গুগল আর্থ গুগলের অন্যতম জনপ্রিয় একটি সেবা। যে কেউ বিনা মূল্যে এই সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে নামিয়ে ব্যবহার করতে পারবে। এটি ব্যবহার করে কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) থেকে তোলা সম্পূর্ণ পৃথিবীর ছবি দেখা যায়। ঠিকানা লিখে খুঁজে বের করা যায় পৃথিবীর যেকোনো স্থানের ছবি। নিয়মিত এসব ছবি হালনাগাদ করা ছাড়াও সফটওয়্যারটিতে যুক্ত করা হচ্ছে নুতন নতুন সুবিধা। যেমন একেবারে শুরুতে এটিতে শুধু স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দেখা যেত। পরবর্তী সময়ে যুক্ত করা হয় বিশেষ বিশেষ স্থানের ত্রিমাত্রিক মডেল। এর পরপরই চালু করা হয় ‘স্ট্রিট ভিউ’ সুবিধাটি, যেখানে বিভিন্ন এলাকার ছবি যুক্ত করা হয়। বড় ধরনের এই পরিবর্তন ছাড়াও ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের সুবিধা যুক্ত করা হচ্ছে নিয়মিতভাবে।
সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে সংগ্রহ করা গেলেও এটি ইনস্টল করার পদ্ধতিটি কিছুটা আলাদা ধরনের। সাধারণভাবে ডাউনলোড করা হলে খুব ছোট আকারের একটি ইনস্টলার ডাউনলোড হয়। সেটি ব্যবহার করে ইনস্টল শুরু করার পর মূল সফটওয়্যারের বাকি অংশ ডাউলোড হয়ে থাকে এবং প্রতিবার নতুন করে ডাউলোড করা হলে এমন ওয়েব থেকে বাকি অংশ ডাউলোড হয়। তবে নিচে দেখানো পদ্ধতিতে ডাউলোড করা হলে সেই ইনস্টলারটি দিয়ে, সফটওয়্যারটি দিয়ে সম্পূর্ণরূপে ইনস্টল করা যাবে এবং এই পদ্ধতিতে ইনস্টলের সময় অতিরিক্ত অংশ সরাসরি ইন্টারনেট থেকে ডাউলোড করতে হবে না।
পদ্ধতি হলো:
১. গুগল আর্থ ডাউনলোড করার জন্য http://earth.google.com খুলেকরে Download Google Earth বাটনে ক্লিক করতে হবে।
২. এবার নতুন যে পাতাটি ওপেন হবে, সেটির একেবারে শেষের অংশে Agree and download বাটনের নিচে ছোট অক্ষরে Customize your installation with advanced setup. লিংটি দেখা যাবে। সেখানে advanced setup লিংকে ক্লিক করতে হবে।
৩. নতুন ওপেন হওয়া পাতা থেকে অফলাইন ইনস্টলারের জন্য বিভিন্ন অপশন নির্ধারণ করে দিতে হয়। Agree and download বাটনে ক্লিক করার আগে”Allow Google Earth to automatically install recommended updates.-এর পাশের টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিতে হবে। অন্যান্য অপশন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী চালু বা বন্ধ রাখা যাবে।
৪. এবার ডাউনলোড বাটনটিতে ক্লিক করলে ডাউনলোড শুরু হবে।
উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা সরাসরি ডাউনলোড করতে পারবেন এই ঠিকানা থেকে http://dl.google.com/earth/ client/advanced/current/GoogleEarthWin.exe।
Saturday, February 27, 2010
Friday, February 19, 2010
গুগল ডক্সের ফাইল কম্পিউটারে ব্যাকআপ নেওয়া
যারা জিমেইল ব্যবহার করেন তাদের বেশীর ভাগই ফাইল সংরক্ষণ বা ব্যবহারের জন্য গুগল ডক্স ব্যবহার করে থাকেন। গুগল ডক্সের ফাইলগুলো সহজেই ডাউনলোড করা যায় জিডক্সব্যাকআপ সফটওয়্যার দ্বারা। মাত্র ১৯০ কিলোবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যারটি http://code.google.com/p/gdocbackup/ বা http://gs.fhtino.it/gdocbackup থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন (এজন্য অবশ্য ডট নেট ২.০ প্রয়োজন হবে)। এই সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের পাশাপাশি লিনাক্সেও চলবে। এবার সফটওয়্যাটি চালু করে জিমেইলের ইউজার, পাসওয়ার্ড দিন এবং কোথায় সেভ করবেন না নির্ধারণ করে সেভ বাটনে ক্লিক করে Exec বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত একাউন্টের ডক্সে থাকা সকল ফাইল (ফোল্ডারসহ) সেভ হবে।
পাওয়ারপয়েন্ট থেকে ফ্লাশে রূপান্তর
উপস্থাপনা বা প্রেজেন্টেশনরে জন্য মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টের বিকল্প নেই। জনপ্রিয় এই প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারের স্লাইডগুলোকে ফ্লাশ (.swf ফরম্যাটের) রূপান্তর করতে পারলে ওয়েব সাইটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ কাজে দেবে। অথোর পয়েন্ট লাইট (www.authorgen.com) সফটওয়্যার দ্বারা পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইডগুলো ফ্লাশে রূপান্তর করা যায়। তবে এর চেয়ে আইসিপ্রন্ট কনভার্টার বেশী উপযোগী। আইসিপ্রন্ট কনভার্টার ইনস্টল করলে পাওয়ার পয়েন্টে আইসিপ্রন্ট কনভার্টার টুলবার আসবে। এখানে Quick Publish বাটন দ্বারা আপনি চলতি ডকুমেন্টের স্লাইডগুলোকে .swf ফরম্যাটে ওয়েবপেজসহ তৈরী করতে পারবেন। এবং Publish বাটনে ক্লিক করে কাস্টমাইজ করতে পারবেন। এছাড়াও স্লাইডে পূর্বের তৈরী করা ফ্লাশ ফাইল যুক্ত করা যাবে। স্লাইডে সকল এ্যানিমেশন, শব্দ বা অনান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে। ব্যানার, ই-কার্ড বা স্লাইডশো তৈরীতে এটা বেশ কাজে আসবে। আইসিপ্রন্ট কনভার্টার সফটওয়্যারটি পাওয়ার পযেন্টের সকল সংস্করণেই চলবে। ৭.১১ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.ispringsolutions.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন আর উপভোগ করুন ফ্লাশের নতুন স্বাদ।
ডেক্সটপে রাখুন উইডগেট
উইডগেট ব্যবহার করে ডেক্সটপকে আরো আর্কশনীয় করতে পারেন। এর সাহায্যে ডেক্সটপ থেকেই আরএসএস সাইটের খবর ব্রাউজ ছাড়ায় দেখা যাবে। এছাড়াও রয়েছে, এনালগ ঘড়ি, ব্রাউজার ছাড়াই মেইল চেক করা, সার্চ করা এবং আরো বিভিন্ন দরকারী সুবিধা। উইন্ডোজ ভিসতাতে নিজস্ব উইডগেট থাকলেও অনান্য অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উইডগেট রয়েছে বিভিন্ন সাইটের। জনপ্রিয় এবং আকর্শনীয় ছয়টি উইডগেটের ঠিকানা এবং সামান্য তথ্য দেওয়া হলো।
ইয়াহু উইডগেট: উইন্ডোজ এবং ম্যাকের উপযোগী ইয়াহু! উইডগেট এক কথায় অসাধারণ। http://widgets.yahoo.com সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
গুগল উইডগেট: লিনাক্স প্লাটফরমসহ এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। গুগল ডেক্সটপ নামে পরিচিত এই উইডগেটে ব্যাক্তিগত তথ্য যোগ করা যায়। এছাড়াও আইগুগল www.google.com/ig নামে অনলাইনে গুগলের আরেকটি সেবা রয়েছে। http://desktop.google.com সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
অপেরা উইডগেট: এটিও উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাকে চলবে। অপেরা উইডগেট ব্যবহার করতে হলে অপেরা ওয়েব ব্রাউজার ৯ বার এর পরের সংস্করণ (www.opera.com/download) লাগবে। http://widgets.opera.com সাইট থেকে অপেরা উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
এডোবি এয়ার: এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। এটি www.yourminis.com/minis সাইট ছাড়াও ডেক্সটপে চলবে। http://labs.adobe.com/downloads/air.html সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
ক্লিপফলিও: শুধুমাত্র উইন্ডোজের উপযোগী এই উইডগেট www.klipfolio.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
এমনেষ্টি জেনারেটর: এই উইডগেট শুধুমাত্র ম্যাক ওএক্স এবং উইন্ডোজ ভিসতাতে চলবে। http://amnesty.mesadynamics.com/GeneratorWin.html থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এটি ব্লগে এমবেট করে ব্যবহার করা যাবে।
ইয়াহু উইডগেট: উইন্ডোজ এবং ম্যাকের উপযোগী ইয়াহু! উইডগেট এক কথায় অসাধারণ। http://widgets.yahoo.com সাইট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন।
গুগল উইডগেট: লিনাক্স প্লাটফরমসহ এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। গুগল ডেক্সটপ নামে পরিচিত এই উইডগেটে ব্যাক্তিগত তথ্য যোগ করা যায়। এছাড়াও আইগুগল www.google.com/ig নামে অনলাইনে গুগলের আরেকটি সেবা রয়েছে। http://desktop.google.com সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
অপেরা উইডগেট: এটিও উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাকে চলবে। অপেরা উইডগেট ব্যবহার করতে হলে অপেরা ওয়েব ব্রাউজার ৯ বার এর পরের সংস্করণ (www.opera.com/download) লাগবে। http://widgets.opera.com সাইট থেকে অপেরা উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
এডোবি এয়ার: এটি উইন্ডোজ এবং ম্যাকে চলবে। এটি www.yourminis.com/minis সাইট ছাড়াও ডেক্সটপে চলবে। http://labs.adobe.com/downloads/air.html সাইট থেকে গুগল উইডগেট ডাউনলোড করা যাবে।
ক্লিপফলিও: শুধুমাত্র উইন্ডোজের উপযোগী এই উইডগেট www.klipfolio.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
এমনেষ্টি জেনারেটর: এই উইডগেট শুধুমাত্র ম্যাক ওএক্স এবং উইন্ডোজ ভিসতাতে চলবে। http://amnesty.mesadynamics.com/GeneratorWin.html থেকে ডাউনলোড করা যাবে। এটি ব্লগে এমবেট করে ব্যবহার করা যাবে।
গুগলে ওয়েবসাইট যুক্ত করা
আপনি গুগল খুলে আপনার নাম mehdi akram/মেহেদী আকরাম(ইউনিকোডে) বা মোবাইল নং (01552333272 /০১৫৫২৩৩৩২৭২) লিখলেন এবং সার্চ বাটনে ক্লিক করে দেখলেন আপনার ওয়েবসাইট সম্পের্ক তথ্য দিচ্ছে গুগল। তাহলে কেমন লাগবে! আপনার শখের বসে বা প্রয়োজনে তৈরী করা ওয়েবসাইট আপনি গুগলে যুক্ত করতে পারেন কোন খরচ বা ঝামেলা ছাড়াই। তাতে অন্য কেউ আপনার ওয়েবসাইটের বিষয় অনুসারে খুঁজে পাবে। অর্থাৎ গুগলে আপনার দেওয়া পছন্দের কীওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটের তথ্যসহ ওয়েবসাইটের ঠিকানা চলে আসবে। আপনি ইংরেজীর পাশাপাশি বাংলাতে কীওয়ার্ড লিখতে পারেন তাতে বাংলাতে আপনার ওয়েব সাইট খুঁজে পাওয়া যাবে।যেভাবে যুক্ত করবেন: এজন্য প্রথমে গুগলের এই www.google.com/addurl সাইটে ঢুকুন। এবার URL: অংশে আপনার ওয়েব ঠিকানা দিন। আপনার ওয়েব ঠিকানা যদি www.mehdi-akram.tk হয় তাহলে আপনাকে http://www.mehdi-akram.tk লিখতে হবে। এবার Comments: অংশে কীওয়ার্ড লিখুন। এখানে আপনি আপনার নাম এবং ওয়েবসাইট সম্পের্ক (বিষয় এবং আনুসাঙ্গিক) তথ্য দিনে পারেন। এরপরে Optional: অংশের ছবিতে থাকা টেক্সট নিচের টেক্সট বক্সে লিখে Add URL বাটনে ক্লিক করলে আপনার সাইট যুক্ত হয়েছে নিশ্চিত করবে।এ মূহুর্তে আপনি সার্চ করলে আপনার সাইট পাবেন না। অন্ততঃ কয়েক দিন পরে সার্চ করে দেখুন, কি অপেক্ষা করছে গুগলে আপনার জন্য।
বিনামূল্যে পিকাসা ওয়েব এ্যালবাম
বিনামূল্যে অনলাইনে ফটো এ্যালবাম তৈরীর সুযোগ দিচ্ছে অনেক সেবামূলক সাইটই কিন্তু গুগল তাদের গ্রাহকদের জন্য একটু বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে পিকাসা ওয়েব এ্যালবামের সাহায্যে। এই ওয়েব ফটো এ্যালবামে ১ গিগাবাইট (১০২৪ মেগাবাইট) পর্যন্ত ফটো আপলোড করা যাবে। অনলাইন থেকে সরাসরি ফটো আপলোড করতে হলে একটি একটি করে ব্রাউজ করে আপলোড করতে হয় সেটা সময় সাপেক্ষ এবং আপলোডেও ধীর গতিতে হয় কিন্তু পিকাসা ২.০ সফটওয়্যারের সাহায্যে সহজে একটি ফোল্ডারের কয়েকশত (সর্বচ্চো ৫০০) ফটো সহজে এবং অল্প সময়ে আপলোড করা যায়। এছাড়াও নোটিফেকেশনের (আর.এস.এস) মাধ্যমে অন্যের এ্যালবামে নতুন ফটো আপলোড করার খবর পাবেন। আরো সুবিধা হচ্ছে আপলোড করা ফটো এ্যালবাম থেকে যেকোন এ্যালবাম এমবেট করে বা পিকাসা ২.০ সফটওয়্যার থেকে মাইস্পেস বা ব্লগারে ফটো আপলোড করতে পারবেন। এখানে ইচ্ছামত ফটো সাজানো যায় এবং এ্যালবামের ফোল্ডার শেয়ার বা ব্যাক্তিগতভাবে রাখতে পারবেন। মোট কথা নিজের ছবিগুলোর নিরাপদ সংরক্ষণের যায়গা পিকাসা। http://picasa.google.com ওয়েবসাইট থেকে লগইন করে ফটো এ্যালবাম সক্রিয় করুন এবং পিকাসা ২.০ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। প্রথমত পিকাসা কম্পিউটারের থাকা সমস্ত ফটো কয়েক সেকেন্ডর মধ্যে গুছিয়ে দেবে। এবার পিকাসা ২.০ সফটওয়্যার থেকে লগইন করে ছবি ওয়েব এ্যালবামে বা ব্লগে পোষ্ট করুন।
গুগলে দেখুন ব্যক্তিগত সার্চগুলো
একটি বিষয়ের উপরে আপনি অনেকদিন আগে গুগলে সার্চ করেছেন কিন্তু এখন সে বিষয়টি মনে করতে পারছেন না অথচ আপনার উক্ত বিষয়টি জরুরী দরকার। আপনি যদি জিমেইল একাউন্ট খোলা রাখা অবস্থায় উক্ত বিষয়ে সার্চ করে থাকেন তাহলে আপনার কোন চিন্তা নেই, আপনার সার্চের বিষয়সহ কোন কোন ওয়েবসাইট খুলেছেন তার সমস্ত বিবরণ পাবেন গুগল পার্সনালাইজড সার্চে। আপনি নিশ্চয় খেয়াল করেছেন আপনার জিমেইল একাউন্ট খোলা অবস্থায় গুগলে সার্চ করলে আপনার মেইল ঠিকানা গুগলের হোম পেইজের উপরের দিকে দেখা যায়। এমতবস্থায় আপনি যত কিছু সার্চ করেন বা সার্চ করার পরে বিষয়ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলো খুলে থাকেন তার সবই মনে রাখবে গুগল পার্সনালাইজড সার্চ। অর্থাৎ আপনার একাউন্ট একটিভ অবস্থায় আপনার খোঁজাখুঁজির সব খবরই গুগল পার্সনালাইজড সার্চ রেখে দিচ্ছে। আপনি যদি সেসব দেখতে চান তাহলে www.google.com/psearch সাইট ঢুকুন। এবার আপনার জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন, তাহলে দেখবেন আপনার সকল সার্চিং এর তারিখ, বার, সময় এবং বিষয়সহ সার্চ করার পর কোন কোন ওয়েবসাইট খুলেছেন তার সব হিসেবই আছে। এখানে কিক করে আপনি পুনরায় আবার সার্চ করতে পারবেন বা পূর্বে খোলা ওয়েবসাইটে ক্লিক করে ওয়েবসাইট খুলতে পারেন। এছাড়াও পছন্দের ওয়েবসাইটিকে এখানে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।
বিনামূল্যে গুগল এ্যাপস
যাদের নিজম্ব ডোমেইন আছে তারা নিজম্ব ডোমইনে মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সীমিত হোস্টিং স্পেস কেনার ফলে ইমেইলে বেশী যায়গা পান না। আর ইমেইল ব্যবহারহারকারী যদি অনেক হয়ে থাকে তাহলে বছরে বেশ কিছু টাকা গুনতে হবে হোস্টিং স্পেস বাবদে। কিন্তু আপনি যদি গুগলের এ্যাপস ব্যবহার করেন তাহলে কয়েকশত মেইল ঠিকানা পাবেন যার ধারণক্ষমতা ৭ গিগাবাইটেরও বেশী যা জিমেইলের মত। এছাড়াও গুগলের অনান্য সেবা ক্যালেন্ডার, চ্যাটিং ডক্সসহ সবাই পাবেন। আর এসব সেবাই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
রেজিস্ট্রেশন করা: এজন্য প্রথমে www.google.com/a এ যান। এবার ডানে See details and sign up বাটনে ক্লিক করে ডানের Not a business? Explore Standard Edition এ ক্লিক করুন। এবার Get Started বাটনে ক্লিক করুন। আপনার যেহেতু ডোমেইন কেনা আছে সেহেতু I want to use an existing domain name এর Administrator: I own or control this domain অপশন বাটন নির্বাচন করে নিচের বক্সে ডোমেইনের নাম (ধরি www.shamokaldarpon.com) লিখে Get Started বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফরমের তথ্যগুলো পূরণ করে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন administrator account এর ইমেইল পাসওয়ার্ড পূরণ করে I accept Continue with set up বাটনে ক্লিক করুন।
ভেরিফিকেশন করা: এবার ডোমেইন ভেরিফিকেশন করতে Verify domain ownership লিংকে ক্লিক করুন। এখন ড্রপডাউন থেকে Upload an HTML file নির্বাচন করে নিন্মাক্ত (অনেকটা এরকম google3abdfaaf6725f30c) কপি করে নোটপ্যাড খুলে পেস্ট করুন এবং googlehostedservice.html নামে সেভ করুন। এবার উক্ত এইচটিএমএল ফাইলটি (www.shamokaldarpon.com সাইটে) আপলোড করুন এবং ২নং এর লিংকে (www.shamokaldarpon.com/googlehostedservice.html) ক্লিক করুন। এবার Verify বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন শেষ করুন। তাহলে কিছুক্ষণের (সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা) মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হবে।
মেইল সক্রিয় করা: মেইলকে সক্রিয় করতে Mail Exchange (MX) records পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে উক্ত ঠিকানাতে মেইল আসবে বা যাবে না। এজন্য Dashboard থেকে Email এর Activate email ক্লিক করুন। এখানে (Set up email delivery) MX Server address এবং Priority দেয়া আছে। এবার shamokaldarpon.com এর cpanel এ লগইন করে MX Entry তে যান। এবং যেকোন MX Server address এবং Priority সেট করুন। এবার গুগল এ্যাপসের Set up email delivery এর I have completed these steps বাটনে ক্লিক করে মেইল সক্রিয় করুন।
নতুন ইমেইল ঠিকানা যোগ করা: নতুন ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে Users and groups থেকে Create new user এ ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা তৈরী করতে পারবেন।
নিজস্ব আইকন যোগ করা: ইমেইলে বা লগইনের সময় গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন যোগ করার জন্য Domain settings এর Appearance এ যান। এখন Custom logo এবার নির্বাচন করে ১৪৩ x ৫৯ সাইজের আপলোড করুন। ব্যাস এথন থেকে গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন দেখা যাবে।
ভবিষ্যতে ইমেইল লগইন করতে http://mail.google.com/a/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় এবং সিপ্যানেলে লগইন করতে www.google.com/a/cpanel/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় লগইন করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন করা: এজন্য প্রথমে www.google.com/a এ যান। এবার ডানে See details and sign up বাটনে ক্লিক করে ডানের Not a business? Explore Standard Edition এ ক্লিক করুন। এবার Get Started বাটনে ক্লিক করুন। আপনার যেহেতু ডোমেইন কেনা আছে সেহেতু I want to use an existing domain name এর Administrator: I own or control this domain অপশন বাটন নির্বাচন করে নিচের বক্সে ডোমেইনের নাম (ধরি www.shamokaldarpon.com) লিখে Get Started বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফরমের তথ্যগুলো পূরণ করে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন administrator account এর ইমেইল পাসওয়ার্ড পূরণ করে I accept Continue with set up বাটনে ক্লিক করুন।
ভেরিফিকেশন করা: এবার ডোমেইন ভেরিফিকেশন করতে Verify domain ownership লিংকে ক্লিক করুন। এখন ড্রপডাউন থেকে Upload an HTML file নির্বাচন করে নিন্মাক্ত (অনেকটা এরকম google3abdfaaf6725f30c) কপি করে নোটপ্যাড খুলে পেস্ট করুন এবং googlehostedservice.html নামে সেভ করুন। এবার উক্ত এইচটিএমএল ফাইলটি (www.shamokaldarpon.com সাইটে) আপলোড করুন এবং ২নং এর লিংকে (www.shamokaldarpon.com/googlehostedservice.html) ক্লিক করুন। এবার Verify বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন শেষ করুন। তাহলে কিছুক্ষণের (সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা) মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হবে।
মেইল সক্রিয় করা: মেইলকে সক্রিয় করতে Mail Exchange (MX) records পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে উক্ত ঠিকানাতে মেইল আসবে বা যাবে না। এজন্য Dashboard থেকে Email এর Activate email ক্লিক করুন। এখানে (Set up email delivery) MX Server address এবং Priority দেয়া আছে। এবার shamokaldarpon.com এর cpanel এ লগইন করে MX Entry তে যান। এবং যেকোন MX Server address এবং Priority সেট করুন। এবার গুগল এ্যাপসের Set up email delivery এর I have completed these steps বাটনে ক্লিক করে মেইল সক্রিয় করুন।
নতুন ইমেইল ঠিকানা যোগ করা: নতুন ইমেইল ঠিকানা যুক্ত করতে Users and groups থেকে Create new user এ ক্লিক করে ইমেইল ঠিকানা তৈরী করতে পারবেন।
নিজস্ব আইকন যোগ করা: ইমেইলে বা লগইনের সময় গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন যোগ করার জন্য Domain settings এর Appearance এ যান। এখন Custom logo এবার নির্বাচন করে ১৪৩ x ৫৯ সাইজের আপলোড করুন। ব্যাস এথন থেকে গুগলের আইকনের পরিবর্তে নিজস্ব আইকন দেখা যাবে।
ভবিষ্যতে ইমেইল লগইন করতে http://mail.google.com/a/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় এবং সিপ্যানেলে লগইন করতে www.google.com/a/cpanel/shamokaldarpon.com এই ঠিকানায় লগইন করতে হবে।
যত খুশি ফ্রি এসএমএস করুন
ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে এসএমএস করার অনেক ওয়েবসাইট আছে কিন্তু www.wadja.com তাদের থেকে একটু ব্যাতিক্রম। এখানে থেকে কোন প্রকারের বাধ্যবাধকতা ছাড়ায় যত খুশি এসএমএস করা যাবে যেকোন অপারেটরে। এছাড়াও এখানে রেজিষ্ট্রেশন করতে কোন মোবাইল নম্বরের প্রয়োজন হয়না। শুধুমাত্র ই-মেইলের ঠিকানাতে আসা লিংকে ক্লিক করে একাউন্ট একটিভ করা যাবে। ১১৭ ক্যারেক্টটারের এসএমএস পাঠানো যাবে এর সাথে আপনার প্রফাইলের ঠিকানাও যাবে। আপনার ইউজার যদি mehdiakram হয় তাহলে প্রফাইলের ঠিকানাও www.wadja.com/mehdiakram হবে। আপনার প্রফাইলে ছবি সহ বিভিন্ন তথ্য দিয়ে রাখতে পারেন।
দিনে ১টি ফ্রি এসএমএস
ইন্টারনেট থেকে ফ্রি এসএমএস করার বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে। কিছুদিন পরে এগুলো থেকে আর ঠিকমত এসএমএস করা যায় না। এসব সাইটগুলোর মধ্যে টক এসএমএস অন্যতম। এখান থেকে দিনে একটি ফ্রি এসএমএস করা যায়। বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, ওয়ারিদ, বাংলালিংক এবং একটেল সমর্থন করে।
প্রথমে www.talksms.com গিয়ে মোবাইল নম্বর (দেশের কোড +৮৮ সহ) দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে, তাহলে মোবাইলে একটি এ্যকটিভিশন কোড আসবে যা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে হবে। এরপরে লগইন করে Send SMS ট্যাবে গিয়ে ১৬০ অক্ষরের এসএমএস পাঠাতে পারেন। প্রাপকের কাছে প্রেরক হিসাবে আপনার রেজিষ্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বর দেখাবে। আর এসএমএস এর নিচে ওয়েবসাইটের ঠিকানাও থাকবে।
এই সাইটে SMS Log এ প্রেরিত এসএমএস সংরক্ষিত থাকে তাছাড়া Contacts এ মোবাইল নম্বর সংরক্ষন করে রাখা যায়।
প্রথমে www.talksms.com গিয়ে মোবাইল নম্বর (দেশের কোড +৮৮ সহ) দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে, তাহলে মোবাইলে একটি এ্যকটিভিশন কোড আসবে যা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে হবে। এরপরে লগইন করে Send SMS ট্যাবে গিয়ে ১৬০ অক্ষরের এসএমএস পাঠাতে পারেন। প্রাপকের কাছে প্রেরক হিসাবে আপনার রেজিষ্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বর দেখাবে। আর এসএমএস এর নিচে ওয়েবসাইটের ঠিকানাও থাকবে।
এই সাইটে SMS Log এ প্রেরিত এসএমএস সংরক্ষিত থাকে তাছাড়া Contacts এ মোবাইল নম্বর সংরক্ষন করে রাখা যায়।
মাইক্রোসফট অফিসে চলবে ওপেন অফিসের ফাইল
লিনাক্স বেসড অপারেটিং সিস্টেমে অফিস প্রোগ্রাম হিসাবে ব্যবহার করা হয় ওপেন অফিস। উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যের এই ওপেন অফিস পাওয়া যায় www.openoffice.org এবং বহনযোগ্য সংস্করণ পাওয়া যায় www.portableapps.com এখানে।
ওপেন অফিসে মাইক্রোসফট অফিসের ফাইল সমর্থন করলেও ওপেন অফিসের ফাইলগুলো (.odf) মাইক্রোসফট অফিসে সমর্থন করে না। তবে একটি প্লাগইন ব্যবহার করলেই ওপেন অফিসের ফাইলগুলো যেমন মাইক্রোসফট অফিসে চলবে তেমনই মাইক্রোসফট অফিস থেকে ওপেন অফিসের ফরম্যাটে ফাইলগুলো সংরক্ষণ করা যাবে। প্লাগইনটি www.sun.com/software/star/odf_plugin/get.jsp থেকে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে ডাউনলোড করা যাবে।
ওপেন অফিসে মাইক্রোসফট অফিসের ফাইল সমর্থন করলেও ওপেন অফিসের ফাইলগুলো (.odf) মাইক্রোসফট অফিসে সমর্থন করে না। তবে একটি প্লাগইন ব্যবহার করলেই ওপেন অফিসের ফাইলগুলো যেমন মাইক্রোসফট অফিসে চলবে তেমনই মাইক্রোসফট অফিস থেকে ওপেন অফিসের ফরম্যাটে ফাইলগুলো সংরক্ষণ করা যাবে। প্লাগইনটি www.sun.com/software/star/odf_plugin/get.jsp থেকে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে ডাউনলোড করা যাবে।
পছন্দের ওয়েবসাইটগুলো রাখুন গুগল বুকমার্কে
আমার সাধারণত পছন্দের ওয়েবসাইটগুলো ব্রাউজারের বুকমার্কে (ফেভারিটে) রাখি। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় এবং বেশী ব্যবহার করা হয় এমন এবং বড় ওয়েব লিংক। কিন্তু নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনষ্টল করলে বুকমার্কের তথ্য হারিয়ে যায় বা ভিন্ন ভিন্ন ব্রাউজার ব্যবহার করলে সুবিধা পাওয়া যায় না। এছাড়াও ক্যাফে, বন্ধুর বাসার বা অন্য কারো কম্পিউটার ব্যবহার আপনার নিজের কম্পিউটারের বুকর্মাকের সুবিধা পাবেন না। আর আপনার কম্পিউটার অন্য কেউ ব্যবহার করলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ বুকমার্কগুলো তার কাছে আর গোপন থাকবে না। এসব সমস্যার সমাধানে আপনি অনলাইনে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন আপনার পছন্দের ওয়েবসাইট বা ওয়েব লিংকগুলো। বিভিন্ন অনলাইন বুকমার্কের ওয়েবসাইট আছে তবে গুগল বুকর্মাক বেশ সুবিধাজনক। অন্তত যারা জিমেইল ব্যবহার করেন তাদের জন্য নতুন করে লগইন করার প্রয়োজন হয় না। আপনার ব্রাউজারে যদি গুগল টুলবার ইনষ্টল করা থাকে তাহলে গুগলে লগইন করে বুকমার্ক বাটন থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এছাড়াও বুকমার্কের ওয়েবসাইট www.google.com/bookmarks থেকেও বুকমার্ক যোগ করা, মুছে ফেলা বা সম্পাদনা করতে পারবেন। এজন্য অবশ্য আপনার গুগল একাউন্ট থাকতে হবে এবং একাউন্টে লগইন করে আপনি এই সুবিধা পাবেন।
Tuesday, February 16, 2010
বেড়েছে সাইবার অপরাধ
বিশ্বব্যাপী হ্যাকিং নিয়ে ব্যাপক হৈ চৈ। হ্যাকিং প্রবণতার আরও বিস্তার ঘটিয়েছে হ্যাকাররা আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন করে। হ্যাকিং-এর পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বে বেড়েই চলেছে অনলাইন ক্রাইম বা সাইবার ক্রাইম। সাইবার অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িতদের নেই কোন নির্দিষ্ট সীমারেখা। পুরো বিশ্বই তাদের অপরাধের বিশাল ক্ষেত্র, বিশ্বকে তারা সাইবার অপরাধের একক ক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বিভিন্নভাবে এসব অপরাধী তাদের হীনকর কর্মকান্ড যথেচ্ছাই চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কোটি কোটি লোক। সাইবার অপরাধীরা এসব কর্মকান্ডকে তাদের আয় উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে এবং লাভজনকভাবে পুরো বিশ্বকে এক ভেবে ইন্টারনেটে অপরাধ করেই যাচ্ছে। সাইবার অপরাধ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র হয়ে পশ্চিম ইউরোপ, পূর্ব ইউরোপ থেকে এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং এসব অপরাধ মূলত ডিজিটাল অপরাধসমূহ আর্থিকভাবে খুবই লোভনীয় হওয়ার পাশাপাশি এসব অপরাধের দন্ড প্রদান ব্যবস্থাও অপ্রতুল। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের সাইবার অপরাধের দেশীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোন তথ্যপূর্ণ পরিসংখ্যান নেই। তবে তাদের অভিমত এই যে যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন অঞ্চলে এ সমস্যা বেড়েই চলেছে। একটা ছোট্ট উদাহরণ হলো প্রতি ১ ঘন্টায় প্রায় ৩০০০০ স্প্যাম মেইল বিভিন্ন ইনবক্স আসে যার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফিশিং এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধনশীল অবস্থা যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু দেশকে ভাবিয়ে তুলেছে। ইউএন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ অপরাধে নিকোল রোমান নামে এক অপরাধীকে বুলগেরিয়া হতে ফিরিয়ে এনে ৫০ মাসের জেল দিয়েছে। যদিও হাজার হাজার অপরাধী এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য এসব সাইবার অপরাধ দমনে কার্যক্রম খুবই তোড়জোড় শুরু করেছে। হিলারী ক্লিনটন ও রোমানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত মে মাসের ৮ তারিখে এ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি করেছে। ফিশিং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মূলত গত বছর থেকে সাইবার অপরাধ দমন পুরোদমে কাজ শুরু করলেও বিশ্বের অনেক দেশ এখনও এসব বিষয়ে কোন অগ্রগতিই করতে পারেনি। এসব কার্যক্রমের ফলে ফিশিং অপরাধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৪০ জন অপরাধীকে ধরতে পেরেছে। গত বছর আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অনুসন্ধান করে দেখা যায় যে ১০টিরও বেশি হ্যাকিং সংগঠন রয়েছে যেগুলোর অবস্থান ইউক্রেন, ইস্তোনিয়া, চীন ও বেলারুশ এ। বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং হয় এবং ক্ষতিকারী ওয়েব মেক্কলু বন্ধ করার পর মেইলে স্পাম প্রেরণ প্রায় ৭৫ ভাগ কমলেও, সিমানটেক এর মে ’০৯ মাসের তথ্য থেকে দেখা যায় যে সকল মেইলের ৯০ ভাগই স্পাম এবং এপ্রিল হতে মে’তে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ ভাগ। বর্তমানে বিশ্বের সাইবার অপরাধ দমনে শুধু নিজ দেশ সচেষ্ট হলেই হবে না দেশী-বিদেশী সরকারি-বেসরকারি সকল খাতের সাথেই সমন্বয়ের মাধ্যমে অপরাধ মোকাবেলা করতে হবে।
বর্তমান সময়ের কয়েকটি ক্ষতিকর কুখ্যাত সাইবার ক্রাইম টুল
ফিশিং স্প্যাম
এর মাধ্যমে মূলত ব্যাংক নোটিশ, ট্রাংক নম্বর ইত্যাদি স্পামের মাধ্যমে প্রেরণ করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে তাদের তথ্য লুট সহ ব্যাংক একাউন্ট হতে অর্থ লুট করা হয়। ফিশিং স্প্যাম মূলত মেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য চুরি করে অর্থ কামিয়ে নেয়।
স্টক স্প্যাম
বিগত কয়েক বছরে নতুন একধরনের স্প্যাম ওয়েব নিয়ে সাইবার অপরাধীরা ব্যাপক তৎপর তা হলো স্টক স্প্যাম। এর মাধ্যমে অপরাধীরা গ্রাহকদের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনতে অনুপ্রাণিত করে এবং নিজেরা এসব পয়সা হাতিয়ে নেয়। ৫২ বছর বয়স্ক এলওন গত এক বছরে চাইনিজ স্টকের নামে প্রায় মিলিয়ন মিলিয়ন স্পাম মেইল পাঠিয়ে গ্রাহকদের ঠকিয়েছে। সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ সংস্থা সমূহ এসব নিয়ে কাজ করলেও লক্ষ লক্ষ অপরাধী এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
ডিডিওএস (ডিস্ট্রিবিউটেড ডেনিয়েল অব সার্ভিস)
ফিশার ও ডাটা চোররা যখন পারে তখন ডাটা চুরি করে। তাদের বহুল প্রচলিত ডিডিওএস এর মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়্যার লুকিয়ে গ্রহকদের পিসিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় এবং এর মাধ্যমে তথ্য চুরি করে। মে মাসে ১৯ বছরের ফিমিত্রি গুজনার তার এহেন অপকর্মের স্বীকার করেন, সে কিভাবে বিভিন্ন সায়েন্স ওয়েব থেকে তথ্য লুট করে তা স্বীকার করেছে।
সটিং
সটিং হলো অপরাধীদের নির্ধারিত ব্যক্তিদের ফোনের একাউন্টে অনুপ্রেবেশ করে ফোন একাউন্টের তথ্য নিয়ে কোম্পানিসমূহের তথ্য ও কোম্পানির কর্মকর্তাদেরও তথ্য চুরি করা হয়। এর মাধ্যমে তারা গ্রাহক, ব্যক্তির ফোন ব্যবহার করে পুলিশকে ফোন দিয়ে বলা হয় যেন সোয়াত টিম পাঠিয়ে তার সমস্যা সমাধান করে এবং এতে আক্রান্ত ব্যক্তি অযথাই হেনস্তা হন।
অভ্যন্তরীণ ডাটা চুরি
অনেকেই ইউএসবির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে পরিচিতজনদের তথ্য চুরি করে বিক্রি করে দেয় হ্যাকারদের কাছে। এর ফলে রিবুলো নামের একজন ধরা খেয়ে এখন ৫ বছরের সাজা প্রাপ্ত।
পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য চুরি
পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য বেশি জ্ঞানী হতে হয় না। শুধু আগ্রহী হয়ে একটু গবেষণা করলেই হয়। মূলত জন ডাটাবেজ হতে তথ্য নিয়ে কোন এক ‘লক্ষ্য’ ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য নিয়ে যেকোনো একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হ্যাকের মাধ্যমে প্রদান করে, ব্যাংকের কাছে আবেদন করে আক্রান্ত ব্যক্তির একাউন্ট হতে অর্থ তুলে লুট করা হয়।
এডওয়্যার
যদিও এডওয়্যার এখন তেমন ব্যাপক নয়, তবুও অপরাধীরা এখন এর মাধ্যমে করছে হাজার হাজার অপরাধ। লুটে নিচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। এডওয়্যারের মাধ্যমে সহজে লক্ষ লক্ষ পিসি’তে ঢুকে সহজেই লক্ষ লক্ষ পিসি হ্যাক করা যায়। এ কাজ করে ৫ বছরের জেল হয়েছে ২১ বছরের বরার্ট মেথিউ-এর। অবশ্য এডওয়্যারে যারা ব্যাপক সংঘবদ্ধ এবং এ কাজ তারা একত্রিতভাবে টার্গেট করে, ফলে ব্যর্থতা কম, বরং ফলপ্রসূ।
নকল সফটওয়্যার
নকল সফটওয়্যার পরিবেশন ও বিক্রি একটি সাধারণ অপরাধ। যা সহজেই করা যায়। প্রতিদিন সফটওয়্যার নকল করার মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় এবং এক্ষেত্রে আয়ও অন্যান্য যেকোন অপরাধের চেয়ে বেশি, ঝুঁকিও কম। বিশ্বের বহু দেশে এখন ব্র্যান্ডের আইটেম সমূহ নকল করে বিক্রি হয় এবং সবাই তা ব্যবহারও করছে। সাইবার অপরাধীদের ব্যাপ্তি এখন সর্বত্র। ডিজিটাল যুগের সাইবার অপরাধীরা হলো ডিজিটাল অপরাধী, এদের দমন সত্যিই কষ্টসাধ্য হবে।
পরিশেষে বলা যায় মানব কল্যাণের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ধ্বংসের বিষদাঁতটাও কম ধাঁরালো নয়। আমাদের সর্বাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এমনই এক ক্ষতিকর দিক হলো সাইবার বুলি। সাইবার বুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে বলতে গেলে যখন কেউ তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমকেও (যেমন : মোবাইল, মেসেজ রিসিভার, ইমেইল) ব্যবহার করে নানান হুমকি প্রদান করে। এটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ছাপিয়ে আমাদের দেশেও কার্যকর। এই জন্য এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
বর্তমান সময়ের কয়েকটি ক্ষতিকর কুখ্যাত সাইবার ক্রাইম টুল
ফিশিং স্প্যাম
এর মাধ্যমে মূলত ব্যাংক নোটিশ, ট্রাংক নম্বর ইত্যাদি স্পামের মাধ্যমে প্রেরণ করে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে তাদের তথ্য লুট সহ ব্যাংক একাউন্ট হতে অর্থ লুট করা হয়। ফিশিং স্প্যাম মূলত মেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য চুরি করে অর্থ কামিয়ে নেয়।
স্টক স্প্যাম
বিগত কয়েক বছরে নতুন একধরনের স্প্যাম ওয়েব নিয়ে সাইবার অপরাধীরা ব্যাপক তৎপর তা হলো স্টক স্প্যাম। এর মাধ্যমে অপরাধীরা গ্রাহকদের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনতে অনুপ্রাণিত করে এবং নিজেরা এসব পয়সা হাতিয়ে নেয়। ৫২ বছর বয়স্ক এলওন গত এক বছরে চাইনিজ স্টকের নামে প্রায় মিলিয়ন মিলিয়ন স্পাম মেইল পাঠিয়ে গ্রাহকদের ঠকিয়েছে। সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ সংস্থা সমূহ এসব নিয়ে কাজ করলেও লক্ষ লক্ষ অপরাধী এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
ডিডিওএস (ডিস্ট্রিবিউটেড ডেনিয়েল অব সার্ভিস)
ফিশার ও ডাটা চোররা যখন পারে তখন ডাটা চুরি করে। তাদের বহুল প্রচলিত ডিডিওএস এর মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়্যার লুকিয়ে গ্রহকদের পিসিতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় এবং এর মাধ্যমে তথ্য চুরি করে। মে মাসে ১৯ বছরের ফিমিত্রি গুজনার তার এহেন অপকর্মের স্বীকার করেন, সে কিভাবে বিভিন্ন সায়েন্স ওয়েব থেকে তথ্য লুট করে তা স্বীকার করেছে।
সটিং
সটিং হলো অপরাধীদের নির্ধারিত ব্যক্তিদের ফোনের একাউন্টে অনুপ্রেবেশ করে ফোন একাউন্টের তথ্য নিয়ে কোম্পানিসমূহের তথ্য ও কোম্পানির কর্মকর্তাদেরও তথ্য চুরি করা হয়। এর মাধ্যমে তারা গ্রাহক, ব্যক্তির ফোন ব্যবহার করে পুলিশকে ফোন দিয়ে বলা হয় যেন সোয়াত টিম পাঠিয়ে তার সমস্যা সমাধান করে এবং এতে আক্রান্ত ব্যক্তি অযথাই হেনস্তা হন।
অভ্যন্তরীণ ডাটা চুরি
অনেকেই ইউএসবির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে পরিচিতজনদের তথ্য চুরি করে বিক্রি করে দেয় হ্যাকারদের কাছে। এর ফলে রিবুলো নামের একজন ধরা খেয়ে এখন ৫ বছরের সাজা প্রাপ্ত।
পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য চুরি
পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য বেশি জ্ঞানী হতে হয় না। শুধু আগ্রহী হয়ে একটু গবেষণা করলেই হয়। মূলত জন ডাটাবেজ হতে তথ্য নিয়ে কোন এক ‘লক্ষ্য’ ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য নিয়ে যেকোনো একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হ্যাকের মাধ্যমে প্রদান করে, ব্যাংকের কাছে আবেদন করে আক্রান্ত ব্যক্তির একাউন্ট হতে অর্থ তুলে লুট করা হয়।
এডওয়্যার
যদিও এডওয়্যার এখন তেমন ব্যাপক নয়, তবুও অপরাধীরা এখন এর মাধ্যমে করছে হাজার হাজার অপরাধ। লুটে নিচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার। এডওয়্যারের মাধ্যমে সহজে লক্ষ লক্ষ পিসি’তে ঢুকে সহজেই লক্ষ লক্ষ পিসি হ্যাক করা যায়। এ কাজ করে ৫ বছরের জেল হয়েছে ২১ বছরের বরার্ট মেথিউ-এর। অবশ্য এডওয়্যারে যারা ব্যাপক সংঘবদ্ধ এবং এ কাজ তারা একত্রিতভাবে টার্গেট করে, ফলে ব্যর্থতা কম, বরং ফলপ্রসূ।
নকল সফটওয়্যার
নকল সফটওয়্যার পরিবেশন ও বিক্রি একটি সাধারণ অপরাধ। যা সহজেই করা যায়। প্রতিদিন সফটওয়্যার নকল করার মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয় এবং এক্ষেত্রে আয়ও অন্যান্য যেকোন অপরাধের চেয়ে বেশি, ঝুঁকিও কম। বিশ্বের বহু দেশে এখন ব্র্যান্ডের আইটেম সমূহ নকল করে বিক্রি হয় এবং সবাই তা ব্যবহারও করছে। সাইবার অপরাধীদের ব্যাপ্তি এখন সর্বত্র। ডিজিটাল যুগের সাইবার অপরাধীরা হলো ডিজিটাল অপরাধী, এদের দমন সত্যিই কষ্টসাধ্য হবে।
পরিশেষে বলা যায় মানব কল্যাণের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ধ্বংসের বিষদাঁতটাও কম ধাঁরালো নয়। আমাদের সর্বাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এমনই এক ক্ষতিকর দিক হলো সাইবার বুলি। সাইবার বুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে বলতে গেলে যখন কেউ তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমকেও (যেমন : মোবাইল, মেসেজ রিসিভার, ইমেইল) ব্যবহার করে নানান হুমকি প্রদান করে। এটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ছাপিয়ে আমাদের দেশেও কার্যকর। এই জন্য এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
খরচ বাঁচানোর পাঁচ মন্ত্র
আমরা যেসব খাতে টাকা ব্যয় করি তার মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে টাকা বেশি ব্যয় হয়। সবকিছুর মধ্যে থেকে ৫টি খাতের কিছু বিষয় বিবেচনা করে চলতে পারলে খরচের লাগাম অনেকটাই সামলে ধরা যাবে।
বাজেট
মাসের শুরুতেই পুরো মাসের খরচের একটা বাজেট তৈরি করে নিয়ে যদি খরচ করতে পারেন, তবে অনেকটাই অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধ করা যাবে। কি কি লাগবে, কোন খাতে কত ব্যয় করবেন এইসব প্ল্যান করে নিয়ে যদি খরচ করেন তবে বাহুল্য ব্যয় অনেকটাই রোধ করা যাবে।
যাতায়াত
দিন দিন যে হারে জ্বালানী তেল, গ্যাসের দাম বাড়ছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গাড়ি, সিএনজি ভাড়াও। এইসব দিক বিবেচনা করে যাতায়াতের জন্য পাবলিক বাস ব্যবহার করল খরচ অনেক কমে যাবে। কোথাও তাড়াতাড়ি যাবার তাড়া থেকে ক্যাব বা সিএনজি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাড়াহুড়া না করে যদি হাতে অনেকটা সময় নিয়ে গন্তব্যদের দিকে রওনা হন তবে ক্যাব বা সিএনজির ভাড়াটা বেঁচে যাবে।
মোবাইল বিল
আজকের তরুণদের মধ্যে প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে মোবাইলে দীর্ঘ সময় কথা বলার একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে। তারুণ্যের উচ্ছলতা তো থাকবেই। তাই বলে রাত জেগে কথার ফুলঝুড়ি ফোটানোর দরকার নেই। ইদানীং আরও একটা ব্যাপার লক্ষ্য করা যায় প্রতিদিন মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড সিস্টেম চালু হবার পর থেকে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়। এক্ষেত্রে যেটা হয় সেটা হল প্রায় প্রতিদিনই অল্প অল্প করে ব্যালেন্স রিচার্জ করে বেশি তরুণরা। এতে দেখা যাবে এইসব মোবাইল বিলের সঠিক কোনো হিসাব থাকছে না। অনেক বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি হিসাব করে মাসের শুরুতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যালেন্স মোবাইলে রিচার্জ করেন তবে সেই লিমিটের মধ্যে মাস শেষ করতে চেষ্টা করুন। এতে ব্যয় অনেকটাই কমে যাবে।
খাবার
তরুণদের মধ্যে বেশি বাইরের খাবার, ফাস্ট ফুড এইসব খেতে দেখা যায়। বন্ধুদের সাথে কফি শপে, আইসক্রিম পার্লারে বা কোন রেস্তোরাঁয় আড্ডা মারতে মারতে সাথে চলতে থাকে খাওয়া। এতে করে অনেকটা বেশিই খরচ হয়ে যায়। তাই আড্ডার ফাঁকে খাওয়ার খরচ কমাতে কোনো পার্কে বা কোনো বন্ধুর বাসায় বা কলেজ ক্যাম্পাসের বন্ধুদের সাথে গল্প করতে পারেন জমিয়ে। আর বন্ধুদের খাওয়াতে চাইলে বাইরের খাবার না খাইয়ে বাসায় দাওয়াত করতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যসম্মত খাওয়াও হবে, সাথে বাহুল্য খরচ অনেকটাই কমে যাবে।
শপিং
এই খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে তরুণীরা। বান্ধবীরা মিলে মার্কেটে ঘুরতে যাওয়া অনেক তরুণীরই প্রিয়। এতে করে মার্কেটে ঘুরতে ঘুরতে অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা হয়ে যায়। এতে অনেকটা খরচ হয়ে যায়। আরও একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়, কারও সাথে শপিং-এ গেলে তার দেখাদেখি কিছু একটা কিনে ফেলা, সেটা আসলেও তার ততটা প্রয়োজন নেই এমন কিছু। তাই যারা এমন কিছু বাড়তি খরচ করেন তারা মার্কেটে ঢুকবার আগেই মনস্থির করে নিবেন যে অপ্রয়োজনীয় কিছু কিনবেন না। সেটাও যদি সম্ভব না হয় তবে পারতপক্ষে মার্কেটে যাওয়া কমিয়ে দিন।
বাজেট
মাসের শুরুতেই পুরো মাসের খরচের একটা বাজেট তৈরি করে নিয়ে যদি খরচ করতে পারেন, তবে অনেকটাই অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধ করা যাবে। কি কি লাগবে, কোন খাতে কত ব্যয় করবেন এইসব প্ল্যান করে নিয়ে যদি খরচ করেন তবে বাহুল্য ব্যয় অনেকটাই রোধ করা যাবে।
যাতায়াত
দিন দিন যে হারে জ্বালানী তেল, গ্যাসের দাম বাড়ছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গাড়ি, সিএনজি ভাড়াও। এইসব দিক বিবেচনা করে যাতায়াতের জন্য পাবলিক বাস ব্যবহার করল খরচ অনেক কমে যাবে। কোথাও তাড়াতাড়ি যাবার তাড়া থেকে ক্যাব বা সিএনজি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাড়াহুড়া না করে যদি হাতে অনেকটা সময় নিয়ে গন্তব্যদের দিকে রওনা হন তবে ক্যাব বা সিএনজির ভাড়াটা বেঁচে যাবে।
মোবাইল বিল
আজকের তরুণদের মধ্যে প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে মোবাইলে দীর্ঘ সময় কথা বলার একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে। তারুণ্যের উচ্ছলতা তো থাকবেই। তাই বলে রাত জেগে কথার ফুলঝুড়ি ফোটানোর দরকার নেই। ইদানীং আরও একটা ব্যাপার লক্ষ্য করা যায় প্রতিদিন মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড সিস্টেম চালু হবার পর থেকে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যায়। এক্ষেত্রে যেটা হয় সেটা হল প্রায় প্রতিদিনই অল্প অল্প করে ব্যালেন্স রিচার্জ করে বেশি তরুণরা। এতে দেখা যাবে এইসব মোবাইল বিলের সঠিক কোনো হিসাব থাকছে না। অনেক বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি হিসাব করে মাসের শুরুতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যালেন্স মোবাইলে রিচার্জ করেন তবে সেই লিমিটের মধ্যে মাস শেষ করতে চেষ্টা করুন। এতে ব্যয় অনেকটাই কমে যাবে।
খাবার
তরুণদের মধ্যে বেশি বাইরের খাবার, ফাস্ট ফুড এইসব খেতে দেখা যায়। বন্ধুদের সাথে কফি শপে, আইসক্রিম পার্লারে বা কোন রেস্তোরাঁয় আড্ডা মারতে মারতে সাথে চলতে থাকে খাওয়া। এতে করে অনেকটা বেশিই খরচ হয়ে যায়। তাই আড্ডার ফাঁকে খাওয়ার খরচ কমাতে কোনো পার্কে বা কোনো বন্ধুর বাসায় বা কলেজ ক্যাম্পাসের বন্ধুদের সাথে গল্প করতে পারেন জমিয়ে। আর বন্ধুদের খাওয়াতে চাইলে বাইরের খাবার না খাইয়ে বাসায় দাওয়াত করতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যসম্মত খাওয়াও হবে, সাথে বাহুল্য খরচ অনেকটাই কমে যাবে।
শপিং
এই খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে তরুণীরা। বান্ধবীরা মিলে মার্কেটে ঘুরতে যাওয়া অনেক তরুণীরই প্রিয়। এতে করে মার্কেটে ঘুরতে ঘুরতে অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা হয়ে যায়। এতে অনেকটা খরচ হয়ে যায়। আরও একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়, কারও সাথে শপিং-এ গেলে তার দেখাদেখি কিছু একটা কিনে ফেলা, সেটা আসলেও তার ততটা প্রয়োজন নেই এমন কিছু। তাই যারা এমন কিছু বাড়তি খরচ করেন তারা মার্কেটে ঢুকবার আগেই মনস্থির করে নিবেন যে অপ্রয়োজনীয় কিছু কিনবেন না। সেটাও যদি সম্ভব না হয় তবে পারতপক্ষে মার্কেটে যাওয়া কমিয়ে দিন।
মোবাইল ফোনের যত্ন
প্রিয়জনের সাথে যোগাযোগের জন্য রয়েছে নানা মাধ্যম। তবে আপনাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় এ সব মাধ্যমের মধ্যে কোনটি অত্যাধুনিক এবং দৃষ্টিনন্দন, তাহলে আপনি চোখ বন্ধ করে বলে উঠবেন- মোবাইল। প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি অনেকদিন ধরে কার্যকর রাখতে যত্ন আত্তির কোন বিকল্প নেই। দক্ষ হাতে যত্ন করলে আপনার সেটটি শুধু কার্যকরই নয়, নজর কাড়া থাকবে অনেকদিন ধরে। যে জিনিসটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে দিচ্ছে বন্ধু সুলভ সুবিধা, তার নাম মোবাইল ফোন। এদেশে প্রথম যখন মোবাইল ফোনের প্রচলন হয়, তখন শহরে গুটি কয়েক মানুষের হাতে দেখা যেত কেবল। তাও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা স্থানীয় লোকজনের হাতে। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে হোক কিংবা ব্যয় বহুলতার জন্যই হোক, গ্রামের পর গ্রাম ঘুরেও কোন মোবাইলের সন্ধান মিলতো না। কিন্তু এখন শহরে সবার হাতে হাতে তো বটেই, এমনকি নিভৃত গ্রামেও প্রায় সবার হাতে শোভা পায় মোবাইল। তরুণ-তরুণীদের কাছে মোবাইল শুধু প্রয়োজনীয়ই নয়, বিশেষ ফ্যাশনও বটে। যে কোনো প্রয়োজনীয় জিনিসেরই সঠিক যত্ন না নিলে তা অনেকদিন ধরে সচল থাকে না। বিশেষ করে কল-কব্জার জিনিস। এ দৃষ্টিকোণ থেকে মোবাইলের সঠিক যত্ন নেয়া অতি জরুরী। সে যত্নের ধরণ কেমন হবে, তা হয়তো অনেকেই জানেন। তবে যারা জানেন না, কিংবা জেনেও প্রয়োগ করতে চান না, তাদের জন্য মোবাইলের যত্ন আত্তির কিছু পদ্ধতি তুলে ধরা হলো-
০ মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি কমন ব্যাপার হলো চার্জ দেয়া। আপনার সেটে চার্জ যখন ২৫% অবশিষ্ট থাকবে, তখনই উচিত হবে নতুন করে চার্জ দেয়া। তবে চার্জ না ফুরালেও ঘন ঘন চার্জ দিলে কিংবা মোবাইলের ব্যাটারীর ভোল্টের চেয়ে অধিক ভোল্ট সম্পন্ন চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে সেটের ক্ষতি হওয়ার আশংকা আছে। এছাড়া যখন চার্জ দেয়া হবে, তখন আংশিক চার্জ না দিলে ব্যাটারী ফুল করে চার্জ দেয়া উচিত।
০ আপনি অসতর্ক হলে তো কোন কথা-ই নেই, সতর্ক হলেও কখনো কখনো আপনার সেটটি হাত ফসকে পড়ে যেতে পারে মাটিতে কিংবা পাকা ফ্লোরে। তাই সময় থাকতেই সাবধান হওয়া উচিত। বাজারে এখন নানা রকমের কাভার পাওয়া যায়। আপনি যদি সেসব কাভার থেকে পছন্দসই কোন কাভার এনে ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার সেটটি অসতর্ক মহূর্তে হাত থেকে পড়ে গেলেও খুব একটা ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা নেই।
০ এ কথা সত্যি যে, কাভারের মধ্যে বন্দী করা হলে সেটের সৌন্দর্য কিছুটা হলেও হ্রাস পায়। তবে যখনই আপনি সেটটি কাভার মুক্ত করবেন, তখনই এর মধ্যে পরিলক্ষিত হবে নতুনের মতো চাকচিক্য। বিশেষ করে খুব পুরনো সেটে দেখা যায় কী-এর নাম্বার মুছে গেছে আঙ্গুলের চাপ কিংবা ঘষার ফলে। কাভার ব্যবহার করলে এ সমস্যাটি কখনো হবে না।
০ আপনি যখন আপনার টাইট জিন্সের প্যান্টের পকেটে মোবাইল সেটটি রাখবেন, তখন আপনার উচিত হবে লক করে রাখা। নইলে যে কোনো সময় চাপ লেগে অহেতুক কোন নাম্বারে কল হয়ে আপনার টাকা কাটা যেতে পারে।
০ আপনি যদি কোনোভাবেই কাভার ব্যবহার করতে না চান, তাহলে আপনার উচিত হবে টাইট প্যান্টের পকেটে সেট না রাখা। রাখলে ঘষা লেগে লেগে সেটের সৌন্দর্য বর্ধনকারী রং এবং নকশা উঠে যেতে পারে।
০ আপনি যখন পাবলিক বাসে যাতায়াত করবেন, কিংবা মিটিং মিছিলের ভীড়ের মধ্যে অবস্থান করবেন, তখন ঢিলে-ঢালা প্যান্টের পকেটে সেট রাখলে চুরি হয়ে যাবার আশংকা রয়েছে। এ সময় সেটটি হাতে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
০ কী-এর ফাঁকে ফাঁকে ধুলো-ময়লা জমে নষ্ট হতে পারে আপনার সেটটির সৌন্দর্য। এ ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে এমন স্থানে সেট না রাখা, যেখানে ধুলো বালির আধিক্য রয়েছে। তবে ময়লা যদি জমেই যায়, তাহলে কী এর ফাঁক ফোকরের ময়লা পরিষ্কারে উত্তম উপায় হলো পরিচ্ছন্ন একটি ব্রাশ ব্যবহার করা।
০ মোবাইলের জন্য পানি অতি বিপজ্জনক। তাই কোনোভাবেই যেন সেটে পানি না লাগে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বৃষ্টির দিনে বাইরে বেরুনোর সময় সেটটি ওয়াটার প্রুফ ব্যাগ কিংবা কাগজের ভেতরে নিয়ে বের হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এ সময় কল আসলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে রিসিভ না করে আশেপাশের কোনো ঘরে গিয়ে রিসিভ করাই উত্তম। এতে সেটটি থাকবে নিরাপদ ও শুষ্ক।
০ মোবাইলে যদি পানি ঢুকেই যায় আর আপনার যদি মোবাইলের যন্ত্রপাতির ব্যাপারে কোন জ্ঞান না থাকে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে সেটটি কোন অপারেটরের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বিলম্ব করলে কিংবা না জেনে কোন ব্যবস্থা নিতে চাইলে সেটটির বড় ধরনের কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
০ সাধারণত বাচ্চারা মোবাইলের ব্যাপারে অতি উৎসাহী হয়ে থাকে। তাই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে তারা যেন সেটটি ধরলেও হাত থেকে ফেলে দেয়া কিংবা অন্যকোনো প্রকার অঘটন ঘটানোর সুযোগ না পায়। তবে তাদেরকে কী টেপার সুযোগ না দেয়াই ভাল।
০ আপনি যদি আপনার প্রিয় সেটটি অনেকদিন ধরে ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনার উচিত হবে যতোটা সম্ভব কম টেপাটেপি করা বিশেষ করে অতিরিক্ত গেমস খেলার অভ্যাস মোটেই ভাল নয়। এতে আপনার আদরের সেটটি দুর্বল হয়ে যাবে অতি তাড়াতাড়ি।
০ সেট নিয়ে যখন আপনি গাড়িতে চড়বেন। তখন সেটি ব্যাগে না রাখাই ভাল। ব্যাগে রাখলে হ্যাঁচকা ঝাঁকুনিতে যে কোনো সময় আপনার সেটটি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।
০ দামী সেটতো বটেই, অন্য যেকোনো মূল্যমানের সেট নিয়েই রাতে পথচলা উচিত নয়। কারণ আজকাল ছিনতাইকারীদের বিশেষ নজর থাকে পথচারীর মোবাইলে সেটের প্রতি।
০ মোবাইল সেট হাতে নিলেই যদি আপনার যে কারো নাম্বারে মিসকল দেয়ার বদঅভ্যাস থেকে থাকে, তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব এই অভ্যাস পরিত্যাগ করা উচিত। এতে আপনার সেটের উপর টেপাটেপি অনেকাংশে কমে আসবে। আপনার সেট থাকবে অনেক দিন ধরে সবল এবং কার্যকর।
০ মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি কমন ব্যাপার হলো চার্জ দেয়া। আপনার সেটে চার্জ যখন ২৫% অবশিষ্ট থাকবে, তখনই উচিত হবে নতুন করে চার্জ দেয়া। তবে চার্জ না ফুরালেও ঘন ঘন চার্জ দিলে কিংবা মোবাইলের ব্যাটারীর ভোল্টের চেয়ে অধিক ভোল্ট সম্পন্ন চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে সেটের ক্ষতি হওয়ার আশংকা আছে। এছাড়া যখন চার্জ দেয়া হবে, তখন আংশিক চার্জ না দিলে ব্যাটারী ফুল করে চার্জ দেয়া উচিত।
০ আপনি অসতর্ক হলে তো কোন কথা-ই নেই, সতর্ক হলেও কখনো কখনো আপনার সেটটি হাত ফসকে পড়ে যেতে পারে মাটিতে কিংবা পাকা ফ্লোরে। তাই সময় থাকতেই সাবধান হওয়া উচিত। বাজারে এখন নানা রকমের কাভার পাওয়া যায়। আপনি যদি সেসব কাভার থেকে পছন্দসই কোন কাভার এনে ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার সেটটি অসতর্ক মহূর্তে হাত থেকে পড়ে গেলেও খুব একটা ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা নেই।
০ এ কথা সত্যি যে, কাভারের মধ্যে বন্দী করা হলে সেটের সৌন্দর্য কিছুটা হলেও হ্রাস পায়। তবে যখনই আপনি সেটটি কাভার মুক্ত করবেন, তখনই এর মধ্যে পরিলক্ষিত হবে নতুনের মতো চাকচিক্য। বিশেষ করে খুব পুরনো সেটে দেখা যায় কী-এর নাম্বার মুছে গেছে আঙ্গুলের চাপ কিংবা ঘষার ফলে। কাভার ব্যবহার করলে এ সমস্যাটি কখনো হবে না।
০ আপনি যখন আপনার টাইট জিন্সের প্যান্টের পকেটে মোবাইল সেটটি রাখবেন, তখন আপনার উচিত হবে লক করে রাখা। নইলে যে কোনো সময় চাপ লেগে অহেতুক কোন নাম্বারে কল হয়ে আপনার টাকা কাটা যেতে পারে।
০ আপনি যদি কোনোভাবেই কাভার ব্যবহার করতে না চান, তাহলে আপনার উচিত হবে টাইট প্যান্টের পকেটে সেট না রাখা। রাখলে ঘষা লেগে লেগে সেটের সৌন্দর্য বর্ধনকারী রং এবং নকশা উঠে যেতে পারে।
০ আপনি যখন পাবলিক বাসে যাতায়াত করবেন, কিংবা মিটিং মিছিলের ভীড়ের মধ্যে অবস্থান করবেন, তখন ঢিলে-ঢালা প্যান্টের পকেটে সেট রাখলে চুরি হয়ে যাবার আশংকা রয়েছে। এ সময় সেটটি হাতে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
০ কী-এর ফাঁকে ফাঁকে ধুলো-ময়লা জমে নষ্ট হতে পারে আপনার সেটটির সৌন্দর্য। এ ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে এমন স্থানে সেট না রাখা, যেখানে ধুলো বালির আধিক্য রয়েছে। তবে ময়লা যদি জমেই যায়, তাহলে কী এর ফাঁক ফোকরের ময়লা পরিষ্কারে উত্তম উপায় হলো পরিচ্ছন্ন একটি ব্রাশ ব্যবহার করা।
০ মোবাইলের জন্য পানি অতি বিপজ্জনক। তাই কোনোভাবেই যেন সেটে পানি না লাগে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বৃষ্টির দিনে বাইরে বেরুনোর সময় সেটটি ওয়াটার প্রুফ ব্যাগ কিংবা কাগজের ভেতরে নিয়ে বের হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এ সময় কল আসলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে রিসিভ না করে আশেপাশের কোনো ঘরে গিয়ে রিসিভ করাই উত্তম। এতে সেটটি থাকবে নিরাপদ ও শুষ্ক।
০ মোবাইলে যদি পানি ঢুকেই যায় আর আপনার যদি মোবাইলের যন্ত্রপাতির ব্যাপারে কোন জ্ঞান না থাকে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে সেটটি কোন অপারেটরের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বিলম্ব করলে কিংবা না জেনে কোন ব্যবস্থা নিতে চাইলে সেটটির বড় ধরনের কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
০ সাধারণত বাচ্চারা মোবাইলের ব্যাপারে অতি উৎসাহী হয়ে থাকে। তাই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে তারা যেন সেটটি ধরলেও হাত থেকে ফেলে দেয়া কিংবা অন্যকোনো প্রকার অঘটন ঘটানোর সুযোগ না পায়। তবে তাদেরকে কী টেপার সুযোগ না দেয়াই ভাল।
০ আপনি যদি আপনার প্রিয় সেটটি অনেকদিন ধরে ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনার উচিত হবে যতোটা সম্ভব কম টেপাটেপি করা বিশেষ করে অতিরিক্ত গেমস খেলার অভ্যাস মোটেই ভাল নয়। এতে আপনার আদরের সেটটি দুর্বল হয়ে যাবে অতি তাড়াতাড়ি।
০ সেট নিয়ে যখন আপনি গাড়িতে চড়বেন। তখন সেটি ব্যাগে না রাখাই ভাল। ব্যাগে রাখলে হ্যাঁচকা ঝাঁকুনিতে যে কোনো সময় আপনার সেটটি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।
০ দামী সেটতো বটেই, অন্য যেকোনো মূল্যমানের সেট নিয়েই রাতে পথচলা উচিত নয়। কারণ আজকাল ছিনতাইকারীদের বিশেষ নজর থাকে পথচারীর মোবাইলে সেটের প্রতি।
০ মোবাইল সেট হাতে নিলেই যদি আপনার যে কারো নাম্বারে মিসকল দেয়ার বদঅভ্যাস থেকে থাকে, তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব এই অভ্যাস পরিত্যাগ করা উচিত। এতে আপনার সেটের উপর টেপাটেপি অনেকাংশে কমে আসবে। আপনার সেট থাকবে অনেক দিন ধরে সবল এবং কার্যকর।
মোবাইল নিয়ে কিছু জানা ও অজানা
নোকিয়া মোবাইল নিয়ে কিছু তথ্য খুজতে গিয়ে হঠাত করে অন্য কিছু পেয়ে গেলাম। শিখার কোনো বিকল্প নাই। তাই লেখে নিলাম।
নোকিয়ার ফোনের মেইন স্ক্রিনে গিয়ে লেখুন-
*#06#
- এতে নোকিয়ার IMEI (International Mobile Equipment Identity) চেক করতে পারবেন।
*#7780#
- ফেক্টরি সেটিংস রিসেট হয়ে চলে আসবে।
*#67705646#
- এতে LCD ডিসপ্লে হতে অপারেটরের লোগো গায়েব হয়ে যাবে।
*#0000#
- মোবাইলের সফটওয়ার ভার্সন দেখা যাবে।
*#2820#
- ব্লটুথ যন্ত্রের এড্রেস জানা যাবে।
*#746025625#
- সীম ক্লকের অবস্থা জানা যাবে।
#pw+1234567890+1#
- সীমের কোনো প্রকার রেসট্রিকসান আছে কিনা তা জানা যাবে।
*#92702689#
- এতে মোবাইলের গোপন মেনুতে চলে যাবেন। যেখানে জানতে পারবেন,
১। মোবাইলের সিরিয়াল নম্বর
২। মোবাইল তৈরীর মাস ও বছর
৩। মোবাইল কেনার দিনক্ষণ (যদি থাকে)
৪। ...
...মোবাইলের শেষ মেরামতের দিনক্ষণ (যদি থাকে)
৫। মোবাইলটি কতক্ষণ হতে এখনো পর্যন্ত চালু রয়েছে
*#3370#
- EFR মানে, মাবাইলের নেটওর্য়াক সিগনাল আরো জরদার করতে। এর মাধ্যমে, সহজে কল করা ও রিসিভ করতে পারবেন যা সাধারণত করা দুস্কর। এতে, আপনি আপনার GPRS সার্ভিসের স্পিডে (যদি সার্ভিসটি চালু থাকে) অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন, যদি GPRS সার্ভিসটির নেটওর্য়াকটি তেমন ভালো না অথবা ধীর গতির হয়ে থাকে। ব্যাটারি কিন্তু জলদি জলদি যাবে।
*#3370*
- পূর্বের সার্ভিসটি বন্ধ করতে।
*#7328748263373738#
- এটি দিলেই মোবাইলের সিকিউরিটি কোড ডিফল্টে পরিবর্তিত হয়ে যাবে। ডোফল্ট কোড হল ১২৩৪৫। (বাংলাতে না কিন্তু )
মাবাইল আনলক করতে জিএসএম লিবার্টি ওয়েবসাইটে যেতে পারেন। এটি ফ্রি সার্ভিস দেয় বলে তো লেখা রয়েছে। গিয়ে বিস্তারিত দেখতে পারেন
Please Note: This is an ethical approach to learn some lessons. The writer shall not be liable for any of the consequences regarding to his writings.
নোকিয়ার ফোনের মেইন স্ক্রিনে গিয়ে লেখুন-
*#06#
- এতে নোকিয়ার IMEI (International Mobile Equipment Identity) চেক করতে পারবেন।
*#7780#
- ফেক্টরি সেটিংস রিসেট হয়ে চলে আসবে।
*#67705646#
- এতে LCD ডিসপ্লে হতে অপারেটরের লোগো গায়েব হয়ে যাবে।
*#0000#
- মোবাইলের সফটওয়ার ভার্সন দেখা যাবে।
*#2820#
- ব্লটুথ যন্ত্রের এড্রেস জানা যাবে।
*#746025625#
- সীম ক্লকের অবস্থা জানা যাবে।
#pw+1234567890+1#
- সীমের কোনো প্রকার রেসট্রিকসান আছে কিনা তা জানা যাবে।
*#92702689#
- এতে মোবাইলের গোপন মেনুতে চলে যাবেন। যেখানে জানতে পারবেন,
১। মোবাইলের সিরিয়াল নম্বর
২। মোবাইল তৈরীর মাস ও বছর
৩। মোবাইল কেনার দিনক্ষণ (যদি থাকে)
৪। ...
...মোবাইলের শেষ মেরামতের দিনক্ষণ (যদি থাকে)
৫। মোবাইলটি কতক্ষণ হতে এখনো পর্যন্ত চালু রয়েছে
*#3370#
- EFR মানে, মাবাইলের নেটওর্য়াক সিগনাল আরো জরদার করতে। এর মাধ্যমে, সহজে কল করা ও রিসিভ করতে পারবেন যা সাধারণত করা দুস্কর। এতে, আপনি আপনার GPRS সার্ভিসের স্পিডে (যদি সার্ভিসটি চালু থাকে) অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন, যদি GPRS সার্ভিসটির নেটওর্য়াকটি তেমন ভালো না অথবা ধীর গতির হয়ে থাকে। ব্যাটারি কিন্তু জলদি জলদি যাবে।
*#3370*
- পূর্বের সার্ভিসটি বন্ধ করতে।
*#7328748263373738#
- এটি দিলেই মোবাইলের সিকিউরিটি কোড ডিফল্টে পরিবর্তিত হয়ে যাবে। ডোফল্ট কোড হল ১২৩৪৫। (বাংলাতে না কিন্তু )
মাবাইল আনলক করতে জিএসএম লিবার্টি ওয়েবসাইটে যেতে পারেন। এটি ফ্রি সার্ভিস দেয় বলে তো লেখা রয়েছে। গিয়ে বিস্তারিত দেখতে পারেন
Please Note: This is an ethical approach to learn some lessons. The writer shall not be liable for any of the consequences regarding to his writings.
মোবাইলের সিকিউরিটি কোড উদ্ধার করুন
আমরা অনেক সময় মোবাইলের ডিফল্ট সিকিউরিটি কোড পরিবর্তন করে ফেলি কিন্তু যদি পাসওয়ার্ড ভুলে যাই তখন ফ্লাশ দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। যারা এ ধরনের সমস্যায় পড়েছেন তারা Security Code Reader নামের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে এবার সেটআপ করে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন এবার com/usb cable এর মাধ্যমে connect করুন connection type নির্বাচন করুন phone type নির্বাচন করুন এবার read বাটনে ক্লিক করুন
এবার দেখুন আপনার সিকিউরিটি কোড show করছে.
এবার দেখুন আপনার সিকিউরিটি কোড show করছে.
বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস
আজব নিউজ! বাংলাদেশে ফ্রী কল? সম্ভব।
screenshot_client বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস
ফ্রী কল করার জন্য www.lowratevoip.com হতে তাদের ডায়ালার ডাউনলোড করুন। ডায়ালার টি সেটআপ করে একটি একাউন্ট তৈরি নিন। এবার টেস্ট কল হিসাবে বাংলাদেশের যে কোন একটি টি এন্ড টি নম্বার ডায়াল করুন। ডায়াল করুন এই ভাবে ৮৮০৩১৬৮XXXX।
বিনা ক্রেডিট এ ফ্রী টাইম শেষ হয়ে গেলে আপনি পুনরায় এই সুযোগ গ্রহন করার জন্য:
* প্রথমে control panel এ আসনু , add-remove হতে lowratevoip কে আনইন্সটল করে নিন।
* এবার এই লিংক হতে রেজ ক্লিনার সফটি ডাউনলোড করে সেটআপ করুন এবং তা রান করুন[ এটি ভিস্তায় রান হয় না]।
* এবার আনইন্সটল ইনফরমেন হতে লো-রেইট ভি.ও.আই.পি ইনফরমেশন রেজি এন্ট্রিটি খুজুন এবং তা সিলেক্ট করে মুছে ফেলুন।
এখন নতুন করে আবার লো রেইট ডায়ালারটি সেট করে, নতুন একটি একাউন্ট তৈরি করে নিন এবং পুনরায় ফ্রী কল করুন।
এবার আসুন আরো কিছু জানার চেস্টা করি:
আপনি যদি তাদের সাইটে হতে ক্রেডিট ক্রয় করেন তাহলে , এই ক্রেডিট ব্যবহার করে ৩০ দিনের মধ্যে মোট ৩০০ মিনিট ফ্রী কল করতে পারবেন। ফ্রী দিনগুলোর মধ্যে আপনি টি এন্ড টির ল্যান্ড লাইনে কল করলে কোন ক্রেডিট কাটবে না। তবে মোবাইলে কল করলে ০.০৭০ করে ক্রেডিট কাটতে থাকবে। এই ফ্রী টাইমের মধ্যে আপনি চাইলে মোবাইলেও ফ্রী কল করতে পারেন। ধরে নিন আপনি যাকে কল করছেন তার নম্বারটি হল ০১৭১৬XXXXXX। সাধারন নিয়মে কল করতে চাইলে তা ডায়াল করতে হয় ৮৮০১৭১৬XXXXXX। কিন্তু আপনি যদি ফ্রীতে কল করতে চান তাহলে ৮৮০ এর পর অতিরিক্ত আরেকটি ০ ব্যবহার করুন। অর্থাৎ ডায়াল করুন ৮৮০০১৭১৬XXXXXX।
lowratevoip_free1 বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস
তাছাড়াও ফ্রী টাইম শেষ হয়ে গেলেও আপনি উলেখিত পদ্ধতিতে ক্রেডিট কাটবে ০.০৩ করে।
screenshot_client বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস
ফ্রী কল করার জন্য www.lowratevoip.com হতে তাদের ডায়ালার ডাউনলোড করুন। ডায়ালার টি সেটআপ করে একটি একাউন্ট তৈরি নিন। এবার টেস্ট কল হিসাবে বাংলাদেশের যে কোন একটি টি এন্ড টি নম্বার ডায়াল করুন। ডায়াল করুন এই ভাবে ৮৮০৩১৬৮XXXX।
বিনা ক্রেডিট এ ফ্রী টাইম শেষ হয়ে গেলে আপনি পুনরায় এই সুযোগ গ্রহন করার জন্য:
* প্রথমে control panel এ আসনু , add-remove হতে lowratevoip কে আনইন্সটল করে নিন।
* এবার এই লিংক হতে রেজ ক্লিনার সফটি ডাউনলোড করে সেটআপ করুন এবং তা রান করুন[ এটি ভিস্তায় রান হয় না]।
* এবার আনইন্সটল ইনফরমেন হতে লো-রেইট ভি.ও.আই.পি ইনফরমেশন রেজি এন্ট্রিটি খুজুন এবং তা সিলেক্ট করে মুছে ফেলুন।
এখন নতুন করে আবার লো রেইট ডায়ালারটি সেট করে, নতুন একটি একাউন্ট তৈরি করে নিন এবং পুনরায় ফ্রী কল করুন।
এবার আসুন আরো কিছু জানার চেস্টা করি:
আপনি যদি তাদের সাইটে হতে ক্রেডিট ক্রয় করেন তাহলে , এই ক্রেডিট ব্যবহার করে ৩০ দিনের মধ্যে মোট ৩০০ মিনিট ফ্রী কল করতে পারবেন। ফ্রী দিনগুলোর মধ্যে আপনি টি এন্ড টির ল্যান্ড লাইনে কল করলে কোন ক্রেডিট কাটবে না। তবে মোবাইলে কল করলে ০.০৭০ করে ক্রেডিট কাটতে থাকবে। এই ফ্রী টাইমের মধ্যে আপনি চাইলে মোবাইলেও ফ্রী কল করতে পারেন। ধরে নিন আপনি যাকে কল করছেন তার নম্বারটি হল ০১৭১৬XXXXXX। সাধারন নিয়মে কল করতে চাইলে তা ডায়াল করতে হয় ৮৮০১৭১৬XXXXXX। কিন্তু আপনি যদি ফ্রীতে কল করতে চান তাহলে ৮৮০ এর পর অতিরিক্ত আরেকটি ০ ব্যবহার করুন। অর্থাৎ ডায়াল করুন ৮৮০০১৭১৬XXXXXX।
lowratevoip_free1 বাংলাদেশে ফ্রী কল করার কিছু হিডেন টিপস
তাছাড়াও ফ্রী টাইম শেষ হয়ে গেলেও আপনি উলেখিত পদ্ধতিতে ক্রেডিট কাটবে ০.০৩ করে।
আপনার কম্পিউটার এর বেসিক তথ্য জানুন
আপনার পিসিটির বেসিক সব তথ্য যা আপনার প্রয়োজন হতে পারে যেকোন সময়। আর জানতে হলে অনেক গুলো উপায়ের মধ্যে সবচেয়ে চমৎকার পদ্ধতি বোধহয় এইটা হতে পারে ট্রাই করে দেখেন
Start Menu -> Run এ CMD লিখে এন্টার দিন। কমান্ড প্রম্পট আসলে লিখুন systeminfo এবার এন্টার দিন। ব্যস হয়ে গেল। Winkদেখুন আপনার পিসির নাড়ী ভূড়ীর খবরা খবর বাহির হয়ে আছে। মজা নাLaughing! মজা পাইলে থ্যাঙ্কু দেন, না পাইলেও দেন। কষ্ট কইরা লিখছি।
Start Menu -> Run এ CMD লিখে এন্টার দিন। কমান্ড প্রম্পট আসলে লিখুন systeminfo এবার এন্টার দিন। ব্যস হয়ে গেল। Winkদেখুন আপনার পিসির নাড়ী ভূড়ীর খবরা খবর বাহির হয়ে আছে। মজা নাLaughing! মজা পাইলে থ্যাঙ্কু দেন, না পাইলেও দেন। কষ্ট কইরা লিখছি।
এক্সপির বুট স্ক্রিন ডিজেবল করুন
উইন্ডোজ রান করার সময় আমরা যে বুট স্ক্রিন দেখি, আপনি ইচ্ছে করলে সেই বুট স্ক্রিনকেও ডিজেবল করতে পারেন। ফলে উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় বুট স্ক্রিন প্রদর্শন হবে না। অবশ্য এতে কোন প্রকার সমস্যাও হবে না। বুট স্ক্রিন ডিজেবল করতে আপনি প্রথমে Win Key+R বা Start মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন। এরপর লিখুন msconfig এবং লক্ষ্য করুন স্ক্রিনে System Configuration Utility প্রদর্শিত হবে।
এখন boot.ini এ ক্লিক করুন এবং /NOGUIBOOT বাটনে ক্লিক করে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। Apply -> OK করে চলে আসুন। OK করার পর রিস্টার্ট চাইবে। রিস্টার্ট দিন আর দেখুন আপনার বুট স্ক্রিন উধাও হয়ে গেছে।
এখন boot.ini এ ক্লিক করুন এবং /NOGUIBOOT বাটনে ক্লিক করে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। Apply -> OK করে চলে আসুন। OK করার পর রিস্টার্ট চাইবে। রিস্টার্ট দিন আর দেখুন আপনার বুট স্ক্রিন উধাও হয়ে গেছে।
কম্পিউটার কতক্ষন ধরে চলছে তার সময় জেনে নিন!!
নিজের কম্পিউটার কতক্ষণ ধরে ব্যবহার করছেন তা খুব সহজেই জানা যায়। এর জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন—
১) start > run এ যান।
২) এখানে CMD লিখে এন্টার চাপুন।
৩) এবার আপনার সামনে যে উইন্ডো চালু হবে তাতে systeminfo লিখে এন্টার চাপুন।
২) এবার আপনার কম্পিউটারের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
এখানে উল্লেখ থাকবে:
ক) কম্পিউটার কত সময়চলেছে
খ) কোন দেশের তৈরী
গ) স্পিড কত, প্রভৃতি।
Note : কম্পিউটারে ব্যবহৃত সময়ের হিসাব একদিন ১৯ ঘন্টা, ২৪ ঘন্টা নয়।
১) start > run এ যান।
২) এখানে CMD লিখে এন্টার চাপুন।
৩) এবার আপনার সামনে যে উইন্ডো চালু হবে তাতে systeminfo লিখে এন্টার চাপুন।
২) এবার আপনার কম্পিউটারের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
এখানে উল্লেখ থাকবে:
ক) কম্পিউটার কত সময়চলেছে
খ) কোন দেশের তৈরী
গ) স্পিড কত, প্রভৃতি।
Note : কম্পিউটারে ব্যবহৃত সময়ের হিসাব একদিন ১৯ ঘন্টা, ২৪ ঘন্টা নয়।
দৈনন্দিন কাজে গুগল ক্যালেন্ডার
প্রতিদিনই আমরা রুটিন মাফিক চলি। বিশেষ বিশেষ মুহুর্তগুলো আমাদের সতর্কতারসাথে মনে রাখতে হয়। বিশেষ কোন মুহুর্ত যদি সময় মত ভুলে যায় এবং সময়ান্তে মনে পরে তাহলে নিজের চুল ছিড়া ছাড়া কোন কিছু করার থাকে না। এমন যদি হতো কেউ আপনাকে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তের আগে জানিয়ে দিতো তাহলে কেমন হতো! গুগল ক্যালেন্ডার আপনার এসব ইভেন্টগুলোর নির্দিষ্ট সময় আগেই আপনার মোবাইলে এসএমএস করে, ইমেইলে করে বা পপআপ হিসাবে মনে করিয়ে দেবে, তাও আবার বিনা পয়সায়।
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে যে গুগলে একাউন্ট থাকতে হবে এটা বলা বাহুল্য। যারা গুগল এ্যাপস ব্যবহার করেন তারাও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পাবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে প্রবেশের জন্য জিমেইলে (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা তাদের মেইলে) লগইন করে উপরের calendar লিংকে ক্লিক করে অথবা সরাসরি www.google.com/calendar (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা https://www.google.com/calendar/hosted/ এরপরে ডোমেইন নাম লিখে) সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। আর মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য www.google.com/calendar/m বা m.google.com/calendar মাধ্যমে করা যাবে।
ক্যালেন্ডার যোগ করা: সাধারণত একটি ডিফল্ট ক্যালেন্ডার থাকে কিন্তু চাইলে আরো ক্যালেন্ডার যোগ করা যাবে। এক একটি ক্যালেন্ডার প্রাইভেট বা পাবলিক হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। নতুন ক্যালেন্ডার যোগ করার জন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Create new calendar এ ক্লিক করুন এবং ক্যালেন্ডারের নাম দিয়ে সেভ করুন।
এসএমএস সক্রিয় করা: মোবাইলের এসএমএস সুবিধা সক্রিয় করার জন্য Settings এ ক্লিক করে Mobile Setup ট্যাবে ক্লিক করুন। Phone number: অংশে +৮৮সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন এবং Send Verification Code এ ক্লিক করুন তাহলে আপনার মোবাইলে গুগল থেকে ভেরিফিকেশন কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, একটেল এবং ওয়ারিদ গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। এবার Verification code: টেক্সট বক্সে মোবাইলে আসা কোডটি লিখে Finish setup বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন সমাপ্ত করুন তাহলে সয়ংক্রিয়ভাবে Notifications ট্যাবে আসবে। এখানে By default, remind me via এর ড্রপডাউন থেকে SMS নির্বাচন করুন এবং ইভেন্টের কত সময় আগে এসএমএস পেতে চান তা লিখুন। চাইলে আরো রিমাইন্ডার (এসএমএস, মেইল, পপআপ) যোগ করতে পারেন। এরপরে Choose how you would like to be notified: এর SMS অংশে সবগুলো চেক বক্স চেক করে সেভ করুন। আপনি চাইলে পরবর্তিতে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন।
বর্তমান বাংলাদেশের সময় নির্ধারণ করা: বর্তমানে ১ ঘন্টা ঘড়ির কাটা এগিয়ে নেবার ফলে আপনাকেও গুগল ক্যালেন্ডারে ১ ঘন্টা এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য Settings এ ক্লিক করে General ট্যাব থেকে Your current time zone: অংশের Display all time zones চেক করুন। এবার উপরের ড্রপ ডাউন থেকে GMT+07.00 নির্বাচন করুন (ফলে Country: এর স্থলে অন্য দেশ দেখাবে)। চাইলে অনান্য সেটিংও পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশেষে সেভ করুন। মোবাইল ভেরিফিকেশন করার আগে টাইম জোন পরিবর্তন করলে মোবাইল ভেরিফিকেশন করা যাবে না।
ইভেন্ট যোগ করা: কোন ইভেন্ট যোগ করতে হলে গুগল ক্যালেন্ডারে গিয়ে Create Event এ ক্লিক করুন। এবার ইভেন্টর নাম, সময়, তারিখ নির্ধারণ করে সেভ করুন। Where এ কোন স্থানের নাম দিলে তা গুগল মাপে প্রদর্শিত হবে। চাইলে নিচের Options থেকে এই ইভেন্টের জন্য আলাদা রিমাইন্ডার এবং প্রাইভেসি নির্বাচন করতে পারবেন। আর কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে ডানের Guests থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানাতেও পারবেন। এছাড়াও Quick Add এ ক্লিক করে ইভেন্টের নাম স্পেস সময় এবং স্পেস দিয়ে তারিখ লিখে (যেমন, Dinner with Mehdi 7pm 2009-07-06) প্লাস (+) বাটনে ক্লিক করুন মেবাইল ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এভাবে ইভেন্ট যোগ করতে হবে। আপনি যদি জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকী বা অন্য কোন বার্ষিকী যোগ করতে চান তাহলে Repeats এ Yearly নির্বাচন করুন। তাহলে প্রতিবছর নতুন করে এই ইভেন্ট তৈরী করতে হবে না সয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিবছরই ইভেন্টি চালু থাকবে। এভাবে দরকারমতে Days, Weekly, Monthly নির্বাচন করতে পারবেন।
ইভেন্ট পরিবর্তন বা মুছে ফেলা: কোন ইভেন্ট মুছতে বা সম্পাদনা করতে হলে মূল ক্যালেন্ডার থেকে Day, Week, Month, 7Days বা Agenda এ ইভেন্টের উপরে ক্লিক করে সম্পাদনার জন্য edit event details» বা মুছে ফেলার জন্য Delete এ ক্লিক করলেই হবে। আর দুইবার ক্লিক করলে সম্পাদনার জন্য খুলবে এখান থেকেও সম্পাদনা বা মুছে ফলা যাবে।
ক্যালেন্ডার শেয়ার দেওয়া: ক্যালেন্ডার অন্যকে শেয়ার দিতে চাইলে Settings এ ক্লিক করে Calendars ট্যাবে থেকে Notifications এ ক্লিক করুন। এবার Share this calendar ট্যাব থেকে Make this calendar public চেক করে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিতে পারেন। আর নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে Share with specific people এ ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন (তাহলে উক্ত ব্যাক্তির মেইলে লিংকসহ মেইল যাবে)। আর পাবলিক (সবার জন্য উম্মুক্ত) ক্যালেন্ডার কোন ওয়েব পেজে দেখাতে চাইলে Calendar Details ট্যাবে ক্লিক করে Embed This Calendar অংশের কোড ওয়েব সাইটে রাখলেই হবে। চাইলে কোড সম্পাদনা করে ক্যালেন্ডারের সাইট ছোট-বড় করতে পারবেন। এছাড়াও Calendar Address বা Private Address এর লিংকও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ক্যালেন্ডার এক্সপোর্ট করতে চাইলে Calendars ট্যাবে থেকে Export calendars এ ক্লিক করে কম্পিউটারে সেভ করতে পারেন।
অন্যের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা: আপনার ক্যালেন্ডারে আপনি অন্যের শেয়ার করা ক্যালেন্ডার বা পাবলিক ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Browse public calendars এ ক্লিক করুন। এবার Friends’ Calendars ট্যাবে গিয়ে যার ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চান সেই ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন। অথবা আপনার মেইলে আসা ক্যালেন্ডার শেয়ারিং মেইলে ক্লিক করেও এ্যাড করতে পারেন। আর পাবলিক ক্যালেন্ডার যোগ করতে চাইলে Add by URL টাবে গিয়ে ক্যালেন্ডারের ইউআরএল লিখে এ্যাড করতে পারবেন। অন্যের এক্সপোর্ট করা ক্যলেন্ডার যোগ করতে চাইলে Import calendar ট্যাবে ক্লিক করে ইমপোর্ট করলেই হবে। এছাড়াও Browse Calendars ট্যাব থেকে কিছু দেশের ছুটির তালিকাসহ বেশ কিছু বিশেষ ক্যালেন্ডার যোগ করতে পারেন।
জিমেইলে গুগল ক্যালান্ডার প্রর্দশন করা: জিমেইলে লগইন করে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Google Calendar gadget এর Enable নির্বাচন করে সেভ করুন তাহলে বাম পাশের বাম পাশের প্যানেলে গুগল ক্যালেন্ডার দেখা যাবে।
গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার: যারা গুগল ডেক্সটপ (http://desktop.google.com) ব্যবহার করেন তারা http://desktop.google.com/plugins থেকে গুগল ক্যালেন্ডারের গ্যাজেট ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। তাহলে গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার প্রদর্শন করবে। এখানে লগইন করে ক্যালেন্ডার দেখা এবং ইভেন্ট তৈরী করা যাবে।
আইগুগলে গুগল ক্যালেন্ডার: আইগুগলে (www.google.com/ig) গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে লগইন করে Add stuff » এ ক্লিক করুন। এবার গুগল ক্যালেন্ডারটি এ্যাড করুন এবং আইগুগলে এসে ইচ্ছামত যায়গায় সেট করুন।
এডঅন্স: মজিলা থান্ডারবার্ডে গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে https://addons.mozilla.org/en-US/thunderbird/addon/4631 থেকে এডঅন্সটি ইনস্টল করলেই হবে।
অপলাইনে ব্যবহার করা: জিমেইলের মত গুগল ক্যালেন্ডারও অফলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার
গুগল ক্যালেন্ডারের উপরের ডানে Offline এ ক্লিক করে বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Enable offline access ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি আপডেট ব্রাউজার না হলে সমর্থন করবে না।
গুগল ক্যালেন্ডারে ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ এবং গতিময় করে তোলা যাবে।
গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে যে গুগলে একাউন্ট থাকতে হবে এটা বলা বাহুল্য। যারা গুগল এ্যাপস ব্যবহার করেন তারাও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পাবেন। গুগল ক্যালেন্ডারে প্রবেশের জন্য জিমেইলে (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা তাদের মেইলে) লগইন করে উপরের calendar লিংকে ক্লিক করে অথবা সরাসরি www.google.com/calendar (এ্যাপস ব্যবহারকারীরা https://www.google.com/calendar/hosted/ এরপরে ডোমেইন নাম লিখে) সাইটে গিয়ে লগইন করতে হবে। আর মোবাইলের ক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য www.google.com/calendar/m বা m.google.com/calendar মাধ্যমে করা যাবে।
ক্যালেন্ডার যোগ করা: সাধারণত একটি ডিফল্ট ক্যালেন্ডার থাকে কিন্তু চাইলে আরো ক্যালেন্ডার যোগ করা যাবে। এক একটি ক্যালেন্ডার প্রাইভেট বা পাবলিক হিসাবেও ব্যবহার করা যাবে। নতুন ক্যালেন্ডার যোগ করার জন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Create new calendar এ ক্লিক করুন এবং ক্যালেন্ডারের নাম দিয়ে সেভ করুন।
এসএমএস সক্রিয় করা: মোবাইলের এসএমএস সুবিধা সক্রিয় করার জন্য Settings এ ক্লিক করে Mobile Setup ট্যাবে ক্লিক করুন। Phone number: অংশে +৮৮সহ আপনার মোবাইল নম্বর দিন এবং Send Verification Code এ ক্লিক করুন তাহলে আপনার মোবাইলে গুগল থেকে ভেরিফিকেশন কোড সম্বলিত ম্যাসেজ আসবে। বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামীণফোন, একটেল এবং ওয়ারিদ গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। এবার Verification code: টেক্সট বক্সে মোবাইলে আসা কোডটি লিখে Finish setup বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন সমাপ্ত করুন তাহলে সয়ংক্রিয়ভাবে Notifications ট্যাবে আসবে। এখানে By default, remind me via এর ড্রপডাউন থেকে SMS নির্বাচন করুন এবং ইভেন্টের কত সময় আগে এসএমএস পেতে চান তা লিখুন। চাইলে আরো রিমাইন্ডার (এসএমএস, মেইল, পপআপ) যোগ করতে পারেন। এরপরে Choose how you would like to be notified: এর SMS অংশে সবগুলো চেক বক্স চেক করে সেভ করুন। আপনি চাইলে পরবর্তিতে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করতে পারবেন।
বর্তমান বাংলাদেশের সময় নির্ধারণ করা: বর্তমানে ১ ঘন্টা ঘড়ির কাটা এগিয়ে নেবার ফলে আপনাকেও গুগল ক্যালেন্ডারে ১ ঘন্টা এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য Settings এ ক্লিক করে General ট্যাব থেকে Your current time zone: অংশের Display all time zones চেক করুন। এবার উপরের ড্রপ ডাউন থেকে GMT+07.00 নির্বাচন করুন (ফলে Country: এর স্থলে অন্য দেশ দেখাবে)। চাইলে অনান্য সেটিংও পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশেষে সেভ করুন। মোবাইল ভেরিফিকেশন করার আগে টাইম জোন পরিবর্তন করলে মোবাইল ভেরিফিকেশন করা যাবে না।
ইভেন্ট যোগ করা: কোন ইভেন্ট যোগ করতে হলে গুগল ক্যালেন্ডারে গিয়ে Create Event এ ক্লিক করুন। এবার ইভেন্টর নাম, সময়, তারিখ নির্ধারণ করে সেভ করুন। Where এ কোন স্থানের নাম দিলে তা গুগল মাপে প্রদর্শিত হবে। চাইলে নিচের Options থেকে এই ইভেন্টের জন্য আলাদা রিমাইন্ডার এবং প্রাইভেসি নির্বাচন করতে পারবেন। আর কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে ডানের Guests থেকে তাকে আমন্ত্রণ জানাতেও পারবেন। এছাড়াও Quick Add এ ক্লিক করে ইভেন্টের নাম স্পেস সময় এবং স্পেস দিয়ে তারিখ লিখে (যেমন, Dinner with Mehdi 7pm 2009-07-06) প্লাস (+) বাটনে ক্লিক করুন মেবাইল ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এভাবে ইভেন্ট যোগ করতে হবে। আপনি যদি জন্মদিন, বিয়ে বার্ষিকী বা অন্য কোন বার্ষিকী যোগ করতে চান তাহলে Repeats এ Yearly নির্বাচন করুন। তাহলে প্রতিবছর নতুন করে এই ইভেন্ট তৈরী করতে হবে না সয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিবছরই ইভেন্টি চালু থাকবে। এভাবে দরকারমতে Days, Weekly, Monthly নির্বাচন করতে পারবেন।
ইভেন্ট পরিবর্তন বা মুছে ফেলা: কোন ইভেন্ট মুছতে বা সম্পাদনা করতে হলে মূল ক্যালেন্ডার থেকে Day, Week, Month, 7Days বা Agenda এ ইভেন্টের উপরে ক্লিক করে সম্পাদনার জন্য edit event details» বা মুছে ফেলার জন্য Delete এ ক্লিক করলেই হবে। আর দুইবার ক্লিক করলে সম্পাদনার জন্য খুলবে এখান থেকেও সম্পাদনা বা মুছে ফলা যাবে।
ক্যালেন্ডার শেয়ার দেওয়া: ক্যালেন্ডার অন্যকে শেয়ার দিতে চাইলে Settings এ ক্লিক করে Calendars ট্যাবে থেকে Notifications এ ক্লিক করুন। এবার Share this calendar ট্যাব থেকে Make this calendar public চেক করে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিতে পারেন। আর নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার দিতে চাইলে Share with specific people এ ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন (তাহলে উক্ত ব্যাক্তির মেইলে লিংকসহ মেইল যাবে)। আর পাবলিক (সবার জন্য উম্মুক্ত) ক্যালেন্ডার কোন ওয়েব পেজে দেখাতে চাইলে Calendar Details ট্যাবে ক্লিক করে Embed This Calendar অংশের কোড ওয়েব সাইটে রাখলেই হবে। চাইলে কোড সম্পাদনা করে ক্যালেন্ডারের সাইট ছোট-বড় করতে পারবেন। এছাড়াও Calendar Address বা Private Address এর লিংকও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ক্যালেন্ডার এক্সপোর্ট করতে চাইলে Calendars ট্যাবে থেকে Export calendars এ ক্লিক করে কম্পিউটারে সেভ করতে পারেন।
অন্যের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা: আপনার ক্যালেন্ডারে আপনি অন্যের শেয়ার করা ক্যালেন্ডার বা পাবলিক ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য Settings থেকে Calendars ট্যাবে গিয়ে Browse public calendars এ ক্লিক করুন। এবার Friends’ Calendars ট্যাবে গিয়ে যার ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চান সেই ইমেইল ঠিকানা লিখে এ্যাড করুন। অথবা আপনার মেইলে আসা ক্যালেন্ডার শেয়ারিং মেইলে ক্লিক করেও এ্যাড করতে পারেন। আর পাবলিক ক্যালেন্ডার যোগ করতে চাইলে Add by URL টাবে গিয়ে ক্যালেন্ডারের ইউআরএল লিখে এ্যাড করতে পারবেন। অন্যের এক্সপোর্ট করা ক্যলেন্ডার যোগ করতে চাইলে Import calendar ট্যাবে ক্লিক করে ইমপোর্ট করলেই হবে। এছাড়াও Browse Calendars ট্যাব থেকে কিছু দেশের ছুটির তালিকাসহ বেশ কিছু বিশেষ ক্যালেন্ডার যোগ করতে পারেন।
জিমেইলে গুগল ক্যালান্ডার প্রর্দশন করা: জিমেইলে লগইন করে সেটিংস থেকে Labs ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Google Calendar gadget এর Enable নির্বাচন করে সেভ করুন তাহলে বাম পাশের বাম পাশের প্যানেলে গুগল ক্যালেন্ডার দেখা যাবে।
গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার: যারা গুগল ডেক্সটপ (http://desktop.google.com) ব্যবহার করেন তারা http://desktop.google.com/plugins থেকে গুগল ক্যালেন্ডারের গ্যাজেট ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। তাহলে গুগল ডেক্সটপে ক্যালেন্ডার প্রদর্শন করবে। এখানে লগইন করে ক্যালেন্ডার দেখা এবং ইভেন্ট তৈরী করা যাবে।
আইগুগলে গুগল ক্যালেন্ডার: আইগুগলে (www.google.com/ig) গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে লগইন করে Add stuff » এ ক্লিক করুন। এবার গুগল ক্যালেন্ডারটি এ্যাড করুন এবং আইগুগলে এসে ইচ্ছামত যায়গায় সেট করুন।
এডঅন্স: মজিলা থান্ডারবার্ডে গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে চাইলে https://addons.mozilla.org/en-US/thunderbird/addon/4631 থেকে এডঅন্সটি ইনস্টল করলেই হবে।
অপলাইনে ব্যবহার করা: জিমেইলের মত গুগল ক্যালেন্ডারও অফলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য http://gears.google.com থেকে গুগল গিয়ার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার
গুগল ক্যালেন্ডারের উপরের ডানে Offline এ ক্লিক করে বাটনে ক্লিক করুন তাহলে Enable offline access ডায়ালগ বক্স আসবে এখানে Next করুন (যদি Gears Security Warning ডায়ালগ বক্স আসে তাহলে I trust this site চেক করে Allow বাটনে ক্লিক করুন) এবং কোথায় কোথায় শটকাট নিবেন তা নির্বাচন করে Ok করুন, তাহলে ডাউনলোড (Finishing offline installation এবং পরে Synchronizing…) শুরু হবে। এটি আপডেট ব্রাউজার না হলে সমর্থন করবে না।
গুগল ক্যালেন্ডারে ব্যবহার করে দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ এবং গতিময় করে তোলা যাবে।
অল ইন ওয়ান, সব কিছু চলবে একটার মধ্যে
মিডিয়া প্লেয়ার সবার কাছেই পরিচিত একটা নাম। নতুন করে পরিচয় দেয়ার মত কিছু নাই। আমরা এ ও জানি সব মিডিয়া প্লেয়ারে সব কিছু চলে না। তাই বাধ্য হয়ে আমাদের কে এই প্লেয়ার ঐ প্লেয়ার কত রকমের প্লেয়ার যে ব্যবহার করতে হয়। এই যন্ত্রণা থেকে কি মুক্তি পাওয়া সম্ভব? অবশ্যঅই সম্ভব কেন সম্ভব নয়। যদি আপনার কাছে থাকে অল ইন ওয়ান। মানে এক প্লেয়ার এ সবকিছু চলে এমন কিছু যদি আপনার কাছে থাকে। সব কিছু চলে এমন প্লেয়ার অনেক আছে তার মধ্যে অন্যতম হল ALShow নামের এই মিডিয়া প্লেয়ারটি। অসাধারণ এই প্লেয়ারটি আপনারা পাবেন সম্পূর্ণ ফ্রী তে। এখন বলি এই প্লেয়ারটিতে আপনি কি কি চালাতে পারবেন। অবিশ্বাস্য হলে ও সত্যি এই প্লেয়ারটি ৩০টির ও বেশি ফরম্যাট সাপোর্ট করে। Dvd, vcd, mp3, 3GP, ASF, ASX, DAT, DivX, FLV, IFO, M4A, M4V, MKA, MKV, MOV, MP4, MPA, MPE, MPEG, MPG, OGM, SMI, SMIL, SUB, TP, VOB, WM, WMP, WMV, WVX ইত্যাদি। শুধু কোডেক গুলি ডাউনলোড করে নিতে হবে। ALShow ডাউনলোড করার পরে কোডেক গুলি পেয়ে যাবেন। তো আর দেরি কেন সব কিছু বাদ দিয়ে নির্ভাবনায় ব্যবহার করুন এই ALShow মিডিয়া প্লেয়ারটি। আমি ব্যবহার করে খুব মজা পেয়েছি। আশা করি আপনারা ও পাবেন। ডাউনলোড করবেন এই লিংক থেকে অথবা এই লিংক থেকে।
পাল্টে ফেলুন ফেসবুকের থিম!
সবাই জানি এবং সবাই মানি এখনকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হল ফেসবুক। সময় পেলে একবারের জন্য হলেও ঘুরে আসি প্রতিদিন। কিন্তু প্রতিদিন একই রকমের থিম দেখতে দেখতে আর ভালো লাগে না। অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি অতি সহজে থিম পালটে ফেলতে পারেন। ফলে অনেক মজার মজার থিম ইচ্ছে করলেই পাল্টানো যায়। আমরা সবাই জানি ফেসবুকে তা করা যায় না। তাই খুঁজতে লাগলাম কি ভাবে ফেসবুকে এই কাজটা করা যায়। খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে ও গেলাম :)। খুব মজা পেয়েছিলাম তখন। তাই ভাবলাম এই মজাটুকু আপনাদের সাথেও শেয়ার করি। আশা করি আপনারা ও এই মজাটুকু উপভোগ করবেন।
আসা যাক কি ভাবে ফেসবুকে এটা করা যায়। আপনি ও পারবেন কঠিন কিছু নয়, খুব শহজ। প্রথমে এই লিংকে যান। দেখবেন হাতের বাম পাশে লিখা আছে install plugin ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড শেষে সেটাপ করুন। আবার আগের জায়গায় ফিরে আসুন। দেখতে পাবেন অনেক গুলো মজার মজার থিম দেয়া আছে। View তে ক্লিক করে আপনি থিমটার বড় ছবি দেখতে পাবেন। যে থিমটি আপনার ভালো লাগবে সেটিকে install করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এখন ফেসবুকে লগিন করে দেখে আসুন কেমন লাগে। মনে রাখবেন Chameleon Tom toolbar টি বন্ধ করা যাবে না। আমি Mozilla Firefox এ ব্যবহার করেছি।
আসা যাক কি ভাবে ফেসবুকে এটা করা যায়। আপনি ও পারবেন কঠিন কিছু নয়, খুব শহজ। প্রথমে এই লিংকে যান। দেখবেন হাতের বাম পাশে লিখা আছে install plugin ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড শেষে সেটাপ করুন। আবার আগের জায়গায় ফিরে আসুন। দেখতে পাবেন অনেক গুলো মজার মজার থিম দেয়া আছে। View তে ক্লিক করে আপনি থিমটার বড় ছবি দেখতে পাবেন। যে থিমটি আপনার ভালো লাগবে সেটিকে install করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এখন ফেসবুকে লগিন করে দেখে আসুন কেমন লাগে। মনে রাখবেন Chameleon Tom toolbar টি বন্ধ করা যাবে না। আমি Mozilla Firefox এ ব্যবহার করেছি।
Facebook এ Offline বন্ধুদের Chat History দেখার উপায়
Facebook এ আমরা সবাই কম বেশি চ্যাট করি। অনলাইন বন্ধুদের সাথের Chat History তো সহজেই দেখা যায়, তবে চাইলে অফলাইন বন্ধুদের সাথের Chat History ও আপনি দেখতে পাবেন। এজন্য যে বন্ধুর সাথের Chat History দেখতে চান তার Profile এ যান। তার User_ID নম্বর নোট করুন। এখন অবশ্য অনেক Profile এ User_ID দেখা যায়না। এমন হলে চিন্তার কিছু নেই। Profile এর Send Message বা Poke অপশনে গিয়ে Right Click চাপুন > Copy Link Location/Address দিন। এবার এটি নোটপ্যাডে Paste করুন, সেখান থেকে User_ID নম্বর পেয়ে যাবেন। এবার বন্ধুর Profile ওপেন করে Address Tab এ লিখুন:
javascript:buddyList.itemOnClick(User_ID);
এখানে User_ID এর জায়গায় সেই বন্ধুর User_ID হবে। এবার এন্টার চাপুন আর দেখুন। তবে Chat History যদি Clear করা হয়ে থাকে তাহলে তা আর দেখা যাবেনা।
javascript:buddyList.itemOnClick(User_ID);
এখানে User_ID এর জায়গায় সেই বন্ধুর User_ID হবে। এবার এন্টার চাপুন আর দেখুন। তবে Chat History যদি Clear করা হয়ে থাকে তাহলে তা আর দেখা যাবেনা।
মুঠোফোনে চ্যাট করুন ফেসবুকের সদস্যদের সাথে
আমরা ফেসবুকে চ্যাট করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় ব্যাস্ততার জন্য কম্পিউটারের সামনে বসতে পারিনা। আমাদের বন্ধু হিসেবে থাকে মোবাইল। আর এই মোবাইল দিয়ে যদি ফেসবুকে চ্যাট করা যায় তাহলে সবার সাথে চ্যাট করা যাবে। আর মোবাইল ফেইসবুকে চ্যাট করার জন্য আপনি wap.gatjar.com এ গিয়ে Ebuddy নামক সফটওয়ার টি ডাউনলোড করে নিয়ে মোবাইলে ইনস্টল করে নিন। এবার ফেইসবুকের ইউজার নেমে ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করে চ্যাট করুন ফেইসবুকের সব বন্ধুদের সাথে। আর এই সফটওয়ার দিয়ে ইয়াহু, এমএসএন, জিমেইলে ও চ্যাট করা যাবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)