্যমে পাওয়া যায় না। কমপিউটারের বিভিন্ন ড্রাইভ এবং ফাইলে থাকার পরও তা খুঁজে পাওয়া যায় না। আপনি চাইলে এক্সপিতে সিস্টেম ফাইল কিংবা হিডেন ফাইল খুঁজে নিতে পারেন। এজন্য প্রথমে Start মেনু থেকে Search-এ গিয়ে All files and folders-এ Cliek করুন। এবার More advanced অপশনে ক্লিক করুন। এরপর আপনার সিস্টেম ফাইল এবং হিডেন ফাইলের জন্য Search System folders এবং Search hidden files and folders চেকবক্সে ক্লিক করুন।

উইন্ডোজ এক্সপ্লোয়ারে দ্রুতগতিতে আপডেট ভিউ করা

এ কাজটি করার জন্য আপনাকে প্রথমে Start>Run-এ ক্লিক করে regedit টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে। এর ফলে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন হবে। রেজিস্ট্রি এডিটরে নিচে বর্ণিত রেজিস্ট্রি কী HKEY_LOCAL_MACHINE\ SYSTEM\CurrentControlSet\Control\Update-এ নেভিগেট করুন।

* এবার ডান দিকের প্যানে UpdateMode এন্ট্রি ওপেন করুন ডিফল্ট ভ্যালু ‘1’ সহযোগে ডবল ক্লিক করুন।

* এবার Edit DWORD-Value ডায়ালগে ওভাররাইট করুন ভ্যালুকে ‘0’ দিয়ে।

* Ok করে পরিবর্তনকে নিশ্চিত করুন এবং রেজিস্ট্রি এডিটর বন্ধ করুন File>Exit-এ ক্লিক করে সিস্টেম রিস্টার্ট করুন।

* এর ফলে পরিবর্তনসমূহ অপারেটিং সিস্টেমে এক্সসেলারেট হবে ভিউ আপডেটের মাধ্যমে উইন্ডোজ এক্সপ্লেvরার হতে।

Sunday, January 3, 2010

উবুন্টুতে এক্সএএমপিপি ইনস্টল

ডেস্কটপ কম্পিউটারকে ওয়েবসাইট রক্ষণবেক্ষণের সার্ভার হিসেবে রূপান্তর করা যায়। মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম উবুন্টুতে এ কাজটি করতে এক্সএএমপিপি ফাইল ইনস্টল করে নিতে হবে।
ইন্টারনেট থেকে এক্সএএমপিপি ফাইলটা যেখানে নামানো হয়েছে।সেখান থেকে ফাইলটা /opt ফোল্ডারে এক্সট্রাক্ট করতে হবে। ফাইলটি ডেস্কটপে থাকলে টারমিনাল খুলে cd Desktop নির্দেশলিখুন। এর পরের ধাপগুলো সম্পন্ন করতে ব্যবহারকারীকে সুপার ইউজার মোডে কাজ করতে হবে।
সুপার ইউজার মোড চালু করতে টারমিনালে sudo -s লিখলে এবং tar xvfz xampp-linux-1.7.2.tar.gz -C /opt নির্দেশটি ব্যবহার করলে /opt ফোল্ডারে ফাইলটি এক্সট্রাক্ট হয়ে যাবে। এবার এক্সএএমপিপি চালু করতে টারমিনালে /opt/lampp/lampp start নির্দেশ লিখুন। এবার /htdocs ফোল্ডারের পারমিশন পরিবর্তন করতে chown YOUR_USER_NAME -R /opt/lampp/htdocs
নির্দেশব্যবহার করুন। এক্সএএমপিপি চালু ও বন্ধ করতে এটও ব্যবহার করতে চাইলে টারমিনালে sudo gedit ~/.local/share/applications/xampp-control-panel.desktop নির্দেশ লিখুন। এবার একটি ফাঁকা ফাইল খুলবে। যদি আগে থেকে কিছু লেখা থাকে তবে সবটুকু মুছে নিচের অংশটি পেস্ট করতে হবে—
[Desktop Entry]
Comment=Start and Stop XAMPP
Name=XAMPP Control Panel
Exec=gksudo python /opt/lampp/share/xampp-control-panel/xampp-control-panel.py
Icon[en]=/usr/share/icons/Humanity/devices/24/network-wired.svg
Encoding=UTF-8
Terminal=false
Name[en]=XAMPP Control Panel
Comment[en]=Start and Stop XAMPP
Type=Application
Icon=/usr/share/icons/Humanity/devices/24/network-wired.svg
এক্সএএমপিপির একটি আইকন নামানো যাবে ইন্টারনেট থেকে। এজন্য xampp লিখে গুগল বা ইয়াহুতে সার্চ করতে হবে।আইকনটি নামিয়ে /usr/share/icons/ Humanity/devices/24/ ফোল্ডারে পেস্ট করে Icon[en_CA]=/usr/share/icons/ Humanity/ devices/24/network-wired.svg লাইনটি পরিবর্তন করে Icon[en_CA]=/usr/share/icons/ Humanity/ devices/24/xampp-logo.png করে দেওয়া যেতে পারে। ফাইলটি সেইভ করে বন্ধ করে দেওয়ার পর Applications >> Others মেনু থেকে xampp Control Panel চালু করা যাবে। —নাসির খান