ইন্টারনেটের মাধ্যমে বড় বড় ফাইল শেয়ার করা বেশ ঝামেলার। কাউকে বড় কোন ফাইল পাঠাতে চাইলে বিভিন্ন ফ্রি হোষ্টিং সাইটে আগে আপলোড করতে হয় এবং ডাউলোডের লিংক দিতে হয়। কিন্তু আপনি জিব্রিজ দ্বারা সহজেই আপনার কম্পিউটারের ফোল্ডারকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার দিতে পারবেন। ফলে আপনাকে কষ্ট করে বড় বড় ফাইল আপলোড করতে হবে না। প্রাপক অনেকটা পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মতো আপনার কম্পিউটারে থেকে ফোল্ডার বা ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবে। এজন্য উভয়কে জিমেইল একাউন্ট এবং জিব্রিজ সফটওয়্যারটি থাকতে হবে। ২.০২ মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যাটি www.gbridge.com থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
এবার সফটওয়্যারটি ইনষ্টল করে জিমেইল আইডি দ্বারা জিব্রিজ লগইন করুন। কোন জিমেইল ব্যবহারকারীকে আমন্ত্রণ করতে চাইলে Invite Friend বাটনে ক্লিক করে জিমেইল ব্যবহাকারীদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। এরপরে কোন জিমেইল ব্যবহাকারী অনলাইনে থাকলে তা বোঝা যাবে। কারো সাথে চ্যাটিং করতে চাইলে উক্ত আইডির উপরে মাউস দ্বারা ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে স্বাভাবিকভাবে চ্যাটিং করতে পারবেন।
ফোল্ডার শেয়ার দেওয়া: আপনার কম্পিউটারের যেকোন ফোল্ডার আপনি নির্দিষ্ট কোন ইউজারকে বা সবাইকে শেয়ার দিতে পারেন। এজন্য Create SecureShare বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে ফোল্ডার শেয়ার দিতে চান সেটি নির্বাচন করে Ok করুন। আপনি যদি নির্দিষ্ট কিছু ইউজারকে শেয়ার দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারগুলো নির্বাচন করুন। আর যদি সেভ থাকা সকল ইউজারদের শেয়ার দিতে চান তাহলে Allowed চেক করুন। আর যদি ভবিষ্যতে যুক্ত হবে এমন ইউজারসহ সকলকে শেয়ার দিতে চান তাহলে Allow all friends (include future new friends) নির্বাচন করুন। এরপরে Ok করুন এবং পরবর্তী ম্যাসেজেও Ok করুন। পূর্বে যদি কোন ইউজারকে নির্বাচিত করে থাকেন তাহলে তাদেরকে উক্ত ফোল্ডার দেখার আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা এমন ম্যাসেজ আসবে। যেখানে Yes Send Now করলে উক্ত ইউজারেররা নোটিফিকেশন পাবে, আর No করলে স্বাভাবিকভাবে শেয়ার সক্রিয় হবে এবং শেয়ার করা ফোল্ডারটি একটি ওয়েব লিংক হিসাবে ডিফল্ড ব্রাউজারে খুলবে। এখন যদি নির্দিষ্ট কাউকে শেয়ার করা ফোল্ডারের লিংকটি দিতে চান তাহলে উক্ত ইউজারের উপরে ক্লিক করে Chat… এ ক্লিক করলে চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Share Link বাটনে ক্লিক করুন। এখানে উপরের মূল পেজ বা নিচের শেয়ার করা ফোল্ডারের উপরে ক্লিক করলে তা চ্যাটিং এর ম্যাসেজ হিসাবে লিংকটি পৌছে যাবে। আপনার লিংকটি পেয়ে উক্ত ইউজার ইচ্ছামত শেয়ার করা ফোল্ডারের তথ্য দেখতে বা ডাউনলোড করতে পারবে।
ডেক্সটপ শেয়ার দেওয়া: আপনি যদি আপনার ডেক্সটপ কোন জিব্রিজ ব্যবহারকারীতে শেয়ার পেতে চান তাহলে যার ডেক্সটপ দেখতে চান তার আইডির চ্যাটিংএ ম্যাসেজ পাঠান। এবার উক্ত ব্যবহারকারী চ্যাটিং উইন্ডো থেকে Send Desktop Share Invitation এ ক্লিক করলে আপনি আমন্ত্রণ পাবেন যা একসেপ্ট করলে আপনি উক্ত ব্যবহারকারীর ডেক্সপট দেখতে পাবেন। যা আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পাববেন।
এছাড়াও Options থেকে নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ নির্ধারণ করে দেয়া যাবে। জিব্রিজ থেকে সাইট আউট করতে LogOff মেনু থেকে Switch User or Change Login Setting এ ক্লিক করলে লগআউট হবে।
Monday, July 12, 2010
যেকোন প্রোগ্রাম বা ফোল্ডার খোলার হট কী তৈরী করা
দরকারী প্রোগ্রাম বা ফোল্ডারগুলো চালু করার জন্য এসবের শর্টকাট তৈরী করে ডেক্সটপে রাখা হয়। কিন্তু ডেক্সটপ খালি রেখেই যদি হটকীর মাধ্যমে পছন্দের প্রোগ্রাম বা ফোল্ডার এমনকি ওয়েবসাইট চালু করা যায় তাহলে কেমন হয়! হটকী তৈরীর এমনই এক ছোট্ট সফটওয়্যার হচ্ছে ক্ল্যাভিয়ার প্লাস। মাত্র ৩৬০ কিলোবাইটের এই সফটওয়্যার http://utilfr42.free.fr থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার সিস্টেম ট্রেতে থাকা ক্ল্যাভিয়ার প্লাসের আইকনে ডাবল ক্লিক করে চালু করুন। এই সফটওয়্যার দ্বারা প্রোগাম, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ফেভারিট বা ডিফল্টে থাকা বিশেষ চিহ্নসহ ফোল্ডার, লেখা, ইচ্ছামত প্রোগ্রাম এবং ওয়েবসাইটের হটকী তৈরী করা যাবে।
জিমেইলে পাঠান যেকোন ফরম্যাটের ফাইল
বিনামূল্যে ব্যবহৃত ইমেইলগুলোর মধ্যে জিমেইল এখন বেশ জনপ্রিয়। জিমেইলে কোন ফাইল পাঠাতে বা ডাউলোড করতে চাইালে একটু হিসাব করতে হয়। কারন জিমইলে .exe, .dll, .ocx, .com .bat ফরম্যাটের ফাইলগুলো সেন্ড (এট্যাচ করা) বা মেইলে আসা এইসব ফরম্যাটের ফাইল ডাউনলোড করতে দেয় না। কিন্তু জিমেইল অনান্য ফরম্যাট যেমন, zip, .tar, .tgz, .taz, .gz .rar পাঠাতে বা ডাউনলোড করতে দেয়। আর zip এর ভিতরে exe বা উপরোক্ত ফরম্যাটের ফাইল থাকলে সেগুলোও তা সেন্ড বা ডাউনলোড করা যায়না। তবে একটু চালাকি করলে এসব ফাইলও পাঠানো যায়।
আপনি যে ফাইলটি মেইল করতে চান সেটি যদি setup.exe ফাইল হয় তাহলে এক্সটেনশন রিনেম করে setup.exe.remove করে সেন্ড করুন। প্রাপক শুধু .remove মুছে ফেলবে তাহলে মূল ফাইল হয়ে যাবে। আর এ্যাপলিকেশন ফাইল যদি বেশী হয় তাহলে সেগুলো জিপ করে zip এক্সটেনশন রিনেম করে মেইল করতে পারেন। আর যদি .rar ফরম্যাটে জিপ করেন তাহলেতো কোন সমস্যায় নেই।
আপনি যে ফাইলটি মেইল করতে চান সেটি যদি setup.exe ফাইল হয় তাহলে এক্সটেনশন রিনেম করে setup.exe.remove করে সেন্ড করুন। প্রাপক শুধু .remove মুছে ফেলবে তাহলে মূল ফাইল হয়ে যাবে। আর এ্যাপলিকেশন ফাইল যদি বেশী হয় তাহলে সেগুলো জিপ করে zip এক্সটেনশন রিনেম করে মেইল করতে পারেন। আর যদি .rar ফরম্যাটে জিপ করেন তাহলেতো কোন সমস্যায় নেই।
জিমেইলের নতুন কিছু সুবিধা
সমপ্রতি জিমেইলে নতুন কিছু সুবিধা দিয়েছে এগুলো হচ্ছে মেইলের সাথে আমন্ত্রণ জানানো, ড্রাগ ড্রপের মাধ্যমে ফাইল এ্যাটাচ করা, সাব লেবেল তৈরী করা এবং মেইলে প্রবেশ না করেই মেইলের সারাংশ দেখা।
ইনভাইটেশন (আমন্ত্রণ): জিমেইলে মেইল করতে গেলে সাবজেক্টের নিচে Attach a file এর ডানে Insert: invitation নামে নতুন একটি লিংক আছে। এই invitation এ ক্লিক করে ডায়ালগ বক্সে আমন্ত্রণের বিষয়, তারিখ এবং সময়, স্থান ইত্যাদি লিখে ক্যালেণ্ডার নির্বাচন করুন এবং নিচের Insert invitation বাটনে ক্লিক করুন তাহলে মেইলের বডিতে সংযুক্ত হবে। এবার যাকে যাকে এই মেইল করবেন তাদের নাম এই আমন্ত্রণে সয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। কোন পরিবর্তন করতে চাইলে মেইলের বডিতে থাকা ইনভাইটেশনের উপরে মাউস ধরে Edit এ ক্লিক করে পরিবর্তন করতে পারবেন।
ড্রাগ ড্রপ এ্যাটাচমেন্ট: মেইলে কোন ফাইল এ্যাটাচ করতে হলে তা ব্রাউজ করে যুক্ত করতে হয়। কিন্তু জিমেইলে উক্ত ফাইলটি ড্রাগ করে এনে মেইলের উপরে ধরলে Drop Files Here আসলে ফাইলটি ছেড়ে দিলেই এ্যাটাচ শুরু হবে।
নেস্টেড লেবেল: জিমেইলের লেবেলর ভিতরে আরেকটি লেবেল পদ্ধতি হচ্ছে নেস্টেড লেবেল। নেস্টেড লেবেল সক্রিয় করতে হলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Nested Labels এর Enable বাটন চেক করে সেভ করতে হবে। এখন যদি Home লেবেলের ভিতরে Family লেবেল তৈরী করতে চাইলে লেবেল গিসাবে Home/Family লিখলেই হবে। এভাবে পূর্বের লেবেলগুলোও সম্পাদনা করা যাবে।
ম্যাসেজ স্ন্যাক পিক: জিমেইলের কোন মেইলের ভিতরে না ঢুকেই মেইলের মূল অংশ দেখা যাবে এই সুবিধার মাধ্যমে। এজন্য জিমেইলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Message Sneak Peek এর Enable বাটন চেক করে সেভ করলে কোন মেইলের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে মেইলের অভ্যন্তরের কিছু অংশ পড়া যাবে।
ইনভাইটেশন (আমন্ত্রণ): জিমেইলে মেইল করতে গেলে সাবজেক্টের নিচে Attach a file এর ডানে Insert: invitation নামে নতুন একটি লিংক আছে। এই invitation এ ক্লিক করে ডায়ালগ বক্সে আমন্ত্রণের বিষয়, তারিখ এবং সময়, স্থান ইত্যাদি লিখে ক্যালেণ্ডার নির্বাচন করুন এবং নিচের Insert invitation বাটনে ক্লিক করুন তাহলে মেইলের বডিতে সংযুক্ত হবে। এবার যাকে যাকে এই মেইল করবেন তাদের নাম এই আমন্ত্রণে সয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। কোন পরিবর্তন করতে চাইলে মেইলের বডিতে থাকা ইনভাইটেশনের উপরে মাউস ধরে Edit এ ক্লিক করে পরিবর্তন করতে পারবেন।
ড্রাগ ড্রপ এ্যাটাচমেন্ট: মেইলে কোন ফাইল এ্যাটাচ করতে হলে তা ব্রাউজ করে যুক্ত করতে হয়। কিন্তু জিমেইলে উক্ত ফাইলটি ড্রাগ করে এনে মেইলের উপরে ধরলে Drop Files Here আসলে ফাইলটি ছেড়ে দিলেই এ্যাটাচ শুরু হবে।
নেস্টেড লেবেল: জিমেইলের লেবেলর ভিতরে আরেকটি লেবেল পদ্ধতি হচ্ছে নেস্টেড লেবেল। নেস্টেড লেবেল সক্রিয় করতে হলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Nested Labels এর Enable বাটন চেক করে সেভ করতে হবে। এখন যদি Home লেবেলের ভিতরে Family লেবেল তৈরী করতে চাইলে লেবেল গিসাবে Home/Family লিখলেই হবে। এভাবে পূর্বের লেবেলগুলোও সম্পাদনা করা যাবে।
ম্যাসেজ স্ন্যাক পিক: জিমেইলের কোন মেইলের ভিতরে না ঢুকেই মেইলের মূল অংশ দেখা যাবে এই সুবিধার মাধ্যমে। এজন্য জিমেইলে সেটিং থেকে ল্যাব ট্যাবে গিয়ে Message Sneak Peek এর Enable বাটন চেক করে সেভ করলে কোন মেইলের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে মেইলের অভ্যন্তরের কিছু অংশ পড়া যাবে।
Sunday, June 13, 2010
মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব প্রোগ্রাম
মাইক্রোসফট অফিস কম্পিউটারে ব্যবহূত প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। অফিস ২০১০-এর কিছু প্রোগ্রামের সমন্বয়ে সম্প্রতি মাইক্রোসফট তাদের অফিস নামের গুচ্ছ সফটওয়্যার ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
‘মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০’ নামের এই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে স্কাইড্রাইভের সঙ্গে। উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট রয়েছে এমন ব্যবহারকারীরা অনেক দিন থেকেই স্কাইড্রাইভ অনলাইন স্টোরেজ সেবাটি ব্যবহার করে আসছেন। স্কাইড্রাইভের ২৫ গিগাবাইট জায়গায় ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত ফাইল, ছবি বা ভিডিও ফাইল রাখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। এবার ফাইল রাখার এই ব্যবস্থার সঙ্গে এমএস অফিস ব্যবহারের সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে। মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০ ব্যবহার করা যাবে http://office.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। তবে এটি ব্যবহার করার জন্য উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। নতুন ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন http://home.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। মাইক্রোসফট অফিস-২০১০ থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড-২০১০, এক্সেল-২০১০, পাওয়ার পয়েন্ট-২০১০, এবং ওয়ান নোট-২০১০ প্রোগ্রামগুলো এখানে ব্যবহার করার সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে এর জন্য কম্পিউটারে মাইক্রোসফট অফিস-২০১০-এর ডেক্সটপ সংস্করণ ইনস্টল করার প্রয়োজন হবে না। ওয়েব ব্রাউজার থেকেই বিনা মূল্যে এটি ব্যবহার করা যাবে। মাইক্রোসফট সিলভার লাইট ইনস্টল করা থাকলে ওয়েব প্রোগ্রামগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। সিলভার লাইট www.microsoft.com/ getsilverlight/get-started/install/default.aspx ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামানো (ডাউনলোড) যাবে। ডেস্কটপের অফিস-২০১০-এর সঙ্গে সমন্বয় করার সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে এখানে। এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে তাই ব্যবহার করার সময় কিছুটা সমস্যাও হতে পারে। তবে এই সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে, কিছু দিনের মধ্যেই আরও নতুন বেশকিছু বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হবে।
মাইক্রোসফট অফিস কম্পিউটারে ব্যবহূত প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। অফিস ২০১০-এর কিছু প্রোগ্রামের সমন্বয়ে সম্প্রতি মাইক্রোসফট তাদের অফিস নামের গুচ্ছ সফটওয়্যার ইন্টারনেটে ব্যবহার করার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
‘মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০’ নামের এই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে স্কাইড্রাইভের সঙ্গে। উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট রয়েছে এমন ব্যবহারকারীরা অনেক দিন থেকেই স্কাইড্রাইভ অনলাইন স্টোরেজ সেবাটি ব্যবহার করে আসছেন। স্কাইড্রাইভের ২৫ গিগাবাইট জায়গায় ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত ফাইল, ছবি বা ভিডিও ফাইল রাখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। এবার ফাইল রাখার এই ব্যবস্থার সঙ্গে এমএস অফিস ব্যবহারের সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে। মাইক্রোসফট অফিস ওয়েব অ্যাপস-২০১০ ব্যবহার করা যাবে http://office.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। তবে এটি ব্যবহার করার জন্য উইন্ডোজ লাইভ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। নতুন ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবেন http://home.live.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। মাইক্রোসফট অফিস-২০১০ থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড-২০১০, এক্সেল-২০১০, পাওয়ার পয়েন্ট-২০১০, এবং ওয়ান নোট-২০১০ প্রোগ্রামগুলো এখানে ব্যবহার করার সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে এর জন্য কম্পিউটারে মাইক্রোসফট অফিস-২০১০-এর ডেক্সটপ সংস্করণ ইনস্টল করার প্রয়োজন হবে না। ওয়েব ব্রাউজার থেকেই বিনা মূল্যে এটি ব্যবহার করা যাবে। মাইক্রোসফট সিলভার লাইট ইনস্টল করা থাকলে ওয়েব প্রোগ্রামগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। সিলভার লাইট www.microsoft.com/ getsilverlight/get-started/install/default.aspx ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামানো (ডাউনলোড) যাবে। ডেস্কটপের অফিস-২০১০-এর সঙ্গে সমন্বয় করার সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে এখানে। এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে তাই ব্যবহার করার সময় কিছুটা সমস্যাও হতে পারে। তবে এই সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে, কিছু দিনের মধ্যেই আরও নতুন বেশকিছু বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হবে।
Monday, June 7, 2010
ফ্রি এন্টিভাইরাস এবং এভাষ্ট ৫ বেটা
ফ্রি এন্টিভাইরাসগুলোর মধ্যে এভাষ্ট অন্যতম। সম্প্রতি এভাষ্ট এর নতুন সংস্করণ ৫ বেটা অবমুক্ত হয়েছে। ইন্টারফেসসহ অনেক কিছুই আমুল পরিবর্তন আনা হয়েছে এই নতুন সংস্করণে। আর জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল প্যাকের ইংরেজী ভাষাতে স্পাইওয়্যার ডক্টর থাকলেও ফ্রেঞ্চ, জার্মান, ইতালিয়ান, চেক, স্প্যানিশ, রাশিয়ান, পর্তুগীজ এবং পোলিশ ভাষাতে ফ্রি এভাষ্ট এন্টিভাইরাস যুক্ত হয়েছে।
এভাষ্ট ৫ বেটা সংস্করণ ডাউনলোড করতে পারবেন www.avast.com থেকে। ৩৮ মেগাবাইটের এই এই এন্টিভাইরাস ইনষ্টল করার পরে বিনামূল্যে ১ বছরের রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন এভাষ্ট ৫ এর Maintenance / Registration থেকে।
এছাড়াও আরো কিছু ফ্রি এন্টিভাইরাসের নাম, ওয়েবসাইট এবং তুলনামূলক চিত্র পাবেন www.av-comparatives.org এখানে।
এভাষ্ট ৫ বেটা সংস্করণ ডাউনলোড করতে পারবেন www.avast.com থেকে। ৩৮ মেগাবাইটের এই এই এন্টিভাইরাস ইনষ্টল করার পরে বিনামূল্যে ১ বছরের রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন এভাষ্ট ৫ এর Maintenance / Registration থেকে।
এছাড়াও আরো কিছু ফ্রি এন্টিভাইরাসের নাম, ওয়েবসাইট এবং তুলনামূলক চিত্র পাবেন www.av-comparatives.org এখানে।
এসএমএস এর মাধ্যমে গুগল বাজে পোস্ট করা
গুগলের সামাজিক নেটওয়ার্ক গুগল বাজ বেশ জনপ্রিয় হতে চলেছে। নতুন কোন পেজ না খুলে জিমেইলেই ব্যবহার করা যায় ফলে সহজেই ব্যবহারকারীরা গুগল বাজ ব্যবহার করে। এছাড়াও বিভিন্ন সাইট যুক্ত করে পোস্ট করা যায় বলে পোস্ট করা নিয়ে ঝামেলা কম হয়। এখন থেকে এসএমএস এর মাধ্যমে গুগল বাজে পোস্ট করা যাবে। এজন্য www.buzzviasms.appspot.com সাইটে যেতে হবে Connect to Buzz এ ক্লিক করুন। এবার গুগলের অথেনটিকেশনের জন্য Ok, continue বাটনে ক্লিক করে গুগলে লগইন করা থাকলে Grant access বাটনে ক্লিক করুন। এবার Welcome পেজ থেকে add a phone এ বাম পাশের ড্রপ ডাউন থেকে দেশের কোড ৮৮০ নির্বাচন করে ডানে মোবাইল নম্বর লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন তাহলে একটি Activation Code আসবে। এবার উক্ত মোবাইল থেকে এ্যাকটিভিশন কোডটি +19252899767 নম্বরে (২ ঘন্টার মধ্যে) সেন্ড করলে মোবাইল নম্বরটি সক্রিয় হবে এবং pending activation টি active numbers হবে। এভাবে একাধিক নম্বর যুক্ত করা যাবে। পরবর্তিতে চাইলে নম্বরটি মুছে ফেলা যাবে। এরপর থেকে যুক্ত করা মোবাইল নম্বর থেকে +19252899767 নম্বরে কোন এসএমএস করলে তা গুগল বাজে পোস্ট হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)